মামাতো বোনের সাথে বিয়ে" Part: 03"&End "

  

মামাতো বোনের সাথে বিয়ে"

Part: 03"&End "

#Writer: Jahedur Rahman Saikat "


গোসল করে টাওয়ালটা পড়ে বাথরুম থেকে বের হতেই দেখি নীলা বসে আছে, আমারতো আবারও লজ্জা লাগছে এই মেয়ের কি কোন লজ্জা সরম নাই, একটা ছেলের সামনে বসে আছে তাও আবার ছেলেটির গায়ে শুধু টাওয়াল ছাড়া কিছু নাই, 


আমিঃ কিরে তুই এখনও এখানে, আমি কাপড় চেইঞ্জ করবো যা এখন,, 


নীলাঃ আমার সামনেই কর, তুই তো আমার সবকিছু দেখে নিছস, এখন আমিও দেখবো, হিসাব বরাবর,,


আমিঃ এই তর কি লজ্জা সরম কিছু নাই ওইটা একটা এক্সিডেন্ট ছিল, আর আমি কিছুই দেখি নি,,


নীলাঃ তা বললে তো হবে না,, 


আমিঃ কেন,, আচ্ছা সরি তর পায়ে পড়ি তাও এখন চলে যা,,,


নীলাঃ কিছুনা বলে চলে গেল,, আমিও কাপড় চেইঞ্জ করে একটু বাহিরে গেলাম মামা মামীর কাছে গিয়ে বসলাম,, বললাম আচ্ছা মামা একটা কথা জানার ছিল, বলবেন প্লিজ,,,


মামাঃ হুম বল,, 


আমিঃ আচ্ছা আমি তো বাবা মাকে কোনদিন দেখি নি, আর যাদের কাছে ছিলাম তারা নাকি আমার চাচা,চাচী, তাহলে আমার বাবা মা কোথায়,,চাচা কিছু বলে না,,,


মামাঃ তর জানা লাগবে না,,


আমিঃ আচ্ছা, আমি আজই চলে যাব,, আর এখনই বলেই উঠে চলে আসলাম, কেউকিছু বলবে না,, আর থাকবো না,,, 


মামাঃ ওই কই যাবি, আচ্ছা বলছি শুন,,


আমিঃ যাক এক কথায় ই কাজ হয়ে গেছে,, হুম বলেন,,


মামাঃ তর বাবা আর মা নেই,, একটা এক্সিডেন্ট এ মারা যায়, তুই যখন তিন বছরের তখন তুই তর বাবার একটা ফাইল এ কফি পেলে দিছিলি আর তর বাবা রেগে গিয়ে তকে বাসা থেকে বের করে দেয়, আর এটার জন্য তর আব্বু আর চাচ্চুর কথা কাটাকাটি হয় আর তর চাচ্চু তকেনিয়ে ডাকা চলে আসে, আর সেটার জন্যই তুই এখনও বেচে আছিস, কারণ সেই ফাইলটার নিচে বম ছিল, ব্লাস্ট হয়ে তর আব্বু আর আম্মু মারা যায়,, আর একথা আমিই তর চাচ্চুকে বলতে না করছিলাম, কারণ তর চাচী তর খালা মানে তর আম্মুর বোন, আর তুই এখানে এতদিন এসব জানবি বলেই আসতে দেই নি বলছে তর নানার বাড়ী নেই, 


আমিঃ এগুলা শুনে চোখ দিয়ে পানি পড়তেছে, তখন কাধে কারো হাত পেয়ে তাকিয়ে দেখি চাচ্চু আর চাচী,, সাথে সাথে তাদের জরিয়ে ধরে কান্না করে দিলাম, চাচা চাচী ও আমাকে জরিয়ে কান্না করে দিল,, তারপর নিজেকে স্বাভাবিক করে বললাম,, তুমরাই আমার বাবা মা,,,


চাচাঃ হুম, আমাদের একটা কথা রাখবি,,,


আমিঃ হুম বলো,,,


আব্বুঃ নীলাকে বিয়ে করবি,,, 


আমিঃ আব্বু এটা হতে পারে না আমি একজনকে ভালবাসী,, (ওদের সাথে আমি ফ্রি তাইবলে দিলাম,)


তখন নীলা কোথা থেকে এসে বললো, ওই মেয়েটার আইডির নাম নীলাঞ্জনা পরি, আর ওর সাথে তর ফেসবুক রিলেশন, প্রায় ২ বছর, কিন্তু হঠাৎ করে মেয়েটা হারিয়ে গেছে, আর তুই কখনো মেয়েটাকে দেখিস নি তাই তো,,


আমিঃ হুম তবে তুই জানলি কিভাবে,,,


নীলাঃ কারণ সেই মেয়েটা আমি,,,


( আমি যখন গল্প লিখতাম তখন একটা মেয়ের কমেন্টগুলা আমার অনেকসুন্দর লাগতো তাই তারে একদিন মেসেজ দিলাম, কথা বলতে বলতে ফেন্ডশীপ তারপর খেয়াল করলাম আমি ওর প্রতি দূর্বল, আর ওইদিকে ও আমায় ভালবাসে তবে ভয়ে বলতে পারি না, তারপরও একদিন সাহস নিয়ে বলে দিলাম নীলা আমি তকে ভালবাসী, তারপর থেকেই আমাদের রিলেশন শুরু হয়, রিলেশন এর দুইবছর কিভাবে চলে গেল বুজতেই পারি নি কিন্তু হঠাৎ করেই নীলাকে আর খুজে পাই নি সেই থেকে আমি একা অনেক খুজেছি কিন্তু পাই নি,কিন্তু আজ সেই নীলা আমার সামনে, কি বলবো নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছি না, কেমন যেন সব সপৃনের মত লাগছে, এতটাই ভালবাসী নীলাকে ওর জায়গায় অন্য কাউকে কল্পনাও করতে পারি না, আর এসব আমার আব্বু আম্মু মামা মামী সবাই জানে, ওরাও মেনে নিয়েছে,, আর প্লেন করেই সবকিছু করিয়েছে,,) সবই আছে এখন কিন্তু সবকিছুর মাঝেও বাবা মাকে মিস করতেছি,, আমার কপালে হয়তো সেটাও নেই, আল্লাহ আমার বাবা মাকে জান্নাত দান করুন এ দোয়া ছাড়া আর কিছুই করার নেই,)


আমি আর কিছু না ভেবেই নীলাকে সবার সামনেই জরিয়ে ধরে বললাম, কই হারাই গেছিলি,কত খুজেছি তরে জানিস, কত কষ্ট করে থেকেছি, কোন মতেই তরে ভুলতে পারি নি,, 


নীলাঃআরে পাগল আমি তর খোজ ঠীকই নিতাম তর, তবে সেটা আড়ালে, ভেবেছিলাম এভাবে তকে সারপ্রাইজ দিব তাই ওই ফেইক আইডি দিয়ে তকে ফেন্ডরিকোয়েস্ট দিছিলাম, যাতে তর সাথে কতা বলতে পারি কিন্তু তুই তো একসেপ্ট ই করিস নাই,৷ 


আমিঃ তুই তো না করছিলি, কারো সাথে কথা না বলতে,,,


নীলাঃ ওরে আমার পাগল রে,,


আমিঃ হুম শুধু তর পাগল,,

 ওরেশক্ত করে জরিয়ে ধরে আছি, মন চাচ্ছে সারাজীবন এভাবে ওর মাঝে ডুবে থাকতে আর আমি সেটাই করবো,,,


..........................( সমাপ্ত )................................


গল্পটা কেমন হইছে জানাবেন,, আর পরবর্তী গল্পের অপেক্ষায় থাকুন,,,,

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post