গল্প : রিকশা চালক ছেলেটি যখন কোটি পতির ছেলে
পর্ব : ১৬ + ১৭ and last part
লেখক : নিরব আহমেদ কাওছার
.....
।।
যখন জ্ঞান ফিরলো তখন দেখলাম একটা ঘরে আমায় আটকে রাখেছে হাত পা বাধা তখন সামনে তাকিয়ে দেখি নিলা বসে আছে আর তখন বললো।
> আমি বলেছিলাম না তর মৃত্যু খুব তারাতাড়ি হবে এবং আমার হাতে হবে আজ তকে জানে মেরে ফেলবো ( নিলা বললো)
> তুই কিন্তু কাজটা ভালো করছিস না ( আমি বললাম)
> কোনটা ভালো কোনটা খারাপ সেটা আমি ভালো করে যানি তর বলতে হবে না ( নিলা বললো)
> দেখ এখনো সময় আছে ভালো হয়ে যাহ ( আমি বললাম)
তখন নিলা হাসতে হাসতে আমায় বললো।
> আমি আবার খারাপ কবে ছিলাম আমি তো ভালোই আছি ( নিলা বললো)
এটা বলো নিলা তার একটা লোক কে ডাকলো আর বললো।
> কোথায় তরা আমায় একটা রড দিয়ে যাহ মারার জন্য ( নিলা বললো)
তখন একটা ছেলে এসে রড দিয়ে গেলো আর নিলা রড হাতে নিয়ে আমার পায়ে একটা জোর রারি মারলো আমি ব্যাথায় চিৎকার দিয়ে উঠলাম । তখন নিলা আমার মুখে চেপে দরে বললো।
> এখন চিৎকার দিচ্ছিস কেন খুব কষ্ট হচ্ছে তাই না এখন বুজে পারবি আমি নিলা কি জিনিস। তখন তো খুব বললি আমায়ও দেখে নিবি এখন কি হলো ( নিলা বললো)
> আচ্ছা আমি তর কি ক্ষতি করলাম যে আমার উপর এমন অত্যাচার করছিস আমি কিছুই বলিনি তকে তুই আমার পিছে পড়ে আছিস কেন ( আমি বললাম)
> আমি তোদের মতো ছোটলোকদের ঘৃণা করি সয্য হয় না তদের কে দেখলে। আমি কতগুলো রিকশা ভেঙ্গেছি নিজেও যানি না কেউ আমার সামনে এসে দাড়াতে পারেনি ক্ষতিপূর এর জন্য আর তুই কিনা শেষ পযন্ত আমার গায়ে হাত তুলেছিস সাথে মায়া আমার গায়ে হাত তুললো সব প্রতিশোধ আজ নিবো তকে মেরে ( নিলা রাগি গলায় বললো)
> আমিও মানুষ তুইও মানুষ তাহলে এখানে গরিবের প্রতি ঘৃণার কি হলো একটা কথা মনে রাখিস তুই যত বড়লোক থাকিস না কেন মৃত্যুর পর ঠিকানা ওই মাটির ঘরে শুধু তর না সবার ঠিকানা ওই মাটির ঘর । ( আমি বললাম)
> রাখ তর আজাইরা কথা জ্ঞান দেওয়া লাগবে না।
তর মৃত্যু আমার হাতে লেখা আছে তুই এখনি মরবি ( নিলা বললো)
এই বলে নিলা রড দিয়ে আমায় মারতে লাগলো।
আমি ব্যাথায় কান্না করছিলাম আমি কিছুই করতে পারছি না আমার হাত পা সব বেধে মাটিতে ফেলে রাখছে। কিছুখন মেরে নিলা একটু থেমে বললো।
> তকে এমন করে মারবো যেন সবাই তর চেহারা দেখে ভয়ে কেঁপে ওঠে ( নিলা বললো)
এটা বলে যেই মারতে যাবে তখন হঠাত নিলার ফোনটা বেজে উঠলো নিলা ফোন রিসিভ করে ঘর থেকে বের হয়ে গেলো ।
আমার সারা সরিল ব্যাথা করছে নড়তে পারছি না ।
কিছুটা যায়গায় কেটে গেছে রক্ত বের হতে লাগলো।
তখন আমি নড়েচড়ে কিছু খুজতে লাগলাম যাতে হাতের দরি কাটতে পারি নিলা এখন নেই এটাই সময় আমায় যে রুমে বেধে রাখা হয়েছে সে রুমে একটা খাট আর অল্প কিছু জিনিস আছে আমি উঠে দরিয়ে দেখি একটা ব্লেড সামনে আছে কিন্তু নেওয়া যাচ্ছে না।।
তখন পকেটে আমার ফোনের কথা মনে হলো পকেটে দেখতে পেলাম ফোন আছে কিন্তু ফোনটা কি করে বের করবো হাত পা বাঁধা তখন হাতটা ঘুরিয়ে অনেক কষ্টে ফোন রের করলাম তারপর কষ্ট করে হাত দিয়ে ফাহাদ কে ফোন দিলাম ফাহাদ সাথে সাথে ফোন রিসিভ করলো আর বললো।
ফাহাদঃ কিরে তুই কোথায় এত রাত হয়ে গেছে বাসায় আসছিস না কেন তুই দেখতো তর ফোনে কত গুলো কল দিয়েছে সবাই। ( ফাহাদ বললো)
তখন আমি বললাম
> শুন দুস্ত আমি একটা বিপদে পরছি তুই কাউকে কিছু না বলে আমার লোকেশন ট্র্যাকিং করে চলে আয় দেখতো কোথায় আছি আমি এখন। ( আমি বললাম)
> আচ্ছা তুই লাইনে থাক আমি দেখছি তুই কোথায় ( ফাহাদ বললো)
তখন ফাহাদ লোকেশন দেখে বললো।
> দুস্ত তর লোকেশন গার্লস হোটেলে দেখাচ্ছে তুই ওইখানে কি করিস ( ফাহাদ বললো)
> তাহলে তো তকে এত রাতে ডুকতে দিবে না দারোয়ান তুই একটা কাজ কর কিছু পুলিশ নিয়ে এই হোটেলে এখনি আয় এসে পুলিশ গুলো কে বাহিরে দাড় করিয়ে রাখবি আর তুই একা আমার কাছে আয় ( আমি বললাম)
> আচ্ছা ঠিক আছে দুস্ত তুই ওয়েট কর আমি দশ মিনিট এর মাজে তর কাছে আসছি ( ফাহাদ বললো)
> হুম আর ফোনটা কাটিস না তাহলে আমি আর রিসিভ করতে পারবো না তুই ফোনটা না কেটে আয় ( আমি বললাম)
> আচ্ছা ঠিক আছে ( ফাহাদ বললো)
গার্লস হোটেল আমাদের বাসা থেকে মোটামুটি অনেকটা দূরে ফাহাদ ২৫ মিনিট পর হোটেলের সামনে আসলো পুলিশ নিয়ে হোটেলে ডুকে পুলিশ গুলো কে বাহিরে রেখে ফাহাদ ভিতরে আসলো এসে আমায় লোকেশন দেখে পাঁচ তলায় শেষ রুম থেকে খুজে বের করে তারপর ফাহাদ আমায় বলে।
> একি দুস্ত তর হাত পা বাঁধা কেন কি হয়েছে ( ফাহাদ বললো)
> যলদি হাত পায়ের বাঁধন খুল আমার ( আমি বললাম)
তখন হাতে পায়ের বাধন খুলে দিলো ফাহাদ আমি বললাম।
> তুই যে আসলি বাহিরে কোনো ছেলে কে দেখতে পারিস নি ( আমি)
> নাহ আমি কাউকে দেখিনি তো ( ফাহাদ বললো)
ঠিক তখনি নিলা আসলো কোথা থেকে যানি এসে আমায় দেখতে পেলো দাড়িয়ে আছি বাঁধন খুলে দিয়েছে ফাহাদ তখন নিলা দৌড়ে যেতে লাগলো আমি গিয়ে নিলা কে দরে ফেলি আর টেনে রুমে নিয়ে এসে ঠাসস ঠাসস করে চারটি চর দিয়ে পাশে নিলার রাখা রড ছিলো সেটা দিয়ে নিলা কে মারতে লাগলাম কিছুখন পর ফাহাদ আমায় আটকালো আর বললো।
> দুস্ত আর মারিস না মরে যাবে থাক ছেড়ে দেহ ( ফাহাদ বললো)
> তুই ছাড় আমায় আমি আজ একে মেরে ফেলবো।
। আমি কিচ্ছু বলিনি তবুও আমায় মারতে উঠে পড়ে লেগেছ । কোনো দোষ না করে কেন এত অত্যাচার সয্য করবো । যে মেয়ের নেই কোনো গরিব এর প্রতি ভালবাসা নেই মায়া আছে শুধু অহংকার আর ঘৃণা তাকে বাচিয়ে রেখে কি লাভ ( আমি রাগি গলায় বললাম)
> ছাড়তো ও খারাপ বলে তুইও কি ওকে মেরে খারাপ হবি নাকি ( ফাহাদ বললো)
> প্রয়োজন হলে তাই হবো আমি একে কিচ্ছু করিনি তবুও শুধু শুধু আমার উপর এমন অত্যাচার করছে আজ আবার নিয়ে আসছে যানে মেরে ফেলতে আমায় ( আমি বললাম)
এই বলে দুইটা লাথি দিলাম। তখন ফাহাদ আমায় বললো।
> আসলে এর বাবা মা ভালো কোনো শিক্ষা ভদ্র কিছুই শিক্ষায়নি তাই এমন হয়েছে চল ছেড়ে দেহ আর মারিস না ( ফাহাদ বললো)
> আচ্ছা পুলিশ কে ডাক একে থানায় নিয়ে যেতে তারপর এর আব্বু আম্মু কে ডেকে নিয়ে আসতে বল আমি আসছি আমার আব্বু কে নিয়ে ( আমি বললাম)
> আচ্ছা ঠিক আছে ( ফাহাদ বললো)
তারপর আমি সেখান থেকে চলে আসলাম একটা হাসপাতালে সেখানে ডাক্তার দেখিয়ে ঔষধ নিয়ে আসলাম কারণ হাত কেটে গেছে পা ব্যাথা করছিলো তাই ডাক্তার দেখালাম।
।।
তারপর আব্বু কে ফোন করে থানায় আসতে বললাম আব্বু বললো আমি যেতে আব্বু আসছে তারপর আমি চলে আসলাম এসে দেখি নিলার আব্বু আম্মু বসে আছে আমি যাওয়া মাএ আমার কলারে দরে নিলার আব্বু ঠাসস করে চর দিলো ।।
।।
আমি যানতাম এমনি কিছু একটা হবে কারণ মন্ত্রীর মেয়ে বলে কথা তাকে এমন করে মেরেছি সে বুঝতে চাইবে না আমায় উল্টো ফাঁসিয়ে দিবে তাই আব্বু কে আসতে বললাম।।
।।
তখন নিলার আব্বু আমায় রাগি গলায় বললো।
> তর এতবড় সাহস তুই আমার মেয়েকে মারছিস তকে আমি ফাঁসিতে ঝুলাবো ( নিলার আব্বু রাগি গলায় বললো )
তখন আমি নিলার আব্বু কে বললাম।
> আপনার মেয়ে এখনো বেচে আছে এটাই আপনার ভাগ্য আমিতো সেখানেই মেরে ফেলতে চেয়েছিলাম কিন্তু তা আর করলাম না ( আমি বললাম)
> তুই আমার মেয়েকে মেরে আবার আমার সামনে বড় গলায় বলছিস এসপি সাহেব আপনি দেখছেন কি একে এখনি লকাবে বরেন আর একে কঠিন শাস্তি দিন ( নিলার আব্বু)
তখন এসপি এসে আমার কলারে দরলো তখন আমি বললাম।
> স্যার আমার কথাটা শুনুন আগে আমার কোনো দোষ নেই ( আমি বললাম)
> চুপ কর বেয়াদব ছেলে তুই মন্ত্রীর মেয়েকে মারছিস তকে আমি ফাঁসিতে ঝুলানো বেবস্থা করবো তার আগে তকে শায়েস্তা করে নেই ( এসপি রাগি গলায় বললো)
এই বলে টেনে নিয়ে যেতে লাগলো আমায় এসপি তখন ফাহাদ কিছু বলতে গেলে ধমক দিয়ে থামিয়ে দেয় তখন আব্বু এসে বললো।
> দাড়ান এসপি সাহেব আমার ছেলেকে ছাড়েন আর বলেন কি হয়েছে ( আমার আব্বু)
তখন এসপি আমার কলার সাথে সাথে ছেড়ে দিলো নিলা এবং তার আব্বু অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে।
তখন এসপি সালাম দিয়ে বললো
> স্যার এটা আপনার ছেলে ( এসপি বললো)
> হুম আমার ছেলে কি করছে যে আমার ছেলেকে লকাবে বরতে চাইছেন ( আব্বু বললো)
তখন নিলার আব্বু বললো।
> আমার মেয়েকে মেরেছে দেখেন কি অবস্থা করছে মেরে ( নিলার আব্বু)
তখন আব্বু তাকিয়ে দেখে সত্যি তখন আমায় জিজ্ঞেস করলো।
বানান গুলো ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন ।
চলবে......
গল্প : রিকশা চালক ছেলেটি যখন কোটি পতির ছেলে
পর্ব : ১৭ and last part
লেখক : নিরব আহমেদ কাওছার
................................................................
...........................................................
......................................................
..................................................
.............................................
........................................
..................................
..............................
..........................
......................
...................
...............
............
.........
......
...
..
.
তখন আব্বু তাকিয়ে দেখে সত্যি তখন আমায় জিজ্ঞেস করলো।
> নিরব ওনি যা বললো সত্যি তুই মারছিস ( আব্বু বললো)
আমি নিলার দিকে তাকিয়ে দেখি এখনো অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে সাথে তার আব্বু তখন আমি সবাই কে প্রথম থেকে বলি নিলা আমার সাথে কি করেছে।
এগুলো শুনে নিলার আব্বু প্রচন্ড রেগে যায় আর নিলাকে গিয়ে চর মারতে থাকে ।।
তারপর সেখান থেকে আমরা চলে আসি কোনো অভিযোগ করিনি নিলার নামে কিছুখন কথা বলে এসপির সাথে চলে আসি বাসায় রুমে এসে দেখি রাত ২ টা বাজতে চলছে আমি রুমে গিয়ে শুয়ে পড়লাম।
এদিকে আমরা আসার পর নিলার আব্বু বলছে।
> ছি আমার মেয়েটা এত খারাপ হয়েছে তা আমি ভাবতেও পারিনি আমার সব মান সম্মান শেষ করে দিলো আগামীকাল নিশ্চয়ই প্রত্রিকার মাজে বলবে তখন আমি একজন মন্ত্রী হয়ে মানুষ এর সামনে কি করে মুখ দেখাবো ( নিলার আব্বু এই বলে কান্না করতে লাগলো)
তখন এসপি বললো
> স্যার শান্ত হন একটা কথা বলি এখানে দোষ নিলার নাহ আপনাদের সবার কারণ আপনি যদি রাজনৈতিক এর মাজে সবমসময় পড়ে না থেকে একটু সময় দিতেন আপনার মেয়ের সাথে তাহলে আর এমন হতো না আর আপনার স্ত্রীর দোষ সে মেয়েকে ঠিক মতো শিক্ষা দিতে পারেনি একটা কথা আপনি ছোট্ট থেকে যাই শিক্ষাবেন একটা শিশুকে তাই শিক্ষবে একটি শিশু কিন্তু আপনারা তাকে হয়তো শিক্ষাতে পারেনি তাই এমন হয়েছে । চিন্তা করেন না এই কথা মিডিয়ার কাছে যাবে না এখন বাসায় যান আর মেয়েকে ডাক্তার দেখান আর ভালো করে বুজান ( এসপি বললো)
তারপর নিলাকে নিয়ে চলে গেলো তারা।
সকালে ঘুম ভাঙ্গলো দুই বোনের ডাকে উঠার পর দুইজন দুই গালে কিস করে বললো।
> Good morning ভাইয়া তারাতাড়ি উঠো তোমার জন্য খাবার নিয়ে আসছি ( আদিবা বললো)
> আচ্ছা ঠিক আছে ( আমি)
তারপর উঠে ফ্রেশ হয়ে আসার পর লিমা বললো।
> ভাইয়া আমি তোমায় খাইয়ে দিবো আজ। (লিমা বললো)
তখন আদিবা বললো।
> নাহ আমি খাইয়ে দিবো ( আদিবা)
> নাহ আমি আগে বলছি আমি খাইয়ে দিবো ( লিমা)
> আমি বলছি তো আমি খাইয়ে দিবো তর খাইয়ে দিতে হবে না ( আদিবা বললো)
> শয়তান তুই খাইয়ে দিবি তাই না দাড়া তুই ( লিমা বললো)
এই বলে লিমা বালিশ নিয়ে আদিবাকে মারতে লাগলো আমি দাড়িয়ে দেখছিলাম আর হাসছিলাম ঝগড়া দেখছিলাম খুব ভালো লাগছিলো তখন আমি গিয়ে গিয়ে লিমাকে আটকালাম আর বললাম।
> হয়েছে মারামারি করতে হবে না দুজনেই এক সাথে খাইয়ে দেহ তাহলে আর সমস্যা হবে না ( আমি বললাম)
> ঠিক আছে কিন্তু আমি আগে খাইয়ে দিবো ( লিমা বললো)
> নাহ আমি খাইয়ে দিবো আগে কারন আমি খাবার নিয়ে আসছি ( আদিবা বললো)
> আম্মু আমার কাছে খাবার দিয়েছিলো কিন্তু আমি ছোট থাকায় তারপর তোমার কাছে দিয়েছে আমি প্রথম খাইয়ে দিবো। ( লিমা বললো)
> নাহ আমি খাইয়ে দিবো ( আদিবা বললো)
তখন রুমে আম্মু আসলো আর বললো।
> কি হয়েছে এইখানে ( আম্মু বললো)
তখন আমি গিয়ে আম্মু গলায় জরিয়ে দরে বললাম।
> তারা দুইজন আমায় আগে খাইয়ে দিবে সেটা নিয়ে ঝগড়া করছে ( আমি বললাম)
> কারো খাইয়ে দিতে হবে না আমি তদের তিনজন কে খাইয়ে দিচ্ছি ( আম্মু বললো)
তখন আদিবা বললো।
> ঠিক আছে আম্মু তাহলে তুমি খাইয়ে দাও ( আদিবা বললো)
তারপর আম্মু আমাদের তিনজন কে খাইয়ে দিয়ে চলে গেলো আম্মু যাওয়ার পর আমরা ভাই বোন মিলে দুষ্টমি করছিলাম তখন ফোনটা বেজে উঠলো তাকিয়ে দেখি মায়া ফোন করছে তখন আমি ফোনটা রিসিভ করলাম আর মায়া আমায় বললো।
> কি করো তুমি এখন ( মায়া বললো)
> এইতো বোন এর সাথে দুষ্টমি করছি তুমি ( আমি বললাম)
> আমি বসে আছি আর তোমার কথা ভাবছি তুমি আজ বিকেলে আমার বাসায় আসবে একটু ( মায়া বললো)
> কেন কি হয়েছে কোনো সমস্যা ( আমি বললাম)
> হুম আমায় আব্বু আম্মু শহর থেকে নিয়ে আসছে বিয়ে দিবে বলে আগামীকাল দুপুরে আমায় দেখতে আসবে পাএ পক্ষ থেকে কিন্তু আমি এই বিয়ে করবো না তোমায় ছাড়া আর কাউকে বিয়ে করবো না তুমি একটু যলদি আসো আর আব্বুর সাথে কথা বলো এসে ( মায়া বললো)
> আচ্ছা ঠিক আছে তুমি চিন্তা করো না আমি আসছি এখনি ( আমি বললাম)
> আচ্ছা ঠিক আছে তারাতারি আসো এখন ফোন রাখছি আমার কাজ আছে কিছু ( মায়া বললো)
তারপর মায়া ফোন কেটে দিলো আমি তাকিয়ে দেখি আদিবা আমার দিকে তাকিয়ে আছে তখন ও বললো।
> কে ফোন করছে ভাইয়া মেয়ের কন্ঠ শুনলাম ( আদিবা বললো)
> তর ভাবি ফোন করছে বলছে তারাতাড়ি নিয়ে আসতে ( আমি বললাম)
> তুমি বিয়ে করলে কবে ( আদিবা অবাক হয়ে বললো)
> বিয়ে করিনি করবো এখন সামনে থেকে
সর আম্মু কে বলে নিয়ে আসার বেবস্থা করি ( আমি বললাম)
তারপর আম্মুর রুমে গিয়ে দেখি আব্বু আম্মু একসাথে বসে আছে আমি কাছে যাওয়ার পর আব্বু বললো।
> কিছু বলবি বাবা তুই ( আব্বু বললো)
> হুম আব্বু কিন্তু কি করে যে বলি ( আমি বললাম)
> বলে ফেল কি বলবি ( আব্বু বললো)
> আব্বু আমি একটি মেয়েকে পছন্দ করি মানে খুব ভালবাসি ( আমি বললাম)
> ও আচ্ছা এই কথা মেয়েটির বাড়ি কোথায় যানলে নিয়ে চল গিয়ে বিয়ের কথা বলে আসি( আব্বু বললো)
তখন আম্মু আমায় বললো।
> খুব ভালো কাজ করছিস বাবা তুই। তর আব্বু চাইছিলো কোথাও ঘুরে আসতে সবাই কে নিয়ে যাক তাহলে আমি বৌমা পেয়ে গেলাম আর ঘুরাঘুরি ও হলো ( আম্মু বললো)
> আব্বু তাহলে চলো এখন যেতে হবে ( আমি বললাম)
> ঠিক আছে গিয়ে রেডি হয়ে আয় আমিও রেডি হচ্ছি। ( আব্বু বললো)
তারপর আমি গিয়ে রেডি হয়ে নিচে চলে আসলাম কিছুখন পর আমার বোন আম্মু আব্বু সবাই আসলো তারপর আমরা গিয়ে গাড়িতে উঠলাম আমি আর বোন একটা গাড়িতে উঠলাম আম্মু আর আব্বু একটা গাড়িতে উঠলো মায়ার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা তিন ঘন্টা পর চলে গেলাম ।
গাড়িটা মায়ার বাসার কিছুটা দূরে রাখতে হলো কারণ রাস্তা ভালো না গাড়ি যেতে পারবে না । সেখান থেকে হেটে মায়াদের বাসার সামনে গেলাম যাওয়ার পর দেখি মায়া বাহিরে বসে থালা বাসন পরিস্কার করছে।
মায়াদের ঘরটা ছোট্ট একটা ঘর দুটি রুম টিনের ঘর কিন্তু তাদের বাসায় সামনে খুব সুন্দর করে সাজানো ❀ ফুল গাছ দিয়ে অনেক রকম ফুল গাছ সব মিলিয়ে খুব সুন্দর। তখন আমি মায়ার সামনে গেলাম মায়া আমায় দেখে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে পাশে না দেখেই আমায় এসে জরিয়ে দরলো আর বললো।
> তুমি এত তারতারি চলে আসবে আমি সত্যি ভাবতেই পারিনি। ( মায়া বললো)
আমি কিছু বলার আগে আমার বোন আদিবা বললো।
> ভাবি আমরা কিন্তু আছি এখনে একটু দেখেন তাকিয়ে ( আদিবা বললো)
মায়া তাকিয়ে দেখে কিছুটা লজ্জা পেলো তখন আমি বললাম।
> এটা হচ্ছে আমার আম্মু ( হাতে দেখিয়ে বললাম) আর এটা হচ্ছে আমার আব্বু। আর এটা হচ্ছে আমার বোন আদিবা। আর এটা হচ্ছে আমার পিচ্চি বোন লিমা ( আমি বললাম)
তখন মায়া মাথায় ওড়না দিয়ে গিয়ে আব্বু আম্মু কে পায়ে দরে সালাম করলো আর বললো।
> ভিতরে আসেন আব্বু একটু বাজারে গেছে আম্মু ভিতরে আছে ( মায়া বললো)
তখন মায়া আম্মু আব্বু সবাই কে ঘরে নিয়ে গেলো শুধু আমায় যেতে দিলো না আমায় টেনে রান্না ঘরে নিয়ে গেলো তখন আমি বললাম।
> কি হয়েছে এমন করে টানছো কেন ( আমি বললাম)
> উওর পরে দিচ্ছি তার আগে তোমার ঠোঁট কে আদর করে নেই ( মায়া বললো)
> এই রান্না ঘরে কিস করতে নিয়ে আসছো ( মায়া বললো)
> হুম ৩৮ ঘন্টা হলো তোমার ঠোঁট খাইনি আর থাকতে পারছি না এখন খেয়ে নেই তারপর নাহয় কথা হবে ( মায়া বললো )
এই বলে লাফ দিয়ে আমার কোমড়ে উঠে দুই পা দিয়ে পেচিয়ে দরলো আর হাত দিয়ে মাথায় দরে পাগলের মতো ঠোঁট গুলো টেনে খেতে লাগলো পাঁচ মিনিট হয়ে গেছে তবুও ছাড়তে চাইছে না আসতে আসতে পাগলামো আরো বাড়তে লাগলো আমি তখন চেষ্টা করলাম ছাড়াতে কিন্তু পারছিলাম না তখন মায়ার আম্মু মায়াকে ডাকলো ঘর থেকে কিন্তু মায়ার সেই দিকে কোনো খেয়াল নেই সে কিস করতেই আছে তখন মায়ার আম্মু আবার ডাকলো তখন আমি জোর করে ছাড়িয়ে দিলাম তখন মায়া কান্না করতে করতে বললো
> আমি ঠোঁট খাবো তোমার। আমি ঠোঁট খাবো দাও আমায় তারাতাড়ি দাও ( মায়া কান্না করে বললো)
কেমন পাগল মেয়ে কিস করার জন্য কান্না করছে তখন আমি বললাম।
> তোমার আম্মু ডাকছে এখন যাও গিয়ে শুনে আসো বিয়ের পর নাহয় সারাদিন কিস করো এখন যাও ( আমি)
> আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে যাচ্ছি কিন্তু পরে আবার কিস করতে দিতে হবে ( মায়া বললো)
> আচ্ছা ঠিক আছে এখন যলদি যাও ( আমি বললাম)
> তার আগে আমায় বলো তুমি না বললে তোমার কেউ নাই একটা বোন ছাড়া তাহলে তোমার আব্বু আম্মু কোথা থেকে আসলেন ( মায়া বললো)
> আমার আব্বু আম্মু ছিলো কিন্তু আমি ছিলাম না তাদের কাছে কারন আমি তাদের কাছ থেকে হারিয়ে গিয়েছিলাম ( আমি বললাম)
> কি করে হারিয়ে গিয়েছিলে ( মায়া বললো)
> সেটা অনেক বড় কাহিনি পরে একদিন বলবো এখন যাও ( আমি বললাম)
> ঠিক আছে পরে কিন্তু কিস করতে হবে। আমি যাচ্ছি ( মায়া বললো)
> আচ্ছা ঠিক আছে যাও ( আমি বললাম)
তখন মায়া খুশিতে লাফাতে লাফাতে চলে গেলো। কিছুখন পর আমি গেলাম।
মায়ার আব্বু কিছুখন পর বাজার থেকে আসলো তখন আমার আব্বু কে দেখে অবাক হয়ে গেছে আর বললো।
> স্যার আপনি এই গরিবের ঘরে আসলেন কি মনে করে ( মায়ার আব্বু)
মায়ার আব্বু হয়তো চিনে বাংলাদেশের এক নাম্বার বিজনেস ম্যান তাই হয়তো দেখে এমন কথা বলছে তখন আব্বু বললো।
> স্যার বলেন কেন আমরা এখন বেয়াই ( আব্বু বললো)
> ঠিক বোঝতে পারছি না ( মায়ার আব্বু বললো)
> তাহলে বুঝিয়ে বলছি আমার ছেলে এবং আপনার মেয়ে দুজন দুজনকে ভালবাসে তাই আপনার মেয়েকে আসলাম আমার ছেলের বৌ করে করে নিতে আপনার মেয়েকে এখন যদি আপনি বলেন তাহলে বিয়ের ডেড ফাইনাল করবো ( আব্বু বললো)
> কিন্তু আমরা তো গরিব আপনাদের সাথে মিলে না ( মায়ার আব্বু বললো)
> গরিব আর বড়লোক কি হলো আপনিও একজন মানুষ আমিও একজন মানুষ আমি নাহয় টাকার দিক থেকে বড়লোক আপনি সেদিক থেকে কম। একটা কথা মনে রাখতে হবে সেটা হচ্ছে এই টাকা বাড়ি গাড়ি সম্পদ কিচ্ছু যাবে না সাথে মৃত্যুর পর ঠিকানা সবার একটাই মাটির ঘর তাহলে এই টাকা সম্পদ নিয়ে কেন এত অহংকার করবো বুজলেন বেয়াই ( আব্বু বললো)
তখন আব্বু গিয়ে মায়ার আব্বু কে জরিয়ে দরে বললো
> এখন তো মিলে গেছি আমরা। তাহলে আর কোনো পারর্থক্য রইলো না। বেয়াই বিয়ের তারিখ ঠিক করা যাক এখন ( আব্বু বললো)
তারপর সবাই মিলে বসে বিয়ের তারিখ ঠিক করলো সামনের মাসের ৫ তারিখ আমাদের বিয়ে তারপর মায়া আর মায়ার আম্মু রান্না করলো গিয়ে খাওয়া দাওয়া শেষ করে চলে আসবো তখন মায়া বললো।।
> আমার কিছু কথা আছে তার সাথে একা ( মায়া আমায় দেখিয়ে বললো)
> ঠিক আছে যাও মা গিয়ে কথা বলে তারাতাড়ি আসো ( আমার আম্মু বললো)
তারপর মায়া তার আরেকটা রুম আছে সাথে সেই রুমে নিয়ে দরজা বন্ধ করে আমায় বিছানায় ফেলে দিলো আর বললো।
> আমার পাওনা না দিয়ে চলে যাচ্ছো কেন। ( মায়া বললো)
> কি করে দিবো সাথে সবাই সামনে থাকলে ( আমি বললাম)
> তাহলে আমি নিচ্ছি আমার পাওনা ( মায়া বললো)
এই বলে আমার বুকের উপর বসে দুই হাতে চেপে ধরে ঠোঁট গুলো সে দখল করে নিলো পাচ মিনিট পর ছেড়ে দিয়ে আবার ঠোঁট গুলো খেতে লাগলো দুই মিনিট পর ছেড়ে দিলো আর বললো।
> বাকিটা নাহয় বিয়ের পর একেবারে নিবো ( মায়া বললো)
> আজ মাএ ২০ তারিখ আর পনেরো দিন পর দেখা হবে তাহলে ( আমি বললাম)
তারপর আমি আর মায়া বের হয়ে চলে আসলাম তারপর মায়ার বাসা থেকে চলে আসলাম এইভাবে কেটে গেলো পনেরো দিন।।
আজ আমার আর মায়ার বিয়ে দুপুরে মায়াকে উঠিয়ে নিয়ে আসার জন্য রওনা দিলাম সন্ধ্যায় চলে গেলাম সেখানে তারপর বিয়ে সম্পূর্ণ হওয়ার পর মায়াকে উঠিয়ে নিয়ে চলে আসলাম আসতে আসতে রাত ১১ টা বেজে গেলো আমি ছাদে চলে গেলাম গিয়ে আমি ফাহাদ আড্ডা দিচ্ছিলাম কিছুখন পর ফাহাদ চলে গেলো আমি ও আর বসে না থেকে চলে গেলাম ।
ঘরে চলে আসলাম এসে দরজা বন্ধ করে মায়ার কাছে যাওয়ার পর মায়া খাট থেকে নেমে আমার পায়ে দরে সালাম করে বললো।
> চলো আগে দুই রাকাত নামাজ আদায় করে নেই। ( মায়া বললো)
> ঠিক আছে চলো ( আমি বললাম)
তারপর ওজু করে এসে দুইজন মিলে নামাজ পড়ে নিলাম নামাজ পড়ে উঠার পর খাটে গিয়ে বসে বললাম।
> এখন ঘুমিয়ে পড়ো অনেক রাত হয়েছে ( আমি বললাম)
> কিহহ ঘুমিয়ে থাকবো মানে এখন আমায় আদর করবে সারা রাত কোনো ঘুমানো জাবে না চলো শুরু করো ( মায়া বললো)
> আমি আজ পারবো না আজ ঘুমিয়ে থাকো কাল হবে ( আমি বললাম)
> নাহ তা বললো হবে না আচ্ছা আমি শুরু করছি আর একটা কথা আমার কিন্তু তিনটা বেবি চাই খুব তারাতাড়ি ( মায়া বললো)
> তিনটা বেবি লাগবে তোমার আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে চলো নেমে পড়ি কাজে ( আমি বললাম)
আমি বলার আগেই মায়া আমার উপর জাপিয়ে পড়লো আর সারা মুখে চুমু খেতে লাগলো তারপর ঠোঁট গুলো সে তার দখলে নিয়ে চকলেট এর মতো খেতে লাগলো আসতে আসতে তার পাগলামি ভারতে লাগলো আর পাগলের মতো ঠোঁট খেতে লাগলো এক পর্যায় কন্ট্রোল হারিয়ে ফেললো আর।
কি আপনার এখনো বসে আছেন তারপর কি হলো শুনতে আর কি শুনবেন বলেন এখন তো যান গল্পতো শেষ।
বাকিটা ইতিহাস। 😁
বানান গুলো ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন।
গল্পটা কেমন হয়েছে যানিনা আপনারা উৎসাহ দিয়েছেন বলে লিখেছি পুরো গল্পতে আপনারা আমায় অনেক অনেক উৎসাহ দিয়েছেন তার জন্য সবাই কে অনেক অনেক ধন্যবাদ পুরো গল্পে সাথে থাকার জন্য। আসা করি সব সময় এমনি করে পাবো আপনাদের আমার পাশে।
পুরো গল্পটা কেমন হয়েছে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন।
সবার জন্য দোয়া রইলো যে যেখানে থাকেন ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আপনাদের পরিবার এর সবাই যেনো ভালো থাকে।
আমার জন্য দোয়া করবেন আবারো দেখা হবে নতুন কোনো গল্প আপনাদের মাঝে নিয়ে।
এখন কার মতো বিদায়।
আরো গল্প পড়ুন
Very very nice story ☺️☺️
ReplyDelete