গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে পর্ব : ১

 

গল্প :   ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে
পর্ব : ১ 
লেখক : নিরব আহমেদ কাওছার
..
> আম্মু আমি আজ ঢাকা চলে যাবো।অনেক দিন তো।বাসায় ছিলাম কলেজে ভর্তি হওয়ার পর থেকে আর ক্লাস করিনি তাই আজ চলে যাবো কিছুখন পরে ( আমি )  

> আর কিছু দিন থেকে গেলে হয় না বাবা তুই চলে গেলে আদিবা মন খারাপ করে বসে থাকে ( আম্মু )  

> নাহ আম্মু আমায় যেতে হবে আজ। আবার কিছু দিন পরে আসবো লেখাপড়া না করলে স্বপ্ন গুলো পুরন করবো কি করে  স্বপ্ন গুলো পুরন করার জন্য লেখা পড়া করতে হবে মা ( আমি )  

> আমি দোয়া করি বাবা তর স্বপ্ন গুলো যেন পুরন করতে পারিস ( আম্মু )  

> তুমি দোয়া করলে সব কিছু করা সম্ভব  তোমার দোয়াটাই আমায় সব চেয়ে বেসি সাপোর্ট দিবে  ( আমি)  

> আমি সব সময় দোয়া করি বাবা তর জন্য আদিবার জন্য ( আম্মু )  

> আম্মু  আমার কলিজার টুকরো বোনটি কোথায় আছে এখন  ওর সাথে না দেখা করে গেলে আবার রাগ করবে ( আমি )  

> ও পুকুরপাড় বসে আছে গিয়ে দেখ তুই চলে যাবি আজ তাই মন খারাপ করে বসে আছে গিয়ে পুকুরপাড় বুজিয়ে আয় এখন ( আম্মু )  

> আচ্ছা আমি এখনি যাচ্ছি আর ওরে সাথে করে নিয়ে আসছি আমি এসেই চলে যাবো ( আমি )  

> আচ্ছা ঠিক আছে ( আম্মু )  

।।

অনেক কথা বলে ফেলেছি এখন পরিচয়টা দিয়ে দেই
আমার নাম নিরব বাসা শ্রীপুর এবার ইন্টারে উঠলাম আর আমার বোনটি মাএ পঞ্চম শ্রেণি উঠেছে মধ্যবিত্ত  পরিবার আমরা ।।
।।
আমরা এক ভাই এক বোন আমরা আমি বড়। বাবা একটা কম্পানিতে জব করে আম্মু বাসায় থাকে এতখন  আম্মুর সাথে কথা বলছিলাম ঢাকা থেকে পড়ালেখা করি আমি। আমার পাগলি বোনটি আমায় ছাড়া কিছুই বোজে না খুব ভালবাসে আমিও খুব ভালবাসি আজ চলে যাচ্ছি তাই এটা শুনে মন খারাপ করে বসে আছে যাই গিয়ে একটু বুজিয়ে আসি নিয়ে আসি।
।।
আপনাদের সাথে কথা বলতে বলতে চলে এলাম বোনটির কাছে।। পাগলি বোনটি দুই গালে হাত দিয়ে বসে আছে একদেন ধরে কোথায় যেন চেয়ে আছে তাদেখে পিছন দিয়ে  গিয়ে কুলে নিলাম দরা মাএ বলতে লাগলো।

> এই কে আপনি ছাড়েন আমায় অসভ্য ছেলে মেয়ে মানুষ দেখলেই খালি ধরা তাই না আমি পুলিশ এর কাছে কেস করবো ( আদিবা আমার বোন)

> তা কি কেস করবি শুনি ( আমি )  

> বলবো পুলিশ স্যার আমার ভাইয়া কে আমাদের বাসায় সারা জিবন এর জন্য জেল দিয়ে দেন আমায় ছেড়ে চলে যায়  একটু ও ভালবাসে না আমায়।  ( কান্না করে দিলো আদিবা আমার বোন )  

> এই পাগলি কাদিস কেন আমি কি সারা জিবন এর চলে যাচ্ছি  আমি আবার আসবো আর আমি আমার এই গাগলি বোনটি কে খুব ভালবাসি আমি কি থাকতে পারবো এই পাগলি টাকে ছেড়ে ( কপালে একটা চুমু দিয়ে বললাম আমি)  

> যেওনা ভাইয়া তুমি চলে গেলে আর ভাল লাগেনা কেউ আর রাতে ঘুম থেকে তুলে ফুচকা দেয় না সকালে আমার বালিশ এর কাছে কেউ চকলেট রাখে না কেউ বার বার পাগলি বলে ডাকেনা ( আদিবা আমার বোন)  

> আমি তাড়াতাড়ি চলে আসবো আর আসার সময় অনেক গুলো চকলেট নিয়ে আসবো। তুই কাদলে আমি কি ভাবে থাকবো আমি কি ভাবে যাবো ঢাকা আমার তো কি কষ্ট হয়  এই পাগলি বোনটি কে ছেড়ে যেতে( আমি) 

>................... ( চুপ করে আছে)

> আমার পাগলি বোনটি কি আমায় যেতে দিবে ( আমি )  

> আচ্ছা কাদবোনা আসার সময় চকলেট নিয়ে আসবা আর এখন আমার চকলেট দেও তাহলে যেতে দিবো আমি  ( আদিবা  আমার বোন )

> আমি যানি আমার বোনটি আমায় যেতে দিবে আর আমি চকলেট নিয়ে আসছি এই যে এখানে এক বকস চকলেট আছে আর ফুচকা ওলার মামার সাথে কথা বলে আসছি তুই যখন যাবি ফুচকা দিবে টাকা লাগবে না ( আমি )  

> আমার লখি ভাইয়া চলো বাসায় যাই এখন ( আদিবা )  

> চল পাগলি ( আমি) 

চকলেট পেয়ে।অনেক খুশি। চকলেট আগেই কিনে রেখেছিলাম আসার সময় সময় নিয়ে আসলাম যানি নয়তো রাগ ভাঙ্গাতে পারবো না  তারপরে বাসায় চলে আসলাম বাসায় ঢুকতে আদিবা আমার পিচ্ছি বোন বলতে লাগলো।।
।।।

> কোথায়  নিরব এর আব্বু আম্মু এই দেখো তোমার শয়তান পোলা আমার রাগ ভাঙ্গিয়ে ফেলছে ( আদিবা আমার বোন)  

> ওই আমার মা হলে তর কি লাগে  হুম এমন করে ডাকছিস কেন মা বলে ডাক  ( আমি অবাক হয়ে )  

> ডাকবো না তো কি করবো আমার ছেলে কে আর আমার মেয়ে কে বলছি তর কি তুই চুপ থাক ( আদিবা আমার বোন।)  

> তর মেয়ে হলো আবার কি করে তুই তো তাদের মেয়ে  ( আমি )  

আমাদের কথার মাজে আম্মু এসে বললো  

> আমার আম্মুটা এসেছে রাগ ভেঙ্গেছে তাহলে ( আম্মু )  

> আর রাগ করে থাকতে পারলাম না তোমার ছেলেটার সাথে শয়তানটা চকলেট দিয়ে সব রাগ মাটি করে দিছে ( আদিবা আমার বোন।)  

> যাক আমার আম্মুর রাগ ভাঙ্গাতে পারছে তাহলে আমার ছেলেটা ( আম্মু )

> দেখেছিস আমায় মা বলে ডাকছে তাহলে কে কার মেয়ে হলো আমার ( আদিবা আমার বোন)  আমায় বললো।।।

> হয়েছে বুজেছি কোন মেয়ে তর ( আমি )  

> আমার ছেলেটা কোথায় এখনো ( আম্মুকে আব্বুর কথা বললো আমার বোন।)  

>  তর ছেলে অফিসে  গিয়েছে মাএ ( আম্মু)  

তারপরে আরো কিছুখন দুষ্টমি করে ঘরির দিকে তাকিয়ে দেখি ১১। টা বাজে তাই আম্মু কে বললাম

> আম্মু চলে যাই এখন আরেকটু পরে গেলে জেম এ পরে যাবো রাত হয়ে যাবে।( আমি)  

> দুপর এর খাবার খেয়ে যাস ( আম্মু )  

> নাহ আম্মু একে বারে ঢাকা গিয়ে খাবো ( আমি )  

তারপর বেগ নিয়ে বাসার থেকে বের হবো তখন বোনটি বললো

> আম্মু চলো আমরা ভাইয়াকে বাজার পযন্ত এগিয়ে  দিয়ে আসি ( আদিবা আমার বোন).

> নাহ থাক কষ্ট করে এত দূর যাওয়া লাগবে না বাসায় থাকো তোমরা ( আমি )  

> নাহ আমি যাবো এগিয়ে দিয়ে আসবো দে আমায় তর বেগ আমি নিচ্ছি ( আদিবা আমার বোন।)  

> নাহ এটা তুই নিতে পারবি না  এমনি আয়। ( আমি)  

> বাবা দিয়ে দেয় না দিলে ছাড়বে না তকে ( আম্মু )  

তারপর আর কি করবো দিয়ে দিলাম বেগ দেওয়ার পরে দেখলাম  উঠাতে পারে না তাই বললাম

> শক্তি নাই শরিলে একটু সে আমার বেগ নিতে যাচ্ছে উঠাতেই পারে না ( আমি হাসতে হাসতে বললাম )  

> ইস কি ভারি এত কিছু তো মানুষ তার শশুড় বাড়িও নিয়ে যায় না এটার ভিতর ভারি জিনিস গুলো ফেলে আমায় দে  ( আদিবা আমার বোন  )  

> থাক তর নেওয়া লাগবে না আমায় দে আমার বেগ তুই আরো বড় হয়ে নে এখনো ছোট তুই। ( আমি বললাম )  

> কে বলছে আমি ছোট আমি তর চেয়ে বড় আমার একটা ছেলে একটা মেয়ে আছে  ( আদিবা আমার বোন)  

> তা দেখতেই পারছি একটা বেগ উঠাতে পারেনা আমার চেয়ে বড়  ( আমি বললাম।)  

> তদের ঝগড়া থামা তো চল এখন দেরি হয়ে যাচ্ছে  ( আম্মু )  

তারপর বোনটা বেগ মাথায় নিয়ে সামনে দিয়ে হেটে যাচ্ছে  আমার কত বার বললাম বেগটা দিতে আমায় দিলো না । আর আব্বুর থেকে সকালে বিদায় নিয়েছি কারন আব্বু অফিসে যায় তো তাই সকালে বিদায় নিয়েছি তারপর বাজার পযন্ত এসে আম্মু  বললো

> বাবা দেখে যাস আর ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া করবি রাতে বেসি জেগে থাকবি না ( আম্মু )  
।।

মা এরকমি হয়।  তুমি যদি কোথাও যাও তাহলে ঠিক এই গুলো কথা বলবে। বাবা দেখে যাস আর ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া করবি রাতে বেসি জেগে থাকবি না রাস্তা দেখে পার হবি। তার সন্তান এর জন্য আল্লাহ কাছে দুই হাত তুলে দোয়া করে।।  সবাই বলে। বয়স হলে নাকি আগের মতো আর ভালবাসে না। কেয়ার করে না সব কিছু কমে যায় আসতে আসতে। কোথায় আমি তো দেখিনি কখনো মা বাবা তার ছেলে মেয়ের প্রতি কখনো ভালবাসা কমে যেতে।।। হু হয়তো তোমায় বকা দিবে শাসন করবে যাতে তুমি ভুল পথে না হাটো ।। ( থাক অনেক কথা বলে ফেলেছি এখন গল্পে ফেরা যাক ।   )  

> আচ্ছা আম্মু ঠিক আছে এখন যাও তোমরা ( আমি )  

আম্মু চলে যাবে তখন আমার বোনটি বললো

> ওই দরাও এই শিশু মাইয়া টারে দিয়া এত ভারি বেগ আনাইছে টাকা লইয়া লই ( আদিবা আমার বোন)  

> তুই না বললি আমার থেকে বড় তুই তাহলে ছোট মানুষ এর থেকে টাকা নিতে হয় না ( আমি )  

> রাখ তর ছোট মানুষ এই আজাইরা পেচাল রাখ আর ৫০০ টাকা দে এখন এত কষ্ট করে এনে দিছি বেগটা ( আদিবা আমার বোন।)  

> কয় কি এটা ৫০০ টাকা তো গাড়ি বাড়া ও না ৫ টাকা গাড়ি বাড়া হবে এখান থেকে আমি তকে বোন হিসাবে ১০০ টাকা দিলাম আর বাকি টাকা ঢাকা থেকে এসে দিবো ( আমি ) 

> বাকি কাজ করিনা  আমি এখন লাগবে আমার ( আদিবা আমার বোন)  

> ঠিক আছে এই নে ৫০০ টাকা ( যানি না দিলে আর ছারবে না আমায় তাই দিয়ে দিলাম)  

তারপরে বিদায় দিয়ে আম্মু আর বোন কে গাড়িতে গিয়ে উঠলাম হঠাত ফোনটা বেজে উঠলো তাকিয়ে দেখি জাহিদ কল দিছে জাহিদ আমার বন্দু আমরা একসাথে লেখাপড়া করি ফোনটা দরার পর বললো

> কিরে আর কতখন। লাগবে আসতে তর কোথায় আসিস তুই এখন ( জাহিদ )

> এইতো মাএ বাসে উঠলাম ঘণ্টা খানি পর চলে আসবো ( আমি )  

> ঠিক আছে আয় রাখছি এখন আসলে কথা বলবো (  জাহিদ)  

> ঠিক আছে  রাখছি  এসে কথা বলবো ( আমি )  

তারপরে ফোনটা কেটে দিলাম দুই ঘণ্টা পর আসলাম ঢাকা  বাস ইসটেন থেকে একটা সিনজি নিলাম আমি। জেখানে থাকি তার অনেক আগে বাস ইস্টেন  তাই বাসায় যেতে হলে সিএনজি নিয়ে যেতে হবে।
।।

  সিএনজি নিয়ে যাচ্ছিলাম সামনে তাকিয়ে দেখি জেম  এমনিতেই মাথা জিম জিম করছে বাসে বসে থাকার কারনে তারপরে আবার জেম তা ১০ মিনিট বসে থাকার পরও একটুও গারিটা নড়ছে না  সমনে তাকিয়ে দেখি একটা এম্বুলেন্স  একটি লোক নিরবে কাঁদছে তাই গারি থেকে নেমে ওই লোকটির কাছে গিয়ে বললাম।।

> কি হয়েছে বড় ভাই কাঁদছে কেনো ( লোকটি আমার থেকে বয়সে বড় তাই বড় ভাই বললাম )  

> ভাই আমার আব্বু খুব অসুস্থ হাসপাতালে নিতে হবে কিন্তু  নিয়ে যেতে পারছি না আরো দুই ঘণ্টি লাগবে এই জেম ছুটতে কিছু মেয়ে রাস্তা বন্ধ করে রাখছে আমার আব্বু কে বাচানো যাবে না দুই ঘণ্টা থাকলে ( এই বলে কাঁদতে লাগলো) 

> পুলিশ কে খবর দিন তারা যেন জেম ছুটিয়ে দেয় ( আমি )  

> পুলিশ সেই মেয়ে গুলো কে কিছু বলতে পারবে না।  যে মেয়ে রাস্তা বন্ধ করছে তার বাবা মন্ত্রী   তাই কিছু বলতে পারছে না ( লোকটি)  

একটা মানুষ রাস্তায় থেকে মরবে এটা কোন মতে হতে পারে না  যাই গিয়ে দেখি কিছু একটা করা যায় কিনা তারপর আসতে আসতে গেলাম গিয়ে দেখি  দুটো মেয়ে গারির উল্টা দিকে ঘুরে আছে  তাই মুখটা দেখা যাচ্ছে না তাদের সামনে কিছু মনে হয় তাদের গার্ড হবে আমি গার্ড কে বললাম

> স্যার এখানে একটা এম্বুলেন্স এর মাজে রোগি আছে আছে যদি আপনাদের গারিটা রাস্তা থেকে সরান তাহলে এক জন এর জিবনটা বেচে যাবে ( আমি বললাম)  

> কে মরলো কে বাচলো তা দেখার সময় নাই যা এইখান থেকে সালা ( গার্ড আমায় ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলো)  তখন একটি মেয়ে বলে উঠলো 

> এই ছোটলোক গুলো কি করে আসে এইখানে ( মেয়েটি)  

> মেডাম এম্বুলেন্স এর মাজে একটা রোগি আচে প্লিজ আপনাদের গারিটা একটু সরান তাহলে লোকটির জিবনটা বেচে জাবে ( আমি বললাম)  

> তুই গেলি এইখান থেকে নাকি গার্ড দের দিয়ে মার খাওয়াবো ( মেয়েটি )  

> আচ্ছা চলে যাচ্ছি আপনাদের কোন মায়াদয়া নেই একটি লোক গারিতে মরতে যাচ্ছে আর আপনারা রাস্তা
বন্ধ করে বসে আছেন ( আমি )  

এই বলে চলে আসছিলাম তখন পিছন থেকে মেয়েটি ডাকলো কিন্তু কন্ঠটা অন্য মেয়ের কন্ঠ মনে হচ্চে তাকিয়ে দেখি যেন কোন এক পরি আমার সামনে মেয়েটি অনেক সুন্দর কিন্তু মোবাইল এর দিকে তাকিয়ে আছে আর বলছে।

> কি সমস্যা আপনার ( মেয়েটি ফোন এর দিকে তাকিয়ে)  

> আপনাদের গারিটা যদি রাস্তা থেকে একটু সরাতেন তাহলে এম্বুলেন্স এর মাজে একটা রোগি আছে হাসপাতালে  নিয়ে যাবে ( আমি )  

> রাস্তা কি তর বাপের নাকি যে বললে গারিতে সরিয়ে ফেলবো চুপচাপ গারিতে ঘিয়ে বসে থাক ( মেয়েটি ফোন এর দিকে তাকিয়ে)  

> মেডাম  দেখুন আপনি আমার  বাবা কে নিয়ে কোন কথা বলবেন না আমি এখানে আমায় বলুন ( আমি বললাম)  

মেয়েটি এখন আমার দিকে তাকালো তাকিয়ে ডেব ডেব করে চেয়ে আছে মনে হয় সারপ্রাইজ দিলে যেমন অবাক হয় তেমনি তখন মেয়েটি বললো

> নিলা এদিকে আয় যলদি ( মেয়েটি বললো তারমানে সেই মেয়েটির নাম নিলা)  

> হুম বল কি হয়েছে ( নিলা)  

> আমার গাড়ি গুলো সব রাস্তা থেকে সরিয়ে ফেল ( মেয়েটি)  

>.....

জানিনা কেমন হয়েছে প্রথম পর্বটা

যদি ভলো লাগে আপনাদের কাছে

আপনারা যদি বলেন তাহলে এটার পরের পর্ব লিখবো

 এটার পরের পর্ব থেকে বুজতে পারবেন ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ের আসল কাহিনী

আগামীকাল প্রয়োজনে শুধু প্রিয়জন গল্পটি দিবো

চলবে তারপরের পর্ব কি লিখবো
Post a Comment (0)
Previous Post Next Post