গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে পর্ব : ১৮ and last Part

 

গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে 
পর্ব : ১৮ and last Part
লেখক : নিরব আহমেদ কাওছার 
..

> আরে থামেন থামেন  আমি জাহিদ বলছি ( জাহিদ বললো )

> ওই তুই ফোন দরলি কেন হুম আমার জানটার কাছে দে ফোন  ( মায়া বললো৷)

> আপনার জানটা কোথায় জানি গিয়েছে তিন ঘন্টার বেসি সময় হবে কোনো খোঁজ খবর নাই  ( জাহিদ বললো )

> কিহহ খুজে পাওয়া যাচ্ছে না কিছু হয়নি তো আবার আমার জানটার।।। এই বলে কান্না করে দিলো মায়া জাহিদ ওপাশ থেকে কিছু বললে কোনো উওর দেয় না মায়া কান্না করতে লাগলো তখন মায়ার আম্মু কান্না শুনে দৌড়ে আসলো আর বললো। 

> কিরে মা আবার কান্না করছিস কেন কি হয়েছে তর  ( মায়ার আম্মু বললো )

> আম্মু আমার জানটাকে কোথাও খুজে পাওয়া যাচ্ছে না কিছু হয়নি তো আবার কিছু হলে কিন্তু আমি বাচবো না এ্যাহ 😭 এ্যাহ 😭 এ্যাহ 😭 ( মায়া কান্না করে বললো৷) 

> আরে চিন্তা করিস না  কোথাও মন খারাপ করে বসে আছে হয়তো দেখিস ঠিক চলে আসবে ( মায়ার আম্মু বললো )

> নাহ আম্মু আমার ভয় করছে যদি কিছু হয় তাহলে আমি বাঁচবো না খুব ভালবাসি আমি এখনি গিয়ে খুজে নিয়ে আসবো আমার জানটাকে আর কখনো কষ্ট দিবো না ( মায়া বললো৷)

> শুন মা..... আর কিছু বলতে  পারলো না মায়ার আম্মু মায়া দৌড়ে চলে গেলো

এদিকে

রাতের বেলা আমি খেয়ে শুয়ে আছি আজ আর  ঢাকায় যাইনি আগামীকাল যাবো সকালে কিছু খন এপাশ ওপাশ করে গুমিয়ে গেলাম সকালে মনে হলো কেউ একজন আমার বুকের উপর শুয়ে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কান্না করছে তাকিয়ে দেখি মায়া আমি তো পুরা আবাক আমার বুকের উপর শুয়ে আছে চোখের দিকে তাকিয়ে দেখি রক্তের মতো লাল হয়ে আছে মনে হয় সারারাত ঘুমাইনি কান্না করছে মায়ার এমন কান্না দেখে নিজের একটু খারাপ লাগতে লাগলো যতই হোক ভালবাসার মানুষ এর চোখের জল কখনো  সয্য করা যায় না আবিমান করে থাকলেও  পারা যায় না ঠিক তার চোখের জল এর কাছে হেরে যাবে । আর থাকতে পারলাম না তখন আমি  জরিয়ে দরে মায়াকে  বললাম ।

> ওই পাগলি কাঁদছো কেন কিছু হয়েছে ( আমি জরিয়ে দরে বললাম মায়াকে  )

> হুম অনেক কিছু হয়েছে  ( মায়া কান্না করে বললো)

> তাহলে বলো কি হয়েছে কান্না করছো কেন  হুম ( আমি বললাম ) 

> একটু তোমার বুকে মাথা রেখে শুয়ে থাকতে দাও পরে বলছি ( মায়া বললো )

> একটু কেন সারজিবন বুকে মাথা রেখে শুয়ে থাকো তোমারি তো সব ( আমি বললাম )

> হুম তাহলে কষ্ট দিলে কেন আমায় এত ( মায়া বললো ) 

> আমি তোমায়  কষ্ট  দিয়েছি কোথায় কষ্ট দিলাম আমি ( অবাক হয়ে বললাম আমি )

> এই যে এই বুকে ( হাত দিয়ে বুকে দরে দেখালো  মায়া )

> আমি কষ্ট দিয়েছি নাকি তুমি আমায় দিয়েছো বলেছিলে তো আমায় ভালবাসো না কত গুলো চড় দিয়েছো তখন আর আমায় অপমান করছো তোমার চেয়ে বেসি আমি কষ্ট পেয়েছি  ( আমি বললাম ) 

> সরি ক্ষমা করে দাও আমায় জাহিদ সব  বলেছে আমায়  আমি না জেনে করে ফেলছি প্লিজ আমায়   ক্ষমা করে দাও  ( মায়া কান্না করে বললো৷) 

> আমায় অনেক কষ্ট দিছো কিন্তু আমি কষ্ট দিবো না কারণ খুব ভালবাসি  একটু ভালো করবো তোমায় সুধু যাতে আর সন্দেহ না করো  ( মনে মনে বললাম ) 

।। তখন আমি বললাম ।।

> নাহ তোমার আর  কোনো ক্ষমা নাই ছাড়ো আমায় তুমি নাকি আমায় ভালবাসো না আর আমি এমন মেয়ে চাই না  ( আমি বললাম )

> প্লিজ আমায় ক্ষমা করে দাও আমি তোমায় অনেক ভালবাসি  তুমি যেমন করে থাকতে বলবে আমি থাকবো তবুও আমায় আর ফিরিয়ে দিও না তোমার পায়ে দরি প্লিজ প্লিজ প্লিজ  তোমায় ছাড়া বাঁচবো না আমি ( মায়া কান্না করে বললো )

> আচ্ছা এই বার এর মতো ক্ষমা করে দিলাম। পরের বার এমন না জেনে বুল করলে আর ক্ষমা করবো না কিন্তু  ( আমি বললাম )  

> সত্যি তুমি ক্ষমা করে দিয়েছো আমায়   উমমমাহ 😘 আর এমন হবে না কথা দিলাম  ( মায়া জরিয়ে দরে একটা কিস করে বললো ) 

> হুম মনে থাকে যেন ( আমি বললাম ) 

 > যানো তোমায় সারা রাত খুজেছি আমি যখন জাহিদ  বললো  তোমায় নাকি খুজে পাওয়া যাচ্ছে না তখন আমি কতটা ভয় পাইছি তুমি যানো  ।   ( তখন মায়ার কথা থামিয়ে দিয়ে দরজার বাহির থেকে মায়ার আব্বু বললো  )

> জামাই বাবা তোমার বউ তুমি রাখো পাগল বানিয়ে ফেলছে আমায় সারারাত ঘুমাতে পারি নাই এর জালায় তোমায়  সারা রাত খুজেছে আর কেঁদেছে আর না তুমি এখন দায়িত্ব নেও  ওহ বাবা কি সাংঘাতিক মেয়ে আমার । যেমন মা তেমনি মেয়ে আজকেই তোমাদের দুজনের বিয়ে হবে  সন্ধায় ( মায়ার আব্বু বললো ) 

> কিহহ  এত তারাতাড়ি আমি বিয়ে করবো না শশুড়  আব্বা  এখনো লেখা পড়া শেষ হয়নি আর কয়েকটি বছর যাক তারপর নাহয় বিয়ে করবো  আমরা (  আমি বললাম ) 

।। হঠাত দরজার বাহির থেকে বলে উঠলো ।। 

> আমিও বলেছিলাম আর কয়েকটি বছর পরে বিয়ে করতে কিন্তু আমার কথা শুনলো না ।  ওহ আমায় তুমি চিনবে না আমি মায়ার ভাই ( ফাহাদ বললো )

> ওহ তার মানে তুমি আমার শালা ( আমি বললাম )

> হুম ( ফাহাদ বললো )

আমি কিছু বলবো তখন মায়া বললো 

> ওই কিহ বললে  তুমি বিয়ে করবে না মানে দাড়াও আমি লাঠি নিয়ে আসছি তরপর দেখবো কি করে রাজি না হও এখন বিয়ে করতে  ( মায়া রাগি গলায় বললো )

।। তখন মায়ার আব্বু বললো ।।

> বাবা তুমি রাজি হয়ে যাও আমার মেয়েকে তো তুমি চিনো কেমন রাগি ও এখন রাজি না হলে  মেরে একটাও হড্ডি গুড্ডি সোজা রাখবে না সব তেরা করে ফেলবে তোমার এখন তোমার ইচ্ছে ( মায়ার আব্বু আমায় আসতে আসতে বললো )

> কিজে করি আর কোনো  মেয়ে এসে জুটলো না কপালে একে রারে রিনাখান এর মতো দজ্জাল কথা কথায় রেগে যায় বিয়ের পর কি হয় আল্লাহ ভালো জানেন ( আমি  মনে মনে বললাম )

।। তখন আমি মায়াকে বললাম  ।।

> আচ্ছা ঠিক আছে বিয়ে করবো এত রাগ দেখাও কেন  আমার  আব্বু আম্মু কি বলে মতামত নিয়ে তার পরে বিয়ে করবো   ( আমি বললাম৷)

।। তখন আব্বু কোথা থেকে এসে  জানি বললো ।।

> আমরা রাজি আছি বাবা তুই বিয়ে করে ফেল ( আব্বু বললো )

> কিন্তু আব্বু আর একটু লেখাপড়া করে নেই তারপর নাহয় বিয়ে করবো একটা জব নিয়ে।  নয়তো বিয়ে করে বউকে খাওয়াবো কি  ( আমি বললাম )

> ওটা নিয়ে তর চিন্তা করতে হবে না আ.... ।  আব্বুর কথা থামিয়ে দিয়ে মায়ার আব্বু বললো

> শুনো বাবা তুমি৷ চিন্তা করো না তোমার যা লাগবে আমি সব দিবো আর তোমার জব নিয়ে চিন্তা করতে হবে না আমি ঠিক করে দিবো  বুঝতে পারছো ( মায়ার আব্বু বললো )

> দেখেন আব্বু এটা হ......মায়ার আব্বু আমার কথা থামিয়ে দিয়ে বললো৷

> আমি  আর কোনো কথা  শুনতে চাই না ( মায়ার আব্বু একটু রাগি গলায় বললো )

তারপর সবাই আর কিছু খন  কথা বলে বাহিরে চলে গেলো সবাই  শুধু মায়া যায়নি তারপর আমি উঠে ফ্রেস হতে যাবো তখন মায়া পিছন থেকে জরিয়ে দরে বললো৷।

> কোথায় যাও।  এখন কোথাও যেতে হবে না তোমার ।  আমার মন বলছে এখন তোমায় একটু আদর করতে চলো আদর করবো ( মায়া জরিয়ে দরে বললো)

> তোমার মন কে এখন খাটের সাথে বেদে রাখো আর নয়তো লেবু খাইয়ে অঙ্গান করে রাখো কারণ আমি এখন ফ্রেস হয়ে বন্ধুদের আমার তোমার বিয়ের খবরটা দিয়ে দিতে হবে এখন ছাড়ো আমায় ( আমি বললাম )

> নাহ আমি ছাড়বো না আমি এখন তোমার ঠোঁট কে আদর করবো ( মায়া জরিয়ে দরে বললো৷)

> আচ্ছা ছাড়ো তুমি আমায় এখন । আমি ফ্রেস হয়ে তারপর নাহয় ভেবে দেখবো ( আমি বললাম )

তারপর আমি যোর করে ছাড়িয়ে বাহিরে চলে এলাম  তখন মায়া মনে মনে বললো ।

> ইস শয়তানটা একটাও কিস করতে দিলো না একবার যদি দরে কিস করতে  পারতাম  তাহলে  আর আজ ছাড়াতে পারতো না থাক রাতে নাহয় একেবারে আদর করবো ( মায়া মনে মনে বললো )

।।

তখন ফাহাদ এসে মায়াকে বললো।

> কিরে কি ভাবছিস বসে বসে ( ফাহাদ বললো )

> কিছু না ( মায়া বললো)

> আচ্ছা  একটা হেল্প করতো বোন  একটু দুষ্টমি করতাম  কাউকে খুজে পাচ্ছি না আমার সময় কাটছে না আমার কি বেয়াইন আছে কোনো একটু দুষ্টমি করতাম  ( হুম আছে )

> হুম আছে সাবধানে ওই মেয়ে কিন্তু আমার মতো   ডেঞ্জারাস ( আমি বললাম )

> আরে সমস্যা নাই আমি দেখে নিবো এখন আমায় একটু দূর থেকে দেখা চল ( ফাহাদ বললো )

> আচ্ছা ঠিক আছে চল ( মায়া বললো৷)

এই বলে চলে আসলো এসে দেখে আদিবা বাহিরে বসে আছে তখন মায়া দেখিয়ে দিয়ে চলে গেলো ফাহাদ কে তারপর ফাহাদ পিছন দিয়ে গিয়ে বললো।

> কি করছেন পিচ্চি বেয়াইন ( ফাহাদ বললো )

তখন আদিবা বললো ।

> কোন শালারে সামনে আয় তরে ইট দিয়ে মাথা ফাটামু কেডা তর বিয়াইন সামনে আয় খালি ( আদিবা  বললো)

তখন ফাহাদ  মনে মনে বললো।

> বাবারে বাবা কি দজ্জাল মেয়ে কথা বলার আগেই এই অবস্থা  না যানি বলার পর কি হয়   ( মনে মনে ফাহাদ বললো )

তখন সামনে গিয়ে ফাহাত বললো।

> এত রাগ করছো কেন পিচ্চি বেয়াইন ( ফাহাদ  মিষ্টি গলায় বললো)

তখন আদবা রাগি গলায় বললো।

> শালা মেরে এখনি বালি চাপা দিবো আরকে বার যদি বেয়াইন বলিস কেরে তুই বলতো ( আদিবা রাগি গলায় বললো৷)

> আমার বোন এর সাথেই তো আজ বিয়ে হচ্ছে তোমার ভাইয়ার  বুজতে পারছেন বিয়াইন ( ফাহাদ বললো৷)

> তুই আবার বিয়াইন বলছিস তরে এখনি এক বালটি পানিতে চুবাই চুবাই মারুম তুই খালি বসে থাক এখানে ( আদিবা বললো )

এই বলে আদিবা একটা বালটি নিলো আর পানি আনতে গেলো ।

>  বাবারে বাবা এমন দজ্জাল  বিয়াইন দরকার নাই আমার  ফাহাদ যলদি পালা ( মনে মনে  বললো ফাহাদ )

তারপর ফাহাদ দৌড়ে  ওখান থেকে এসে ঘরে একটা চেহার নিয়ে বসলো তখন মায়া এসে বললো।

> কিরে চলে এলি যে দুষ্টুমি করবি না তর বেয়াইন এর সাথে  ( মায়া হাসতে হাসতে বললো )

> নাহ থাক দুষ্টুমি করার কোনো দরকার নেই এমনি ভাল আছি বাবারে বাবা কি সাংঘাতিক মেয়ে এটা বালটি নিয়ে গেছে পানি আনতে  আমায় চুবিয়ে চুবিয়ে মারবে বলে থাক এমন বেয়াইন এর সাথে দুষ্টুমি করার দরকার নেই আমার ( ফাহাদ বললো )

> হি 😁  হি 😁 হি 😁 আমি বলেছিলাম আমর মতো গুন্ডি এই মেয়ে  এখন গিয়ে বেয়াইন বলে আরো দুষ্টুমি কর ( মায়া হাসতে হাসতে বললো৷)

> নাহ থাক বোন  আমি এমনি ভালো ভালো আছি ( ফাহাদ বললো৷)

তারপর সন্ধায় কাজি নিয়ে আসলো মায়ার আব্বু   আমার বন্ধুরা সবাই এসেছে লিমার ভাই আর লিমা এসেছে  তার আম্মু আসে নাি কারন লিমার আব্বুর কাছে একজন কে থাকা দরকার তাই । আর মায়ার একমাত্র বান্ধবী নিলা এসেছে।

তারপর   আমায় রেডি হওয়ার জন্য আব্বু এসে  পাঞ্জাবি আর পায়জামা দিলো পরে আসতে  পড়ে আসলাম কাজি সাহেব  মায়াকে আর আমাকে আম্মুর রুমে নিয়ে বসালো   সবাই এখানেই ছিলো  আম্মু অসুস্থ বলে খাটে শুয়ে ছিলো হঠাত  তখন আদিবা দৌড়ে কোথা থেকে যেনো মায়ার কোলে এসে বসলো আর বললো ।

> ভাবি তোমায় আজ অনেক সুন্দর লাগছে আমায় এমন করে সাজিয়ে দিও তো ( আদিবা বললো৷)

> কিহহহ  এটা কি স্বপ্ন দেখছি আমি নাকি সত্যি কেউ আমায় বলবে এরা দুজন তো কথা বলতৈই চাইতো না এখন কি করে এতো মিল হলো  ( আমি অবাক হয়ে বললাম৷)

।। তখন মায়া আমার কানে কানে বললো।।

> আরে চুপ করো কি করছো সবাই এখানে আছে  আমি ঘরে গিয়ে সব  বলবো তোমায় ( মায়া বললো৷)

 > ঠিক আছে ( আমি বললাম ) 

তারপর কাজি  যখন মায়াকে কবুল বলতে বললো তখন মায়া কবুল বলে ☺ খুশিতে চিৎকার দিয়ে উঠলো আর বললো।

> ইয়াহু আমি বিয়ে করে ফলছি বিয়ে করে ফেলছি ওগো তারাতাড়ি চলো এখন তুমি ( মায়া খুশিতে লাফাতে লাফাতে আমায় বললো)

কি পাগল মেয়ে দেখছেন ।।

সবাই এটা শুনে  হাসতে লাগলো হাসবেই তো এমন কথা জিবনেও শুনছে মনে হয় না  ।   মেদের বিয়ে হলে নাকি  মন খারাপ থাকে কান্না করে আর এই বিয়ে করেই বাসর ঘরে যেতে চাইছে হাইরে কপাল। তখন মায়ার আব্বু বললো।

> দেখছেন কেমন মেয়ে আমার।  আমাদের  ছেড়ে একে ভারে চলে আসছে কোথায় একটু কান্না করবে ভেবে ছিলাম কিন্তু সব উল্টো হলো পুরো এর মায়ের মতো হয়েছে  ( মায়ার আব্বু বললো )

মায়ার আব্বুর খুব কষ্ট হচ্ছে যানি তবুও হাসি দিয়ে কথা গুলো বললো কষ্ট হবেই তো পৃথীবির যে কোনো বাবা মায়ের  তার একমাএ রাজকন্যা মেয়েটি যখন তাদেরকে ছেড়ে চলে যায় তখন কষ্ট গুলো হয়তো চাপা দিয়ে কেউ রাখতে পারে কেউ পারে  কান্না করে দয়ে যানে পৃথিবী থেকে চলে না গেলোও পুরো বাসাটাই ফাকা করে গেছে ৷।  থাক আর বলবো না এখন গল্পে ফেরা যাক।।

।। তখন মায়া বললো  ।।

> যানো বাবা আমার খুব কষ্ট হচ্ছে তোমাদের ছেড়ে চলে আসতে কিন্তু কি করবো বলো আমি তো আর সারাজীবন থাকতে পারবো না আমি কিছু দিন পর পর গিয়ে দেখে আসবো ( মায়া  বললো )

এই বলে মায়া  কান্না করে দিলো তারপর তার আব্বু আম্মু আর তার ভাই কে জরিয়ে দরে কাঁদতে লাগলো তারপর এইবাবে কিছু খন কান্না করে মায়ার হাত আর আমার হাত এক করে দিয়ে মায়ার আব্বু বললো৷

> শুনো বাবা আমার একমাত্র মেয়ে কে তোমার হাতে তুলে দিলাম তুমি আমার মেয়ে কে দেখে রেখো কোনো কষ্ট দিওনা বাবা ( মায়ার আব্বু বললো )

তখন আমার আব্বু বললো ।

> কোনো চিন্তা করবেনা    মায়াকে আমার মেয়ের মতো আদর করবো চিন্তা করতে হবে না  ( আমার আব্বু বললো )

তখন আমার আম্মু বললো।

> মায়া  যেমন আপনাদের মেয়ে ছিলো এখন আমাদেরও মেয়ে আমার মেয়ের মতো রাখবো ( আমার আম্মু বললো )

তখন মায়ার আম্মু বললো।

> আর চিন্তা নেই আমাদের ( মায়ার আম্মু বললো )

তখন মায়ার আব্বু বললো

>  আর আমি মায়া আর জামাই বাবার পরিক্ষা শেষ হলে আমি বড় করে একটা পাটি দিবো ঠিক আছে এখন তো কাউকে বলতে পারলাম না তাই  ( মায়ার আব্বু বললো )

> আচ্ছা ঠিক আছে  ( সবাই এক সাথে বললো৷)

তারপর মায়াকে নিয়ে বাসর ঘরে বসানো হলো আমি বন্ধু দের সাথে বসে বাহিরে আড্ডা দিচ্ছিলাম আড্ডা দিতে দিতে রাত ১১ বেজে গেলো তখন জাহিদ বললো ।।

> দুস্ত বিড়াল কিন্তু ভালো করে মারসি আজ ( জাহিদ বললো)

> কিসের বিড়াল আমাদর ঘরে কোনো বিড়াল নাই ( আমি বললাম )

> আছে দুস্ত বড় বিড়াল আছে সাবধানে মারিস দুস্ত  ( জাহিদ বললো )

তখন রোদেলা বললো৷।

> ওই চুপকর ( রোদেলা বললো৷)

তখন জাহিদ আমায় বললো ।।

> তর বিয়ে হয়ে গেলো এখন আমারে একটা বিয়ে করিয়ে দে ( জাহিদ বললো ) 

তখন আমি বললাম ।

> দেশে কি মেয়ের অভাব পরছে একজন কে গিয়ে পছন্দ করে বিয়ে করে ফেল ( আমি বললাম )

> ঠিকি বলছিস তাই করতে হবে আম্মু কে গিয়ে বললো  বিয়ে করার  জন্য একটা মেয়ে দেখতে ( জাহিদ বললো)

 আমি কিছু বলতে যাবো তখন  রোদেলা  বলে উঠলো। 

 > আমি রাজি আছি বিয়ে করতে  অনেক দিন দরে তেমায় ভালবাসি কিন্তু বলতে পারিনি আজো আর না  বলে থাকতে পারছি বিয়ে করবে আমায় ( রোদেলা জাহিদ কে বললো৷)

জাহিদ এটা শুনে অবাক হয়ে গেলো কিছু খন পর মাথা নেড়ে  হা বললো৷ 

তখন আমি বললাম।।

> বাহহ কি কপাল তর দুস্ত এখনো I Love you বলা হয়নি ডাইরেক বিয়ের অফার  আগে বললে তো আমার বিয়ের সাথে তদের বিয়ে করিয়ে দিতাম ( আমি বললাম৷)

তখন জাহিদ কিছু বলতে যাবে মায়া পিছন থেকে বলে উঠলো।

> শয়তান তরে আজ গুলি কইরা মারমু আমি কখন থেকে বসে আছি আর উনি এখানে বসে বসে আড্ডা দিচ্ছে  বের করছি আড্ডা তোমার আজ চলো ঘরে   ( মায়া বললো)

তখন জাহিদ বললো ।।

> দুস্ত এখন ঘরে যা বেচে থাকলে আগামিকাল কথা হবে আর ভাবি কে রাগিয়ে দেই ।  ভাবি আমি বলেছি ঘরে যেতে কিন্তু বলে ঘরে নাকি ভালো লাগে না ওর তাই বসে আছে ( জাহিদ বললো৷)

> শালা হারামি শেষ পযন্ত এই মিছা কথা কিইতে পারলি তর উপর ঠাডা পরবো ( আমি বললাম)

> কে সত্য বলছে কে মিথ্যা বলছে আমি যানি ( মায়া বললো৷)

এই বলে কলার দরে দরে টানটে টানতে ঘরে নিয়ে আসলো তখন আমি বললাম । 

> আরে ছাড়ো ব্যাথা পাইতাছি গলায় ( আমি বললাম )  

 > ঠিক আছে ছেড়ে দিবো তার আগে একটা কথা দিতে হবে তোমায়  ( মায়া বললো৷)

> বাসর ঘরে শর্ত আচ্ছা কি বলো ( আমি বললাম )

> আমায় আজ সারা রাত আদর করতে হবে কোনো ঘুমানো যাবে না আর  আমার দুইটা কিউট বেবি লাগবে একে বারে তোমার মতো  তাহলে ছেড়ে দিবো নয়তো এখন মেরে হাড্ডি গুড্ডি সব ভাঙ্গবো বলো এখন কি করবে৷ ( মায়া বললো  )

> কোনোটাই করবো না আমি ছাড়ো বলছি  বেবি নিয়ে  আরো দুই বছর পরে ভাববো ( আমি বললাম)

> আমি যা বলছি তাই কোনো ভাবার সময় নাই এখনি হা বলতে হবে নয়তো আজ মেরেই ফেলবো আমি ( এই বলে গলায় চেপে দরলো)

> ঠিক আছে ঠিক আছে  এখন ছাড়ো আমায় গলায় ব্যাথা পাচ্ছি  ( আমি বললাম )

> হুম ছেড়ে দিলাম চলো এবার  ( মায়া বললো৷)  

তারপর  আমি বললাম।
  
> আচ্ছা এখন বলো তুমি আদিবাকে কি এমন করলে যে এখন তোমায় খুব ভালবাসে আর ভাবি ডাকে ( আমি বললাম )

> আমি যখন তোমায় কিস করে দুপুরে ঘর থেকে বেরিয়েছি তখন আদিবা সামনে পরলো আর রাগ দেখাতে লাগলো তখন আদিবাকে অন্য একটা ঘরে নিয়ে গিয়ে তিন হাজার টাকা দিয়েছি আর বলেছি এখন থেকে আমি চকলেট কিনে দিবো তখন আদিবা খুশি হয়েছে আর তখন থেকে মিলে গিয়েছি ( মায়া বললো৷)

> তাই তো বলি ও তো এমনি এমনি তোমার সাথে কথা বলেবে না  যে রাগি মেয়ে তুমি ঘুস খাইয়েছো যাক  ভালো করছো আমায়  চকলেট এর জন্য জালাবে না ( আমি বললাম )

> চলো তাহলে এখন আমায় আদর করো ( মায়া বললো) 

তখন আমি বললাম ।

> দারাও এত তারা কিসের চলো দুই রাকাত নামাজ পড়ে নেই তারপর নাহয় বাকি কাজ করবো  ( আমি বললাম)

> ঠিক আছে চলো ( মায়া বললো৷)

তারপর দুজন মিলে নামাজ পড়লাম নামাজ পড়ে উঠে বসা মাএ আমায় মায়া ধাক্কা দিয়ে খাটে শুয়িয়ে দিলো তারপর আমার বুকের উপর বসে ঠোঁটে কিস করতে লাগলো এমন করে কিস করছে মনে হয় চকলেট খাচ্ছে দশ মিনিট হয়ে গেলো তবুও ছাড়তেই চাচ্ছে না আসতে আসতে  পাগলের মতো  করতে লাগলো পুরো পাগল হয়ে গেছে এমন করে কিস করছে  তারপর পাচ মিনিট পর ছেড়ে দিয়ে তখন মায়া বললো।

> ইস তোমার ঠোঁট  আমায়  পাগল করে ফেলছে আজ সারা রাত খাবো দেখো তোমার ঠোট কেমন  করে আবার ডাকছে আমায় বলছে আমায় আদর করো এসে ইস
 লজ্জা লাগে তো ( মায়া এই বলে দুই হাত দিয়ে মুখটা ডেকে ফেললো৷)

> কি পাগল মেয়ে দেখছো ঠোঁট আবার ডাকতে জানে নাকি তার মন চাইছে এটা বলতে পারে না ( আমি মনে মনে বললাম )

তারপর  মায়া তার হাত মুখের সামনে থেকে  সরিয়ে ফেললো আমি চেয়ে দেখি  তাঁর ঠোঁট কামরাচ্ছে আমার দিকে তাকিয়ে  তখন আমি কিছু বলতে যাবো তার আগেই  জাপিয়ে পড়লো আমার উপর ।  
 
তারপর আরো কি হয়েছে শুনতে বসে আছেন আপনারা আর বলা যাবে না  বাকিটা ইতিহাস 

সমাপ্ত  ।।।

।। বানান গুলো ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন 🙏🙏🙏।।

কেমন হয়েছে পুরো গল্পটা কমেন্ট করে বলে দিন

ধন্যবাদ সবাইকে।। 

আসসালামু আলাইকুম।।
Post a Comment (0)
Previous Post Next Post