পর্ব : ৩ এবং ৪
লেখক : নিরব আহমেদ কাওছার
..
> বলেছিলাম না তকে আজ দেখে নিবো। আজ সব প্রতিশোধ নিবো আমি ( মায়া )
> আমায় ছেড়ে দিন কলেজে যেতে হবে আমায় এখন পরে যা করার কইরেন ( আমি )
> রাখ তোর কলেজ। জিবন থাকবে কি না সেটার কোন নিসচয়তা নাই আর সে আছে কলেজ নিয়ে ( মায়া)
> প্লিজ এই শিশু ছেলেটা কে ছেড়ে দিন। কলেজে যেতে হবে এখন অনেক দিন দরে কলেজে যাইনি ( আমি )
> রাখ তর শিশু গিরি সালা ছোটলোক কোথাকার( মায়া রাগি গলায়।)
> ভদ্র ভাবে কথা বলুন গালি দিচ্ছেন কেন ( আমি )
> রাখ তর ভদ্রতা। তুই গতকাল আমার বান্ধবিকে অপমান করছিস আমায় ও তুই অনেক কথা বলেছিস তকে আজ আর ছাড়বো না তর হাড্ডি গুড্ডি হব ভাঙ্গবো। ( মায়া রাগি গলায় )
> এহ হাড্ডি গুড্ডি ভাঙ্গবো সাহস থাকলে মেরে দেখান তো দেখি কত সাহস আমি কি বসে থাকবো নাকি আমিও মারতে পারি আমারও হাত আছে।( আমি বললাম।)
> তা আয় মার দেখি কত সাহস মার আয় গায়ে হাত দিয়ে দেখা তো দেখি। তর সাহস অনেক বেড়ে গেছে তুই আমায় এখনো চিনতে পারিসনাই এই মায়ার সামনে কেউ দাড়িয়ে কথা বলতে পারে না আর তুই আমায় ঠেড দেস মারার কথা বলিস ( কলার দরে গারিটার সাথে চেপে দরে বললো )
> ছাড়েন আমায় আপনি কিছু করতে পারবেন না ( মায়ার হতটা কলারটা থেকে ছাড়িয়ে আমি বললাম )
> হা হা হা তুই আমার সাথে চ্যালেঞ্জ করছিস। তকে মারতে আমার এক মিনিট এর সময় ও লাগবে না ( মায়া,)
> হা হা হা তোমার মতো মেয়ে মারবে আমায় এমন দুই চারটা বডি গার্ড নিয়ে আসছো আমায় মারতে এদের দেখে তো।মনে হয় না একটারও গায়ে যোর আছে আর তোমার গায়ে তো আরও শক্তি নাই মশার শক্তি নিয়ে আমায় মারতে আসছো ( আমি )
> কি কয়লি তুই আমার শরিলে মশার শক্তি ও নাই তকে মরার জন্য আমার বর্ডি গাড এর প্রয়োজন নাই আমি একাই তরে মারতে পারবো হুম ( মায়া )
> যেই না শক্তি তোমার মশার ও এর থেকে ভালো শক্তি আছে তুমি মারবে আমায় হা হা হা ( হাসতে হাসতে বললাম আমি )
> কি আমার সরিলে মশার শক্তি ও নাই তবেরে তকে আজ মেরেই ফেলবো ( মায়া )
এই বলে মারতে লাগলো এর থেকে ভালো মশা
যদি কামড় দেয় তবুও বাথ্যা পাওয়া যায় কিন্তু এ কিসের ঘুসি দিচ্ছে মারছে না ছাই। মনে হয় সরিলটা মেসাজ করে দিচ্ছে। কিছুখন পরে ছেড়ে দিয়ে হাপাচ্ছে ।তা দেখে আমি বললাম
>হা হা হা ছাড়েন অনেক মেসাজ করছেন এই জন্য বলি এই মশার শক্তি নিয়ে মারতে আইসেন না পারবেন না সরিলে শক্তি নাই আসছে আমারে মারতে।। ( আমি )
> আমার সরিলে মশার শক্তি ও নাই তাই না গার্ড এদিকে আসো একে একটু ভালো করে মেসাজ করে দেও তো ( মায়া তার গার্ড দের বললো)
> আল্লাহ একবার যদি দরে সবাই তাইলে আমার এই শিশু শিশু হাড্ডি গুড্ডিরে একটারেও খুইজা পাওয়া যাইবো না আল্লাহ আব্বুর চাকরির কসম দিয়া বলছি একবার বাঁচাইয়া দাও আর এই মাইয়ার সামনে আসুমনা আর কারো সাথে ঝগড়া করুম না ( মনে মনে বললাম আমি )
হঠাত ফোনটার চিল্লানির শব্দ এলো চেয়ে দেখিতো কেডা এই মাইর খাওয়ার সময় কে কল দিলো। চেয়ে দেখি আমার ডেডি ফোন দিছে ফোনটা দরে বললাম।
> হুম ডেডি কও তুমি এই টাইমে ফোন দিছো। ( আমি )
> শয়তান পোলা তুই আবার কি করছিস রে বলতো ( আব্বু )
> কই কি করলাম কিছু করি নাই তো ( আমি বললাম।)
> হারামজাদা তুই আবার আমার চাকরি নিয়া কসম কাটছিস তাই না ( আব্বু )
> এইরে ডেডি যানলো কি করে আমি চাকরির কসম কাটছি ( মনে মনে আমি )
> কিরে কথা কসনা কেন এই পর্যন্ত পাঁচবার চাকরি নিয়ে কসম কাটছিস পাঁচটি চাকরি গেছে এটা যদি যেতো তাইলে তরে কি যে করতাম আমি ( আব্বু একটু রাগি গলায় )
> তা চাকরি কি গেছে নাকি আছে ( আসলে আমি আর আব্বু বন্ধুর মতো ফ্রি তাই একটু দুষ্টমি করি )
> ভাগ্যিস এই বার কম্পিউটার নষ্ট হইছে তাই বেচে গেলাম ( আব্বু )
> যাক তাহলে বাচা গেলো তোমার চাকরিটা যায় নি ( আমি ) ।
> আচ্ছা বলতো সমস্যা করবি ভালো কথা কিন্তু তুই আমার চাকরির কসম কেন খাস ( আব্বু )
> হি হি হি ভালো লাগে তাই। তুমি আমার লক্ষি ডেডি । ( আমি )
>রাখ তোর লক্ষি তর কাছে । তর ভাললাগা বের করবো আমি তুই সুধু বাসায় আয়। আচ্ছা কার সাথে ঝগড়া করছিস বলতো ( আব্বু )
> মন্ত্রীর মেয়ের সাথে একটু ঝগড়া লেগেছি আর কি ( আমি )
> বাহহ আর কোনো মেয়ে পেলিনা দেশে ঝগড়া করার জন্য শেষ পর্যন্ত মন্ত্রীর মেয়ের সাথে ঝগড়া লাগলি হাসপাতালে যাওয়ার জন্য আর বেসি সময় নেই বাবা গিয়ে একটা কলদিস আমায় হাসপাতালে ( আব্বু )
> আরে আব্বু এরা আমায় কিছু করবে না তুমি চিন্তা করো না ( আমি )
> তাই নাকি তর বউ হয় নাকি যে ছেড়ে দিবে মেয়েটি ( আব্বু )
> তুমিও না আব্বু এই গুণ্ডি মেয়েরে বিয়ে করার চেয়ে তেতুল।খেয়ে অত্যাহত্যা করা অনেক ভালো তুমি কোনো চিন্তা করো না আমার কিছু হবে না ( আমি )
> তুই কেন ঝগড়া লাগিস বলতো তর যদি কিছু হয় তাহলে আমি তর মা কি নিয়ে থাকবো আর তর বোন এর কথা একবার ভাব শুন বাবা তুই ভাল করে লেখাপড়া কর। কারো সাথে ঝগড়া লাগিস না আর মেয়েটির কাছে দেতো আমি বলেদেই তকে যেন কিছু না বলে ( আব্বু )
> তুমি চিন্তা করো না আমি আর শয়তানী করবো না আর কারো সাথে আমি বিনা কারনে ঝগড়া করিনা তুমি তো যানো আর তোমার কথা বলতে হবে না আমি কথা বলে মিটমাট করে নিচ্ছি ( আমি )
> ঠিক আছে এই বলে ফোনটা কেটে দিলো।।
তখন মায়া বলছে
> এখন কোথায় যাবি তকে আজ আর কউ বাচাতে পারবে না তার আগে আমি আর কিছু মাইরা নেই সরিলটা জেম হয়ে গেছে তরে মাইরা একটু জেম ছুটাই ( মায়া )
যখন হকইসটিক দিয়ে মারতে যাবে তখন আমি হাতটি দরে ফেললাম মায়ার দরে গারিটার সাথে চেপে দরে ঠোট টাকে নিজের দখলে নিয়ে নিলাম ৫ মিনিট কিস করে ছেড়ে দেওয়ার পর দুপ করে মাটিতে বসে পড়লো
তখন আমি বললাম
> কি মারবে না আমায় মারো দেখি কত সাহস ( আমি মায়ার সামনে বসে বললাম)
> ছোটলোক এর বাচ্চা তারপরে বাবা কে নিয়ে
গালি দিলো মায়া ( মায়া)
গালিটা শুনে প্রচন্ড রাগ উঠে গিয়েছিলো তখন মায়া কে ঠাসস ঠাসস করে দুটি চড় দিয়ে বললাম। আমি
> মুখ সামলে কথা বল হুম আমি ছোটলোক হতে পারি কিন্তু আমার বাবা না তুই আমায় যত কথা বলতে পারিস বল কিন্তু আমার বাবাকে নিয়ে কোন কথা বলবি না আর হা আমরা গরিব হতে পারি কিন্তু আমার জন্য সবসময় বড়লোক তিনি হচ্চেন আমার বাবা তুই আমায় নিয়ে বল যত খুশি পারিস আমার বাবাকে নিয়ে কোন কথা বলবি না ( আমি বললাম। )
তারপরে মায়া তার গার্ড দের মারতে বলে চলে গোলো গাড়ি দিয়ে আমায় মারার সময় অনেক মানুষ দেখেছে দাড়িয়ে দাড়িয়ে কারন রাস্তায় ছিলাম। মার খেতে খেতে এক পরযায় অজ্ঞান হয়ে গেছি সেখান থেকে জাহিদ খবর পেয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসছে যখন জ্ঞান ফিরলো তাকিয়ে দেখি জাহিদ বসে আছে আমি কিছু বলার আগে জাহিদ বললো।।
> শুন ভাই আমি সব জানি তুই যার সাথে ঝগড়া করছিস সেই মেয়েটির সামনে কেউ উচ্চ গলায় কথা বলার তো দূরের কথা কেউ সামনে গিয়ে কথা বলতে পারেনা কারন ও হচ্চে মন্ত্রীর মেয়ে অনেক পাওয়ার আছে তকে যদি মেরে লাস ফেলে দিতো তাহলে ও কেউ কিছু বলতে পারবে না এখন বলতো কি নিয়ে ঝগড়া শুরু হয়েছিলো তদের। ( জাহিদ)
> তারপরে সব খুলে বললাম জাহিদ কে।। আমি তো এমনি ঝগড়া করিনাই কাথায় কথায় বাবাকে নিয়ে কথা বলে গালি দেয় তাই রাগ হয়েছিলো দুটো চড় দিয়েছিলাম তারপরে বাকিটা তো তুই জানোস হাসপাতালে আছি ( আমি )
> শুন তকে এখানে তর বাবা মা লেখাপড়া করার জন্য পাঠিয়েছে এখানে কেন আসছিস তুই। তর যেনো স্বপ্ন গুলো পূরণ করে পারিস লেখাপড়া করে আজ যদি তর বাবার কিছু হয়ে যায় তাহলে তর মা বোন কে দেখতে হবে কার তর দেখতে হবে আর সংসার এর পুরো দায়িত্ব নিতে হবে শুন তুই যেমন মধ্যবিত্ত পরিবার এর ছেলে আমিও স্বপ্ন আছে অনেক গুলো তাই এই শহরে এসেছি যাতে লেখাপড়া করে পূরণ করতে পারি ওরা বড়লোক এর বাবার মেয়ে ওদের স্বপ্ন পূরন করতে দুই মিনিট এর ভেপার।। আরেকটা কথা বড়লোক মানুষ গুলো মধ্যবিত্ত পরিবার গুলোকে নিয়ে বেবহার করতে যানে কিন্তু ভালবাসতে যানে না প্রয়োজন মতো ভেবহার করে ফেলে দিবে।। মন দিয়ে লেখাপড়া কর ( জাহিদ বললো)
> আচ্ছা ঠিক আছে এখন থেকে আর লেখাপড়া ছাড়া অন্য কোনো দিকে মনো যোক দিবো না স্বপ্ন গুলো পূরন করতে হবে ( আমি )
> হুম মনে থাকে যেন। ( জাহিদ।)
এই ভাবে কেটে গেলো দুই দিন আজ একটু সুস্ত আছি তাই কলেজে যাচ্ছি দুইজন মিলে আমি আর জাহিদ কলেজে যাওয়ার পরে জাহিদ বললো
> চল দুস্ত তকে পরিচয় করিয়ে দেই আমার কিছু বন্ধুদের সাথে ( জাহিদ )
তারপরে মাঠের এক কোনায় নিয়ে গেলো সেখানে তিনটি মেয়ে ছিলো আর একটি ছেলে ছিলো যাওয়ার পর জাহিদ বললো
> কিরে তরা আমায় ছাড়া আড্ডা দিতে বসে পড়েছিস ( জাহিদ )
> আরে নাহ মাএ বসলাম তা এই ছেলেটি কে তরসাথে ( ছেলেটি বললো )
> ওহ তদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেই ওর নাম হচ্চে নিরব আমার বন্ধু এখন থেকে আমাদের টিমের একজন আর নিরব ওর নাম।। আর কিছু বলতে দিলো না ছেলেটি তখন ছেলেটি বললো
> আমরা নিজেই পরিচিত হয়ে নিচ্ছি তাহলে পরিচয় দেওয়া শুরু করো বন্দুরা একজন একজন করে ( ছেলেটি সবাই কে বললো )
> আমি সকাল ( প্রথম মেয়েটি বললো )
> আমি দুপর ( দৃতীয় মেয়েটি)
> আমি সন্ধা ( তৃতীয় মেয়েটি)
> আমি রাত। ( ছেলেটি)
> যাহ বাবাহ সব আবহাওয়া দেখি এখানে এসে পড়েছে তাহলে সূর্য আর চাদ বাকি রইলো কেন ( আমি )
> হুম সূর্য আছে এই যে তর বন্দু জাহিদ ( ছেলেটি )
> ওই নাম বল এই আজাইরা কথা বাদ দিয়ে ( প্রথম মেয়েটি )
> আচ্ছা আমি বলছি । সকাল মানে সামিয়া ওর নাম । আর দুপর মানে রোদেলা ওর নাম। আর সন্ধা মানে সানজিদা ওর নাম। আর রাত মানে রাকিব ওর নাম।
( জাহিদ বললো )
> বাহহ খুব সুন্দর করে মিলিয়েছিস তো ( আমি )
> হুম আর এখন থেকে তর নামটি হবে চাদ এই গ্রুপ এর ( রাকিব )
কথা বলছিলাম হঠাত একটা ঘারির হন এর শব্দ পেয়ে গেট এর দিকে তাকলো সবাই অনেক দামি একটা গারি তখন ঘাড়ি থেকে একটা ছেলে নামলো আর সাথে মায়া আমি তো অবাক দেখে তখন জাহিদ কে বললাম
> কিরে মায়া এখানে কেন আর সাথে এই ছেলেটি কে ( আমি বললাম)
> আমি যানি নারে তবে এই ছেলে এই কলেজে পড়ে এইখান কার এমপির ছেলে নাম আকাস প্রতিদিন রেগিং করে কথা না শুনলে এই কলেজ থেকে বের করে দেয় এর থেকে একটু সাধানে থাকিস দুস্ত ( জাহিদ )
> হুম আচ্ছা চেষ্টা করবো ( আমি )
তারপরে সামনে তাকিয়ে দেখি মায়া আমাদের দিকে আসছে তারপরে আমার সামনে এসে বললো।
> কি খুব অবাক হলি তাই না তর জন্য আমার এই কলেজে আসতে হয়েছে ( মায়া )
> মানে আমার জন্য মানে ঠিক বোজলাম না ( আমি অবাক হয়ে )
> হুম তর জন্য আমার মা বাবা আজ পযন্ত আমার গায়ে হাত তোলেনি আর তুই আমার গায়ে হাত তুলছিস এর প্রতিশোধ আমি নিবো ( মায়া)
চলবে.....
________________________________________________
________________________________________________
গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে
পর্ব : ৪
লেখক : নিরব আহমেদ কাওছার
..............................................................
............................................................
..........................................................
........................................................
......................................................
....................................................
..................................................
................................................
.............................................
...........................................
.........................................
.......................................
.....................................
...................................
.................................
...............................
.............................
...........................
.........................
.......................
.....................
...................
.................
...............
.............
...........
.........
.......
.....
....
...
..
.
> হুম তর জন্য আমার মা বাবা আজ পপর্যন্ত আমার গায়ে হাত তোলেনি আর তুই আমার গায়ে হাত তুলছিস এর প্রতিশোধ আমি নিবো ( মায়া)
> সরি ক্ষমা করে দিবেন আমায় আমি ভূল করে হাত তুলেছি আমি আর কখনো আপনার সামনে আসবো না ( আমি )
> তা আর বললে হবে না এখন মার খাওয়ার ভয়ে সরি বলছিস তুই যত কিছু বলিস না কেন আমি এর প্রতিশোধ নিবো ( মায়া )
এই বলে চলে গেলো মায়া তারপরে আমরা ও আর দাড়িয়ে না থেকে সবাই ক্লাসে চলে গেলাম। আমরা সবাই একি ক্লাসে পড়ি তারপরে সব গুলো ক্লাস করে বাসায় চলে এলাম তারপরের দিন কলেজ এর গেইট দিয়ে যেতেই দেখলাম সামনে আকাস রেগিং করছে তাদের এড়িয়ে চলে যাচ্ছিলাম তখন আমায় আকাস দেখেই ডাকলো কাছে গিয়ে বললাম।
> জি বলেন আমায় ডাকছিলেন। ( আমি )
> তকে ছাড়া এই খানে আর কোনো ভিখারি দেখা যাচ্ছে এই নে দর এই খাতাটা মায়াকে দিয়ে আয় যলদি ( আকাস)
> আচ্ছা দিয়ে আসছি। ( আমি ).
আমি কিছুই বলতে পারবো না কারন এখানে আর কোন ঝগড়া করতে চাই না লেখাপড়া করতে আসছি কিছু স্বপ্ন পূরন করতে হবে তাই নিজেকে কন্ট্রোল রাখতে হবে কারন গরিব যেহেতু হয়েছি অপমান সয্য করতে হবে তারপরে মায়াকে গিয়ে খাতাটা দিলাম খাতাটা দেওয়ার পর খাতারটা উল্টে কি যেন একটা দেখে।। আমায় ঠাসস ঠাসস করে দুটি চড় দিয়ে বললো
> ছোটলোক এর বাচ্চা তর কত বড় সাহস তুই আমায় I Love you বলিস এই বলে আরো দুটি চড় দিলো।।( মায়া রাগি গলায় )
> আমি দেইনি তো আকাস ভাই দিছে এই খাতাটা ( গালে হাত দিয়ে বললাম।)
> চুপ ছোটলোক কোথাকার এখানে তর নাম লেখা ছোটলোক কোথাকার এই বলে আরো দুটি চড় মারলো মায়া।।
কলেজে এর অনেক লোক তাকিয়ে দেখছে আকাস এর দিকে তাকিয়ে দেখি হাসছে তার মান এটা তাদের প্লান আরো অনেক কথা শুনালো মায়া তারপরে আমি সেখান থেকে বন্দু দের কাছে এসে বসে পড়লাম কিছুখন সবাই চুপ করে ছিলাম জাহিদ বললো
> মন খারাপ করিস না দুস্ত এদের থেকে একটু দূরে দূরে থাকিস আমি কোনো কথা বলছিনা দেখে আবার বললো কিরে কি ভাছিস কথা বল। ( জাহিদ।)
> ভাবছি সেদিন বলেছিলাম এর গায়ে মশার শক্তি ও নাই এত মারলো সেদিন কিন্তু ব্যাথা পাইনি আজ এত শক্তি এলো কি ভাবে বলতো চড় দিয়ে দাত গুলো মনে হয় নড়িয়ে ফেলছে কি শক্তিরে ভাই মেয়েদের গায়ে ( আমি বললাম।)
> যাহ সালা কয়কি চড় খেয়ে আসছে কোথায় মন খারাপ ভেবেছিলাম তর কিন্তু তুই তো দেখি পুরা অন্য রকম ( জাহিদ।)
> চড় খেয়েও মন খারাপ হয়নি তার মানে প্রেমে পড়েছে কি তাই তো ( রাকিব।)
> এই মাইয়ার সাথে প্রেম করবো আমি যদি মরতেও হয় তবুও এই মাইয়ার সাথে প্রেম করবো না ( আমি )
> আচ্ছা চল ক্লাসে যাই সময় হয়েগেছে ( রোদেলা )
তারপরে সবাই মিলে ক্লাসে চলে গেলাম সব গুলো ক্লাস করে বাসায় চলে এলাম এই ভাবে কেটে গেলো দশ দিন এই দশদিন প্রতিদিন অত্যাচার করেছে মায়া আর আকাস ওহ আকাস মায়ার ফ্রেন্ড একদিন কলেজে যাওয়ার পরে আকাস ডাকলো মাথা নিচু করে গিয়ে বললাম।
> হুম বলেন কি করতে হবে ( আমি ).
> এখান থেকে তর ১০০ পা গুনে গুনে সোজা সামনে যাবি যেই মেয়েটি থাকবে সোজা কিস করবি গিয়ে যাহ ( আকাস।)
> এটা আমি পরবো না আমায় অন্য যে কোনো শাস্তি দিন মাথা পেতে নিবো কিন্তু এটা আমি পারবো না ( আমি )
> যদি না পারিস তাহলে তকে এই কলেজ থেকে বের করে দিবো আজ আর মেরে হাত পা সব ভেঙ্গে দিবো ( আকাস।)
> ঠিক আছে আজ এই কলেজ এর শেষ দিন আমার কারন আমি যানি মায়া সামনে আছে তারপরে ঘুনে ঘুনে একশো পা ঘুনে গেলাম সামনে তাকিয়ে দেখি মায়া তারপরে মায়াকে বললাম।
> এই যে একটা কথা বলার ছিলো ( আমি )
> হুম কি বলবি বল। আমার দিকে তাকিয়ে বললো।
তারপরে একটা টান দিয়ে মায়াকে কাছে এনে ঠোটে কিস করলাম দশ মিনিট পর ছেড়ে দিলাম দুজনেই হাপাচ্ছি আমি চোখ দুটো বন্দ করে রেখেছিলাম কারন যানি এখন অনেক মারবে তাই কিন্তু কয়েক মিনিট পার হয়ে গেলো কিছুই বলছে না তাকিয়ে দেখি মায়া একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আমার দিকে তখন আকাস এসে বললো ।
> কিরে তর কিহলো একে মারিস না কেন আমি মারবো তাহলে ( আকাস।)
> থাক মারার দরকার নাই আর কিছু বলার প্রয়োজন নাই আমি সব খমা করে দিছি ( মায়া )
> কি বলিস তুই তর মাথা খারাপ হয়ে গেছে নাকি তাহলে আমি মারছি তুই দাড়া ( আকাস।)
> তকে বলেছি মারতে হবে না তুই যা আর তুমিও ক্লাসে যাও এখন । ( মায়া )
মায়া আমায় বললো অনেক অবাক হলাম কারন তুই করে বলতো সবসময় এখন তুমি করে বলছে বুজলাম না হঠাত কি হলো এই মেয়েটি আমি আর দাড়িয়ে না থেকে চলে এলাম ক্লাসে সব গুলো ক্লাস করে বাসায় চলে এলাম এদিকে মায়া বাসায় যাওয়ার পর তার আম্মু বললো
> মায়া বিয়েতে যাবি না তুই ( মায়ার আআম্মু )
> কিসের বিয়ে কার বিয়েতে যাবো।আম্মু ( মায়া ).
> সেকিরে মা তুই ভুলে গেলি নাকি তর মামাতো বেন এর বিয়ে আর চারদিন পর বিয়ে ( মায়ার আব্বু উপড় থেকে সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে বললো )
> ওহ আব্বু আমি ভুলেই গিয়েছিলাম আচ্ছা আমি আগামিকাল চলে যাবো ( মায়া )
> আচ্ছা যাবি কিন্তু তর উপর অনেক রাগ করে আছে সামিয়া ( মায়ার আব্বু) ওহ আপনাদের বলে রাখি মায়ার মামাতো বোন এর নাম সামিয়া
> ওর রাগ আমি কি বাবে ভাঙ্গানো যায় আমি যানি তুমি চিন্তা করোনা ( মায়া )
তারপরে সন্ধায় গড়িয়ে রাত হলো রাতে মায়া ছাদে বসে বসে সকালে এর কথা গুলো ভাবছে কিস করা মাএ সব কিছু ভুলে গেছে তাহলে কি মায়া প্রেমে পড়ে গেছে হঠাত মায়ার কাদে কারো হাত এর ছোয়া পেয়ে তাকিয়ে দেখে তার আম্মু তখন মায়ার আম্মু বললো
> কিরে মা এত রাতে তুই ছাদে এখনো ঘুমাসনি কেন ( মায়ার আম্মু)
> ঘুম সব কাইরা নিয়ে গেছে সয়তান ছেরা কিস কইরা ( মনে মনে মায়া)
>কিরে কথা বল কিছু হয়েছে ( মায়ার আম্মু )
> নাহ তেমন কিছু হয়নি এমনি বসে আছি ভালো লাগছেনা তাই তুমি ছাদে আসলে যে এত রাতে ( মায়া )
> তর রুম এর সামনে দিয়ে আসছিলাম দেখলাম তর রুম এর দরজাটা খোলা তাই আসলাম যাহ ঘুমিয়ে পড় গিয়ে অনেক রাত হয়েছে ( মায়ার আম্মু )
সকালে এদিকে আমি।। আজ কলেজে যাবো না ভালো লাগছেনা আজ কলেজে যেতে তাই একটু হাটতে বের হলাম হাটছিলাম একা একা কিছু দুর যাওয়ার পরে একটি মেয়ে পিছন থেকে বলে উঠলো।
> ভাইয়া একটু দাড়ান আপনার সাথে কিছু কথা,আছে ( মেয়েটি)
> হুম বলেন কি কথা ( আমি )
> কোথাও যাচ্ছেন এখন ( মেয়েটি)
> নাহ এমনি হাটতে বের হয়েছি কি কথা বলেন সমস্যা নাই ( আমি)
> চলুন তাহলে হাটতে হাটতে বলা যাক ( মেয়েটি)
> হুম চলুন তাহলে ( আমি)
> আমার নাম লিমা সেদিন আপনি জেম এর মাজে একটি এম্বুলেন্স সামনে একটি ছেলের সাথে কথা বলেছিলেন মনে আছে ( লিমা)
> হুম মনে আছে কেন কি হয়েছে ( আমি )
> ওই ছেলেটি ছিলো আমার ভাই আর গারিতে যে অসুস্থ লোকটি ছিলো তিনি ছিলেন আমার বাবা আপনি সেদিন আপনি না থাকলে কি যে হতো ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে ( লিমা )
> ওয়েলকাম অন্য কেউ হলেও আমি এই কাজটি করতাম আচ্ছা তুমি আমায় চিনলে কি করে তুমি তো মনে হয় ছিলে না ( আমি )
> আমি ছিলাম গারিটার ভিতরে গ্লাস দিয়ে এর ভিতর থেকে দেখেছি ( লিমা )
> ওও আচ্ছা তাহলে তুমিও ছিলে ( আমি )
তারপরে কিছু বলতে যাবো সামনে তাকিয়ে দেখি মায়া গারির সামনে দাড়িয়ে আছে হাতে একটা আপেল নিয়ে মায়ার চোখে চোখ পড়েতেই আপেল টাকে এমন ভাবে কামড় দিলো মনে হয় কারো প্রতি রেগে আছে অনেক মায়ার সামনে দিয়ে যাচ্ছিলাম একটু যেতেই আপেলটি আমার গায়ে ছুড়ে মারলো আপেলটি গিয়ে মাথায় লাগলো আমার আমি মেয়েটি কে একটু দুরে দাড় করিয়ে আসলাম মায়ার সামনে এসে বললাম।
> কি হয়েছে আপেলটি আমার সরিলে মারলেন কেন হুম ( আমি )
> একশো বার মারবো হাজার বার মারবো এখন বল এই মেয়েটি কে তর সাথে কেন হাটছে ( মায়া রাগি গলায় )
> এই মেয়েটি যেই হোক না কেনো তা আপনার কি ( আমি )
> আমার অনেক কিছু তকে যেন আর না দেখি এই মেয়েটির সাথে আর কোনো মেয়ের সাথে কথা বলবি না ( মায়া )
> একশো বার কথা বলবো তা আপনার কি ( আমি )
বলার সাথে সাথে দুই হাত দিয়ে গলায় চেপে দরলো মায়া আর বললো।
> মেরে বালি চাপা দিয়ে দিবো যদি কোনো মেয়ের সাথে দেখি তকে আরেকটা বার মুখেও অন্য কোন মেয়ের নাম নিবি না ( মায়া )
> গুন্ডি মেয়ে..........
সরি খমা করে দিবেন গল্পটি একটু লেট করে দেওয়ার জন্য
অসুস্থ ছিলাম যার কারনে দেরি হয়েগেছে এখন থেকে নিয়মিত গল্প পাবেন।
পরের পর্বটি আগামীকাল দিবো ঠিক রাত ৭.৩০ মিনিট এর সময়। দিবো।।।
এখন থেকে গল্পটির আসল মজা সুরু হয়েছে পরের পর্বতে বুজতে পারবেন কি গুন্ডি মেয়ে
বানান গুলো ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন
অপেক্ষায় থাকুন তার পরের পর্ব জন্য