গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে পর্ব : ৫ + ৬

 

গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে
পর্ব : ৫ 
লেখক : নিরব আহমেদ কাওছার
.....................................................................
...................................................................
................................................................
.............................................................
..........................................................
.......................................................
....................................................
.................................................
.............................................. 
...........................................
........................................
.....................................
...................................
................................
..............................
............................
..........................
........................
......................
....................
..................
................
..............
............
..........
........
......
....
...
..
.

> একশো  বার কথা বলবো তা আপনার কি ( আমি )  

বলার সাথে সাথে দুই হাত দিয়ে গলায় চেপে দরলো মায়া আর বললো।

> মেরে বালি চাপা দিয়ে দিবো  যদি কোনো মেয়ের সাথে দেখি তকে।  আরেকটা বার মুখে অন্য কোনো মেয়ের নাম নিবি না বলে দিলাম  ( মায়া রাগি গলায় )  

> কি গুন্ডি মেয়েরে বাবা আমি যার সাথে মন চায় তার সাথে ঘুরবো কথা বলবো এর এত লাগছে কেন কে যানে ( মনে মনে আমি)  

> এখন সুন্দর করে বাসায় যাও আর বুলেও অন্য কোনো মেয়ের দিকে তাকাবে না সোজা বাসায় যাও রাস্তায় কোনো যায়গায়  দাড়াবে না ( মায়া )

> কেন রাস্তায় দাড়ালে কি হবে আর আপনি কে যে আমায় এত কিছু বলার ( আমি ) 

> এত কথা বলিস কেন তুই।  তরে যেটা বললাম সেটা কর আর আমি কে তর সেটা সময় হলে যানতে পারবি এখন যাবি নাকি গার্ড দিয়ে মার খাওয়াবো ( মায়া রাগি গলায় বললো  )  

> ঠিক আছে যাচ্ছি। ( আমি )  

> এই তো লক্ষি ছেলে যাও ( মায়া বললো)  

> এই মাইয়ার হঠাত কি হলো কে যানে এই রাগ দেখাচ্ছে এই আবার ভালো বাবে কথা বলছে আমার উপর অধিকার দেখাচ্ছে কেন।। থাক এটা নিয়ে পরে ভাবলেও হবে  এখন এইখান থেকে চলে যাওয়াটাই ভালো  ( আমি মনে মনে বললাম)  

  এইবলে লিমার কাছে যাচ্ছিলাম  মেয়েটি দাড়িয়ে আছে আমার জন্য বিদায় দিয়ে আসি তখন মায়া দেখতে পেলো আমি ওই মেয়েটির  কাছে যাচ্ছি তখন মায়া দৌড়ে এসে আমার শাট এর কলারটা দরলো আর  টানতে টানতে নিয়ে যাচ্ছে আর বলছে ।

> তরে না বললাম ওই মাইয়ার কাছে যাবি না।  বাসায় যেতে বলছিলাম না  আমি তরে তারপরে ও তুই আবার ওই খানে যাচ্ছিলি কেন  ( মায়া ) 

> আরে আপনি যেমনটা ভাবছেন... । আর কিছু বলতে দিলো না মায়া।

> আমি এত কিছু শুনতে চাই না তুই সোজা এখন  বাসায় যাবি  আর যা যা বললাম মনে রাখবি নয়তো আমার থেকে খারাপ আর কেউ হবে না তকে মেরে ফেলবো যদি অন্য কোন মেয়ের সাথে দেখি  বাসায় যা সোজা এখন  ( মায়া রাগি গলায়)  

> আচ্ছা যাচ্ছি। (  আমি মন খারাপ করে )

> বুজলাম না কি হলো এই মাইয়ার হঠাত।  ঝগড়া করবো না বলে কিছু বললাম না এখন  ( মনে মনে)  

 দাড়ান আগে কিছু বকা দিয়ালই   আজ আর হটতে পারলাম না এর জন্য শয়তান মাইয়া গুন্ডি মাইয়া ফাজিল মাইয়া আপনারা আবার গিয়া  বইলা দিয়েন না কিন্তু আমি যে মনে মনে বকা দিছি।  তারপরে বাসায় চলে এলাম  বাসায় এসে ফ্রেস হয়ে কিছু খেয়ে আম্মুর সাথে আর বোন এর সাথে কথা বলে কিছুখন তারপরে ছাদে গিয়ে একটা চেয়ার নিয়ে ফেসবুক এর মাজে গেলাম অনেক দিন দরে ফেসবুকে ঢুকা হয়নি  এদিকে মায়া বাসায় যাওয়ার পর মায়ার আব্বু বললো। 

> কি হয়েছে আমার মিষ্টি  গুন্ডি মেয়েটিকে রাগি দেখাচ্ছে কেন এত  ( মায়ার আব্বু)  

> আব্বু তুমিও শুরু করলে মায়ের মতো গুন্ডি বলা ( মায়া)  

> তাহলে কি বলবো তকে আচ্ছা  তুই কাদের কিডন্যাপ করেছিস বলতো ( মায়ার আব্বু )  

> কোথায় আমি তো কাউকে কিডন্যাপ করিনাই ( মায়া)  

> তুই আমার সাথে মিথ্যা কথা বলছিস এই দেখ  ( ফোনে ছবি দেখিয়ে ছবি গুলো হচ্চে আমার কলেজে এর তিন বান্ধবীর আপনার তো চিনেন তাই আর কিছু বলা লাগবে না )  এই  তিনটি মেয়েকে তুই কিডন্যাপ করেছিস কেন এখন বল কিসের জন্য কিডন্যাপ করেছিস ( মায়ার আব্বু )  

> হুম করেছি ওদের কত সাহস আমার জিনিশ এর দিকে চোখ দেয় আমার জানটার সাথে ঘুরে  এদের কে আমি না করে দিয়েছিলাম যাতে ওর সাথে না মিশে কিন্তু আমার কথা  শুনে নাই তাই কিডন্যাপ করছি একটু মেরে সোজা করবো  ( মায়া)  

> বাবারে বাবা তুই তো দেখি তর মায়ের থেকে বেসি ডেঞ্জারাস তাই তো বলি তর মা তরে গুন্ডি বলে কেন আজ বুজলাম ( মায়ার আব্বু )

> আম্মু কি এমন আমার মতো ছিলো আব্বু কি করেছিলো বলো একটু আব্বু বলো বলো প্লিজ  ( মায়া) 

> আচ্ছা বলছি  তবে একটু বলবো ( মায়ার আব্বু) 

> হুম বলো ( মায়া)  

> আমি যখন মন্ত্রী ছিলাম না তখন তর আম্মুর সাথে প্রেম করতাম তর মতোই ছিলো তর আম্মু একে ভারে গুন্ডি কারো সাথে কথা বলতে দিতো না সবসময় চোখে চোখে রাখতো একদিন আমার চাচাতো বোন এর সাথে ঘুরতে গিয়েছিলাম পার্কে তখন তর আম্মু এটা দেখে ফেলেছিলো আমি ভয়ে তাড়াতাড়ি চলে এসেছিলাম সেদিন রাত ১২ টার সময় আমার বাসার জানালা ভেঙ্গে কাজি সাহেব কে নিয়ে ঢুকেছিলো তর মা বিয়ে করবে বলে আমায়। আর সেদিন কি মাইর টাই না  দিছিলো তর মা আজও মনে আছে।।  সেদিন বিয়ে হয়েছিলো তর মায়ের আর আমার তারপরে পরিবার কে জানালে আমার পরিবার মেনে নেই যখন মন্ত্রী হয়েছি তখন একদিন আমি একটা অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম সাথে কিছু মেয়ে সিকিওরিটি নিয়ে সেদিন সাংবাদিকরা লাইভ দেখাচ্ছিলো টিভিতে আমায় আমি সুধু হেসে হেসে কথা বলেছিলাম মেয়েদের সাথে বাসায় আসার পর যুদ্ধ লেগে গিয়েছিলো তর মা সেই যুদ্ধে কেউ আহতো হয়নি নিহতো হয়নি কিন্তু সারাদিন না খাইয়ে রাখছিলো তারপরে একবছর পর তর ভাই এসেছে এই পৃথিবীতে ( গল্প পড়তে থাকেন তাহলে মায়ার ভাই এর সব কথা জেনে যাবেন)   তারপরে আসছিস তুই এই পৃথিবীতে  কিন্তু তুই হয়েছিস তর মায়ের মতো এবং তর মায়ের চেয়েও ডেঞ্জারাস বেসি ( মায়ার আব্বু )  

> হা হা হা তোমায় ভালোই আম্মু শাসন করছে তোমায় ( মায়া)

> আর বলিস না একে বারে গুন্ডি ছিলো।কিন্তু তর চেয়ে একটু কম ছিলো তর মা তুই তো তর মাকে ছাড়িয়ে গেলি ( মায়ার আব্বু )  

> দেখতে হবে না কার মেয়ে এটা ( মায়া,)

>  আর ওই মেয়ে গুলো হচ্চে নিরব এর বন্দু অন্য আর কিছু না আমি ছেড়ে দিতে বলেছি ওদের কারন ক্লাস আছে তাদের  ( মায়ার আব্বু )  

> বন্ধু থাক আর যাই থাক আমার জিনিশ এর দিকে কাউকে তাকাতে দিবো না কেউ তাকালে  তার খবর করে ছাড়বো তুমি ছেড়ে দিছো কেন ( মায়া রাগি গলায় বললো)  

> থাক এই কথা এখন  বল তুই যে ওকে ভালবাসিস বলেছিস এটা ওকে ( মায়ার আব্বু )  

> নাহ বলিনাই এখনো বলবো কিছুদিন পর একটা সমস্যা করে ফেলছি তাই কিছু দিন পরে বলতে হবে ( মায়া) 

> ফোন নাম্বার নিয়েছিস ছেলেটার ( মায়ার আব্বু)  

> একটুও মনে ছিলো না আব্বু আচ্ছা পড়ে নিয়ে নিবো ( মায়া)  

এদিকে আমি রুমে শুয়ে আছি তখন জাহিদ এসে বললো

> কিরে ওই সালা খুব তো বলছিলি প্রেম করবো না এখন প্রেম করিস কেন ( জাহিদ)  

> কি বলছিস আমি আবার কার সাথে প্রেম করবো আমি যদি প্রেম করতাম তাহলে তো তুই সবার আগে জানতিস ( আমি )  

> দেখ মিথ্যা বলিস না আমি যানি তুই মায়ার সাথে প্রেম করিস ( জাহিদ)  

> হা হা হা তুই হাসালি আমায় ওই গুন্ডি মাইয়ার সাথে করবো আমি প্রেম জিবনে ও প্রেম করবো না কে তকে এই ফালতু কথা বলেছে আমি মায়ার সাথে প্রেম করি আমি যদি প্রেম করি তাহলে তুই সবার আগে জানতে পারবি ( আমি )  

> তাহলে মায়া যে বললো ভালবাসে আর আজ সামিয়া আর বাকি দুইজন কে সাথে কিডন্যাপ করেছিলো মায়া সকালে আর বলেছে তর আসে পাসে যেন ওদের না দেখে ( জাহিদ)  

> কি বলছিস তুই ওদের কিডন্যাপ করেছে ওরা এখন কোথায় আছে ( আমি অবাক হয়ে )  

> কলেজে আছে এখন ওরা  আমি এটা শুনে কলেজ থেকে চলে এসেছি তকে বলতে ( জাহিদ)

> ওই মাইয়া যত কিছু করুক না কে আমি ওর সাথে কখনো প্রেম করবো না আর তুই তো জানিস আমি এই দরনের মেয়ে পছন্দ করি না সারা দিন শাট প্যান্ট পরে থাকে  ( আমি) 

> আচ্ছা থাক এই কথা এখন।  কিছু রান্না করছিস ( ওহ আমরা কিন্তু বেচালার রুম নিয়ে থাকছি তাই রান্না আমাদের করে নিতে হয়)  

> আমি করবো রান্না জিবনে একটা  ডিম বাজি ছাড়া আর কিছু রান্না করতে পারি না তুই এটা যানিস না ( আমি)  

> সালা জিবনটা পুরা তেজপাতা বানাইয়া ফেললি রান্নাটাও করতে পারিস না থাক তুই আমি রান্না করছি ( জাহিদ)  

তারপরের দিন কলেজে গেলাম যাওয়ার পর সামিয়া ওরা একটাও কাছে আসছে না ভয়ে আমার থেকে।দূরে দূরে থাকছে অনেক কষ্টে আমি আর জাহিদ সাহস দিয়ে আবার আড্ডা দিতে লাগলাম কিন্তু আজ মায়া কে খুজে পেলাম না কলেজ ছুটি হওয়ার পর বাসায় চলে এলাম।
এদিকে মায়া তার মামাতো বোন এর বিয়েতে গিয়েছে তার মামাতো বোন সামিয়ার হাতে মেহেদী দিয়ে দিচ্চিলো মায়া তখন কি জানি ভাবছিলো মায়া আর মেহেদি দিচ্চিলো  সামিয়ার ডাকে হুস ফিরলো মায়ার তখন সামিয়া বললো 

> কিরে তুই এটা কি করলি আমার হাতে ( সামিয়া)  

> কি করলাম আমি আবার ( মায়া,) 

> তুই এটা কার নাম লিখেছিস বলতো আমার হাতে নিরব তো আমার বর এর নাম  না এটা কার নাম লিখেছিস  ( সামিয়া)  

> ইস ভুল করে আমার জানটার নাম তর হাতে লিখেছি ( মায়া )  

> শয়তান মাইয়া এখন এটা আমি কি করে উঠাবো মন কোথায় থাকে তর ( সামিয়া)  

> মনতো চুরি করে নিয়া গেছে আমায় রেখে  আজ সারাদিন দেখতে পাইনি তাই ওর কথা মনে পড়ছে ( মায়া)  

> বাবাহহ তাহলে এখানে নিয়ে আসতি রেখে এলি কেন ( সামিয়া)  

> এখনো ভালবাসি এটা বলতে পারিনাইরে ( মায়া)  

> কি বলিস যলদি বলে ফেল গিয়ে তর ভালবাসার কথা এখন না বললে পরে দেখবি অন্য কেউ নিয়ে গেছে ( সামিয়া)  

> মেরে ফেলবো যে আমার জিনিশ এর দিকে চোখদেয় আমি আজ আমার গার্ড দের পাঠিয়েছি সবসময় নজর রাখতে কি করে ( মায়া)  

> আচ্ছা চল গিয়ে কিছু খেয়ে আসি ( সামিয়া)  

> নারে তুই গিয়ে খেয়ে নে খাবার এখন জাবেনা সব কেরে নিছি সয়তানটা ( মায়া)  

> আচ্ছা থাক তুই আমি খেয়ে আসি ( সামিয়া)  

এই ভাবে কেটে গেলো দুই দিন আমি এই দুই দিন আমার বন্দু সামিয়া কে নিয়ে অনেক ঘুরা ফেরা করেছি মায়াকে দেখাবো বলে  কিন্তু মায়াকে দেখতে পেলাম না আজ তৃতীয় দিন কলেজে থেকে ফিরছিলাম বাসায় তখন লিমা কে দেখলাম রুট পারহতে চাইছে কিন্তু পারছে না আমি সামনে গিয়ে বললাম।

> কি ভেপার তুমি কি ওই পাসে যাবে নাকি রুট এর ( আমি )  

> হুম ভাইয়া একটু পার করে দিবেন  ( লিমা)  

আচ্ছা দিচ্ছি এই বলে হাত দরে রুট পার করে দিলাম লিমা ছোট মেয়ে নবম শ্রেণিতে পরে।।  তখন সামনে তাকিয়ে দেখি মায়া হাতে আবার আপেল নিয়ে দাড়িয়ে আছে আজ একে ভারে চারটি আপেল নিয়ে দাড়িয়ে আছে চোখ এর দিকে তাকিয়ে দেখি লাল হয়ে আছে আর রাগে ফায়ার হয়ে আছে আমায় সামনে পেলে আজ শেষ আমি দিলাম এক দৌড় পিছন থেকে মায়া বলছে।

> সয়তান তুই দাড়া তরে আজ মেরেই ফেলবো তরে না করেছিলাম কারো সাথে ঘুরতে তুই আবার এই মেয়ের সাথে ঘুরছিস কেন দাড়া তুই।। 

এই বলে আপেল গুলো আমার সরিলে ছুড়ে মারছে আমায় আর পায় কে বাসায় এসে পড়লাম দৌড়ে তখন জাহিদ বললো।।

> কিরে এমন হাপাচ্ছিস কেন কি হয়েছে ( জাহিদ)  

> আর বলিস না তারপরে সব বললাম।।
জাহিদ কে শুনে হেসে দিলো আর বললো। 

> তর পিছু এই মাইয়া আর ছাড়বে না দেখিস তকে আজ না হয় কাল দরে একটু আদর করবে  ( জাহিদ)  

রাতে এদিকে মায়া বসে আসে দুই গালে হাত দিয়ে রুমে  তখন  মায়ার আম্মু এসে বললো।।

> কিরে মা এখনো ঘুমাসনি কেন ( মায়ার আম্মু)  

> আম্মু সব ঘুম নিয়া গেছে কাইরা সয়তানটা এখনো বুজেনা ভালবাসি ওকে ( মায়া কান্না কান্না কন্ঠে )  

> সে কিরে তুই এখনো বলিস নাই তর ভালবাসার কথা ( মায়ার আম্মু)  

> নাহ এখনো বলিনাই খুব দেখতে মন চাইছে এখন কি করবো এখন আম্মু আমি। ঘুম আসছে না ( মায়া)  

> যা গিয়ে দেখে আয় আমি ও তর মতো থাকে তর আব্বুর সাথে গিয়ে দেখা করে আসতাম ঘুম না আসলে ( মায়ার আম্মু )  

> সত্যি আম্মু আমায় যেতে দিবা দেখতে কিন্তু আমায় কি এত রাতে হোটেলে।ঢুকতে দিবে দারোয়ান ( মায়া)  

> কিছু গার্ড নিয়ে যা আর বলবি তুই গিয়ে তর আব্বু কথা বলবি তাহলে যেতে দিবে তাহলে ( মায়ার আম্মু)  

তারপরে মায়া বাসা থেকে বেরিয়ে পড়লো কিছুখন পরে এসে পৌঁছে গেলো হোটেল এর মাজে ।এদিকে আমি ঘুমিয়ে পড়ছিলাম হঠাট কারো কলিং বেল এর শব্দ এলো তখন জাহিদ কে বললাম।

> জাহিদ উঠে দেখতো কে এত রাতে এসেছে ( আমি ঘুম ঘুম চোখে)  

> তুই গিয়ে দেখ যা আমি পারবো না ( জাহিদ ঘুমের মাজে)  

কলিং বেল বাচতেই আছে আর থাকতে পারলাম না ঘুমিয়ে ঘুম ঘুম চেখে গিয়ে দরজাটা খুলে বললাম।

> কি হয়েছে এত রাতে এই বাবে কলিং বেল বাজাচ্ছেন কেন একটু ঘুমাচ্ছিলাম ( আমি) 

তখন ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলো কে যানি  আমায় তাকিয়ে দেখি মায়া হাতে একটা হকইস্টিক একটা করে সরিলে মারছে আর বলতে লাগলো।

> সয়তান  বান্দর হনুমান।  তুই আমার মন কেরে নিয়েছিস। রাতের ঘুম কেরে নিয়েছিস। এখন খাবারটা ও ঠিক মতো খেতে পারছি না তর জন্য  ( মায়া).

>..........  

সরি আজ একটু লেট হয়ে গেলো গল্পটি দিতে

বানান গুলো ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন 

কেমন হচ্চে গল্পটি কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন
আর আপনার কাছে গল্পটি কেমন লাগছে অথবা কি ভাবে লিখলে আর একটু ভালো হতো তা অবস্যই কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন

অপেক্ষায় থাকুন তারপরের পর্ব জন্য।

গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে
পর্ব : ৬ 
লেখক : নিরব আহমেদ কাওছার
....................................................................
..................................................................
................................................................
.............................................................
...........................................................
........................................................
......................................................
...................................................
.................................................
...............................................
.............................................
..........................................
.......................................
.....................................
..................................
................................
..............................
...........................
.........................
.......................
.....................
...................
.................
...............
.............
...........
.........
.......
......
....
...
..
.

> জাহিদ উঠে দেখতো কে এত রাতে এসেছে ( আমি ঘুম ঘুম চোখে)  

> তুই গিয়ে দেখ যা আমি পারবো না উঠতে ( জাহিদ ঘুমের মাজে বললো )  

কলিং বেল বাচতেই আছে আর থাকতে পারলাম না ঘুমিয়ে।। ঘুম ঘুম চোখে গিয়ে দরজাটা খুলে বললাম।

> কি হয়েছে এত রাতে এই বাবে কলিং বেল বাজাচ্ছেন কেন একটু ঘুমাচ্ছিলাম শান্তি মতো  ( আমি ঘুম ঘুম চোখে বললাম ) 

তখন ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলো আমায় কেউ একজন  তাকিয়ে দেখি মায়া হাতে একটা হকইস্টিক আমি  কিছু    বলার আগেই মারতে লাগলো আর বলতে লাগলো মায়া। 

> সয়তান  বান্দর হনুমান তুই আমার মন কেরে নিয়েছিস কিছু বলিনাই। রাতের ঘুম কেরে নিয়েছিস কিছু বলিনাই । এখন খাবারটা ও ঠিক মতো খেতে পারছি না তর জন্য আর তুই এখানে শান্তি মতো ঘুমাচ্ছিস আমার দুই চোখ এর ঘুম হারাম করে  ( মায়া হকইস্টিক দিয়ে মারতে মারতে বললো )

> আরে থামেন না মেরে বলেন এত রাতে আপনি এখানে আসছেন কেন ( আমি  বললাম)  

> আমার ঘুম আসছে না তাই ( মায়া মারতে মারতে বললো ) 

> এ্যা  🥴  কি কন  ঘুম আসছে না তাহলে আমি  কি করবো । আর এখানে আসছেন কেন বাসায় যান  ( আমি )  

>    না জাবো না। তরে না করে দিয়েছিলাম কোন মেয়ের সাথে কথা বলতে তাও তুই আবার মেয়েদের সাথে কথা বলছিস আবার ঘুরতেও গিয়েছিলি সকালে ওই মেয়েটির হাত দরে হাটছিলি,কেন  তরে আজ মেয়েই ফেলবো আমি   ( মায়া মারতে মারতে বললো)  

> আচ্ছা আমি যার সাথে মন চায় ঘুরবো তা আপনার কি হুম আপনি কে এত কিছু বলার ( আমি বললাম)  

> না তুই যার সাথে মন চায় ঘুরতে পারবিনা ( মায়া)  

> কেন ঘুরতে পারবো না ( আমি)  

মায়া থামিয়ে দিয়ে দিলো হকইস্টিক দিয়ে মারা তখন বললো 

> কারন আমি অন্য কোনো মেয়ের সাথে দেখলো তকে সয্য করতে পারি না একদম    ( মায়া)  

> তা আমি কি করবো আমায় বলছেন কেন এইসব ( আমি) 

মায়া আমাকে খাটে বসিয়ে হাটু গেরে বললো 

> তুমি বুজোনা কেন আমি তোমায়  ভালোবাসি আমায় ভালবাসো  ( মায়া )

> কি বলছেন আপনি পাগল হয়ে গেছেন ( আমি ).

> হুম সত্যি আমি তোমায় ভালবাসি আর তোমার উপর অনেক অত্যাচার করেছি খমা করে দাও প্লিজ  ( মায়া).

>  আরে আমি কিছু মনে করিনি আর খমা অনেক আগেই করে দিয়েছি  আর আমি আপনাকে ভালবাসি না আর ভালবাসতে পারবো ও  না   ( আমি ) 

> কেনো আমায় ভালবাসতে পারবে না আমি কি দেখতে খারাপ কি নেই আমার মাজে বলো ( মায়া করুণ গলায় বললো)  

 > নাহ আপনি  দেখতে একদম পরির মতো সুন্দর আপনার  প্রেমে যে কোনো ছেলে পড়বে  কিন্তু আপনার  সাথে আমার যায় না আপনারা  অনেক বড়লোক আর আমি সাধারণ মাধ্যবিও   পরিবার এর ছেলে এটা কোন দিন হতে পারে না আপনি আপনার লেভেল এর ছেলে খুজুন আমার মতো গরিব এর পিছে পড়ে আছেন কেন আমি এখানে এসেছি লেখাপরা কারার জন্য লেখা পড়া করে ছোট্টছোট্ট কিছু স্বপ্ন বেধে রেখেছি সে গুলো পূরন করে সাজাবো এই প্রেম ভালবাসায় আমি এখন জরাতে  চাই না   তাই আমার পিছে শুধু শুধু সময় নষ্ট করবেন  না আমার চেয়ে অনেক  ভালো ছেলে পাবেন  আপনি  ( আমি বললাম )  

> আমার অন্য কাউকে প্রয়োজন নেই শুধু তুমি হলেই হবে  আমি তোমার সব স্বপ্ন পূরন করে দিবো তবুও আমায় বলো ভালবাসবে ( মায়া বললো)  

> নাহ তার কোনো  প্রয়োজন নেই আমি নিজে আমার স্বপ্ন পূরন করতে পারবো প্লিজ আমায় জোর করো না আমি তোমায় ভালবাসতে পারবো না ( আমি )  

> তাহলে তুমি আমায় ভালোবাসবে না ( আমি )  

> নাহ আমি পারবো না ( আমি)  

> এবার শেষ বার এর মতো বলছি  তাহলে ভালোবাসবি না আমায় ( মায়া কিছুটা রেগে ) 

> না আমি আপনাকে  ভালোবাসতে পরবো  না ( আমি)  

> এতখন ভালো করে বলছিলাম তুই কথা শুনলিনা এখন তকে কি ভাবে বলাতে হয় তা আমি জানি।।  তারপরে মায়া হকইস্টিক নিয়ে আবার মারতে লাগলো আর বলতে লাগলো 

> ভালবাসবি না মানে তকে ভালবাসতেই হবে I Love you বল এখন যলদি আমায় ( মায়া হকইস্টিক দিয়ে মারতে মারতে বললো )  

> নাহ আমি বলবো না ( আমি)  

> I Love you বল বলছি এখনো  ( মায়া মারতে মারতে বললো )  

> নাহ বলবো না আমি  ( আমি)  

> তাহলে I Love you বলবি না তুই  (হকইস্টিক ফেলে দিয়ে  মায়া রাগি গলায় বললো  )  

> নাহ বলবো না ( আমি )  

তারপরে হকইস্টিক ফেলে মায়া আমার বুকের উপর উঠে বসে গলায় দুই হাত দিয়ে চেপে দরলো আর বললো

>  I Love you  বল কইতাছি ( মায়া আমার গলা চেপে দরে) 

 
>  সালার এই মাইয়া ডেঞ্জারাস একটু না  অনেকটাই গুন্ডি মাইয়া তরে ভালবাসমু জিবনেও না তরে ভালবাসলে জিবনটা তেজ পাতা হইয়া যাইবো  ( মনে মনে বললাম)  

> আমি একবার বললাম তো বলবো না।। আমি আপনাকে ভালবাসি না ( আমি)  

> আমার মন কাইরা নিয়া এখন তর মন দিবা না তা আর হবে না দে তর মনদে কই রাখছিস মন লুকাইয়া বল ( মায়া আমার শাট এর বুতাম খুলে দেখতে লাগলো)  

> নাহ আমার মন  দিবো না আমি আপনাকে ভালবাসিনা ( আমি )  

 > তুই ভালবাসবি তর বাব সহ বাসবে সয়তান বান্দর  প্রথম দিন কিস করছিলি কেন তাইলে   আমার  রাতের ঘুম  কাইরা নিয়েছিস  কেন এই শিশু মনটারে সহ নিয়েছিস এখন তর মনটা  দে আমারে আর আমারটা তো নিয়েই ফেলেছিস   I love you বল নয়তো মেরে ফেলবো  ( মায়া আমার  গলা চেপে দরে বললো  ) 

>  এই মাইয়া তো খুবই সাংঘাতিক  বাবারে  একটু না  অনেক টাই ডেঞ্জারাস আল্লাহ তুমি বাচাও আ.. থাক বাবার চাকরির কছম আর কাটতাম না  ( আমি মনে মনে বললাম ) 

হঠাত জাহিদ বলে উঠলো

> দুস্ত চল টিবিতে  WWE খেলা চলছে  আমার খুব ভালো লাগে চল দেখে আসি   ( জাহিদ ঘুমের ঘরে বললো)  

> সালায় ঘুমের মাজেও WWE মাইর দেখে না জানি আর কত কিছু দেখে ঘুমের মাজে।। আমারে যদি মাইরা ও ফেলে যায় তবুও মনে হয় না খোজ পাইবো আমারে তো এই মাইয়া WWE মাইর এইখানেই দিতেছে ( আমি মনে মনে বললাম)  

> তুই ভালো না বাসলেও আমি ভেসেছি এখন  I love you বলতে হবে।। তারপরে মায়া আর কিছু বলতে যাবে তখন মায়ার একটি গার্ড এসে বললো।

> ম্যাডাম আমাদের এইখান থেকে এখনি চলে যেতে হবে এই হোটেলে  কিছু   পুলিশ আসছে কি যানি একটা  খবর পেয়েছে  তাই চলে যেতে হবে স্যার বলেছে ( মায়ার গার্ড।)

> কিন্তু আমার তো যেতে মন চাইছে না।  আচ্ছা ঠিক আছে চলো  ওই তুমি শোনো।। আমায় বললো।  আমায় তো তোমাকে ভালবাসতে হবেই সেটা আজ না হয় কাল আমি আমার ভালবাসা ঠিক আদায় করে নিবো ( মায়া) 

এই বলে চলে গেলো মায়া তারপরে শুয়ে শুয়ে ভাবছি  

> নাহ আমি এর প্রেমে কখনোই পড়বো না যা হওয়ার হক লেখা পড়া করতে এসেছি যে স্বপ্ন গুলো দেখেছি তা পূরন করে নেই তারপরে ভাববো  ( মনে মনে আমি)  

ইস কি মাইরটাই না দিছে শয়তান মাইয়া এই শিশু শিশু হাড্ডি গুড্ডি সব তেরা কইরা ফেলছে  আরেক জন তো পরে ঘুমাচ্ছে  কোন খোজ খবর নাই এদিকে কি হচ্চে সালার একটু ঘুম ও ভাঙ্গলো না এতখনে।। একটু ঘুমাই সকালে দেখে নিবো এইটারে।।সকালে  উঠে দিলাম মাইর কয়েকটা সালারে সব বললাম তারপরে 

এই দিকে মায়া তার বাবা মায়ের সাথে বসে খাবার খাচ্ছি তখন মায়া বললো।

> আব্বু আম্মু তোমাদের একটা বলি  আমি কাকে   ভালবাসি  এটা তোমাদের কিছু  বলিনি আমি তবুও তোমরা না যেনে  আমায় যেতে দিলে এত রাতে বাসার বাহিরে ছেলেটি কে অথচ তোমরা একটি বার পরিচয়টা ও যানতে চাইলে না  যেতে দিলে  উল্টা আমায় সাহায্য করলে ( মায়া বললো)  

> শুন মা আমি আর তর আব্বু দুজন ভালবেসে বিয়ে করেছি আমি যখন তর আব্বু কে ভালবাসতাম তখন তর মতোই পাগলামি করতাম তাই তকে বাধা দেই নি আমার বিস্যাস আমার মেয়ে যাকে পছন্দ করবে সে কোন খারাপ ছেলে হতে পারে না আর তকে বাধা দিলেও তুই আমার কথা শুনবি না তুই যেই গুন্ডি আমার চেয়েও বেসি ( মায়ার আম্মু বললো )  

> যানো মা  আমার সাথে কথা বলার জন্য  কত ছেলে আসে কত  প্রপোজ আসে  কিন্তু এই ছেলেটি একদম অন্য রকম  আমি কত বার বলেছি ভালবাসি কিন্তু শয়তানটা বলে আমায় ভালোবাসে না বলে আমি অনেক বড়লোক তারা গরিব তার সাথে নাকি আমার যায় না।। ( মায়া বললো)  

> আমি যানি আমার মেয়েটি পছন্দ কখনো খারাপ হতে পারে না ( মায়ার আম্মু)  

> হুম কিন্তু শয়তানটা তো আমার মন নিয়ে গেছে কিন্তু তার মন দিচ্ছে না।  আব্বু তুমি কিছু বলো ( মায়া )  

> কি আর বলবো আমিও এমন ছিলাম তর আম্মু আমায় কি মাইরটাই না দিছিলো প্রপোজ একসেপ্ট করি না বলে  ইস এখনো মনে আছে ( মায়ার আব্বু ) 

> তাহলে কি করবো এত করে বলেছিলাম তবুও ভালবাসছিলা না সেদিন তো কম হয়েগেছে মাইর গুলো আরো কয়েকটা দেওয়ার প্রয়োজন ছিলো তোমায় ( মায়ার আম্মু )  

> আরে তোমাদের প্রেমের কথা বাদ দাও আমিও গতকাল মারছি হকইস্টিক দিয়া I Love you বলে না বলে ( মায়া)  

> বাবাহ আমারে তো ঘুসি দিয়েছিলো তর মা আর তুই হকইস্টিক দিয়া মারছিস তুই আসলেই গুন্ডি ( মায়ার আব্বু )  

> তাহলে কি করবো বলো তাও ভালবাসি বলে নাই একে তো আমি ভালবাসিয়ে ছাড়বো নয়তো আমার না মায়া আর রাখবো না ( মায়া )  

> আচ্ছা মা তুই কলেজে যা যলদি সময় হয়েগেছে ( মায়ার আম্মু)  

> আচ্ছা যাচ্ছি ( মায়া )  

এদিকে আমি রেডি হয়ে হেটে হেটে  কলেজে যাচ্ছিলাম তখন  হঠাত ফোনটা বেজে উঠলো তাকিয়ে দেখি আব্বু  ফোনটা দরে সালাম দিয়ে  বললাম।। 

> আব্বু আমিতো গতকাল তোমার চাকরির কসম কাটতে চাইছিলাম একটুর জন্য আর কাটা হলো না ( আমি)  

> হারামজাদা তুই কছম না কাটলেও কবুল করছে তর দোয়া তিনদিন এর ছুটি নিতে হয়েছে আমার ( আব্বু)  

> কি কও আব্বু আ....আর কিছু বলতে পারলাম না ফোনটা কে যানি টান দিয়ে নিয়ে গেছে তাকিয়ে দেখি মায়া ফোনটা নিয়ে গেছে আর বলছে।।

> কেমন আছেন শশুড় আব্বা ( মায়া)  

> এইরে দিছে সর্বনাশ  করে ফেলছে আল্লাহ দরি ফালাও আর রক্ষা নাই ( আমি )

তারপরে মায়া যা বললো মনে হয়না আর এই পোলাটার এই শিশু শিশু শিশু হাড্ডি গুড্ডি থাকবো।।

বানান গুলো ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন।।

অপেক্ষায় থাকুন তারপরের পর্ব জন্য
Post a Comment (0)
Previous Post Next Post