শয়তান_ছেলের_বজ্জাত_বউ
শেষ_পার্ট
রাজন
➷➷
➷➷
➷➷
আমিঃ আযব তো,,এমন পিচ্চি মেয়ের মতো কান্না করো কেন,,,।
রুমিঃ আমায় মিষ্টি দাও,,,,।
আমিঃ এখন ওসব বাদ দাও,,,।
রুমিঃ হুম😥😥
আমিঃ রুমি দেখো সেলিম এখন কোথায়,,,।
রুমিঃ ওকে,,,,।
তারপর রুমি সেলিমের লোকেশান দেখলো,,।
রুমিঃ শাকিল,,সেলিমের জ্ঞান ফিরছে,,আর এখন ও ওই দিকে যাচ্ছে,,,,,,।
আমিঃ তাহলে চলো,,,,।
রাকিবঃ কি ভাবি,,রোমান্স করা হলো,,,,।
রুমিঃ 🙈🙈🙈🙈
আমিঃ ফালতু কথা ছাড়,,,এখন চল,,,,,।
শাকিবঃ কোথায়,,,,।
রুমিঃ সেলিমের জ্ঞান ফিরছে,,, আর ও ওই দিকে যাচ্ছে,,,,,।
রাকিবঃ ওকে চলো,,,,।
তারপর আমরা সেলিমের লোকেশান দেখে দেখে রওনা দিলাম,,,,,।
⭐🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶🚶⭐
ওই দিকে
সেলিম রহমতে কাছে গেলো,,,,।
রহমতঃ কিরে সেলিম,,,হারাম জাদাকে কবর দিয়ে আসলি,😂😂
সেলিমঃ না,,বস,,,িরা চমায় মেরে পালাইছে,,।
রহমতঃ খুব বড় ভুল,,,🤬🤬
সেলিমঃ আমি কিছু করিনি বস,,,,,।
রহমতঃ এর পুরুষ্কার হলে,,মৃত্যু,,,।
সেলিমঃ না বস,,আমায় মাইরেন না,,,।
রহমত কোনো কথা না বলে সেলিমের বুক বরাবর গুলি করলো
রহমতের আরেক চেলাঃ বস,,ওকে মারলেন কেনো,,,।
রহমতঃ ও যদি,,, পুলিশকে বল,,🤔
---ঃ কি হলো,,বস,,,।
রহমতঃ ও যদি পুলিশকে জানিয়ে আসে,,তাহলে আমরা সবার বিপদ,,, তাড়াতাড়ি অন্য হায়গায় যেতে হবে,,,,।
---ঃ ওকে বস,,,,।
⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐
গদিকে আমরা হাটতেই আছি,,,।
রুমিঃ শাকিল,,,সেলিমের লোকেশান সামনে থেমে গেছে,,,,,।
আমিঃ তারমানে,,,আমরা আসল যায়গায় চলে আইছি,,,,,,।
রুমিঃ হুম,,,,।
আমিঃ সবাই খুব সাবধান,,,।
শাকিবঃ ওকে,,,।
তারপর আমরা সামনে হাটতে লাগলাম,,,,।
সামনে যেয়ে দেখলাম😮😮😮
বেশাল একটা বাড়ি,,,।
রুমিঃ শাকিল,,এখানেই , সেলিম আছে,,,।
আমিঃ ওই দেখো,,রহমতের লোকজন,,,,।
রুমিঃ কিন্তু ওরা কি যেন করছে,,,,,।
আমিঃ দাঁড়াও,,,,,,, ।
আমি ভালো করে দেখলাম৷,,,,।
আমিঃ আরে, এরাতো নারি পাচার করছে,,।
রুমিঃ প্লিজ,,যে করেই হোক,,ওদের বাঁচাও,,, ।
আমিঃ ওকে দাঁড়াও,,,,,,।
তখন রহমত বাইরে আসলো,,,,,।
ওকে দেখার সাথে সাথে মনির ওই মুখটা আমার মনে পড়লো,,,,,।
আমি ওকে মেরেই ফেলমু,,,,,,।
রুমিঃ আরে শাকিল, ,,,, কি করছো,,,,,,,।
আমিঃ আমি ওকে মারবো,,তারপর অন্য কথা,,।
রুমিঃ শাকিল,,, রাগ কন্ট্রোল করো,,,,,।
আমিঃ না,,,ও আমার ফুলের মতো,,ভালোবাসাকে মেরে ফেলছে,,,🤬🤬
রুমিঃ ওকে,,,তুমিই মেরো,,,কিন্তু এভাবে না,,,।
আমিঃ কেমনে,,,,,,।
রুমিঃ দাঁড়াও,, আগে ওদের প্ল্যান টা শুনি,,,,,।
আমিঃ হুম,,,,।
💯💯💯💯💯💯💯💯💯💯💯💯
রহমতঃ হেলো,,,আমরা জায়গা চেন্স করছে,।
ওপাস থেকে কি বলছে শোনা যায় না,,,,,।
রহমতঃ পুলিশ আমাদের কথা জেনে ফেলছে,,,।
আমরা ওমুক রাস্তা দিয়ে আরেক জায়গায় যাচ্ছি,,,। না ভাই মেয়ের চিন্তা করেন না,,সব ছলেট,,,,।,, ওকে ভাই,,,।
আমিঃ এবার কি করবে,,,,।
রুমিঃ রাস্তাতেই মারবো,,,,।
আমিঃ কেমনে,,,,।
রুমিঃ প্ল্যান আছে,,, শোনো সবাই,,,।
আমিঃ হুম,,, বলো,,,,।
রুমিঃ রহমত থাকবে একটা গাড়িতে,, আর ওই মেয়েদের রাখবে অন্য গাড়িতে,,,।
আমিঃ হুম,,,,।
রুমিঃ যদি আমরা রহমতের গাড়িতে বম রাখলে,,, রহমত এক্সিডেন্ট করবে,,,।
আমিঃ রহমতকে আমি নিজ হাতে মারতে চাই,,,,।
রুমিঃ হুম,,,বুমা বাস্ট হওয়ার কিছুক্ষণ আগে আমরা রহমতকে কবজা করবো,,,,।
আমিঃ কেমনে,,,,।
রুমিঃ সেটা পরে ভাবা যাবে,,,।
আমিঃ তারপর,,,,।
রুমিঃ পুলিশ মনে করবে,,এটা ওদের দলের কেউ করছে,,,,।
তারপর আমরা প্ল্যান করলাম,,,,।
রাকিবঃ দোস্ত,, রহমত তো চলে যাচ্ছে,,,,।
আমিঃ ওর আগে আমাদের ওখানে পৌঁছাতে হবে,,,,,।
আমিঃ রুমি তুমি থাকো,,আমি রহমতের গাড়িতে বোমা লাগিয়ে আশি,,,,,।
রুমিঃ ওদের কাছেই বোমা আছে,,,।
আমিঃ হুম,,বুঝছি,,,,।
রুমিঃ ওকে,,,কিন্তু সাবধানে,,,।
আমিঃ হুম,,,,।
তারপর আমি ধীরে ধীরে গাড়ির কাছে গেলাম,।
তারপর ওদের ওখান থেকে দুইটা বোমা চুরি করে রহমতের গাড়িতে ছেট করলাম,,,,।
তারপর,,,,,,,,,,,,।
রুমিঃ ওদের কাছেই বোমা আছে,,,।
আমিঃ হুম,,বুঝছি,,,,।
রুমিঃ ওকে,,,কিন্তু সাবধানে,,,।
আমিঃ হুম,,,,।
তারপর আমি ধীরে ধীরে গাড়ির কাছে গেলাম,।
তারপর ওদের ওখান থেকে দুইটা বোমা চুরি করে রহমতের গাড়িতে ছেট করলাম,,,,।
আমি আস্তে আস্তে লুকিয়ে পড়লাম,,,,,।
রুমিঃ আমার কাছে আসো,,,,,,,,,,।
আমিঃ হুম,,।
তারপর আমি রুমির কাছে গেলাম,,,।
রুমিঃ ছেট করছো,,,,।
আমিঃ হুম,,,কম্প্লেট,,,,,।
রুমিঃ এবার চলো,,,,,,।
আমিঃ এবার কি করবা,,,,।
রুমিঃ ওরা কোন রাস্তা দিয়ে যাবে সেটা আমরা জেনে গেছি,,,।
আমিঃ কি করবে,,,,,।
রুমিঃ ওখানেই আক্রমণ করবো,,,,।
আমিঃ ওদের অনেক শক্তি,,, ওদের আক্রমণ করা সম্ভব নয়,,,,,।
রুমিঃ ওদের,,শক্তি আছে,,,আর আমাদের বুদ্ধি আছে,,,,,,,,।
রাকিবঃ ঠিক বলছো ভাবি,,,,।
আমিঃ তাহলে চলো,,,,,।
তারপর আমরা রাস্তাতে গেলাম,,,,,,।
আমিঃ এবার কি করবে,,,,।
রুমিঃ এখানে একটা মন্দির আছে,,,,।
আমিঃ হুম আছে,,,,,।
রুমিঃ ওদের ডাকো,,,তাহলেই হবে,,,,।
আমিঃ ওকে ডাকলাম,, তারপর,,,,।
রুমিঃ তারপর,, ওরা অনেকে আছে,,ওদের সাথে আমরাও মিসে যাবো,,,আর রহমতের গাড়ি আটকাবো,,,,।
আমিঃ কোনটা,,,,।
রুমিঃ যেটাতে করে মেয়ে পাচার করছে,,,,,।
আমিঃ ওটাতেও আমি বম রাখছি,,,,।
রুমিঃ চিন্তা করো না,,অন্য বুদ্ধি আছে,, আর রাকিব তুমি বাজারে গিয়ে,,, যেই স্প্রে করলে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়,,,ওইটা নিয়ে আসো,,,।
রাকিবঃ ওকে ভাবি,,,,,।
রাকিব চলে গেলো,,,,,।
একটু পর আসলো,,,,,।
রুমিঃ শাকিল,, আমরা যখন সবাইকে ঘিরে ধরবো,,তখন তুমি এই স্প্রে রহমতের নাকে দিবা,, আর ওকে তুলে নিয়ে দুরে যাবে,,,।
আমিঃ ওকে,,,,,,।
রুমিঃ শাকিব,,,তুমি বড় গাড়ির পিছনকার গেট খুলবা,,,,।
শাকিবঃ যাতে করে মেয়েরা বের হতে পারে,,,।
তখনি ওবায়দুল কোথা থেকে আসলো,,,।
আমিঃ কিরে,,তুই কোথা থেকে আসলি,,,।
ওবায়দুলঃ তরা আমায় ছেড়ে আসলি কেন,, আমি কি তদের বন্ধু না,,,।
আমিঃ আরে রাগ করছিস কেনো,,,।
ওবায়দুলঃ তো আমায় না জানিয়ে আসলি কেন,,,,,।
আমিঃ তাড়াহুড়োর মধ্যে ভুলে গেছি,,,,।
রাকিবঃ তুই কেমনে জানলি,,আমরা এখানে আছি,,,,,,।
রুমিঃ আমি বলছি,,,,।
আমিঃ কেমনে,,,,।
রুমিঃ তোমার আর আমার কাছে একটা করে চিপস আছে,,,,আর ওটার লোকেশান আমি বাবাকে দিছি,,,,।
ওবায়দুলঃ আঙ্কেল আমায় এই লোকেশন দিছে,,,,,,।
আমিঃ ওহহহহ,।
তারপর আমরা অপেক্ষা করতে লাগলাম,,,,।
মন্দিরের সবাইকে আনছি,,,,,।
শাকিবঃ দোস্ত,, রহমতের গাড়ি আসতাছে,,,।
আমিঃ হুম,,,সবাই শুরু করো,,,।
তারপর হাটতে লাগলাম,,,,।
রহমতের গাড়িকে দাড় করালাম,,,,।
সবাই ওর গাড়ি ঘিরে ধরছে,,, আমি রহমতের গাড়ির কাছে গেলাম,,,,।
রহমত ডাইভারের সাথে কথা বলছে,,,,,।
রহমতঃ এই এদের সরাতো,,,।
---ঃ ওকে বস,,,,।
ডাইভার নিচে নামতেই আমি রহমতের উপর স্প্রে করলাম,,,,,,।
তারপর ওকে ধরে জঙ্গলে রাখলাম,,,,।
রহমতের মুখ বাধা ছিলো রুমাল দিয়ে,,, আমি ওটা খুলে নিয়ে,,, পিছন কার গাড়ি থেকে একজনকে এমন ভাবেই তুললাম,,আর রহমতের জাগায় রাখলাম,,,।
শাকিব গেট খুলে দিছে,,,সবাই বের হলো,,,,।
একটা মেয়ে আর ভয়ে বের হতে পারছে না,,,।
আমিঃ ওবায়দুল,,, ওকে কোলে তুলে নিয়ে আই,,,,।
ওবায়দুল তো খুশি,,,,তারপর ওকে কোলে করে নামালো,,।
আমরা ছিটি দিলাম,,,সবাই এসে আমাদের ঘিরলো,,,,।
তারপর গাড়ি চলে গেলো,,,,।
কেউ টেরি পেলো না,,,,।
ওবায়দুল এখনো ওই মেয়েকে কোলে নিয়েই আছে,,,,।
আমিঃ ওই সালা,,,ওকে নামাবি না বাসায় নিয়ে যাবি,,,,,।
ওবায়দুলঃ ওহহ সরি,,,,।
তারপর ওকে নামালো,,,।
আমিঃ রুমি,, এদের কি করবা,,,।
রুমিঃ পুলিশকে ডাকি,,,।
আমিঃ না,,,পুলিশ আসলে অনেক ঝামেলা হবে,,,,।
রুমিঃ তো কি করতে চাচ্ছো,,,,।
রাকিঃ ওই দেখ,,,ওদের গাড়ি , এদিকে আসছে,,,,।
আমি তাকিয়ে দেখি,, রহমতের চেলারা বুঝে গেছে,,,,।
রুমি আমার হাত শক্ত করে ধরলো,,,,।
আমি ভেবে পাচ্ছি না,,, কি করবো এখন,,,,।
আসতেই ওরা এগিয়ে আসছে,,,,।
আমাদের সামনে একটু দুরেই বাস্ট হয়ে গেলো,,,,।
আমরা সবাই মাটিতে পড়ে গেলাম,,,,।
মিনিটের মধ্যে সব কিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেলো,,,,,,।
আমিঃ পুলিশকে ফোন করো,,,,।
রুমিঃ কিহ😮😮😮
তারপর,,,,,,,,,,।
আমাদের সামনে একটু দুরেই বাস্ট হয়ে গেলো,,,,।
আমরা সবাই মাটিতে পড়ে গেলাম,,,,।
মিনিটের মধ্যে সব কিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেলো,,,,,,।
আমিঃ পুলিশকে ফোন করো,,,,।
রুমিঃ কিহ😮😮😮
আমিঃ হুম,,,,আর এই মেয়ে তোমার নাম কি,,।
মেয়েঃ নিলা,,,।
আমিঃ শোনো মিলা,,,আমরা তোমাদের বাচিয়েছি,,,,এখন তোমরা সবাই বাসায় যাও,, আর নয়তো জেলে যেতে হবে,,,,।
তারপর সবাই এসে আমায় জড়িয়ে ধরলো,,,।
আমিঃ আরে কি করছো,,,,,।
নিলাঃ ভাইয়া,,আপনারা না থাকলে আমরা আজ কোথায় থাকতাম জানি না,,,,।
আমিঃ এগুলো সব আল্লহর ইচ্ছে,,, ওই হারামি রহমতকে এমন শাস্তি দিবো,,,।
রুমিঃ শাকিল,,,রহমত কই,,,,,।
আমিঃ ওইতো দেখো,,,সুয়ে রেখেছি,,,,।
রুমিঃ এবার চলো,,,রহমতের ব্যাবস্থা করতে হবে,,,,,,।
আমিঃ বাই,,, বোনেরা,,,,।
নিলাঃ চলো,,সবায় বাসায় চলো,,,,,।।
তখনি ওর মধ্যে থেকে একটা মেয়ে আমায় হাত ধরলো,,,,,।
আমি অবাক,,, রুমি তো তেলে জলে ফুলতাছে,,,,,,।
মেয়েঃ ভাইয়া,,আমার কেউ নাই,,কই যামু,,,।
আমিঃ বাবা মা নাই,,,,,।
মেয়েঃ না,,,ওদের ওই রহমত খুন করছে,,,।
আমিঃ নাম কি তোমার,,,,।
মেয়েঃ মিম,,,,।
আমিঃ তুমি আমাদের সাথে চলো,,,,।
রুমি দৌড়ে এসে আমার হাত ওর কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে,,, ও ধরলো,,,,।
রুমিঃ কি হচ্ছে কি,, কথা বলবা,,মুখে মুখে,, হাত ধরো কেন,,,,।
আমিঃ রুমি,,ওর অবস্থাটা বুঝার চেষ্টা করো,,,।
ওবায়দুলঃ মিম,,,তোমার কেউ না থাকলে আমি আছি,,,,,,।🤩🤩🤩
রুমিঃ হুম,,ওবায়দুল ওরে তুমি নাও,,,,।
রাকিবঃ নিবে বলেই তো লাফাচ্ছে, 😂😂
ওবায়দুলঃ মিম,,চলো,,,।
মিমঃ হুম,,😥😥
আমিঃ আরে আমরাও তো যাবো,,,,।
ওবায়দুলঃ তরা পরে আই,,,।
আমিঃ জি এফ পেয়ে এখন বন্ধুকে ভুলে গেলি,,,,,,,,।
রুমিঃ ওই,,তোমার জন্য আমি আছি😍
শাকিবঃ ঠিক ভাবি,,,,।
আমিঃ এবার চল,,,,।
তারপর আমরা রহমতকে একটা পুরোনো বাড়িতে নিয়ে গেলাম,,,,,।
চোখে পানি মেরে জ্ঞান ফিরালাম,,,,।
আমিঃ কিবে হারামি,,,,কেমন আছিস,,,।
রহমতঃ কে তুই,,,,।
আমিঃ মনে পড়ে না,,,আমি সেই মেয়ের ভালোবাসা,,,যাকে তরা কুত্তার মতো খেয়েছিস,,,,।
রহমতঃ শাকিল,,,তুই,,,,।
আমিঃ হেরে হ্যা,,,,আমি সেই ছোট্ট শাকিল,,, প্রতিশোধের আগুনে আমি আজ এরকম,,,,।
রহমতঃ আমার কাছে কি চাস,,,,।
আমিঃ তর মৃত্যু,,,,।
রহমতঃ আমায় ছেড়ে দে,,,আমি তকে অনেক টাকা দিবো,,,,,।
আমিঃ টাকা,,,টাকা নিয়ে আমি কি করবো,,, আমার মনি আজো এই বুকে আছে,, শুধু তর মৃত্যুটা দেখার জন্য,,,, ,।
রহমতঃ প্লিজ আমায় মারিস না,,,,।
আমার মাথাটা গরম হয়ে গেলো,,,,,,,।
আমি একটা বাঁশ হাতে নিয়ে রহমতের মাথায় মারলাম,,,মথা থেকে খুলিটা আলাদা হয়ে গেলো,,,,।
সাথে সাথে রুমি চিল্লানি দিলো,,,,।
আমি বাশটা ফেলে রুমিকে জড়িয়ে ধরনু,,,,।
রুমি আমার বুকে মাথা রেখে শুধু কেদেই যাচ্ছে,,,,,,।
আমি রাকিব শাকিবকে ইশারাই লাশটা সরাতে বললাম,,,।
সালা ওবায়দুল তো মিম কে নিয়েই পাগল,,,,।
হঠাৎ ওবায়দুল মিমকে জড়িয়ে ধরলো,,,।
আমিঃ কিরে,,,এতদিন এত গুন্ডামি করলি,, আর আজ ভয় লাগছে,,,,।
ওবায়দুলঃ আরে ভয় কেনো লাগবে,,,,।
আমিঃ তো ওমন বউয়ের আঁচলে লুকালি কেন,,,,,।
ওবায়দুলঃ তর বউ তকে জড়িয়ে ধরলো,,আর আমার বউ আমায় ধরলো না,,তাই আমিই ধরলাম,,,,।
মিমঃ কে তোমার বউ,,,,। ছাড়ো,,,,।
ওবায়দুলঃ না ইয়ে মানে,,,তোমার তো কেউ নাই,,,তাই আমি যদি তোমায় বিয়ে,,,,।
মিমঃ হয়ছে আর বলতে হবে না,,,,,।
রুমিঃ মিম,,ওবায়দুল ভাই ছেলে হিসাবে ভালো কিন্তু গাঁজা খাই😂😂😂😂
ওবায়দুলঃ ভাবি এটা কিন্তু ঠিক হচ্ছে না,,,।
মিমঃ ওতো ঠিকি বলছে,,,,।
ওবায়দুলঃ ধুর কেউ আমায় ভালোবাসে না,,,।
মিমঃ আরে দাড়াও,,,,।
ওবায়দুলঃ হুম বলো,,,,,।
মিম যেয়ে ওবায়দুলকে জড়িয়ে ধরলো,,,,।
ওবায়দুলঃ একেই বলে আমার বউ,,,।
মিমঃ 🙄🙄🙄🙄
ওবায়দুলঃ না মানে,,,কিছু না,,,।
আমিঃ এই দেখ আমার বউ এখনো আমায় ধরে আছে,,,,।
রুমিঃ আমায় বউ বললা,,,।
আমিঃ হুম,,,।
রুমিঃ এটা শোনার জন্য,, আমি কত অপেক্ষা করছি,,,,।
আমিঃ হুম,,,,।
রাকিবঃ দোস্ত,, কাজ হয়ে গেছে,,,,,।
আমিঃ এবার বাসায় চল,,,,,,।
তারপর আমরা যে যার বাসায় চলে গেলাম,,,,।
আব্বু আম্মু আমাদের দেখে খুশি হলো,,,।
ভাবিঃ আমার কথা ভুলেই গেলা,,,।
আমিঃ আরে ভাবি,,,,।
আমি যেয়ে ভাবিকে কোলে নিলাম,,,,।
ভাবিঃ আরে ভাই,,,কি করছিস,,পড়ে যাবো তো,।
আমিঃ তাই,,,,।
ভাবিঃ ছাড় বলছি,,,,।
আমিঃ এই নাও ছেড়ে দিলাম,,,,,।
ভাবিঃ ওমা গো মাঝা গেলো গো,,,,।
আম্মুঃ হা হা হা🤣🤣🤣🤣
ভাবিঃ কুত্তা,,, ওত উপর থেকে ছাড়লি কেন,,।
আমিঃ 🤣🤣🤣
আমি ভাবির সাথে কথা বলতে লাগলাম,,,,।
ভাবিঃ অনেক হয়ছে,,এবার উপরে যেয়ে ফ্রেস হয়ে আই,,,,।
তারপর আমরা উপরে গেলাম,,,,।
ফ্রেস হয়ে নিচে আসলাম,,,,।
ভাবি ভাইয়ার সাথে মজা করছি,,,খুব ভালো লাগছে,,,,।
আম্মুঃ মা,,,আজ তোমার জন্য,, আমার এই অবাদ্য সন্তান ফিরে পেলাম,,,,।
রুমিঃ আম্মু,,,আপনায় আমি কথা দিয়েছিলাম,,আপনার কোলে ফিরিয়ে দিবো,,,।
আম্মুঃ হুম,,,এখন আমার কোল ভরে গেছে মা,,,,,।
তারপর খাওয়া দাওয়া শেষ করে,,, রুমে গেলাম,,,,,।
আমি রুমে যেয়ে দিখি রুমি ব্যাগ গুছাচ্ছে,,,,।
আমিঃ ব্যাগ,, কেনো গুছাচ্ছো,,,,।
রুমিঃ আমার দায়িত্ব শেষ,, আমি এবার বাসায় যাবো,,,,।
আমিঃ কিসের দায়িত্ব,,,,।
রুমিঃ আমি আম্মুকে কথা দিছিলাম,,,আপনাকে ওনার কোলে ফিরিয়ে দিবো,,,, আর সেটা হলো,,তাই আমিও ছুটি নিলাম,,,,।
আমিঃ স্বামীর উপর থেকে স্ত্রীর দায়িত্ব কখন শেষ হয় না,,,,,।
রুমিঃ তুমি তো আমায় স্ত্রী মানো না,,, আর তাছাড়া আমায় যেতে হবে,,,,।
আমিঃ তাহলে আমার কি হবে,,,,।
রুমিঃ একটা ভালো মেয়ে দেখে বিয়া করবা,,,।
আমিঃ আমি ওত কিছু জানি না,,আমি এখন ইয়ে করমু,,,।
রুমিঃ কি,,।
আমিঃ আমি এখন,,,বাসর করমু🙈🙈🙈
রুমিঃ যাহ,,,লজ্জা করে না🙈🙈
আমিঃ আমি আমার বউয়ের সাথে করতে চাইছি,,,অন্য কারোর সাথে তো না,,,,।
রুমিঃ অন্য কারোর সাথে করতে চাইলে,,খুন করবো,,,,।
আমিঃ হুম,,,করবো না,,এখন তোমার সাথে করবো,,,,,।
রুমিঃ 🙈🙈🙈🙈🙈
ও পাঠক ভায়েরা,,,আমার বউ লজ্জা পাইছে,, এখন আপনারা যান,,,আমরা কাজে ব্যাস্ত,,,,।
আবার আইসেন,,,।
★************সমাপ্ত **********
কেমন লাগলো অবশ্যই জানাবেন,,,,।
গল্পটা পুরাই কাল্পনিক,,,।
পরের গল্পের জন্য অপেক্ষা করুন,,,।।।
পাসেই থাকুন,,আর আমার জন্য বউ খুজুন🙈🙈🙈🙈🙈🙈
ধন্যবাদ,,,,,,,,,,,,।
