গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে পর্ব : ২

 গ

ল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে 
পর্ব : ২ 
লেখক : নিরব আহমেদ কাওছার
...

> রাস্তা কি তর বাপের নাকি যে বললেই গারিটা সরিয়ে ফেলবো চুপচাপ গারিতে ঘিয়ে বসে থাক সময় হলে যেতে পারবি ( মেয়েটি ফোন এর দিকে তাকিয়ে)  

> দেখুন  আপনি আমার  বাবা কে নিয়ে কোনো কথা বলবেন না আমি এখানে আমায় বলুন  বাবাকে এর মাজে টানছেন কেন ভালো হবে না কিন্তু বলেদিলাম  ( আমি বললাম একটু রাগি গলায় )  

> কি করবিরে  তুই একশ বার বলবো রাস্তা কি তর বাবার নাকি সালা ।।( মেয়েটি আমার কলার দরে  রাগি গলায়  )  

> মেয়ে না হলে এত খনে মেরে হাড্ডি গুড্ডি সব ভেঙ্গে ফেলতাম ( আমি শাট এর কলার থেকে হাতটা ছাড়িয়ে)  

> তা আয় মার না আমায় মার গায়ে হাত দিয়ে দেখ তর কি অবস্থা করি।  সালা ছোটলোক কোথাকার  আজ সারাদিন রাস্তা বন্দ করে।রাখবো দেখি তর কোন বাব এসে আমায় সরায়  ( মেয়েটি আমার কাছে এসে )  

> ভদ্র ভাবে কথা বলুন। বাপের  টাকা আছে বলে পাওয়ার আছে বলে যা খুশি তাই করবেন রাস্তা বন্দ করে রাখবেন। রাস্তা এটা আপনার একা না সবার জন্য সরকার বানিয়েছে।  আপনার সমস্যা না হলেও অনেক মানুষ এর সমস্যা হচ্চে এম্বুলেন্স এর মাজে ইমারজেন্সি রোগি আছে দয়া করে রাস্তা থেকে গারিটা সরান তাহলে একজন মানুষ এর জিবনটা বাচবে আর বাকি মানুষ গুলোও  একটু শান্তি মতো বাসায় যেতে পারবে ( আমি বললাম। রাগটাকে দূরে ফেলে দিয়ে বললাম কারন এম্বুলেন্স এর মাজে লোকটির বাবা খুব খারাপ অবস্থা তাই ঝগড়া করলাম না )  

> ওই তর এত বড় সাহস তুই মেডাম এর মুখের উপর কথা বলিছ তকে আজ পুলিশে দিয়ে জেলের ভাত খাওয়াবো ( মেয়েটির গার্ড)  

> হু এটাই করতে পারবেন টাকা আছে পাওয়ার আছে এখন তো পাওয়ার দেখাবেন  তাই না সাধারন মানুষ এর মতো চলা ফেরা করুন তাহলে বুজতে পারবেন সময় কি জিনিস এর মূল্য কত।  পাওয়ার আছে তো তাই আপনারা কিছু বোজেন না  আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা বুজতে দেয় না সারা রোড বন্দ করে আপনাদের জন্য ফাকা করে রাখে রাস্তা। তা সমস্যা হয় কার সাধারণ মানুষ এর একবার জেম এর মাজে বসে থেকে দেখেন তাহলেই বুজবেন  ( আমি মেয়েটিকে উদ্দেশ্য করে বললাম  ) 

তারপরে আর কোন কথা বললো না মেয়েটি ইশারায় কথা বলতে না করে দিলো তার বডি গার্ড কে 

।।

মেয়েটি এখন আমার দিকে তাকিয়ে আছে ডেব ডেব করে চেয়ে আছে এখন তারপরে মেয়েটি বললো

> নিলা এদিকে আয় যলদি ( মেয়েটি বললো তারমানে সেই মেয়েটির নাম নিলা)  

> হুম বল কি হয়েছে ( নিলা)  

> আমার গাড়ি গুলো সব রাস্তা থেকে সরিয়ে ফেলতে বল ডাইবারকে আর অন্য কোনো।যায়গায় রাখতে বল ( মেয়েটি)  

>  কি বলিস তুই পাগল হয়ে গিয়েছিস তুই   গাড়ি সরিয়ে ফেলবো মানে তুই সামান্য রাস্তার ছেলের কথায় এখান থেকে সরিয়ে ফেলবি তর গাড়ি  ( নিলা বললো ) 
 
> ওই। মেয়ে মুখ সামলে কথা বল।রাস্তার ছেলে কাকে বলিস  আমার পুরো পরিবার আছে মুখ সামলে কথা বল মেয়ে না হলে এত খনে বুজিয়ে দিতাম এই নিরব কি জিনিশ (  আমি রাগি গলায় )

> দেখছিস মায়া তর সামনে আমায় অপমান করলো তুই কিছু বলবিনা একে ( নিলা নেকা কান্নার ভাব দরে )  

> তারমানে মেয়েটির নাম মায়া ( মনে মনে  আমি) তারপরে আমি কিছু বলতে যাবো তখন মায়া বললো  

> হুম  একে আমি বুজিয়ে দিবো এই মায়া কি জিনিস ।  এখন ডরাইবার কে বল গারিটা অন্য কোন যায়গায় রাখতে যা  আর এইটাকে আটকে রাখবি এখান থেকে যেন কোথাও না যায় ( মায়া) 

> ঠিক আছে তা নাহয় করলাম কিন্তু তুই কোথায় যাবি  এখন ( নিলা )  

> একটা ফোন করে আসছি দুই মিনিট ( মায়া )  

> এই যে মেডাম আমায় এখানে আটকে রাখবে মানে 
 আমি এখানে থাকবো না চলে যাবো এখনি ( আমি)  

> পা ভেঙ্গে দিবো যদি এখান থেকে কোথাও যাস  ( রাগি গলায় মায়া) 

> এইটা কোন কথা হলো আমি দেখবো কি করিস এবার কিছু বললে আর ছাড়বো না যাক একজন এর জীবন তো বাচানো গেলো ( মনে মনে )  

হঠাত সিএনজি মামা এসে বললো 

> মামা কই হারিয়ে গেলেন উঠেন যলদি  চলে যাই নয়তো আবার জেম এর মাজে পড়বো ( সিএনজি ওয়ালা মামা)  

> কি করি এখন যদি চলে যাই এখন  তাহলে পরে যদি কিছু করে ধ্যাত যা হবার হবে এমনি তে খুব খারাপ লাগছে।  তাকিয়ে দেখি নিলা ডরাইবার এর সাথে কথা বলছে  তাই এই সুজুক এর মাজে সিএনজি তে উঠে পড়লাম।।

আমার থেকে কিছুটা দুরে ছিলো নিলা তাদের লোক জন কে বলছিলো গারি গুলো অন্য এক সাইট করে রাখতে ।। নিলা তাকিয়ে দেখে আমি এখানে নেই সিএনজি তে উঠে পরেছি তখন মায়া এসে বললো

> কিরে ছেলেটা কই গেলো ( মায়া)  

> চলে গেছে সিএনজি দিয়ে  ( নিলা )  

> তকে না বলেছি আটকে রাখতে এখন এর উপরে  প্রতিশোধ আমি নিবো কি করে ( মায়া)  

> ওই তো সামনের সিএনজি তে করে যাচ্ছে ছেলেটা তর গাড়িতে উঠ যলদি বল ছেলেটা কে দরতে তর ডাইবার কে  ( নিলা )  

> হুম ঠিক বলেছিস।  যলদি উঠ গিয়ে গারিতে ( মায়া)

তারপরে গাড়ি নিয়ে দৌড়াতে লাগলো সিএনজির  পিছু   এদিকে আমি ভাবছি

> কি ডেঞ্জারাস মেয়েরে বাবা ঝগড়া  লাগলে ছাড়তেই চায় না।।  ভাবনার মাজে হঠাত জোরে সিএনজি মামা সিএনজিটা ব্রেক করলো তাই বললাম  

> কি হয়েছে মামা এত যোরে ব্রেক করলেন কেন গারিটা ( আমি ) 

> মামা সামনে দেখেন  ( সিএনজি ওলা মামা)  

তাকিয়ে দেখি গাড়ি থেকে নেমে মায়া আসছে হাতে একটা হকইস্টিক নিয়ে এসে শাট এর কলার দরে গারি থেকে নামালো টেনে আর বলছে

> কিরে পালিয়ে আসলি কেন তকে না বলছি  দাড়িয়ে থাকতে আসলি কেন ওইখান থেকে  ( মায়া )  

> কেন আসবো না আমি কি আপনার বাবার চাকর নাকি যে যেটা বলবেন করতে হবে  ( আমি)  

> কি বললি একে তো আমায় অপমান করেছিস তারপরে আবার আমার মুখের উপর কথা।  এই বলে দুইটা বাড়ি মারলো পায়ে ( মায়া).

আমি হকইস্টিকটা নিয়ে বললাম

> চাইলে আমি মারতে পারি কিন্তু এখন কিছু বললাম না এটা পাবলিক প্লেস এখানে আপনাকে কিছু বললে আপনাও সম্মান  যাবে আমারও তাই কিছু বললাম এখন সম্মান এর কথা ভেবে  ( আমি )  

হঠাত মায়ার ফোনে একটা কল আসলো তারপরে একটু কথাবলে আমায় এসে বললো 

> তকে আজ ছেড়ে দিলাম এটার প্রতিশোধ আমি নিবো এখন আমার লোক নিয়ে আসেনাই বলে বেচে গেলি   নয়তো তকে নিয়ে যেতাম সাথে করে  একটা কাজ আছে তাই কিছু বললাম না ( মায়া )  

তারপরে ওরা চলে গেলো আর আমিও চলে এলাম 

 হোটেল এর মাজে গিয়ে ফ্রেস হয়ে কল দিলাম আম্মু কে আগে আম্মু কে বলা দরকার কারন নয়তো চিন্তা করবে।। ফোন দিয়ে 

> হ্যালো আম্মু এই মাএ এসেছি আমি  ( আমি )  

> যাক আমিও কল দিতে চেয়েছিলাম আমি কিছু খেয়েছিস বাবা ( আম্মু )  

> নাহ এখনো খাইনি খাবো এখন গিয়ে ( আমি )  

> আচ্ছা গিয়ে কিছু খেয়ে আয় এই নে কথা বল তর আদিবার সাথে পাগল করে দিছে আমায় তরে কল দিতে ( আম্মু )  

> দাও কথা বলি।  দেওয়ার পর।  কিরে বুড়ি কি করিস ( আমি )  

> এহ আমি একটুও বুড়ি না আমি শিশু তুই বুড়া ( আদিবা আমার বোন।)  

> কে বলছে তুই শিশু তুই তো বুড়ি  ( আমি)  

> তুই বুড়া ( আদিবা ) 

> তুই বুড়ি ( আমি )  

> না আমি না তুই বুড়া  ( আদিবা )  

> তুই বুড়ি ( আমি)  

> আম্মু তোমার পোলার সাথে পারিনা কথা বলে এই বলে ফোনটা আম্মুর কাছে দিয়ে চলে গেলো।
তারপর আরো কিছুখন বাসায় কথা বলে কেটে দিলাম 

বাহির থেকে কিছু খেয়ে এসে দেখি জাহিদ এসেছে  আমি আর জাহিদ একসাথে থাকি।

> তাহলে এসেছিস আমি তো মনে করছি আর আসবি না তুই তা এত দেড়ি হলো কেন  আসতে তর। ( জাহিদ।)  

> আর বলিস না রাস্তায় একটা মেয়ের সাথে ঝগড়া লেগেছিলাম  তাই একটু লেট হয়েছে (.আমি )  

> তা কি নিয়ে  ঝগড়া লাগলি বল ( জাহিদ।)  

তারপরে সব বললাম আপনারা যানেন তাই আর বলার দরকার নেই তারপর  জাহিদ বললো 

> এতো খুব ডেঞ্জারাস মেয়ে এর পাল্লায় পড়িস না তাহলে এখান থেকে হাড্ডি গুড্ডি আর নিয়ে ফিরতে পারবি না  ( জাহিদ।)  

> যা হওয়ার হবে পরে একটু ঘুমাতে দে অনেক ক্লান্ত লাগছে  ( আমি )  

তারপরে একটা ঘুম দিলাম পরের দিন সকালে উঠে সকালে উঠে  ফ্রেস হয়ে কিছু খেয়ে দুইজন কলেজে যাবো কিন্তু জাহিদ বললো একটু পরে যাবে তাই একা একা হেটে হেটে যাচ্ছিলাম তখন একটা দামি গাড়ি এসে দাড়ালো আমার থেকে একটু দূরে তাকিয়ে দেখি মায়া তাই দিলাম এক দৌড়  যদি কিছু করে মানে মাইর টাইর দেয় তাই দৌড় দিলাম কিন্তু সামনে দিয়ে কয়কে জন লোক।এসে দরে ফেললো। তারপরে মায়ার কাছে নিয়ে গেলে মায়া বললো

> বলেছিলাম না তকে আজ দেখে নিবো এর প্রতিশোধ নিবো আজ নিবো ( মায়া )  

> আমায় ছেড়ে দিন কলেজে যেতে হবে আমায় ( আমি )  

> রাখ তোর কলেজ জিবন থাকবে কি না সেটার কোন নিসচয়তা নাই আর সে আছে কলেজ  নিয়ে ( মায়া)  

> প্লিজ এই শিশু ছেলেটাকে ছেড়ে দিন কলেজে যেতে হবে।।

সরি আজ পর্বটা ছোট হয়েগেছে

পরের পর্বটা বড় করে দিবো

পরের পর্বটা রোমান্টিক হবে আর একটু ফানি হবে 

অপেক্ষায় থাকুন তারপরের পর্ব জন্য
Post a Comment (0)
Previous Post Next Post