প্রাক্তন লেখকঃ সিয়াম হোসেন পর্বঃ ৪

 


প্রাক্তন

লেখকঃ সিয়াম হোসেন 

পর্বঃ ৪ 


মিলিকে বিয়ে করেছি ২ মাস হতে চললো৷ এই দুই মাসে মিলির সকল প্রকার পাগলো আহ্লাদ জেদ যেনো তার প্রতি আমার আকৃষ্টটা অনেক গুন বাড়িয়ে দিয়েছে৷ তার এমন পাগলামোর মাঝে যে নিহাত ভালোবাসা স্পষ্টত দেখলেই বোঝা যায়৷ তবে এখনও আমাদের মাঝে কোনো প্রকার কিছু হয়নি৷ না হওয়াটা স্বাভাবিক এখনও যে মন কিছুটা ইস্তবোধ করে মাঝে মাঝে৷ তবে এই ২ মাসে অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়েছে৷ মাঝে মাঝে যখন অফিসে বসে সময় কাটতে চায় না মিলিকে ফোন করে খোজ খবর রাখি কি করছে না করছে৷ মিলির বাহিরের তেলের ভাজা জিনিসটা খুবই পছন্দ বিশেষ করে আলুর চপটা৷ প্রতিদিন অফিস থেকে ফিরতি পথে তার জন্য আনতেই হবে মিস হলে চলবে না নয়তো সেদিন রাতে আমার বাসার খাওয়াটা বন্ধ করে দেয় সে৷ তার এমন পাগলামোটা এখন অভ্যাসে পরিনত হয়ে গিয়েছে৷ আসলেই কি অভ্যাস নাকি তার প্রতি ভালোবাসা কখনও তেমন ভাবে ভেবে দেখা হয় নি৷ সোফায় ঘুমানো থেকে এখন বিছানায় প্রমোশন হয়েছে। তাছাড়া স্বামীর ভালোবাসাটা কিভাবে পেতে হয় মিলি সেটা আমার কাছ থেকে অধিকার আদায় করে নিয়েছে৷ রাতে বিছানায় শুয়ে আছি৷ সারাদিন অফিস করার পর এখন অনেকটা ক্লান্ত লাগছে 

- এই তুমি শুয়ে আছো কেনো খাবে না? 

- না অনেক ক্লান্ত লাগছে গো আজকে৷ 

- শরীর খারাপ করলো নাকি আবার? 

- না না এমনিই আজ অফিসে অনেক চাপ ছিলো তাই এখন অনেক ক্লান্ত লাগছে৷ 

- কই দেখি 

বলেই তার হাতের তালু দিয়ে কপালে হাত দিলো 

- তোমার কপাল তো দেখি অনেক গরম সাথে শরীরও জ্বর বাধিয়ে নিয়েছো দেখি।  

- তেমন কিছু না ও ঠিক হয়ে যাবে।  

- কিসের ঠিক হবে কিচ্ছু ঠিক হবে না উঠে বসো আমি তোমার খাবার এনে দিচ্ছি খাবার খেয়ে ঔষধ খেয়ে চুপ করে শুয়ে থাকবে একটা কথাও বলবে না৷ 

আমি কিছু বলতে যাবো তার আগেই মিলি ঘর থেকে বের হয়ে গেলো৷ পাঁচ মিনিটের মাথায় মিলি রুমে হাজির হাতে প্লেট ভর্তি খাবার।  

- এতো খাবার কে খাবে?। 

- তুমি ছাড়া কে খাবে শুনি৷ 

- আমি এতো খাবার খেতে পারবো না৷ 

- চুপ একটা কথাও বলবে না চুপ করে বসে থাকো আমি খাইয়ে দিচ্ছি।

মিলি আলতো করে ভাত মাখিয়ে আমাকে খাইয়ে দিচ্ছে৷ আহা কি ভালোবাসা এত ভালোবাসা যে আমি কোথায় রাখি৷

- কি হলে ওমন তাকিয়ে আছো কেনো? 

- দেখছি 

- কি 

- চাঁদ 

- জ্বরের ঘোরে পাগল টাগল হয়ে গেলে নাকি এই চার দেওয়ালের মাঝে চাঁদ কোথায় দেখছো? 

- এই-যে আমার সামনে বসে আমাকে তার নরম তুলার মতো হাত গুলো দিয়ে খাইয়ে দিচ্ছে।  

মিলি কিছুটা লজ্জা পেলো তবে সেটা আমাকে বুঝতে না দিয়ে নিজেকে সামলে নিয়ে জবাব দিলো 

- হয়েছে আর আদিখ্যেতা দেখাতে হবে না৷ জ্বরের ঘোরে আছো তাই মনে হচ্ছে অন্যান্য সময় তো তোমার ওই প্রাক্তনকে নিয়েই ভাবো৷ 

কথাটার মাঝে এক চাপা অভিমান বহন করছে সেটা বুঝতে কষ্ট হলো না আমার৷ মিলি আমাকে খাইয়ে দিয়ে রুম থেকে বের হয়ে গেলো৷ না মেয়েটাকে আর নিজের থেকে দূরে রাখা যাবে না তাছাড়া আমি কেনই-বা এখনও নীলিমাকে মনে রেখেছি? সে তো এতো দিনে আমাকে ভুলে ছেলেটার সাথে বেশ সংসার করে চলেছে৷ 

- এই নাও এই ঔষুধটা খেয়ে নাও দেখবে জ্বর ঠিক হয়ে যাবে৷ 

- হুমম 


রাত ১০ বাজে বিছানায় শুয়ে আছি৷ ঘুম আসছে না কেননা মিলি এখনও কাজ করেই চলেছে৷ এই ২ মাসে মেয়েটা সংসার টাকে নিজের করে গুছিয়ে নিয়েছে৷ শহরের মেয়ে হয়েও সে বেশ সংসারী হয়ে উঠেছে৷ মিলি নিজের সকল কাজ শেষ করে রুমে প্রবেশ করেই দরজাটা বন্ধ করে দিলো৷ 

- কি হলে তুমি এখনও ঘুমাওনি যে? 

- ঘুম আসছিলো না 

- কেনে জ্বর কমেনি? 

- হ্যা সেটা কিছুটা কমেছে তবে তোমার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম৷ 

মিলি লাইট অফ করে দিয়ে বিছানায় এসে দুজনের মাঝে কোল বালিশ দিলে আমি সেটা নিচে ছুরে ফেলে দিলাম৷ 

- কি হলে বালিশ ফেলে দিলে কেনো? 

- আমি চায়না আমাদের মাঝে আর কোনো বাধা থাকুক৷ 

- বাবা তাই নাকি তোমার মতি গতি আজকে ভালো ঠেকছে না বাপু উল্টা পাল্টা কিছু ভাবছো না তো? ভাবলে কিন্তু মুখ ফাটিয়ে দিবো বলে রাখলাম।

 - এ্যা বললেই হলো আমি তোমার স্বামী ভাবতেই পারি হু৷ 

- হঠাৎ আজকে স্বামীর অধিকার খাটাচ্ছো কি ব্যাপার৷ 

- তোমার ভাবতে হবে না আমার কাছে এগিয়ে এসে মাথাটা এইখানে রাখো৷ 

মিলি আর কিছু বললো না৷ কাছে এগিয়ে এসে মাথাটা আমার বুকের উপর রেখে বা-হাতটা দিয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরেছে৷ আমিও নিজের বা- হাতটা দিয়ে তাকে বুকের সাথে আরও শক্ত করে আগলে রাখলাম৷ 

- সিয়াম একটা কথা জিজ্ঞাসা করি? 

- হুমম 

- তুমি কি এখনও সেই মেয়েটাকে মনে করো? 

- জানিনা তবে মাঝে মাঝে তার কথা মনে পড়ে৷ 

- ওহ্ আর একটা কথা যেটা আমি কখনও তোমার কাছে জানতে চাইনি তবে আজ কেনো জানি বড্ড জানতে ইচ্ছে করছে "তুমি কি আমাকে ভালোবাসো?

মিলির কথার কোনো উত্তর দিতে পারলাম না৷ মিলিও উত্তর না পেয়ে চুপ করে রইলো৷ কি বলবো তার প্রশ্নের উত্তরে যদি হ্যা বলি তাহলে কি সেটা মন থেকে বলা হবে? নাকি কথার পরিপ্রেক্ষিতে উত্তর দেওয়া হবে৷ এই বিষয়টা আমাকে কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দে ফেলে দিয়েছে৷  


আজ অফিসটা তাড়াতাড়িই ছুটি দিয়ে দিয়েছে৷ অফিস থেকে বের হয়েই সিদ্ধান্ত নিলাম মিলিকে নিয়ে আজ একটু সন্ধ্যার পরে বের হবো এবং রাতের খাবারটা বাইরে করার চিন্তা ভাবনা রয়েছে৷ কালকে রাতের ঘটনাটা বোধ হয়েছে মিলির খারাপ লেগেছে তার প্রশ্নের উত্তরটা না দেওয়ায়৷ তাই তার মন ভালো করার জন্য হলেও ঘুরতে বের হবো৷ পকেটে থাকা ফোনটা " ও বেহুলা" বলে বেজে উঠলো৷ এই সময় আবার কে ফোন দেয়৷ হাতে নিয়ে দেখি এক অপরিচিত নাম্বার সাত পাঁচ না ভেবে ধরলাম।  

- আসসালামু আলাইকুম 

- ওয়ালাইকুম আসসালাম (অপর পাশ থেকে এক মেয়েলি কন্ঠে। কন্ঠটা কেমন যেনো চেনা চেনা মনে হচ্ছে) 

- কে বলছেন?  

- আমি ভুলে গেলে এতো তাড়াতাড়ি? 

কি বলবো বুঝে উঠতে পারছি না৷ হঠাৎ করে নীলিমার ফোন কেনো? নাকি আমার কাটাঁ ঘায়ে নুনের ছিটা দেবার জন্যই ফোন করেছে যখন নিজেকে কিছুটা গুছিয়ে নিয়েছি? 

- কি হলো কথা বলছো না কেনো? 

- হুমম বলো শুনছি কেনো ফোন দিয়েছো? 

- কেনো আমি কি তোমাকে ফোন দিতে পারি না? এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেলে আমাকে? 

- মাঝে মাঝে কিছু জিনিসকে ভুলে যাওয়াটাই ভালো নয়তো সেটা মনের মাঝে অবস্থান করে জীবনকে দিন দিন নরক বানিয়ে ফেলে৷ 

- হুমম বুঝলাম 

- এখন ওতো কথা বাদ দিয়ে বলো ফোন দিয়েছো কেনো? 

- এমন করছো কেনো? একটু দেখা করতে পারবে? 

- কেনো 

- আমার তোমার সাথে কিছু কথা আছে এবং সেটা খুবই জরুরি প্লিজ না করো না৷ 

- তোমার কাছে হয়তো-বা জরুরি তবে আমার কাছে না৷ যা বলার ফোনেই বলো আমি শুনছি৷ 

- প্লিজ সিয়াম একটি বারের জন্য দেখা করো আমি তোমার জন্য বাগদাদ রেস্টুরেন্টে অপেক্ষা করছি প্লিজ একবারের জন্য আসো প্লিজ৷ 

- আচ্ছা আসছি রাখো 

- আসিও আমাকে অপেক্ষায় রেখো না প্লিজ৷ 

কোনো কথা না বাড়িয়ে ফোনটা রেখে দিলাম৷ হঠাৎ করে নীলিমার কি এমন জরুরি কথা রয়েছে যে আমার জন্য সে অপেক্ষা করে বসে রয়েছে৷ আমার কি সেখানে যাওয়া ঠিক হবে? কি এমন দরকার হতে পারে তার? তাছাড়া ওই দিকে আজকে মিলিকে নিয়ে একটু বের হতে চাইলাম নীলিমার সাথে দেখা করতে গেলে কি দেড়ি হয়ে যাবে না? যদি মিলি জানতে পারে আমি নীলিমার সাথে দেখা করেছি তখন কি সে আরও কষ্ট পাবে না? মাথাটা কাজ করছে না কি করবো৷ আবার তার সাথে দেখা না করতে গেলেও বিষয়টা খারাপ দেখায় সে আমার জন্য অপেক্ষা করছে হয়তো কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা সমস্যাও হতে পারে যদিও তার সমস্যাটা আমার কাছে এখন কোনো বিশেষ কিছু মনে হবে না৷ 


বাগদাদ রেস্টুরেন্টে ঢুকতেই দেখলাম নীলিমা ডান পাশের কোনার সবার পিছনে যেই টেবিলটা আছে সেখানে বসে গেটের দিকে তাকিয়ে রয়েছে৷ হয়তো আমার জন্যই অপেক্ষা করছে সে৷ 

নীলিমার সামনে বসে আছি আমি৷ আমি যেই নীলিমাকে চিনতাম এটা সে না৷ তার আগের চেহারার সাথে এখন কার কোনো মিলই যেনো খুজে পাচ্ছি না৷ মুখ গুলো আগের থেকে ফুলে গোল গোল হয়ে গিয়েছে৷ চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে আছে৷ দেখেই বোঝা যায় রাত জাগার জন্য এমনটা হয়েছে৷ তবে আমার জানা মতে নীলিমা ১০ টার পর আর জেগে থাকতে পারে না৷ সেখানে এই কালো দাগ বিষয়টা চিন্তার৷ তার চোখে মুখে একরাশ ক্লান্তির ছাপ।  

- কেমন আছো সিয়াম? 

- হুমম ভালো তুমি? 

- এইতো দেখতেই পারছো 

- তারপর কি জন্য ডেকে পাঠালে আর তুমি একা কেনো তোমার হাসবেন্ড কোথায় তাকে তো দেখছি না সে-কি আসেনি?

নীলিমা কিছু না বলে মাথাটা নিচু করে এক দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেললো। আমার আর বুঝতে বাকি রইলে না যে তার বিবাহিত জীবন তেমন সুখের হয়নি৷ 

- আমাকে মাফ করে দিও সিয়াম তোমার সাথে যে অন্যায় করেছি তার শাস্তি আমি পেয়েছি৷ আমি তোমার ভালোবাসাকে মূল্য দেয়নি যার ফল এখন আমাকে ভোগ করতে হচ্ছে। ( কাঁদো কাঁদো গলায়)  

আমি তার কথার তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখালাম না৷ বেশ শান্ত ভাবেই বসে রয়েছি৷ মনের মাঝে কেমন যেনো এক অনুভুতি কাজ করছে তবে সেটা নীলিমার কষ্টে সুখি হবার না তার কষ্টে কষ্ট পাবার সেটা এখনও বুঝে উঠতে পারছি না৷ 

- আয়ান ছেলেটা একটা ফ্রড তার এর আগেও একটা মেয়ের সাথে বিয়ে হয়েছিলো সেই ঘরের একটা ছেলেও আছে৷ যেটা আমি বিয়ের কিছুদিন পরেই জানতে পেরেছি এমনকি আমাদের বিয়ের পরেও সে মাঝে মাঝে মেয়েদের সাথে এক নষ্ট খেলায় মেতে উঠতে রাতের পর রাত বাসায় থাকতো না৷ মাঝে মাঝে তো আমার সাথেও নর পশুর মতো ব্যবহার করতো। একদিন একটা লোক কে বাসা নিয়ে এসেছিলো বলেছিলো সে নাকি আমার সাথে থাকবে রাতে বিশ্বাস করো তখন মনে হয়েছিলো যেনো আমি মারা গেলেই ভালো হতো৷ সেদিন রাতে কোনো ভাবে লোকটার হাত থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে পালিয়ে বাবার বাসায় চলে আসি। বাবাকে বিষয়টা বলার পর তারা আয়ান কে পুলিশে দেয়। বাবা ডিভোর্সের জন্য আবেদন করেছেন কিছু দিনের মাথায় কাগজটা চলে আসবে৷ আজ ১০ দিন হলো আমি এখানে আছি। লোক লজ্জার ভয়ে বাসা থেকে তেমন একটা বের হয় না তাই তুমি হয়তো জানো না যে আমি এখানে৷ 

নীলিমার কথা গুলো শুনে নিজের কাছেই খারাপ লাগছে৷ যে মেয়েটাকে এতটা ভালেবাসতাম সেই মেয়েটাকে আজ এতো কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে৷ ইচ্ছে করছে এখনই গিয়ে সেই ছেলেটাকে কয়েকটা কিল ঘুষি মেরে জিজ্ঞাসা করে আসি সে কেনো এমনটা করলো? তবে এখন তাে আর ইচ্ছে করলেই সব কিছু করা যাবে না৷ 

- সবই বুঝলাম এখন বলো আমাকে কেনো ডেকে পাঠিয়েছো এই সব বলার জন্য? 

- হ্যা আমি তোমার সাথে অন্যয় করেছি তাই তোমার কাছে মাফ চাইতে এসেছি আমাকে কি মাফ করা যায় না?  

অনেক কিছু বলার ছিলে তবে বললাম না ঔ দিকে আবার দেরি হয়ে যাবে তাই সংক্ষিপ্ত আকারে বললাম " যাও মাফ করে দিলাম"। 

চেয়ার থেকে উঠে দাড়াতেই নীলিমা বলে উঠলো 

- চলে যাবে আর কিছুক্ষণ বসো কিছু খেয়ে যাও। 

- না আমার একটু জরুরি বাসায় যেতে হবে৷ আজকে আমি আর আমার ওয়াইফ বাহিরে ডিনার করবো ভাবছি৷ 

কথাটা শেষ করে উল্টো মুখে ফিরে চলে আসছি৷ 

- সিয়াম আর একটা কথা বলার ছিলো..! 

- কি বলো। 

- তুমি কি এখনও আমাকে ভালেবাসো?

- হা হা জানি না তবে তোমার প্রতি এখন আর আগের মতো সেই আবেগ বা টান যেটাই বলো কোনোটাই কাজ করে না৷ 

- কালকে কি একটু সময় হবে তোমার? কাল তো শুক্রবার তোমার অফিসও বন্ধ একটু দেখা করবে আমাদের সেই চিরচেনা বট গাছটার নিচে প্লিজ? 

- দেখো নীলিমা আমি এখন আর আগের মতো নই৷ তাছাড়া পূরণো স্মৃতি গুলোকে মনে করে আমি আর নতুন করে কষ্ট পেতে চায় না৷ 

- প্লিজ এমন ভাবে বলো না আমি না হয় কালকের দিনটা তোমার কাছে ভিক্ষা চাইছি একটি বারের জন্য আমরা সেই জায়গায় দেখা করতে চায় প্লিজ তুমি না করিও না প্লিজ৷

গলার স্বরটা বেশ নরম ও আবেগ দিয়ে বলে উঠছে সে৷ 

- ঠিক আছে আমি ভেবে দেখবো। 

কথাটা বলেই দ্রুত গতিতে বের হয়ে চলে আসলাম৷ সেখানে দাড়িয়ে থেকে মিছে মায়া বাড়ানোর কোনো কারণ দেখছি না আমি৷ ওই দিকে আবার প্রায় সন্ধ্যা হতে চললো বাসায় গিয়ে ফ্রেশ হয়ে মিলিকে নিয়ে বের হতে হবে৷ তার মনটা ভালো করার জন্য৷ 


চলবে....

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post