গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে পর্ব : ১৩

 

গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে
পর্ব : ১৩ 
লেখক : নিরব আহমেদ কাওছার
.........................................................................
.......................................................................
....................................................................
................................................................
.............................................................
..........................................................
......................................................
..................................................
...............................................
............................................
.........................................
......................................
...................................
................................
.............................
..........................
.......................
....................
.................
..............
...........
.........
......
....
..
.

★ এদিকে ★

।। মায়া আম্মু কে বলতে লাগলো।।

> শাশুড়ি আম্মা আমি মেয়ে কিন্তু খুব ভালো ।  রান্না করতে পারি সুধু ডিম বাজি বাকি তরকারি খেলে এক সপ্তাহ হাসপাতালে থাকতে পারেন এটা গ্যারান্টি দিতে পারি।  আমি ঘরের সব কাজ করতে পারি কিন্তু কাজ করার পরে সব ঠিক পাবেন কিনা সেটা বলতে পারবো না। আমি কিন্তু খুব ভদ্র মেয়ে ঝগড়া করতে পছন্দ করি না কিন্তু রাগ উঠলে হাত পা না ভেঙ্গে থাকতে পারি না।  দেখতে আমি খুব  সুন্দর কিন্তু  রাগি একটু বেসি। আপনার ছেলে মন দিতে চায়নি বলে মেরে তারপরে মন নিয়েছি । এখন বিয়ের কথা বলতে আসছি  । যলদি বিয়ে দিয়ে দিন দেখবেন কিছুদিন পর দাদা দাদি হয়ে যাবেন  । এখন বলেন বিয়ে কবে দিবেন আজ নাকি আগামীকাল ।  আমার মতো এমন ভালো মেয়ে আর পাবেন না  ( মায়া বললো) 

।।

আম্মু আব্বুর দিকে তাকাই দেখি মায়ার কথা শুনে অঞ্জান হওয়ার মতো অবস্থা🥴🥴🥴 

> মনে হয় আজ আমি শেষ আমার শিশু শিশু হাড্ডির উপর লকডাওন দিয়া হরতাল ডাকবো আজ আব্বু  । আল্লাহ তুমি  কোন দিকে আছো  যলদি একটা দরি ফালাও উইঠা আইয়া পরি আমি । এই মেয়ের সাথে বিয়া হইলে । আমার পেট  কলা গাছের সাথে ফাসি দিয়া আত্মহত্যা করবো এর খাবার খাইলে । আম্মু আব্বু  আমারে ঘুসাইয়া ঘুসাইয়া  মারবো   আর আদিবা তো পানির মাজে চুবাই মারবো বাচাও।  কেন যে এই মাইয়া জিবনে আসছে আমার।  মরু ভুমিতে আইসা গরম পানি ডালতাছে আজ আমি মনে হয় শেষ ( মনে মনে বললাম আমি )  

।।

এদিক 

🥴🥴🥴 আম্মু কাপা কাপা  গলায় আদিবা কে বললো।

।।

> আদিবা মা আমার একগ্লাস পানি আনতো যলদি ( আম্মু বললো )🥛🥛🥛

।। তখন মায়া বললো ।। 

> আম্মা আমি এনে দিচ্ছি পানি আদিবার যেতে হবে না ( মায়া বললো )

।।

এই বলে চলে গেলো মায়া পানি  আনতে তখন আম্মু আমায় বললো।🚶‍♀️🚶‍♀️🚶‍♀️

।।

> বাবা নিরব একটা কথা বলি তুই কি সত্যি বউমা নিয়ে আসছিস না কি সেনাবাহিনীর ট্রেনিং সেন্টার থেকে উঠিয়ে নিয়ে আসছিস  ইন্টারভিও কি কি শুনাতে বলতো  ( আম্মু বললো )  🥴🥴🥴

>এ্যা 🥴..আ.......( আমি আর  কিছু বলতে যাবো তার আগে আদিবা বললো) 

> ভাইয়া এমন রিনাখান ভাবি আমি চাই না যদি এই ভাবি আনো তাইলে আমার এই শিশু পেটটা লেবু খাইয়া আত্মহত্যা করবো ( আদিবা বললো )

> সালার কোন দিকে যে এহন যাই মন চাইতাছে নিজেই  নিজেকে মাইর দেই ।  সালার জিবনটারে এহনি লেবু খাওইয়া মাইরা ফালানি দরকার । থাক এহন খামু নাহ লিবু অনেক টক খামু না   ( মনে মনে বললাম  আমি )  

।। আমার আব্বুর দিকে তাকিয়ে দেখি সে এক দেনে তাকিয়ে তাকিয়ে কি যানি ভাবছে খুব মনোযোক দিয়ে। ভাবতে থাকুক আর ডিষ্টাব করে লাভ নাই ।।

।। তখনি মায়া পানি নিয়ে আসলো আর আম্মু কে দিয়ে বললো ।। 

> নিন আম্মা পানি খেয়ে নিন আর বলেন বিয়ে কবে দিবেন ( মায়া বললো)  

।। তখন আদিবা বললো ।। 

> এহ আমার ভাইয়ারে বিয়া দিমু না তর সাথে ( আদিবা বললো )  

> তর দেওয়া লাগবে না আমি তুলে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করবো না দিলে ( মায়া বললো )  

।। যাহহ বাবা এত দিন বাংলা ছবিতে দেখে এসেছি নায়ক  নাইকির বাবা মাকে এই হুমকি দিতো যদি বিয়ে অন্য খানে দেওয়ার চেষ্টা করতো তার নাইকিরে। কিন্তু এতো দেখছি পুরাই উল্টা। আমার নাইকি এসেছে কিন্তু  রিনাখান এর চেয়ে দজ্জাল আমি কি ফাইট করবো সে আমার আগে ফাইট করে আমার হাড্ডি গুড্ডি সব তেরা কইরা ফালায়  হায়রে কপাল নাইকি পরছে আমার দজ্জাল থাক আর কমু না দঃখের কথা ।।  

।। তখন আদিবা বললো ।।  

> তুই যত কিছু বলিসনা কেন আমার ভাইয়ারে তর লগে বিয়া দিমু না। পাশের বাসার বুড়া কাকুর সাথে তরে বিয়া দিমু আমি  হুম   ( আদিবা বললো )

> বাহহ আমার বোন আমার পক্ষে আছে । বোনরে তর কথায় খুশি হয়ে আমি বিশ টাকা দিমু পুরুষকার ।  নাহ দশ টাকা দিমু বিশ টাকা বেসি হইয়া যায় আপনেরা আবার কিপটা বইলেন না কিন্তু ( মনে মনে বললাম আমি)

।।

।। তখন মায়া বললো ।। 

> কি কয়লি শয়তান  মাইয়া  আমি তরে আমাদের পাশের বাসার অন্ধ লেংঙ্গরা কাকুর সাথে বিয়া দিমু    ( মায়া রাগি গলায় বললো ) 

> আম্মু দেখো শয়তান মাইয়াটা কি কয় আমারে নাকি অন্ধ লেংঙ্গরা কাকুর সাথে বিয়া দিবো।  এ্যাহ 😭   এ্যাহ 😭এ্যাহ 😭 ( আদিবা কান্না করে দিলো বলে )

> হি 😁হি 😁হি 😁 লেংঙ্গরার বউ কানা কাকুর বউ ( মায়া হাসতে বললো ) 

> শয়তান মাইয়া তুই লেংঙ্গরা কাকুর বউ অন্ধ কাকুর বউ  বুড়া কাকুর বউ  ।। আম্মু  আমারে সুন্দর কিউট একটা ছেলের সাথে বিয়া দিবো  দেখিস ( আদিবা বললো ) 

> আমিও তর কিউট ভাইয়ারে বিয়া করমু বুঝছিস আর কাউকে না  হুম ( মায়া বললো ) 

> এহ আমার কিউট ভাইয়ার সাথে তরে বিয়া দিমু না পাশের বাসার বুড়া কাকুর সাথে বিয়া দিমু  ( আদিবা বললো )  

> শয়তান পিচ্ছি মাইয়া তুই আমার সাথে ঝগড়া লাগিস  তরে আজ পানির মাজে চুবাই চুবাই মারমু আমি ( মায়া রাগি গলায় বললো ) 

> এহ পানির মাজে চুবাই মারবে আয় দেখি তর কত সাহস পারলে পানির মাজে চুবাইয়া দেখ  তো দেহি তুই পানির বালটি খুইজা পাইলে তো চুবাইবি আমায় ( আদিবা বললো )

।।

এতখন আম্মু আমি সাবাই ঝগড়া দেখতেছিলাম 
তখন আম্মু মুচকি একটা হাসি দিয়ে  আসতে আসতে বললো 
।।

> দেখছো কি বুদ্ধি মাইয়ার তাইতো বলি পানির বালটি খাটের নিচে রাখলো কেন ( আম্মু মনে মনে বললো ) 

।। তখন মায়া বললো ।। 

> আমি দেখছি পানির বালটি কোথায় রাখছিস খাটের নিচে তো এখনি নিয়া আইতাছি ( মায়া বললো )  

> এহ নিয়া আয় ভয় পাই নাকি আমি তুই পানির বালটিতে চুবাইলে আমি তরে পানির   জগ এর মাজে চুবাইমু হুম ( আদিবা বললো)  

> যাহহ বাবা দুজনেই দেখি সাংঘাতিক ঝগড়াটে মেয়ে যাক দুই রিনাখান একসাথে হইছে  দেখা যাক কি হয় ভাতর পাকিস্তান এর যুদ্ধ চলছে কি হয় শেষ পযন্ত দেখা যাক  ( আমি আসতে আসতে বললাম )  

।। এদের ঝগড়া দেখে আম্মু বললো ।। 

> আদিবা থামতো ঝগড়া লাগলে আর থামতে চায় না। পিচ্ছি মাইয়া এত ঝগড়া করতে যানে । ( আম্মু বললো)

> আমি ঝগড়া করছি নাকি ওই শয়তান মাইয়াটা করছে সুধু আমারে দোষ দেও আমি  যদি একটু বড় থাকতাম তাইলে বুজাইতাম  আদিবা কি জিনিশ ( আদিবা রাগি গলায় বললো )

> আরে থামতো তরে দরলে তুই পারবি এই মেয়েটার সাথে তুই যে এত কথা বলছিস আবার মারবি বলছিস ( আম্মু বললো )

> এই ছোট ছোট হাত পা দিয়া কেমনে মারমু এহন । তাই একটু ঠেড লই দরাও একটু বড় হইয়া লই তারপরে বুজাইতাছি এখন ছোট মানুষ বলে কিছু বললাম না এখনো শক্তি হই নাই ঘুসি দেওয়ার  হরলিক্স খাইয়া শক্তি কইরা লই তারপরে এর সাথে বকসিন খেলুম আমি  ( আদিবা বললো ) 

> এই  তুই চুপ করতো বেসি কথা বলে মাইয়াটা   ।  মায়া মা তুমি আমার সাথে ঘরে আসো কথা আছে  ( আম্মু বললো )

তারপরে চলে গেলে দুজনে ঘরে যাওয়ার পর আদিবা  আসলো আমার কাছে আর বলতে লাগলো।

> আাচ্ছা ভাইয়া তোমার কি আর কোনো মেয়ে পছন্দ হলো না এই মাইয়াটা ছাড়া ( আদিবা বললো )

> নারে একেই মন আমার পছন্দ করেছে এখন বল আমি কি করবো আর আমার চেয়ে বেসি পছন্দ করে মায়া আমায় ( আমি বললাম)

> তর মনটারে দইরা  কানের এক ইনসি নিচে দুইটা চড় দিয়া বল  ফহিন্নি ঘরে ফহিন্নি  এই মাইয়ারে কেন পছন্দ কইরা  আনছে ( আদিবা বললো)

> কি করে বলবো বল আমিও যে ভালবাসি কিন্তু এর  ছেলে মানুষের মতো চলা চল গুলো আমি পছন্দ করি না  তাই একটু দূরে থাকি আর এর রাগি চেহারা দেখলে ভয় করে আর সব চেয়ে বড় সমস্যা ওর সাথে আমার যায় না ওরা অনেক বড়লোক আর আমরা গরির  এই মেয়ে সারাটা দিন থাকে এসির ঘরে । আর আমাদের ঘরে  ফেন ঠিক মতো ঘুরে না তাইতো পছন্দ হলেও কিছু বলতে পারি না ( মনে মনে বললাম।)  

।। এদিকে আম্মু কি বলছে মায়া কে চলুন শুনে আসি।।

> শুনো মা  তোমায় দেখে মনে হয় না তুমি সাধারণ ঘরের মেয়ে যেহেতু অনেক লোক নিয়ে আসছো তোমার সাথে  নিসচয়  তোমার বাবা খুব পাওয়ারি কোনো লোক   হতে পারে  তুমি তোমার বাবা কে বলেছো  তুমি যে আমার ছেলেকে ভালবাসো বিয়ে করতে চাইছো ( আম্মু বললো)  

> জি আম্মা আমি বলেছি বাবা আমায় সাহায্য করেছে  ( মায়া বললো )

> কিহহ তোমার বাবা তোমায় সাহায্য করেছে ( আম্মু অবাক হয়ে বললো ) 😮😮

> হুম আম্মা ( মায়া বললো)  

> তোমার বাবার নাম কি । কি করে   ( আম্মু বললো )  

> জি আমার আব্বুর নাম হাসান আহমেদ এই শহরের মন্ত্রী  ( মায়ার আব্বুর নাম পরিবতন করা হলো )  

> কিহহ তুমি  মন্ত্রীর মেয়ে  ( অবাক হয়ে বললো আম্মু )  

> হুম আম্মা আমি মন্ত্রীর মেয়ে ( মায়া বললো)  

> দেখো মা এই বিয়ে হওয়া অসম্ভব কোনো মতেই এই বিয়ে হবে না ( আম্মু বললো)

> কেন আম্মা বিয়ে হতে পারে না কেন  ( মায়া করুণ গলায় বললো কেঁদেই দিবে )

> দেখো মা..................

বানান গুলো ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন

যানিনা গল্পটি কেমন হয়েছে কমেন্ট করে বলে দিন কেমন হচ্চে

 আর গল্পটির তিন পর্ব পযন্ত বড় করবো এর বেসি আর হবে না ১৬ পর্বের মাজে শেষ করে দিবো ইনশাআল্লাহ 

পরের পর্বটি ও ফানি হবে 

      ধন্যবাদ সবাইকে 

অপেক্ষায় থাকুন তারপরের পর্ব জন্য
Post a Comment (0)
Previous Post Next Post