গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে পর্ব : ১৫ +১৬ + ১৭

 

গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে 
পর্ব : ১৫ 
লেখক : নিরব আহমেদ কাওছার 
.............................................................................
..........................................................................
......................................................................
..................................................................
..............................................................
...........................................................
........................................................
.....................................................
..................................................
...............................................
............................................
.........................................
......................................
...................................
................................
..............................
...........................
........................
.....................
..................
................
.............
...........
........
......
....
..
.

> এই খাবার  আজ কে  রান্না করেছে ( মায়ার আব্বু বললো৷)  

> আমি করছি আব্বু ( মায়া  বললো৷)  

> এ্যা 🥴 মায়ার আম্মু তুমি যলদি একটা ডাক্তারকে খবর দেও আমার মেয়ে রান্না করছে একদিন ডিম ভাজা খেয়ে সারাদিন কাদতে হইছিলো মারে তুই আজ কয়দিন কাঁদাবি ( মায়ার আব্বু বললো৷)  

> এ্যাহ 😭 এ্যাহ 😭 এ্যাহ 😭 আব্বু তুমি পচা তুমি একটুও ভালো না  এত কষ্ট করে তোমাদের জন্য রান্না করে রাখছি আমি কোথায় একটু খেয়ে আমার প্রসংসা করবে তা না করে উল্টো পাল্টা কথা বলছো ( মায়া কান্না করার ভান করে )  

> পেটের উপর এহনি ঠাডা পড়বো তর রান্না করা খাবার খাইলে ।  আজ   কেন যে  বাহির থেকে না খেয়ে আসলাম  এই খাবার খেলে এখনি আমার পেট লেবু  খেয়ে আত্মহত্যা করবো  ( মনে মনে বললো মায়ার আব্বু )  

।।  তখন মায়া আবার বললো ।। 

>   খেয়ে দেখো আজ আমার  রান্না অনেক  মজা হয়েছে একবার খেলে শুধু খেতেই মন চাইবে ( মায়া বললো৷)  

> মা তুই এত কষ্ট করে রান্না করতে গেলি কেন বলতো ।  রান্না করার জন্য তো লোক আছে তর আম্মু ও আছে তাহলে তুই কষ্ট করতে গেলি কেন  ( মায়ার আব্বু )  

>  আমার শাশুড়ী আম্মা বলছে  আমায় রান্না করা  শিক্ষতে  তাই আমি এখন রান্না করেছি আর যতদিন না বিয়ে করছি  আমি তত দিন রান্না করে খাওয়াবো তোমাদের  ( মায়া বললো৷)  

।। তখন মায়ার আম্মু বললো ।। 

> আচ্ছা  কি  কি রান্না করছিস মা বলতো ( মায়ার আম্মু বললো৷)  

> পরোটা বানিয়েছি আর গরুর মাংস রান্না করেছি  আর ভাত রান্না করেছি   আর পায়েস রান্না করছি নাও এখন খাওয়া শুরু করো নিয়ে ( মায়া বললো৷)  

।। তারপর মায়ার আব্বু বললো  ।। 

> এটা কি বানিয়েছিস মা ( মায়ার আব্বু বললো৷) 

> রুটি বানিয়েছি কেন আব্বু ( মায়া বললো৷)  

> আচ্ছা তার আগে বল তুই কি রান্না ঘরে রান্না করতে গিয়েছিলি নাকি এই খাবার গুলোকে পিডাইয়া মারতে গিয়েছিললি বলতো ( মায়ার আব্বু বললো৷)  

> কি উল্টো পাল্টা কথা  বলছো আব্বু  রান্না ঘরে গিয়ে কি  খাবার কে কেউ পিডাইতে পারে ( মায়া বললো৷ )  

> তা না হলে  এটা কি রুটি  🥴🥴 ।  তাহলে এত কালো আর শক্ত   কেন  মা ।   মনে হচ্ছে বেচারা রুটিটারে আগুনের উপর  ফালাইয়া পিডাইতে পিডাইতে  মাইরা তক্তা বানাইয়া  লাইছিস ।  দেখ তর হাতে রুটি গুলা মাইর খাইয়া ছিড়িয়া ফারিয়া গেছে ইস কি মাইরটাই না দিছিস বেচারা রুটি কে   ( মায়ার আব্বু বললো৷)  

>  এত কষ্ট করে রান্না করেছি তোমরা খাবে বলে অথচ না খেয়ে আমার রান্না বলছো খারাপ হয়েছে  ।  আর  উল্টো পাল্টা  কথা  বলছো আমায়  ।  তোমরা পচা তোমরা কেউ আমায় ভালবাসো না এ্যাহ 😭 এ্যাহ 😭 এ্যাহ 😭 ( মায়া বললো ) 

> ওই তুমি চুপ করো তো আচ্ছা ঠিক আছে খাচ্ছি তুই যেহেতু এত কষ্ট করে রান্না করে রাখছিস দে আমায় অল্প কিছু ভাত আর গরুর মাংসের তরকারি দে ( মায়ার আম্মু বললো ) 

তারপর মায়া তার আব্বু আম্মু কে ভাত দিলো মায়ার আম্মু দুই নলা খাওয়ার পর বললো 

> আচ্ছা মায়া মা আমার তুই মাংসের তরকারি কি দিয়ে রান্না করছিস বলতো কেমন জানি লাগছে  ( মায়ার আম্মু বললো )  

> গারির ⛽ তেল দিয়ে রান্না করেছি গরুর  মাংস  ( মায়া বললো ) 

> কিহহহ ওয়াক থু , 🤮 শয়তান মাইয়া গারির ⛽ তেল দিয়া কি গরুর মাংস রান্না করে কখনো   সোয়াবিন তেল কি করেছিস ( মায়ার আম্মু বললো ) 

> ওটা সোয়াবিন তেল কি না বলতে পারি না তবে ওটাও তেল এর মতো ছিলো তাই  পায়েস এর মাজে দিয়ে রান্না করছি ( মায়া বললো৷)  

।।  মায়ার আব্বু পায়েস খাচ্ছিলো ভাত না খেয়ে তখন এই কথা শুনে বললো৷ । 

> কিহহহ তুই পায়েস সোয়াবিন তেল দিয়ে রান্না করছিস ওয়াক থু 🤮 বাচাও আল্লাহ তুমি কোন হানে আছো  আমার এই  মাইয়ার হাত থেকে বাচাও ( মায়ার আব্বু বললো )  

।।  তারপর মায়ার আম্মু  আব্বু দৌড়ে ওয়াস রুমে চলে গেলো । যাওয়ার  পর মায়া  বললো৷ ।  

> যাহহ বাবা এত কষ্ট করে রান্না করলাম  না খেয়েই দৌড়ে চলে গেলো দেখি তো আমার রান্না কেমন হয়েছে খেয়ে ( মায়া বললো৷) 

।। তারপর মায়া খাবার নিয়ে এক নলা খেয়ে ।।

> আম্মা বাঁচাও কোন ফহিন্নিরে এই খাবার  রান্না করছে ওহ  থাক আর বকা দিয়া কি করমু  আমিই তো রান্না করছি ওয়াক থু 🤮 ( মায়া এই বলে খাবার ফেলে চলে গেলো  )  

।। তারপর রুমে গিয়ে মায়া ।। 

> ইস পাগলটা এখন যদি কাছে থাকতো তাহলে সারা রাত  মিষ্টি ঠোঁট খেয়ে পার করে দিতাম পাগল করে ফেলেছে  আমায় তার  মিষ্টি ঠোঁট ছোয়া পাওয়ার জন্য কখন যে গিয়ে আবার খাবো  থাক এখন ঘুমিয়ে পড়ি আগামীকাল গিয়ে খাবো  ( মায়া বললো৷) 

।।

এই বলে শুয়ে পরলো মায়া কিছু খনের মাজেই ঘুমের দেশে হারিয়ে গেছে  ।। 

।।

তারপর সকাল সকাল  উঠে পরলো মায়া  ফ্রেস হয়ে রান্না করার জন্য  যাবে কিন্তু দরজা খোলতে গিয়ে দেখে বাহির থেকে  বন্ধ করা তখন মায়া বললো।। 

> আম্মু ওই আম্মু  যলদি দরজা খুলে দাও রান্না করতে হবে আমায় ( মায়া যোরে বললো৷)  

তখন মায়ার আম্মু বললো 

> নারে মা তর  গারির তেলের মাংস আর সোয়াবিন তেলের পায়েস খাওয়ার দরকার নেই আমার ৷।  তর রান্না করতে হবে না তুই  ঘরে বসে থাক ( মায়ার আম্মু বললো )  

> নাহ আম্মু আমি রান্না করবো প্লিজ আমায় রান্না করতে দাও আর এই গুলো রান্না করবো না  আজ  তোমাদের কে গারির পোরা মবিল দিয়া খিচুড়ি রান্না করে খাওয়াবো  ( মায়া বললো৷)  

> তর শাশুড়ীর দোহাই  লাগে৷  ।  মা তর  এই চায়না খাবার খেয়ে জিন্দেগী তামা তামা করতে আমি চাই না তুই বিয়ে করলে আমি রান্না করার জন্য একটা লোক পাঠিয়ে দিবো তবুও আর তর রান্না করতে হবে না ( মায়ার আম্মু বললো )  

> এ্যাহ 😭 এ্যাহ 😭 এ্যাহ  😭 আম্মু তুমি দরজাটা খোলে দাও আমি রান্না করে খাওয়াবো কোনো লোক লাগবে না তুমি একটু দরজাটা খোলে দাও আম্মু  ( মায়া কান্নার কারার অভিনয় করে বললো ) 

> নাহ আমি খোলবো না দরজা তর এই রান্না করা খাবার খাইলে আমাদের পেট লেবু খাইয়া আত্মহত্যা করবো ( মায়ার আম্মু বললো )  

> আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে তুমি রান্না কি করে করতে হয় এবং সব কিছু শিক্ষিয়ে দাও ( মায়া বললো৷)  

> যাক এতখনে  একটা ভালো কথা বলছিস ঠিক আছে চল আমি রান্না করা শিক্ষিয়ে দিচ্ছি ( মায়ার আম্মু বললো )  

> হুম দরজা খুলে দাও ( মায়া বললো )  

।। তারপরের দরজা খুলে দিলো মায়ার আম্মু মায়া কে নিয়ে চলে গেলে রান্না শিক্ষাতে ৷।

।। এদিকে ।।  

আমি ঢাকায় আসার জন্য বাসা থেকে বের হবো তখন 
আদিবা বললো। 

> শুনো ভাইয়া ঢাকা যাচ্ছো যাও মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করবে আর ভুলেও ওই দজ্জাল মেয়ের সঙ্গে কথা বলবে না আমি এই বিয়ে কিছুতেই হতে দিবো না আর তুমিও বিয়ে করবে না ওই মেয়ে কে যদি বিয়ে করো  তাহলে তোমার কাথা বালিশ আর তোমার বউ তোমারে সহ  গিয়ে পানিতে চুবাই চুবাই মারুম কিন্তু হুম৷ ( আদিবা বললো৷) 

> কেন আমি বিয়ে করলে তর সমস্যা কোথায় হুম আমি বিয়ে ওই দজ্জাল মেয়েকে করবো বুজতে পরছিস ( আমি বললাম)  

> শয়তান পোলা তরে আমি মেরে হাড্ডি গুড্ডি বালি চাপা দিয়ে দিবো যদি ওই মেয়ে এই বাড়িতে আসে৷ ( আদিবা বললো ) 

। তখন আম্মু বললো । 

>  ওই তুই চুপ থাক শয়তান মাইয়া খালি ঝগরা করে  ওই মেয়ে এই বাড়িতেই আসবে তর ভাইয়ের  বউ হয়ে বুজেছিস ( আম্মু বললো৷)  

> ওহ তাহলে তুমিও তোমার পোলার পক্ষে চলে গেছো  সমস্যা নাই দারাও আর কয়েক বছর যাক তারপর আমার এই হাত পা সব বড় হবে আরো শক্তি হবে তখন তোমাদের মা ছেলে কে পানির মাঝে চুবাই চুবাই মারুম আর সাথে তোমার ছেলের বউ কে হুম৷ ( আদিবা বললো৷)  

> বাবারে বাবা কি সাংঘাতিক মেয়ে দেখছো পুরা ডিপজলের চেয়ে   গুন্ডি মেয়ে  ( মনে মনে বললাম )  

।।৷ তখন আম্মু বললো ।। 

> ওই তুই চুপ করতো এহন আমি কিন্তু তরে মাইর দিমু  ।  শুন বাবা রাস্তা দেখে  পার হবি আর ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া করবি বেসি রাত জেগে থাকবি না দোয়া করি ভালো করে  পরিক্ষা দিস  এখন যা ( আম্মু বললো ) 

> আরো দোয়া করে  দেও তোমার ছেলেরে যাতে দুি তিনটা বিয়ে করে সাথে বউ নিয়ে আসে  ( আদিবা)  

> তুই চুপ করবি নাকি লাঠি নিয়া আসবো  ( আম্মু বললো )  

> আচ্ছা আম্মু ।..... . আমি আর কিছু বলতে যাবো  তখন আদিবা বললো৷

> ওই তুই যেখানেই যাস আমার টাকা দিয়া যা চকলেট এর  (  আদিবা বললো৷) 

> কেন তরে টাকা দিবো কেন তরে চকলেট খাওয়ানোর কোনো দরকার নাই ( আম্মু বললো )  

> ওই তুমি চুপ করো আমি তোমার ছেলেকে বলছি তোমারে না ( আদিবা বললো৷)  

> নাহ আমি টাকা দিবো না ( আমি৷)  

> ভাইয়া কয়েকটা টাকা দিবা চকলেট খাবো তুমি তো চলে যাবে একমাসের জন্য এতদিন আমি চকলেট না খেয়ে থাকতে পারবো না দিবে টাকা ( আদিবা করুন গলায় বললো)  

> আহা এমন করে বললে আর না দিয়ে থাকতে পারি মনটা একে বারে নরম হয়ে গেছে এই নে তর ২০০ টাকা এবার খুশি ( আমি বললাম )  

> ফহিন্নি যা এহন দৌড় দে ঢাকা আমি জানি তুই এমন করে না বললে দিবি না  তুই  এহন ঢাকা যা আমি এহন চকলেট এর কাছে যাই ( আদিবা বললো৷)  

> দেখছেন কি চালাক মেয়ে বোকা বানালো থাক নিজের বোন টাকা নিছে আর কেউ তো নেয়নি  ( মনে মনে আমি৷)  

তারপর বিদায় নিয়ে চলে এলাম বাস ইস্টেন এর মাজে টিকেট কেটে গিয়ে বাসে বসলাম কিছুখন পর বাসটি ছেড়ে দিলো  তখন ইঠাত ✆ ফোনটা বেজে উঠলো তাকিয়ে দেখি মায়া ফোন দিয়েছে রিসিভ করার পর বললো৷ 

> ওগো আমার জান তুমি এখন কোথায়  ( মায়া বললো৷) 

> এইতো বাছে বসে আছি ঢাকায় আসছি ( আমি৷) 

> সত্যি তুমি ঢাকায় আসছো আজ।  যাক আমি আজ তোমার বাড়িতে যেতাম তুমি না আসলে যলদি আসো আমি কি ঘাড়ি নিয়ে আসবো তোমায় নিয়ে যাওয়ার জন্য  ( মায়া বললো৷) 

> নাহ থাক তোমার নিতে আসা লাগবে না আমি একাই  আসতে পারবো আচ্ছা এখন ফোন রাখো আমি এসে তোমায় কল দিবো ( আমি বললাম৷)  

> আচ্ছা ঠিক আছে আমি তাহলে কলেজ থেকে এসে তোমার সাথে কথা বলবো  ( মায়া  বললো৷)  

তারপর ✆ ফোনটা কেটে দিলো কিছুখন পর চলে এলাম ঢাকা তারপরে সেখান থেকে সোজা হোটেলে চলে গেলাম গিয়ে তো আমি অবাক কারন কিছুই নেই আমাদের এই রুমে জাহিদ সব একটা গারিতে উঠাচ্ছে তখন আমি জাহিদ কে বললাম। 

> কিরে দোস্ত এই হোটেল ছেড়ে কোথায় যাবো আবার আর এখন হোটেল ছেড়ে দিচ্ছিস কেন বলতো আর আমায় বলিস নাই কেন হোটেল ছেড়ে দিবি  ( আমি বললাম) 

> দুস্ত শুন আজ দুই তারিখ এই হোটেলে কিছুদিন পর পর পুলিশ এসে সাচ করে আর নানানভাবে অপরাধী মতো কথা বলে আর দুই তিন ঘন্টা সময় নষ্ট করে এত ঝামেলা হোটেলে না থাকাই ভালো তাছাড়া সামনে ফাইনাল পরিক্ষা তাই একটা ভালো বাসা ভাড়া পেয়েছি সেখানে গিয়ে উঠবো কলেজ থেকে একটু দূরে তবুও সমস্যা নাই যায়গাটা খুব সুন্দর ছাদের সাথে দুটি বড় বড় গাছ আছে   খুব পছন্দ হয়েছে আমার বাসাটা তাই তকে না জানিয়ে করে ফেলছি আজ  ( জাহিদ বললো৷)  

> সমস্যা নাই দোস্ত  আমিও এই হোটেলে থাকতে চাইছিলাম না তকে বলতে চাইছিলাম যাক তার আগেই তুই তা করে ফেলছিস ( আমি বললাম )  

> আচ্ছা এখন চল তাহলে যাওয়া যাক ( জাহিদ বললো৷) 

তারপরে সবকিছু নিয়ে চলে গেলাম ওই বাসায় কিন্তু আমরা ছাড়া আর কেউ ওই বাসায় থাকে না কয়েকজন লোক ছিলো তারা সব ঠিক করে দিয়ে গেছে  সব কিছু পরিস্কার করতে করতে রাত ৮ টা বেজে গেলো তারপর বাহির থেকে কিছু এনে খেয়ে শুয়ে পড়লাম দুজনেই ৷। খুব ক্লান্ত লাগছিলো তাই  ফোনের দিকে চেয়ে দেখি নাই একটু চেয়ে দেখি মায়া ৫০ টা কল দিয়েছে সাইলেন্ট করা ছিলো ফোন তাই খোজ পাইনি আর কল দিলাম না ফোন বন্ধ করে ঘুমিয়ে গেলাম   তারপর মাজ রাতে  মনে হলো কেউ একজন মেয়ে মানুষ  আমার বুকের উপর বসে আছে ভয় পেয়ে গেলাম পুরো বাসা ফাকা ভুত হবে না তো আবার লাইট বন্ধ ছিলো তাই কিছু দেখতে পারছি না  তখন আমার মুখের কাছে তার মুখটি এনেছে তার গরম নিশ্বাস আমার মুখে পড়ছে তখন মেয়েটি বললো৷ 

> তকে আজ সারা রাত খাবো তুই আমায় পাগল করে ফেলছিস  তর জন্য এখন আমার ঘুম আসছে না .... 

............ 

আগামীকাল থেকে রাত দশটার সময় গল্প আপলোড করবো  

।।

শুধু আপনাদের কথায় গল্পটি একটু বড় করলাম  
আর  তিন পর্বতেই  গল্পটা শেষ করে দিবো ।। 

।।

কেমন হয়েছে গল্পটি কমেন্ট করে বলবেন কিন্তু সবাই ।

।।

পরের পর্বটা একটু ফানি হবে আর রোমান্টিক হবে ।। 

।।

ধন্যবাদ সবাইকে 

।।

অপেক্ষায় থাকুন তার পরের পর্ব জন্য



গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে 
পর্ব : ১৬ 
লেখক :  নিরব আহমেদ কাওছার 
.............................................................................
..........................................................................
......................................................................
..................................................................
..............................................................
...........................................................
........................................................
.....................................................
..................................................
...............................................
............................................
.........................................
......................................
...................................
................................
..............................
...........................
........................
.....................
..................
................
.............
...........
........
......
....
..
.

গল্পের শেষে আপনাদের জন্য কিছু কথা লিখেছি  প্লিজ সবাই পড়বেন।।

  

> তকে আজ সারা রাত খাবো তুই আমায় পাগল করে ফেলছিস ।  তর জন্য এখন আমার ঘুম আসছে না।   রাত বারোটার সময় জানালা দিয়ে  আসতে হয়েছে তর জন্য আমায় এইখানে  ( মেয়েটি আমার ঠোটে হাত দিয়ে  বললো৷)

> কন্ঠটা মায়ার মনে হচ্ছে কিন্তু মায়া এখানে আসবে কি করে আমি তো বলিনাই এই বাসার কথা তাকে।  নাকি ভুত আসছে আমাদের খেয়ে ফেলতে হতেই পারে  এত বড়  বাসায় কেউ থাকে না সুধু আমি আর জাহিদ মনে হয় ভুত কাকু আমাদের শিশু শিশু হড্ডি পেয়ে খেতে আসছে আম্মা তোমার শিশু ছেলে  আজ শেষ । ভুত কাকু গো  এখনো বিয়া করি নাই  এই শিশুরে খাইও  না ( মনে মনে বললাম আমি৷ )

তারপর জাহিদ কে আসতে আসতে ধাক্কা দিতে থাকলাম উঠার জন্য ।  কিন্তু সালা মনে হয় আজ  এক লিটার  প্রেট্রল খেয়ে  ঘুমাইছে আজ কোনো শব্দ নাই তারপর একটা যোরে চিমটি কাটলাম সাথে সাথে উঠে বসলো তারপর আমার বুকের উপর বসে থাকা মেয়েটি চিৎকার দিয়ে উঠলো ।

 > আম্মু বাচাও  আমার হাত এ্যাহ  😭এ্যাহ 😭 এ্যাহ 😭 ( কান্না করতে লাগলো মেয়েটি৷)

তারপর জাহিদ  উঠে দৌড়ে গিয়ে  লাইটটা অন করলো  তারপর  যা দেখালাম আমি।  মায়া বসে আছে আমার বুকের উপর  আমিতো আবাক এখানে এই মেয়ে আসলো কি করে তারপর তাকিয়ে  দেখলাম মায়া তার  হাত দরে কান্না করছে তখন আমি বললাম।

> ওই  তুমি কান্না করছো কেন ( আমি বললাম )

>............. ( চুপ করে মায়া তার হাতে দরে  ফুপিয়ে ফুপিয়ে কান্না করছে)

।। তখন আমি  কিছু বলবো তার  আগেই তখন জাহিদ বললো ।।

> ভাবি আপনি এত রাতে এখানে কেন আর কান্না করছেন কেন৷ ( জাহিদ বললো৷)

> শয়তান তরে গুলি কইরা মারুম আমি  ৷  তুই আমার হাতে কামর দিলি কেন ( মায়া বললো )

> ওহ এই জন্যই তাহলে  মায়া কাঁদছে ( মনে মনে আমি৷)

>  কি বলেন ভাবি  এটা আপনার হাত ছিলো ।       আমি তো মনে করছি নিরব এর হাত তাই কামর দিছিলাম সালা আমারে চিমটি কেটেছে বলে । সরি ভাবি না   দেখে কামর দিয়েছি ( জাহিদ বললো )

> শয়তান তুই দেখে কামর দিতে পারলিনা ইস আমার শিশু নরম হাতটারে কামর দিয়া তেড়া কইরা লাইছে       এ্যাহ  😭 এ্যাহ 😭  এ্যাহ 😭 আমি এখন আম্মুর  কাছে বিচার দিমু আমার হাতে কামর দিয়েছিস কেন  ( মায়া বচ্চাদের মতো কান্না করে বললো৷)

>  এ্যা 🥴 ভাবি  গো আপনি কাইনদেন না সরি আপনার আম্মুর কাছে গিয়া বিচার দিয়েন না  আমি দেইখা কামর দেইনি  ভাবি ( জাহিদ বললো৷)

> এ্যাহ 😭 এ্যাহ 😭 এ্যাহ 😭 নাহ আমি মাপ করুম না ।   আমি আম্মুর কাছে গিয়া বিচার দিমু  ।  তুই আমার এমন  শিশু নরম হাত পেয়ে কামর দিছিস এহন বেচারা হাত তর কামর খাইয়া তেড়া হইয়া কোমায় চলে গেছে এ্যাহ 😭 এ্যাহ 😭 এ্যাহ 😭 ( মায়া বাচ্চাদের মতো কান্না করে বললো )

।।  তখন আমি জাহিদ কে বললাম ।।

> জাহিদ তুই কিছুখন এর জন্য  একটু বাহিরে যা তো এই শিশু মেয়েটাকে একটু আদর করে  ভালো করি ( আমি বললাম৷)

তখন মায়া বললো ।

>  হুম একটু যলদি যাও একটু আদর নিতে  হবে আমায়  তাহলে সব ঠিক হবে যলদি যাও  বাহিরে ( মায়া বললো৷)

।।
তখন জাহিদ আমায় বললো ।
।।

> দুস্ত এটা  কিন্তু অন্যায়  এটা ঠিক না এত রাতে এই শিশু ছেলেটারে বাহিরে দাড় করিয়ে মশার সাথে হাডুডু খেলাইবি।  এখন বাহিরে না গেলে হয় না  কাল  সকালে তুই রোমান্স করিস বাধা দিবো না এখন ঘুমাতে দে আমায় ( জাহিদ বললো৷)

।। তখন মায়া একটু রাগি গলায় বললো বললো ।।

> ওই তুই যাবি নাকি লাঠি নিয়া আসবো ( মায়া রাগি গালায় বললো৷)

> হুম যাচ্ছি  যাচ্ছি যত বিপদ সব আমার  তারাতাড়ি হয় যাতে আমি বেশি সময় দাড়িয়ে থাকতে পারবো না  ৷  মশা কাকু আমি আইতাছি তোমাদের কাছে। 
মশা কাবাডি মশা কাবাডি  রক্ত খাইতে আইস না কইতাছি।
(  এই বলে ঘরের বাহিরে  চলে গেলো জাহিদ  )

( জাহিদ যাওয়ার পর  মায়া দরজাটা আটকে এসে বললো )

> কি আদর করবেনা বুজি ।  এখন অনেক অনেক আদর করতে হবে কিন্তু  আমায় ( এই কথা বলেই দুহাত দিয়ে মুখটা ডেকে ফেললো মায়া  )

> বাবাহহ এই মেয়ে তো দেখছি  এক পা আগে চলে গেছে বুঝতে পারছি এর মনে অন্য কিছু ঘুরছে ( আমি মনে মনে বললাম )

৷৷ আমার কোনো উত্তর না পেয়ে তখন মায়া  আবার বললো ৷৷

> কি হলো আদর করো ( মায়া বললো৷)

> আদর করবো কিন্তু তুমি মনে মনে যেই আদর করার কথা  ভাবছো সেটা এখন হবে না সেটা আপাতত মন থেকে মুছে ফেলো সেটা বিয়ের পর ।  এখন  মিষ্টি একটা কিস করে দেই বাসায় গিয়ে ঘুমাও  আজ সারাদিন অনেক কাজ করেছি  সরিলটা দূর্বল হয়ে গেছে  বুঝতে পারছো ( আমি বললাম )

> এ্যা 🥴 তোমার এই একটা মিষ্টি কিস নেয়ার জন্য আমি এত রাতে জানালা দিয়ে আসছি  যাও লাগবেই না কিস আমি চলে যাচ্ছি  ( মায়া মন খারাপ করে বললো৷)

> ঠিক আছে যাও  ( আমি বললাম )

> হুম যাচ্ছি আর আসবো না আমি এইখানে  থাকো তুমি  ( মায়া রাগি গলায় বললো )

> আচ্ছা যাও তবে একটা কথা বলো তো তুমি যানলে কি করে এই বাসার আমি আর জাহিদ আছি ( আমি বললাম৷)

> গতকাল জাহিদ  আমায় বলেছে  এই বাসার  এখন থেকে থাকবে বলেছে ( মায়া বললো )

> ওহ এই বেপার তাইতো বলি তুমি এই বাসার কথা জানলে কি করে । আচ্ছা এখন  তাহলে তুমি চলে যাও  এক কিসে তো তোমার হবে না বিয়ের পর তাহলে একে বারে অনেক কিস করো  যাও আমি ঘুমাবো এখন ( আমি বললাম )

এই বলে শুয়ে পরলাম কিন্তু পাগলিটা আর শুয়ে থাকতে দিলো না দৌড়ে এসে শাট এর কলার দরে টেনে তুলে   আমায় কিস করতে লাগলো পাঁচ মিনিট পর ছেড়ে দিয়ে বললো ।

> কত আসা করে আসছি কত কিছু হবে আর তুমি সব নষ্ট করে দিলে আচ্ছা ঠিক আছে আগামীকাল সব পূরণ করে নিবো আজ চলে যাচ্ছি ( মায়া মন খারাপ করে  বললো৷)

।।  এই বলে মায়া জানালা দিয়ে বের হবে তখন আমি বললাম ।।

> জানালা দিয়ে এত কষ্ট করে যাওয়ার কি প্রয়োজন দরজা খোলা আছে এখান দিয়ে বাহিরে  চলে যাও ( আমি )

> নাহ থাক  আমি জানালা দিয়ে যাবো ( অভিমানি কন্ঠে বললো )

।। বুজতে পারছি পাগলিটা মন খারাপ করে আছে তখন আমি বললাম ।।

> আচ্ছা ঠিক আছে চলো আমি তোমায় নিয়ে যাচ্ছি তুমি আমার গলায় জরিয়ে দরো তোমাকে কোলে তুলে নিয়ে যাচ্ছি ( আমি )

।। কথাটি শুনে দৌড়ে আসলো আমার কাছে  মায়া খুব ☺ খুশি হয়েছে মায়া  তখন  আমার কাছে এসে গলায় জরিয়ে দরলো তারপর দুই পা দিয়ে কোমরে পেচিয়ে দরলো আর বললো

>   চলো তাহলে  উমমমমমাহ  ( মায়া আমার ঠোঁটে একটা কিস করে বললো )

> পাগলি কোথার  ( মুচকি একটা হাসি দিয়ে বললাম আমি)

> হুম আমিতো তোমারই পাগলি এখন নিয়ে চলো তাহলে ( মায়া বললো )

তারপর দরজা খুলে দেখি জাহিদ বসে বসে ঘুমাচ্ছে তখন জাহিদ কে বললাম।

> কিরে  ওই বসে বসে ঘুমাচ্ছিস কেন  উঠ ঘরে গিয়ে ঘুমা যাহ ( আমি৷)

।। আমার কথা শুনে ঘুম ঘুম চোখে তাকিয়ে বললো ।।

> তাহলে কি দাড়িয়ে দাড়িয়ে ঘুমাবো নাকি আচ্ছা তর সামনে এত বড় কি বেগ আগে তো কখনো দেখিনাই কই যাস এত রাতে বেগ নিয়ে  ( ঘুম ঘুম চোখে তাকিয়ে বললো জাহিদ)

> ভালো করে তাকিয়ে দেখ এটা কি ( আমি বললাম )

তখন জাহিদ ভালো করে তাকিয়ে দেখে মায়া তখন জাহিদ বললো৷

> এইডা কি দেখছি আমি ভাবি আপনি জুলে আছেন কেন ( অবাক হয়ে জাহিদ বললো )

> কেন জুলে থাকলে সমস্যা কোথায়  আমি  সারাজীবন এমন করেই জুলে থাকবো  ( মায়া বললো ) 

> খুব ভালো কাজ করছেন ভাবি  কোনো দিন চাউলের বস্তা মাথায় নেয়নি এখন নাহয় আপনাকে নিয়ে দেখুক কেমন লাগে ( হাসতে😄 হাসতে 😄 জাহিদ বললো )

।। তখন মায়া আমায় বললো ৷৷

> দেখছো তোমার সামনে আমায় চাউল এর বস্তা বলছে  এ্যাহ 😭 এ্যাহ 😭এ্যাহ 😭 তুমি কিছু বলো৷ ( বাচ্চাদের মতো কান্না করে বললো৷ মায়া)

> ওই তুই ঘরে যাতো ( একটু রাগি গলায় বললাম আমি )

তারপর জাহিদ চলে গেলো ঘরে আর আমি মায়া কে নিয়ে ছিঁড়ি দিয়ে নামতে যাবো তখন মায়া আমার সারা মুখে কিস করতে লাগলো তখন আমি বললাম ।।

> আরে থামো থামো এই ভাবে যদি কিস করতে থাকো তাহলে এখনি পড়ে যাবে তুমি ( আমি বললাম )

> কেন থামবো এগুলো  সব আমার  তাই  আমি আদর করছি তাতে তোমার কি তুমি যাও আমি আদর করবো  ( মায়া বললো৷)

এই বলে আবার কিস করতে লাগলো যানি এখন কিছু বললে আর  কথা শুনবে না তাই নিয়ে চলো আসলাম ।  এসে দেখি গেড এর কাছে মায়ার কিছু  গার্ড দাড়িয়ে আছে  আর গারি নিয়ে আসছে তখন আমি বললাম ।। 

> এখন নামো এসে গেছি আর কত কিস করবে।    এখন বাসায় যাও নামো ( আমি )

> নাহ আমি নামবো না আমি তোমার সাথে থাকবো এই  ভাবে জরিয়ে দরে থাকবো কোথাও যাবো না আমি।  তুমি  চলো ঘরে চলো  ( মায়া আরো শক্ত করে জরিয়ে দরে বললো৷)

> পাগলামো করো না এখন বাসায় যাও আর তো কিছু দিন তারপরে সারাজীবন তো দুজনেই এক সাথেই থাকবো তখন যত খুশি জরিয়ে দরে থেকো বাধা দিবো না এখন বাসায় যাও  ( আমি বললাম৷)

> নাহ আমি যাবো না আমি এখানেই থাকবো তোমার সাথে থাকবো  ( মায়া বললো৷)

> আবার পাগলামি শুরু করছো বললাম তো এখন বাসায় যাও আর তো মাএ কিছু দিন তারপর তো সারাজীবন পাবে আমায় তখন জরিয়ে দরো যতখুশি এখন বাসায় যাও অনেক রাত হয়েছে ( আমি বললাম ) 

।।

তখন মায়া বললো।

> নাহ আমি কোথাও যাবো না তোমার সাথেই থাকবো আমি  চলো ঘরে নিয়ে চলো আমায় ( মায়া  কিস করে শক্ত করে জরিয়ে দরে বললো৷)

কি করি বলেন তো এমন পাগলামি যদি করে যানি এখন আর কথা শুনবে  না দেখি  যদি কিস করলে কথা শুনে  তাহলে ভালো হবে আর নয়তো  পাগলিটা এমনি করবে তারপর গেড এর ভিতরে নিয়া আসলাম  এসে  মায়ার ঠোঁট গুলো আমার দখলে নিয়া  পাঁচ মিনিট কিস করলাম  তারপর ছেড়ে দিয়ে বললাম ।।

> এখন যাও আবার আগামীকাল এসে আদর করবে ঠিক আছে  যাও এখন বাসায় গিয়ে ঘুমিয়ে থাকবে ( আমি বললাম )

> যেতেই হবে আমায়  না গেলে হয় না তোমার সাথে আর কিছু খন থাকি ( আবদারের গলায় বললো৷ মায়া৷)

> যাক কাজ হয়েছে  পাগলিটা তাহলে যাবে ( মনে মনে বললাম৷)

 তখন আমি মায়াকে  বললাম ।।

> নাহ এখন বাসায় যাও অনেক রাত হয়েছে যাও আর কোনো কথা বলবে না সোজা বাসায় যাও  ( আমি বললাম )

> আচ্ছা ঠিক আছে এখন  যাচ্ছি  তার আগে তিন বার I Love you বলো আর তিনটি ঠোটে কিস করো।তুমি কিন্তু আমায় এখনো  প্রপোজ করো নাই তাই  প্রপোজ এর বদলে এই কিস দিয়ে ভালবাসার শাক্ষি রাখলাম বলো এখন ( মায়া বললো৷)

> আচ্ছা ঠিক আছে বলছি । আর তুমি আমায় প্রপোজ করতে দিয়েছো তার আগেই মেরে হাড্ডি গুড্ডি সব তেড়া করে ফেলছো আর ইজ্জত সব কেরে নিছো এখন আর বলে কি করবো একে ভারে নাহয় কবুল বলবো। ( আমি বললাম )

> সেটা তো বিয়ের সময় বলবে এখন এটা বলো তাহলে চলে যাবো আর নয়তো যাবো না আমি ( মায়া বললো৷)  

 > আচ্ছা বলছি । তোমায় যেদিন দেখেছিলাম আমার  মনটা সেদিন  মুচকি হাসি দিয়ে বলেছিলো ওরে পাগল তর পাগলি পেয়েছি চোখটা তোমায় বুঝাতে চাইছিলো কতটা ভালবাসি। বিস্যাস রাখো হাতটা বাড়িয়ে দাও বাকিটা জিবন তোমায় সবটুকু ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখবো মৃত্যু ছাড়া কেউ আলাদা করতে পারবে না খুব ভালবাসি তোমায় ।
গুন্ডি হলেও তুমি আমার মনের রানি  I Love you একবার নয় হাজার বার বলতে রাজি  #I Love you " I Love you " I Love you   এই পাগল এর কাছে  আরো কিছু কি  চাই ( আমি বললাম )

> আর কিছু চাইনা শুধু তোমায় চাই  I Love you  2 ( মায়া বললো )

।। এই বলে জরিয়ে দরলো  আর   ঠোঁটে কিস করতে লাগলো  পাচ মিনিট কিস করার পর ছেড়ে দিয়ে বললো ।।

> তোমার এত মিষ্টি ঠোট কি এত তারাতাড়ি ছাড়তে মন চায় বলো আচ্ছা  সকালে আমি আসবো কিন্তু তোমার কাছে  এই ঠোঁট দুটো কে আদর করতে ( মায়া বললো৷)

> সকালে কলেজে দেখা হবে এখানে তোমার আসতে হবেনা ( আমি বললাম)

> আমি তো সকালে  আসবো তুমি বললে ও আসবো না বললে ও আসবো৷ ( মায়া বললো৷)

এই বলে চলে গেলো মায়া গারিতে উঠে যতখন আমায় দেখা গেছে ততক্ষণ  আমায় দেখতে দেখতে গিয়েছে তারপর অন্ধকারে গারিটা হারিয়ে গেলো তারপর আমিও সেখান থেকে চলে আসলাম আসার সময় দেখলাম নিচতলায় একটা সাইকেল একদম নতুন তারপর রুমে গিয়ে দেখি  জাহিদ বসে আছে তখন আমি বললাম  বললাম ।।

> কিরে তুই তো বললি এই বাসায় কেউ থাকে না তাহলে নিচে কার সাইকেল এটা ( আমি বললাম )

> ওহ তকে বলতে বুলে গেছি এই বাসায় একটি মেয়ে তার  পরিবার নিয়ে থাকে নিচ তলায় । তারা  তাদের গ্রামে গেছে কিছু দিন এর জন্য তাই সাইকেলটা রেখে গেছে  মেয়েরা দুই বোন আর তার বাবা-মা থাকে আর আমারা যে  কলেজে পড়াশোনা করি সে মেয়েটা ওই কলেজে পড়ে এবং আমাদের সাথেই পড়ে আমার সাথে বন্ধু হয়েছে তাই ওর সাথে কথা বলে এই বাসায় আসছি বুজতে পারছিস ( জাহিদ বললো )

> হুম বুঝতে পারছি  মেয়েটার সাথে  আমায়  পরিচয় করিয়ে দিস তো ( আমি বললাম৷)

> মেয়েটা তর সাথে কথা বলতে অনেক বার চেষ্টা করছে কিন্তু বলতে পারেনাই কারন মায়া তার আগেই সাবধান করে দিয়েছে যেন তর সাথে কোনো কথা না বলে তাই আমার সাথে এসে কথা বলতো  ।  তারপর আমরা দুজন বন্ধু হয়ে যাই একদিন ক্লাসে কথা বলছিলাম তখন আমি বললাম একটা রুমের দরকার আমাদের দুজন এর জন্য  তারপর নিপা ওহ মিয়েটির নাম নিপা ও আমায় এই বাসার কথা বলছে তারপর এই বাসায় আসলাম আবার বলিস না অনেক দিন এর সম্পর্ক । এটা কিন্তু মাএ তিন দিন হলো  ( জাহিদ বললো )

> আচ্ছা ঠিক আছে এখন ঘুমিয়ে পড় সকালে বাকি কথা হবে ( আমি বললাম৷ )

তারপর কিছুখন পর ঘুমের দেশে হারিয়ে গেলাম সকালে উঠে ফ্রেস হয়ে কলেজে যাওয়ার জন্য রেডি হচ্ছি তখন জাহিদ বললো।

> দোস্ত শুন তুই কলেজে যা  আমার একটু কাজ আছে  আমি তর সাথে কলেজে গিয়ে দেখা করবো ( জাহিদ বললো )

তারপর জাহিদ চলে গেলে আমিও রেডি হয়ে বেরিয়ে পড়লাম নিচে নামার পর সাইকেলটা সামনে পড়লো যখন ছোট ছিলাম তখন আমি অনেক পাগল ছিলাম সাইকেল চালানোর জন্য  যখন ক্লাস টেনে উঠেছি তখন থেকে সাইকেল চালানো একেবারে  ছেড়ে দিয়েছি । আজ এই সাইকেল চালিয়ে কলেজে যাবো কয়েক জন কে দেখেছি সাইকেল চালিয়ে আসে তাহলে আমিও যাই  যেই ভাবা সেই কাজ সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলাম তখন সামনে দেখলাম লিমা দাড়িয়ে আছে আর খুব চিন্তিত মনে হচ্ছে তারপর সাইকেলটা লিমার কাছে  গিয়ে থামিয়ে বললাম৷। 

।।

> কি হয়েছে এখানে দাড়িয়ে আছো কেন লিমা কিছু হয়েছে  মনটা  খারাপ মনে হচ্ছে ( আমার ছোট লিমা তাই  আমার ছোট বোন এর মতোই দেখি ) 

> ভাইয়া কিছু হয়নি এমনি দাড়িয়ে আছি তুমি যাও ( লিমা মাটির দিকে তাকিয়ে বললো )  

> আমি যানি আমার এই ছোট্ট পাগলি বোনটার কিছু হয়েছে এখন বলে ফেল বোন।  ভাই এর কাছে কিছু লুকিয়ে লাভ নাই বল ( আমি বললাম )

।।

আমার এই কথা শুনে লিমা আমার দিকে তাকিয়ে বললো৷

।।

> ভাইয়া আজ বিকেলের মধ্যে  আব্বুর জন্য চার বেগ রক্ত লাগবে নয়তো বাচানো যাবে না আব্বুর রক্ত নাকি সব নষ্ট হয়ে গেছে মোট আট বেগ রক্তের প্রয়োজন চার বেগ আমরা যোগাড় করতে পারছি দুই বেগ আমার বড় ভাই দিবে আর দুই বেগ অন্য যায়গা থেকে যোগাড় করেছে  কিন্তু আর চার বেগ রক্ত পাওয়া যাচ্ছে না  কোথাও ( লিমা এই বলে কান্না করে দিলো )

> ওহ এই ভেপার আচ্ছা কি পজিটিভ রক্ত লাগবে ( আমি বললাম )

> ও নেগেটিভ রক্ত লাগবে ভাইয়া ( লিমা বললো৷)

> ওও আচ্ছা ঠিক আছে চিন্তা করতে হবে নারে বোন তর এই ভাই আছে আমি রক্ত দিবো আমার রক্ত  ও নেগেটিভ আর আমার এক বন্ধু আছে জাহিদ অর রক্ত সেম ডাক্তার কে গিয়ে বল রক্ত পেয়েছি ।  আমি আর আমার বন্ধু বিকেলে চলে যাবো রক্ত দিতে এখন বল তো বোন এইখানে কেন দাড়িয়ে আছিস ( আমি বললাম )

> হাসপাতালে যাবো আর রক্ত নিয়ে চিন্তা করছিলাম ( লিমা )

> আচ্ছা চল আমি দিয়ে আসছি হাসপাতালে আর আমি ও চিনে আসলাম রক্ত দিতে হবে তো ( আমি )

> আচ্ছা চলো কিন্তু যাবো কি দিয়ে রিকশা তো নাই একটাও  অনেক খন দরে দাড়িয়ে আছি  (  লিমা বললো )

> কেন এই সাইকেল চালিয়ে যাবো পিছনে বস আমি চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছি ( আমি বললাম৷)

> নাহ ভাইয়া মানুষ অন্য কিছু ভাববে খারাপ ভাববে ( লিমা বললো )

> যে যাই ভাবুক আমরা দুজন  ভাই বোন উঠতো এত কথা না বলে ( আমি বললাম )

> ঠিক আছে উঠছি দেখো আবার মাজ রাস্তায় ফেলে দিওনা যেন ( লিমা বললো৷)

> ফেলে দিবো মানে এই পযন্ত ১৯ জন কে ফেলেছি হাত পা ভেঙ্গেছি  এখন তকে  ফেলে ২০ পূরণ করবো  যলদি উঠ ( আমি বললাম )

> কিহহ নাহ আমি যাবো না তোমার সাথে তুমি ফেলে দিলে আমার শিশু শিশু হড্ডি সব ভেঙ্গে যাবে তুমি যাও আমি হেটে আসছি  ( লিমা৷)

> আরে পাগল আমি এমনি বলছি এটা  আমার কলেজ আছে যলদি উঠ ( আমি বললাম )

তারপর লিমা আমার সাইকেলে  উঠলো আমি চালিয়ে যেতে লাগলাম লিমা আমায় পিছন থেকে জরিয়ে দরে  বসে  আছে রাস্তার লোক দেখে কিছু না বললেও একজন পেছনে রয়েছে সে মনে মনে বকা দিয়ে  সব উদ্যার করে ফেলছে হা এটা আর কেউ না মায়া

।।

মায়া তার গাড়ি দিয়ে  কলেজে আসছিলো তখন দেখলো  আমি দাড়িয়ে লিমার সাথে কথা বলছি তখন তার গারিটা দাঁড় করিয়ে আমাদের দেখতে লাগলো আর যখন আমি লিমাকে সাইকেলে উঠালাম তখন রেগে এটম বোম হয়ে গেছে মনে হয় কাছে পেলে কাচা চিবিয়ে খেয়ে ফেলতো তারপর বকা দিতে দিতে আমাদের ফলো করে হাসপাতাল পযন্ত আসলো ভিতরে যায় নি মায়া বাহিরে থেকে দেখতে লাগলো ।

এদিকে

আমি লিমার আম্মুর সাথে আর তার ভাই এর সাথে কথা বলে চলে আসলাম আর বলে আসলাম আমি বিকেলে এসে রক্ত দিবো কোনো চিন্তার কিছু নেই  সব কথা বলে চলে আসলাম বাহিরে এসে দেখি ১০.১৫ মিনিট ঘরির কাটায় ক্লাস শুরু হয়ে গেছে তাই তারাতারি সাইকেলটা চালিয়ে কলেজে এসে গেলাম আসার সময় একবার একটি গারির সাথে ধাক্কা খেয়ে পড়ে গিয়েছিলাম কিছু হয়নি ভাগ্য ভালো তারপর ক্লাসে চলে গেলাম গিয়ে দেখি আফছানা মেডাম ক্লাস করাচ্ছে খুব ভালো মেডাম ওনি কিছু বলেনি আমায় তাই বেচে গেলাম তারপর জাহিদ এর কাছে গিয়ে বসলাম বসা মাএ জাহিদ বললো ।।

> কিরে তর এত দেরি হলো কেন আসতে কলেজে।  আর মায়া কোথায় আজ এলো না কলেজে ( জাহিদ বললো৷)

> একটা সমস্যা হয়েছে তাই একটু লেট হলো আর মায়া  এখনো আসেনি আজ তো কলেজে আসার কথা আচ্ছা এই ক্লাসটা করে  পরে দেখবো কেন এলো না আর তর সাথে কথা আছে এই ক্লাস করে বের হয়ে পরে বলবো  ( আমি বললাম )

> আচ্ছা ঠিক আছে ( জাহিদ বললো )

তারপর আরো দুটি  ক্লাস করে বের হলাম জাহিদ কে নিয়ে মাঠের এক কোনো নিয়ে গিয়ে বললাম৷

> শুন দোস্ত  একটা উপকার করতে হবে  তর করবি ( আমি বললাম )

> হুম বল কি করতে হবে আমায় করবো ( জাহিদ বললো )

> বেসি কিছু না তর সরিল থেকে দুই বেগ রক্ত দিতে হবে  একজন মানুষ কে ( আমি৷)

> কিহহ 😮 রক্ত দিতে হবে ।   আম্মা বাচাও কোন হানে আছো যলদি আমায় বাচাও  (  জাহিদ  এই বলে দৌড় দিলো )

।। তখন আমি দরে বললাম ।।

> আরে থাম দৌড়ে কইযাস ( আমি বললাম )

> কাকু আপনি কে আমি আপনাকে চিনি না দুঃখী তো কে আপনি আমায় ছাড়েন  আর সামনে থেকে সরেন চলে যাবো আমি  ( জাহিদ বললো ) 

> জাহিদ এখন  মজা করার সময় না  চল তর রক্ত দিতে হবে ( আমি বললাম )  

> থাম সালা জিবনে আজ পযন্ত  একটা ইনজেকশন দিয়ে দেখিনাই আর তুই বলিস রক্ত দিতে  ছোট বেলা একবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলাম তখন ডাক্তার সাহেব বলেছেন আমার সরিলে  একটা সেলাইন বরতে হবে এটা শুনে সেখান থেকে সাত কিলোমিটার  দৌড়ে খালার বাসায় চলে গিয়েছিলাম যাতে এই ইনজেকশন না  দিয়ে সেলাইন বরে আর তুই বলছিস রক্ত দিতে  কাকু গো আমারে ছাইড়া দেন  ৷ মশা চেয়ে রক্ত  কম আমার সরিলে তাইতো মশা কামর দিয়ে বকে আমায় কোন ফহিন্নির সরিলে কামর দিছি রক্ত নাই ।  আমি আজ বাসায় যাবো তুই থাক ( জাহিদ বললো )

।।  তখন আমি বললাম ।।

> দুস্ত শুন আমি যানি তুই একটু ইনজেকশন কে ভয় পাস । (    তখন আমায় থামিয়ে জাহিদ বললো   )

> একটু না অনেকটাই ভয় পাই তাইতো সাত কিলোমিটার দৌড়ে খালার বাসায় চলে গিয়েছিলাম আমায় দিয়ে হবে না এই রক্ত দেওয়া  ( জাহিদ বললো ) 

 > শুন দোস্ত তুই রক্ত দিলে একজন বৃদ্ধ মহিলার স্বামী বাঁচবে আর দুইজন ছেলে মেয়ে বাবা বলে ডাকতে পারবে ।  তুই কি চাষ মরে যাক তুই রক্ত দিলে তো আর মরে যাবি না বরং উপকার হবে  । আমি আর কিছু বলবো না তকে  এখন তর ইচ্ছে তর রক্ত যদি একজন মানুষ এর প্রান বাচে  তাহলে সমস্যা কোথায় আমি যোর করবো না তকে আর ( আমি বললাম৷)

।।  তখন কি জানি ভাবলো জাহিদ আর বললো ।।

> ঠিক আছে আমি রক্ত দিবো কিন্তু ডাক্তার কাকু কে বলিস রক্ত যেন একটু কম নেয় শিশু মানুষ তো তাই হাত পা যদি অঙ্গান হইয়া যায়  ( জাহিদ বললো )

> হি 😁 হি 😁 হি 😁 আচ্ছা ঠিক আছে এখন গিয়ে তুই ক্লাস কর আমি তকে নিয়ে যাবো যখন  রক্ত দিতে যাবো আমি আর ক্লাস করবো না  মায়া কে গিয়ে খুজি দেখি কোথায় আছে আমার বাসায় গিয়েছে কিনা  ( আমি )

> ঠিক আছে  ( জাহিদ বললো )

।। তারপর জাহিদ চলে গেলো আর আমি চলে এলাম যেখানে সাইকেল রাখছিলাম সেখানে এসে দেখি সাইকেল নাই ।

> আল্লাহ সাইকেল কি কেউ চুরি করে নিয়ে গেছে তাহলে তো আমি শেষ  এমনি টাকা নাই তাহলে তো নগদ জরিমানা দিতে হবে ( মনে মনে বললাম৷)

সামনে দেখতে পেলাম একটা বয়স্ক লোক বসে আছে আমি যখন সাইকেল রাখছি তখন এই লোকটা এখানেই ছিলো তাহলে তো নিসচয় দেখতে পেরেছে সাইকেল কে নিয়েছে  গিয়ে দেখি বলে দেখতে পারছে কি না তারপর গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম । ওনি বললো কলেজ এর পিছনে নাকি একটা মেয়ে এই সাইকেল নিয়ে গেছে আমি রেখে যাওয়ার পর  তারপর কলেজ এর পিছনে গিয়ে আমি অবাক  ।।

।।

কারন দেখি মায়া বসে বসে সাইকেল এর পিছন এর ছিট খুলছে আর চাকা দুটো খুলে একটা আগুন লাগিয়ে দিয়েছে আরেক বেচারা চাকা কে গাছের সাথে বেধে রাখছে তারপর পিছনের  ছিট খুলে চাকার সাথে বেধে একটা হকিস্টিক নিয়ে চাকা আর ছিটকে মারতে লাগলো আর বলতে লাগলো৷

।।

> সালা সাইকেল  তর কত সাহস তুই আমায় রেখে অন্য কোনো মেয়ে কে  তর পিছনে বসিয়েছিস  তর জান আজ কেরে নিবো আর তকে যে চালিয়েছে তাকে তো আজ পানিতে চুবিয়ে চুবিয়ে মারবো   ( মায়া রাগি গলায় বললো৷)

> এই মেয়ে তাহলে দেখে ফেলছে সব তাই তো এত রেগে আছে কিন্তু সে তো জানে না কিসের জন্য উঠিয়েছি বেচারা সাইকেল এর উর সব রাগ দেখাচ্ছে ( মনে মনে আমি বললাম৷)

তারপর  কিছুখন এই ভাবে মেরে সাইকেল এর সব কিছু পানিতে ফেলে দিলো আর বললো৷।

> আর কোনো সাইকেলে যদি আমায় না উঠায় অন্য কাউকে উঠায় পিছনে  তাহলে তর চেয়ে বেসি খারাপ অবস্থা করবো সেই সাইকেল  গুলোর ( মায়া)

> কি পাগল মেয়ে বলেন তো সাইকেল এর কি জীবন আছে যে তার কথা শুনবে সে কি একটু ব্যাথা পাইছে মারছে যে শুধু শুধু  এত কথা বলছে সে কি কিছু শুনতে পাইছে তবে হা আমি শুনেছি হয়তো সাইকেল কে দিয়ে আমায় বোজিয়েছে এখন এইখান থেকে চলে যেতে হবে নয়তো আজ আমি শেষ ( মনে মনে বললাম৷)

তারপর সেখান থেকে দৌড়ে চলে আসলাম বাসায়।  তারপর জাহিদ কলেজ থেকে আসার পর হাসপাতালে নিয়ে চলে গেলাম রক্ত দিতে সেখানে রক্ত দিতে দিতে অনেক রাত হয়ে গেলো তারপর লিমার আম্মুর সাথে আর  ভাই এর সাথে কথা বলে চলে আসবো তখন লিমার ভাই বললো ।।

> ভাই আর একটা কাজ করবে আমার জন্য ( লিমার ভাই বললো )

> কি করতে হবে বলেন ভাই একটা কেন হাজারটা  কাজ করতে রাজি আছি ( আমি)

> বেশি কিছু না আমার বোনটাকে আর আম্মু কে একটু কষ্ট করে যদি বাসায় দিয়ে যেতে অনেক রাত হয়েছে তাই একা যেতে দিতে চাইছিলাম না যেহেতু তুমি আছো তাই বললাম ( লিমার ভাই বললো ) 

> ঠিক আছে ভাই আপনার চিন্তা করতে হবে না আমি ঠিক পৌঁছে দিবো ( আমি বললাম )

 তারপর লিমাকে আর তার আম্মু কে বাসায় দিয়ে আসলাম আমরা।  আসার সময় লিমার আম্মু আর লিমা  আসতে দিচ্ছিলো না কিছু খেয়ে যেতে বলছিলেন তারপর কোনো মত বুজিয়ে চলে আসলাম  এসে দেখি রাত তিনটা বাজে তারপর দুজনেই ঘুমিয়ে পড়লাম পরের দিন সকালে উঠে দেখি  ফোন বন্ধ আমার জাহিদ এর ফোনটা নিলাম সময় দেখার জন্য  ফোনটা দরে দেখি মায়া ২০০ শত কল দিয়েছে ফোন বেক করতে যাবো ✆ ফোনটা বন্ধ হয়ে গেলো কপাল খারাপ হলে যা হয় আরকি  তারপর ফোনটা  চার্জে লাগিয়ে ফ্রেস হয়ে রেডি হয়ে আমি আর জাহিদ কলেজ  চলে এলাম মাজ রাস্তায় এসে ফোন এর কথা মনে হলো তারপর আর বাসায় গেলাম না সোজা কলেজ এর গেড এর কাছে চলে এলাম গেড দিয়ে ডুকতে যাবো  ঠিক তখনি লিমা এসে জরিয়ে দরে গালে একটা কিস করলো আর বললো৷

> ভাইয়া তোমায় অনেক অনেক  ধন্যবাদ  আমার আব্বু এখন সুস্থ ডাক্তার বলেছে আর কোনো সমস্যা নাই তোমায় কি বলে যে ধন্যবাদ দিবো তোমার জন্য আমার আব্বু  বেচে গেছে ভাইয়া তুমি যদি রক্ত না দিতে তাহলে আর বাচানো সম্ভব হতো না তোমায় অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া উমমাহহ  ( লিমা জরিয়ে দরে গালে একটা কিস করে  বললো৷)

> আরে পাগলি বোন ধন্যবাদ দেওয়ার কিছু নেই এতে ।  আর বাচানোর মালিক হচ্ছে আল্লাহ  আমি শুধু  আমার দায়িত্ব পালন করেছি  এখন বাসায় চলে যাহ আমি ক্লাস শেষ হলে  পরে গিয়ে হাসপাতালে দেখা করবো ঠিক আছে ( আমি বললাম)

> ঠিক আছে ভাইয়া আমি অপেক্ষায় থাকবো তোমার আসবে কিন্তু  ( লিমা বললো৷)

> ঠিক আছে আসবো হয়েছে এবার খুশি এখন চলে যা আমি ক্লাসে যাবো ( আমি বললাম৷)

তারপরে চলে গেলো লিমা পিছনে চেয়ে দেখি মায়া  দাড়িয়ে আছে মায়ার দিকে তাকিয়ে দেখি কান্না করছে চোখ দুটো লাল হয়ে গেছে ।  তারপর দৌড়ে কাছে  গিয়ে হাতটি দরবো তখন   ঠাসস ঠাসসস করে চারটি চড় দিয়ে বললো

> তুই আমার সরিলে টাচ করবি না । তুই আমার সাথে  কোনো কথা বলবি না  ।  ছি তর মতো এমন একটা  খারাপ ছেলেকে আমি  ভালবেসেছি আমার ভাবতেই ঘৃণা লাগছে কতটা ভালবাসি তকে আর তুই অন্য মেয়ে নিয়ে ছি  এই বলে আরো দুটি চড় দিলো ( মায়া )

।। তখন আমি  বললাম ।।

> প্লিজ মায়া তুমি আমার কথাটা  শুনো আগে ।   তুমি ভুল ভাবছো যেটা ভাবছো আসলে সেটা  না  ( আমি বললাম৷)  

তখন আরো দুটি চড় দিয়ে বললো ।  

।। বানান গুলো ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন 🙏🙏🙏।।

চলবে.....
________________________________________________

________________________________________________


গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে 
পর্ব : ১৭
লেখক : নিরব আহমেদ কাওছার 
.............................................................................
..........................................................................
......................................................................
..................................................................
..............................................................
...........................................................
........................................................
.....................................................
..................................................
...............................................
............................................
.........................................
......................................
...................................
................................
..............................
...........................
........................
.....................
..................
................
.............
...........
........
......
....
..
.

> হয়েছে তর আর বলতে হবে না আমি নিজের চোখে দেখেছি তবুও বলছিস ভুল ভাবছি ভুল দেখছি ৷৷  আমি তর এই মুখ আর দেখতে চাইনা  ৷৷ আর  তর মুখে আমার নাম নিবি  না ছোটলোক কোথাকার আমারি ভুল তর মতো এমন  একটা খারাপ  ছেলেকে ভালবেসেছি  ( মায়া)

> প্লিজ বিস্যাস করো আ...আর কিছু বলতে না দিয়ে মায়া বললো৷।

> আমি আর তর কোনো কথা শুনতে চাই না তর মুখ যেন আমি আর না দেখি । আজ থেকে আমি আর তকে ভালবাসি না  ( মায়া বললো ) 

কথাট শুনেই বুকটা কেপে উঠলো মনে হচ্ছে কিছু একটা হারিয়ে যাচ্ছে এই বুকের মধ্যে থেকে তখন আমি বললাম৷।

> প্লিজ এমন করো না আমি তোমায় অনেক ভালবাসি তুমি আমার কথাটা শুনো আগে  ।। ।  কিন্তু আমার কথাই শুনলো না  মায়া কান্না করতে করতে দৌড়ে চলে গেলো তার গারি নিয়ে অনেক লোক দেখছিলো আমাদের কে কারন এটা কলেজ এর গেড এর বাহিরে রাস্তায় হয়েছে খুব কান্না পাচ্ছিলো যাকে ভালবাসি সে একটা বার  কথাটা শুনলো না

 না শুনেই ভুল বুজে অপমান করে চলে গেলো  খুব ব্যাথা করছে তবে সেটা বুকে । কথা গুলো সোজা বুকে আগাত করেছে যখন বলেছে আমি আর ভালবাসি না  ।   চোখ দিয়ে আপনা আপনি কয়েক ফোটা পানি গড়িয়ে মাটিতে পড়লো খুব কাদতে ইচ্ছে  করছে কিন্তু সয্য করে রেখেছি ৷  যাওয়ার   সময় পিছন  থেকে অনেক বার ডেকেছি কিন্তু আমার কথা শুনলো না মনটা খারাপ হয়ে গলো চুপ করে দাড়িয়ে আছি   একটা বার বলার শুজুক দিলো না  আমায় ।   তখন জাহিদ বললো  ।।।

> দুস্ত মন খারাপ করিস না চল ক্লাসে যাই  দেখিস সব ঠিক হয়ে যাবে ( জাহিদ বললো )

> নারে দুস্ত আমি আজ ক্লাস করবো না খারাপ লাগছে বাসায় চলে যাবো তুই ক্লাস কর গিয়ে আমি বাসায় যাই ( আমি বললাম  কিছুটা কান্না কন্ঠে )

> ঠিক আছে যাহ তবে সাবধানে যাস আর  রাস্তা দেখে পার হবি  ( জাহিদ বললো )

জাহিদ এর কথার কোনো উওর  না দিয়ে হাটতে লাগলাম মায়ার বাসার বাসার উদ্দেশ্য মায়ার ভুল ভাঙ্গাতে হবে তারপর চলে এলাম মায়ার বাসার সমানে বিশাল বড় বাড়ি গেড দিয়ে ঢুকতে যাবো তখন দারোয়ান আমায় যেতে দিলো না তখন মায়ার কথা জিজ্ঞেস করলাম মায়া নাকি এখনো আসে নাই কিন্তু মায়া তো আমার আগে এসেছে তখন পিছনে একটা গারির শব্দ হলো তাকিয়ে দেখি মায়া। গেড দিয়ে তার গারি ঢুকতে সময় আমিও সাথে ঢুকে যায়।  তারপর সেখান থেকে মায়া আমায় আরো অপমান করে তারিয়ে দিলো তারপর সেখান থেকে চলে এলাম
 
এদিকে

মায়া কাঁদতে কাঁদতে তার রুমে  গিয়ে তার ঘরের সব জিনিস ভেঙ্গে ফেলতে লাগলো  মায়ার আম্মু কিছু জিজ্ঞেস করলে কিছু বলে না আরো বেসি করে ভাঙ্গতে থাকে তখন মায়ার আম্মু  । মায়ার  আব্বুকে ফোন করে বলে আসতে ।  মায়ার আব্বু একটা মিটিং করছিলো যখন শুনতে পায় মায়া কান্না করছে আর সব কিছু ভেঙ্গে ফেলছে বাসায় তখন মিটিং তারাতাড়ি শেষ করে  কিছু পর চলে এলো  আসে এসে মায়াকে থামায় আর  বলে।

> কি হয়েছে মা তর কাঁদছিস কেনো আমায় বল  ঘরের সব জিনিস ভেঙ্গে ফেল কিছু বলবো না আবার নিয়ে আসবো কিন্তু তুই কাঁদছিস কেন এটা বল তর কান্না এটা সয্য করতে পারবো না  ( মায়ার আব্বু)

> আব্বু ও আমায় ভালবাসে না আরেকটা মেয়ে কে সাইকেল এর পিছনে বসিয়ে  নিয়ে ঘুরে আর ওই মেয়েটা আজ  জরিয়ে দরে কিস করছে ( মায়া কাঁদতে কাঁদতে বললো )

> ওহ এই কথা আচ্ছা তুই কিছু বলিসনাই তখন  আর  জিজ্ঞেস করেছিলি কে এটা  ( মায়ার আব্বু বললো )

 

> নাহ বলিনাই  আর জিজ্ঞেস করিনাই আমি বকা  দিয়ে আসছি  আর কয়েকটি চড় দিয়ে সব  সম্পর্ক শেষ করে চলে আসছি ৷ ( মায়া বললো )

> শুন মা তর জানা উচিত ছিল মেয়েটা কে আর কি সম্পর্ক যদি বলতো তকে ভালবাসে না ওই মেয়েটিকে ভালবাসে তাহলে তুই সম্পর্ক শেষ করে দিয়ে চলে আসতি যা খুশি তাই করতি । আমি দেখে নিতাম সব ।     তুই খুব ভালবাসিস তাই এটা  সয্য করতে পারিসনাই আর এটা কেউ সয্য করবে না কিন্তু মাজে মাজে আমরা না শুনে না বুজে । চোখে দেখি যেটা ওটা নিয়ে তখনি  ভাবি একটা  আর পজিটিভ রেখে নেগেটিভ ভাবি আর ভেসি ভালবাসায় সন্দেহ থাকে এটা আমি জানি কারন তর আম্মুর সাথে যখন প্রেম করতাম তখন তর আম্মু অনেক সন্দেহ করতো দেখ আমি ওই ছেলেটার হয়ে কথা বলছি না মা । তুই কিছু  না  জিজ্ঞেস করে  না বুজে সম্পর্ক শেষ করে চলে আসলি তাই বললাম   ( মায়ার আব্বু বললো )

 > কিন্তু ওই মেয়েটার সাথে ঘুরে ফিরে সারাদিন ।   আর জরিয়ে দরে কিস করছে মেয়েটা আজ । আর  এটা একমাত্র গালফ্রেন্ড ছাড়া করতে পারবে না রাস্তায় কেউ ( মায়া বললো )

> এখন তর ইচ্ছা তুই যা ভাবিস । হতেও পারে তর কথা ঠিক ।  গালফ্রেন্ড হতে পারে যেহেতু কিস করছে    ( মায়ার আব্বু বললো )

> হুম কিন্তু আমি তো খুব ভালবাসি তাহলে কেন এমন করলো এ্যাহ 😭 এ্যাহ 😭 এ্যাহ 😭 ( মায়া এটা বলে কান্না করে দিলো )

> শুন মা কাঁদিস না আমিও তর আম্মুর সাথে প্রেম করার আগে আরেকটা মেয়ের সাথে প্রেম করতাম তর আম্মু এটা যানার পর কি মাইরটাই না দিছিলো আমারে   ইস শিশু শিশু হড্ডির উপর   মনে  হচ্ছিলো সেদিন WWE এর মাজে বকসিন করছিলো সেদিন মেরে আমার দাত নড়িয়ে ফেলছিলো ভাগ্য ভালো যে দাত পড়ে নাই ( মায়ার আব্বু বললো )

।। এটা শুনে মায়া হাসতে লাগলো তখন মায়ার আম্মু বললো ।।

> তোমার এখনো মনে আছে সেই কথা তাহলে । ( মায়ার আম্মু বললো হাসতে হাসতে )

> কিজে বলো এটা কি ভুলতে পারি এখনো খুব  মনে আছে  কত কষ্ট করে গরুর মাংস  খেয়েছি  দাত পরে   যাওয়ার ভয়ে ( মায়ার আব্বু গালে হাত দিয়ে বললো৷)

>  সেদিন তোমার এই লোহার হাড্ডি গুড্ডিতে মেরে আমার হাতে  কত ব্যাথা পাইছি হাতটা ফুলে গিয়েছিলো  ( মায়ার আম্মু বললো )

।। তখন মায়া বললো ৷।

> তোমাদের পুরনো লাভ ইস্টরি বলা রাখো আচ্ছা আব্বু আমি কাঁদছি কেন আমি তো খুব ভালবাসি । আর  ওই মেয়েটা একটা কিস করছে দেখে কি হয়েছে আমি বিয়ে করে সারাজীবন এর জন্য নিয়ে নিবো তুমি একটা কাজ করো তুমি এখনি কাজি নিয়ে আসো আমি এখনি বিয়ে করবো তাকে যাও   যলদি   ( মায়া বললো )

> যাহহ বাবা এত কিছু ভেঙ্গে এত কান্না করে এখন বলছিস বিয়ে করবি তাহলে শুধু শুধু এই বেচারা জিনিস গুলো কে ভাঙ্গলি কেন । তর মা  যদি থাকতো তর যায়গায় তাহলে  এই জিনিস গুলো না ভেঙ্গে এত খনে আমায় মেরে হাড্ডি গুড্ডি ভেঙ্গে ফেলতো ।  তাছাড়া এত তাড়াতাড়ি আমাদের এইখানে একা ফেলে চলে যাবি আর কয়েকটি বছর যাক তারপর নাহয় বিয়ে করিস ( আমি বললাম৷)

> এত কথা বলো কেন তোমায় বলছি কাজি নিয়ে আসতে নিয়ে আসো আমি আজ এখনি বিয়ে করবো আমি চাই  না আমার জানটাকে কেউ আমার কাছ থেকে কেরে নিয়ে যাক তুমি যলদি যাও কাজি নিয়ে আসো বিয়ে করবো আমি  ( মায়া রাগি গলায় বললো)  

>  এই তদের মা মেয়ে কে আল্লাহ সেম মাটি দিয়া বানাইছে আর এক বস্তা রাগ দিয়ে দিছে আল্লাহ কেন যে আমায় এত রাগ দিলো না কথায় কথায় রাগ দেখায় যাচ্ছি  ( মায়ার আব্বু বললো৷)

> হুম যলদি যাও এখনি গিয়ে কাজি নিয়ে আসবে ( মায়া বললো৷)

।।

তখন হঠাত করে কেউ একজন ছেলে দরজার বাহির থেকে বলে উঠলো।

> কি হচ্ছে এখানে এত জিনিস ভাঙ্গা কেন ( ছেলেটা বললো )

তখন সবাই পিছনে তাকিয়ে তো অবাক কারন এই ছেলেটা আর কেউ না মায়ার ভাই ফাহাদ তখন মায়া দৌড়ে গিয়ে  জরিয়ে দরে বললো।

> ভাই তুই কখন আসলি এত দিন পর আমাদের মনে পড়লো তর   ( মায়া বললো )

> এই তো মাএ আসলাম আমার পাগলি গুন্ডি বোনটার কথা মনে পড়েছে তাই এসে গেলাম   ( ফাহাদ ) 

।। তখন মায়ার আব্বু বললো।।

> বাবা তুই আসবি একটা ফোন দিলেই পারতি আমি গাড়ি পাঠিয়ে দিতাম  ( মায়ার আব্বু বললো )

> নাহ আব্বু তোমাদের বললে তাহলে আর  সারপ্রাইজ দিতাম কি করে আমি তাছাড়া আগামীকাল পাগলি গুন্ডি বোনের জন্মদিন তাই আসতে হলো (ফাহাদ )

> কিসের জন্মদিন । তর বোন আজ এখনি বিয়ে করতে চাইছে ( মায়ার আব্বু বললো )

> কিহহ কিসের বিয়ে এত তারাতাড়ি এখনো তুই অনেক ছোট আরো বড় হয়েনে তারপর বিয়ে দিবো তকে৷ ( ফাহাদ মায়াকে বললো  )

> আমি এখন আর ছোট নাই অনেক বড় হয়েছি কলেজে উঠেছি আর  আমি একজন কে ভালবাসি তাই তাকে বিয়ে করবো আর আজ যদি আমাকে বিয়ে না করিয়ে দেয় তাহলে আমি নিজেই পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করবো বলে দিলাম আর মিডিয়া কে বলবো মন্ত্রীর মেয়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছে   ( মায়া রাগি গলায়  বললো৷)

> আচ্ছা আচ্ছা আজ বিয়ে করিয়ে দিবো ঠিক আছে  ঠিক আছে এত রাগের কি আছে আমি তো এমনি বলেছি ( ফাহাদ বললো )

।।

তখন মায়ার আম্মু বললো

> কি রে আমায় কি ভুলেই গেলি ( মায়ার আম্মু)

> কিজে বলো মা তুমি  ৷  কেমন আছো তুমি মা ( ফাহাদ তার আম্মু কে জরিয়ে দরে বললো )

> তকে ছাড়া কি আমরা ভালো থাকতে পারি বল ( মায়ার আম্মু বললো৷)

> কেন তোমার মেয়ে তো আছে  ভাল থাকবে না কেন ( ফাহদ বললো৷ )

> আর বলিস না ওর কথা সারা দিন ঘরে থাকে না এখন তো বিয়ে করে চলে যাবে  আমাদের  ছেড়ে তাহলে বল কেমনে ভাল থাকি ( মায়ার আম্মু বললো )  

> চিন্তা করো না মা আমি এসে গেছি আর তোমাদের ছেড়ে কোথাও যাবো না  একে ভারে চলে এসেছি  ( ফাহাদ বললো৷)

> সত্যি বলছিস তুই বাবা ( মায়ার আম্মু খুশি হয়ে   বললো )

> হুম  ( ফাহাদ  বললো৷)

তারপর আর কি অনেক দিন পর মায়ার ভাই এসেছে সবাই খুশি  ওহ মায়ার ভাই এমেরিকায় পড়াশোনা করতো মায়ার জন্মদিন আগামীকাল তাই এসেছিলো  আর এসে কি হলো তা  আপনারা জানেন  ।।

এদিকে

আমি বাসায় এসে খাটে বসে আছি মনটা খুব খারাপ কোনো কথা শুনলো না মায়া আমার ঠিক আছে আমি আর তাহলে যাবো না মায়ার সামনে   তারপর  উঠে   আয়নার সামনে গিয়ে দেখি গাল ফুলে আছে আর হাতের সব আঙ্গুল এর দাগ বেসে আছে তখন হাত দিয়ে দরতে চেষ্টা করলাম দাগ গুলোর মাজে একটু ব্যাথা লাগলো  তারপর বাহির থেকে একটা ঠান্ডা 7 Up কিনে এনে গালে দরে রাখলাম ।

> ইস শয়তান মাইয়াটার শরিলে কি শক্তি এত দিন বলতাম মশার শক্তি ও নাই  শরিলে কিন্তু আজ এত শক্তি এলো কোথা থেকে ইস চড় খেয়ে মনে হচ্ছে দাঁত গুলো নড়ে গেছে শয়তান মাইয়া একটু আসতে মারতে পারলো না  ( মনে মনে বললাম আমি৷)

 তখনি হঠাত ফোনটা বেজে উঠলো তাকিয়ে দেখি আব্বু কল দিয়েছে  আর দড়ার পর আব্বু যা বললো মনটা আরো খারাপ হয়ে গেলো আম্মু নাকি হঠাত অঙ্গান হয়ে গেছে হাসপাতালে আছে এখন এটা শুনে আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারলাম না তখনি চলে গেলাম গ্রামের বাড়ি ফোনটা ভুলে রেখে আসছি  ৷ বাসায় এসে দেখি কেউ নাই তখন দৌড়ে হাসপাতালে চলে গেলাম গিয়ে দেখি আদিবা কান্না করছে আব্বু বসে আছে  তখন কাছে গিয়ে বললাম।

> আব্বু কি হয়ে আম্মুর  ( আমি বললাম )

> ডাক্তার বলতে পারবে  ( আব্বু বললো )

কিছু খন পর ডাক্তার বেরিয়ে এলো তখন  আমি দৌড়ে গিয়ে বললাম

>  কি হয়ে ডাক্তার আমার আম্মুর কেমন আছে এখন   ( কান্না ভেজা কন্ঠে আমি বললাম)

> আচ্ছা একটা কথা বলেন তো দুধের এর মাজে এত গুলো ঘুম এর ট্যাবলেট দিলো কে  ( ডাক্তার বললেন ) 

> কি বলেন ডাক্তার ঘুমের ট্যাবলেট মানে৷ ( আমি অবাক হয়ে)

> হুম দুধের এর মাজে ঘুম এর প্রায় ১৫ টার মতো ট্যাবলেট মিসানো ছিলো আর সেটা খেয়ে এমন হয়েছে আর কিছু খন পরে আনলে হয়তো বাচানো যেতো না যাক এখন সম্পুর্ণ সুস্থ আছে চিন্তার কোনো কারন নেই আগামীকাল বাসায় নিয়ে চলে যেতে পারবেন আর চাইলে আজ বিকেলে নিয়ে যেতে পারবেন  ( ডাক্তার বললো৷)

এই বলে ডাক্তার চলে গেলো তখন আমি আব্বুর কাছে গিয়ে বললাম।

  > আব্বু এই দুধ  কে রান্না করছে আর ঘুম এর এত গুলো ট্যাবলেট  দিয়েছে কে৷ ( আমি বললাম )

> তর পিচ্চি বোন কে জিজ্ঞেস কর ও রান্না করছে  ( আব্বু বললো )

> হায়রে তোমরা আর লোক পেলে না রান্না করার এমন দুধ রান্না করে খাইয়েছেন ওনি সোজা হাসপাতালে পাঠিয়েছেন ওই তুই ঘুমের ঔষধ পেলি কোথায়রে আর এত গুলো  ঔষধ দিলি কেন বলতো ( আমি বললাম )

।। তখন আদিবা বললো ।।

> আমি বসে বসে আম্মুর মোবাইল ফোন খুলে এর বিতর কি কি আছে দেখছিলাম ( তখন আদিবার কথা থামিয়ে আমি বললাম৷)

>  হায়রে মেকানিক খুলে দেখার আর জিনিস পেলিনা শেষ পযন্ত ফোনটারে আচ্ছা  তারপর বল কি হয়েছে  ( আমি বললাম৷)

>  তখন আম্মু কোথা থেকে যেন  দুধের এর বোতল নিয়ে আসলো  আর সাথে ওটা ট্যাবলেট না কি বলতে পারবো না তবে দেখতে এমনি ছিলো তখন আম্মু আমার কাছে দিয়ে বললো একটু দুধ গরম করে নিয়ে আসতে৷ আম্মুর নাকি খারাপ লাগছে  দুধ গরম করে নিয়ে আম্মুর রুমে আসতে  বলেছিলো তারপর এই বলে চলে গিয়েছিলো আর বলে গিয়েছিলো দুধ এর মাজে একটু পানি দিতে তখন আমি ভুলে পানি বেসি দিয়ে ফেলছিলাম আর হাতে যেই দুইপাতা ট্যাবলেট ছিলো সেখান থেকে কিছু ট্যাবলেট  গুড়ো করে দুধ  এর মাজে দিয়েছি যাতে পানিটা একটু কম বোজা যায় তারপর আম্মু কে খাইয়েছি তারপর খেয়ে  এখন হাসপাতালে ( আদিবা বললো৷)

> হায়রে কপাল তর কি একটুও মনে হলো না এটা ট্যাবলেট ঘুমের  আর গুড়ো করে দিতে গেলি কেন পানি  বেসি দিয়েছিস তাহলে সমস্যা কোথায় ওই ভাবে নিয়ে গিয়ে খাইয়ে দিয়ে আসতি ( আমি বললাম৷ )

> আমি মনে করছি পাউডার দুধের নতুন ট্যাবলেট তাই গুড়ো করে দিয়েছি যাতে একটু টেস্ট হয় ( আদিবা বললো৷)

> হুম আর সেই টেস্টি দুধ খাইয়ে সোজা হাসপাতালে আনছিস সারাদিন  সুধু ঝগরা করতে পারিস একটু রান্না করতে পারছি না কি করিস তুই  ( আমি বললাম৷ এখন বকা দিয়ে কি হবে ছোট মানুষ তাই কিছু বললাম না )

 > কে বলছে আমি রান্না করতে পারি না  গতকাল পাসের বাসায়  এর চেয়ে বড় বড় ট্যাবলেট গুড়ো করে গরুর মাংসে দিয়েছি আমি আর সেটা খেয়ে আমায় কত আদর করছে আর তুমি বলছো আমি রান্না করতে পারি না  হুম ( আদিবা বললো৷)

> তা কি ট্যাবলেট দিয়েছিস ওটার উপর বলতো ( আমি বললাম৷)

> রাস্তা থেকে একটা গরুর ট্যাবলেট পাইছিলাম সেটা গুড়ো করে খাইয়েছি ( আদিবা বললো৷)

> কিহহহ তুই গরুর ট্যাবলেট দিয়েছিলি।  আল্লাহ যলদি একটা দরি ফালাও উইঠা আইসা পরি ।  শয়তান মাইয়া  আর সেই খাবার আমায় খাইয়েছিলো দাওয়াত দিয়া ওয়াক থু 🤮  শয়তান মাইয়া আর কোনো জিনিস পেলিনা দেওয়ার জন্য না জানি আমাদের কি রান্না করে খাইয়েছিস এত দিন আল্লাহ ভালো যানে ( আব্বু বললো )

> বলেন তো এখন হাসবো না কাদবো কি করি একে নিয়ে থাক কিছু বলবো না এখন ( মনে মনে আমি বললাম)

তারপর বিকেলে আম্মু কে নিয়ে চলে আসলাম বাসায় । 

এদিকে

মায়া তার ফোন নিয়ে দেখে বন্ধ তারপর ✆ ফোনটা চালু করে আমার ফোনে কল দিলো অনেক গুলো কল দেয়ার পর ফোনটা রিসিভ হলো তখন মায়া বললো৷ 

> জান আমায় ক্ষমা করে দাও আমি তোমায় অনেক ভালোবাসি তখন রাগের মাথায় বলছি  এগুলো  ( মায়া বললো৷)  

।। বানান গুলো ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন 🙏🙏🙏।।

চলবে.....
________________________________________________

________________________________________________
Post a Comment (0)
Previous Post Next Post