গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে পর্ব : ১১ ,+ ১২


 গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে
পর্ব : ১১ 
লেখক : নিরব আহমেদ কাওছার
........................................................................
.....................................................................
..................................................................
................................................................
.............................................................
..........................................................
.......................................................
....................................................
.................................................
..............................................
...........................................
........................................
.....................................
..................................
...............................
............................
.........................
.....................
..................
...............
............
.........
.......
.....
...
..
.

> কিরে শয়তান মাইয়া গারি থেকে বের হ ভয় পাছিস নাকি ( আদিবা)

,,,,,,,,,,,এদিকে,,,,,,,,,, 

> কেডারে এমন রোমান্টিক টাইমে ডিস্টার্ব করতাছে আচ্ছা  তুমি শুয়ে থাকো আমি এখনি দেখে আসছি কে ( মায়া কপালে একটা চুমু দিয়ে ) 

এই বলে গারি থেকে বের হলো  তারপরে মায়া বললো।

> কেডারে তুই সামনে আয় শয়তান মাইয়া আমি না তুই সামনে আয়। বুজাইতাছি  ( মায়া)

> এইজে আমি তরে কইছি শয়তান মাইয়া ( আদিবা) 

 তখন আদিবা সামনে তাকিয়ে দেখে তার চেয়ে অনেক বড় মেয়ে শাট প্যান্ট পরা দেখেই ভয় পেয়ে গেলো আর মনে মনে বলতে লাগলো ।

> বাবারে  বাবা এই মেয়ে তো আমার চেয়ে বড়। এতো আমায় পানিতে এমনিতেই চুবিয়ে মারতে পারবো।  কি জানি বলছিলো ও হা বলেছিলো এক বালটি পানিতে  চুবাই মারবো  আম্মু বাচাও কোথায় তুমি। আদিবা যলদি  পালা এইখান থেকে পানিতে চুবানোর আগে তরে   ( আদিবা মনে মনে বললো )

এই বলে দৌড় দিতে যাবে আদিবা তখন মায়া আদিবার হাত দরে ফেললো আর বললো।

> কিরে তুই না আমায় মারবি তাহলে পালাচ্ছিস কেন । আমি নাকি ভয় পাইছি।  তাহলে তুই দৌড় দিচ্ছিস কেন  দাড়া একটু। আর কি জানি বললি পানিতে চুবিয়ে মারবি আমায় তাই না   ( মায়া বললো )  

> আরে নাহ আমি শিশু মানুষ  এমনি বলছিলাম এইগুলো মজা করে  ( আদিবা বললো )

>  আনতাজে  ভুল যায়গায় ডিল মারছি ।  একবার ছুটতে পারলে এমন দৌড় দিমু আর এক মাস বাসার বাহিরে আমু না ( মনে মনে বললো আদিবা )  

> মজা করছো তাই নাকি তাহলে হাতে হকইস্টিক কেন ( মায়া)

> এটা হকইস্টিক আমি মনে করছি এটা ক্রিকেট খেলার ব্যাট তাই নিয়েছি খেলার জন্য ( আদিবা )

> তাই এই যে এখানে  সব লোক গুলো কে দেখছিস একি রকম পোশাক পড়ে আছে এই সব আমার লোক দেখেছিস ( মায়া  বললো )

> দেখছিরে বাবা এরা সবাই  যদি আমায় দরে তাহলে তো এই শিশুটারে  ফুটবল এর মতো কইরা ফেলবো আম্মু বাচাও আর কখনো কাউকে ঠেড দিমু না আমি।  আমি তোমার লক্ষি শিশু মেয়ের মতো ঘরে বইসা থাকুম বাচাও আম্মু কই তুমি।  ভাইয়া যে কোথায় গেলো এখন যদি ভাইয়া থাকতো তাইলে সব কয়টারে বলতাম  মারতো আর এই মাইয়ারে পানিতে চুবাইতো  ( আদিবা মনে মনে )  

> কি হলো কথা বলিস না কেন দেখছিস লোক গুলো কে হুম ( মায়া একটু রাগি গলায় বললো)😬

মায়ার এমন রাগি গলা শুনে কান্না করে দিলো আদিবা ।

> এ্যাহ 😭 এ্যাহ 😭 এ্যাহ 😭 দেখছি আমি সবাইকে আমার বিয়ার সময় সবাইরে দাওয়াত দিমুনে আপনারে সহ । এখন   আমি আম্মুর কাছে যামু আমায় ছাইরা দেন ( আদিবা কান্না করতে করতে  বললো )

জাহিদ দেখলো  আদিবা কান্না করতাছে দেখে দৌড়ে এসে মায়ার হাত থেকে আদিবা কে নিয়ে বললো।

> আরে বাচ্চা  মানুষ ও কাঁদাচ্ছেন কেন বলেন তো ( জাহিদ বললো )  

> তাহলে কি করবো এত সুন্দর রোমান্টিক মুডে ছিলাম সব নষ্ট কইরা দিছে আইসা । আবার বলে পানির মাজে চুবাই মারবো আমারে  হাতে কইরা হকইস্টিক নিয়া আইছে মারতে আমায় সাহস কত দেখছিস  এখন এইটারে ও একটু মাইরা লই ছাড় তুই ( মায়া বললো )  

> আরে এটার জন্য এতো রাগ করার কি আছে ছোট মানুষ একটু দুষ্টুমি করছে ছেড়ে দিন দেখবেন  লক্ষি মেয়ের মতো বাসায় চলে যাবে ( জাহিদ বললো)  

> ঠিক আছে ছেড়ে দিলাম এখন কার মতো যা চলে যেতে বল ( মায়া একটু রাগি গালায় বললো )

তারপরে আদিবা কে জাহিদ বললো সোজা বাসায় যেতে আদিবা ও সুন্দর করে যেতে লাগলো তখন জাহিদ বললো।

> দেখছেন কি লক্ষি মেয়ের মতো যাচ্ছে আর আপনি মারতে চাইছিলেন এত শান্ত শিষ্ট একটা মেয়েকে ( জাহিদ বললো ) 

আদিবা একটু দূরে গিয়ে বললো ।

> ওই শয়তান মাইয়া বান্দর মাইয়া।   তুই খালি আমার বাসায় আয় তরে গাছের সাথে বেধে তর হাড্ডি গুড্ডি সব ভাঙ্গমু আমি আর একবালটি পানির মাজে চুবাইতে চুবাইতে  মারমু ।  না মারতে পারলে আমার নাম আদিবা রাহুম না আর তুই আয় খালি আমায় বাসার  ( আদিবা বললো )  

> তুই খালি দাড়া এইখানে দেহি কেডা কারে চুবাই মারে  শয়তান মাইয়া তরে আজ মাইরা হাড্ডি গুড্ডি সব ভাঙ্গমু ( মায়া রাগি গলায় বললো)

> ওরি মা কি সাংঘাতিক দজ্জাল  মেয়ে একটার চাইতে একটা কম না দেহি এই পিচ্ছি মাইয়া দেহি আরো সাংঘাতিক দজ্জাল।   এদের তিনজন এর মাজে কেন যে আমায় ফেললো ।  আল্লাহ দরি ফালাও উঠাইয়া লইয়া যাও না কেন আমারে থাকুম না আর এইখানে।  এদের মাজে থাকলে আমি মাইর খাইয়া শহিদ হইয়া যামু   ( জাহিদ মনে মনে বললো)  

> শয়তান মাইয়া আয় তুই আমি ভয় পাই নাকি তরে।  পানিতে চুবাই মারমু  তরে তুই আয় আমার বাসায় সাহস থাকলে   ( আদিবা ) 

আদিবা এইটা বলেই দিলো দৌড় সাথে মায়াও দরার জন্য দৌড় দিলো  জাহিদ মায়াকে ডাকলো কিন্তু শুনলো না যেতেই লাগলো মায়া তারপরে জাহিদ আমার কাছে এসে বললো।

>  তর বোন দেখি পুরাই রিনাখান ঝগড়া লাগলে ছাড়তেই চায় না তাও আবার মায়ার সাথে ঝগড়া লাগছে।  কি ঠেড দেয় বাবাহ তর চাইতে তর পিচ্ছি বোন অনেক ভালো মন্ত্রীর মেয়ের সাথে ঠেড লয় বাবাহ সাহস কত । তর গলায় এমন মেয়ে জুলে আছে  একে বারে গুন্ডি বিয়ে আগেই এত কিছু না যানি পরে কি হয় । (  জাহিদ  ) 

> কি আর বলমু বল এই মাইয়ারে কথাই শুনে না আমার  কিছু বলতেই দেয় না ।  কিছু বলতে গেলে মেরে হাড্ডি গুড্ডি সব তেরা কইরা ফালায় থাক কিছু বলবো না এখন এমনি মাইর খাইয়া ব্যাথা করতাছে  ( আমি বললাম ) 

> আ...........।।। জাহিদ কিছু বলতে যাবে তখন মায়া এসে বললো

> এই পিচ্ছি মাইয়াটা কেডারে একে বারে  বুলেট এর মতো দৌড়ায়  ( মায়া হাপাতে হাপাতে বললো )

> এইডা কি কন আমি না আপনারে বললাম এটা নিরব এর ছোট বোন ভুলে গেছেন নাকি  ( জাহিদ বললো )  

> আরে তখন এত কিছু খেয়াল করিনাই তখন মনটা ছিলো সুধু এই দিকে । ওগো চলো আমার শশুড় আব্বুর সাথে  শাশুড়ি আম্মার সাথে দেখা করে আসি   এখন পরে প্রপোজ  করো  ( মায়া বললো )  

আমি কিছু বলতে যাবো হঠাত মায়ার ফোনটা বেজে উঠলো ফোনটা নিয়ে সাথে সাথে একটু দূরে চলে গেলো  তারপরে জাহিদ ও চলে গেলো  তারপরে মায়া  কিছুখন কথা বলে আসলো আর বললো।

> আব্বু  ফোন দিয়েছিলো এখনি  চলে যেতে হবে আমায় ঢাকা আম্মু নাকি অসুস্থ হয়ে পড়েছে  ( মায়া  মন খারাপ করে বললো )  

> তাহলে যলদি যাও কি হয়েছে কিছু বলছে  ( আমি বললাম।)

> নাহ কিছু বলেনি  বললো একটু তাড়াতাড়ি বাসায় যেতে  (  মায়া মন খারাপ করে বললো )

> আ........( আমি কিছু বলতে যাবো তখন মায়া আমার কথা থামিয়ে দিয়ে বললো) 

> আচ্ছা চলো  তোমার বাসায় যাবো এখন  শশুড় আব্বা আর  আম্মু কে দেখে আসি তারাও দেখুক তাদের ছেলের একমাত্র বৌউ কে আর তোমার পিচ্ছি বোন এর সাথে বন্ধুত্ব করে  তারপরে চলে যাবো ( মায়া বললো  )

> এই না না না তুমি তোমার বাসায় যাও এখন আমার বাসায় যেতে হবে না তোমার আম্মু অসুস্থ বাসায়  যাও যলদি    ( আমি বললাম)  

>  তুমি চুপ থাকো আর আমার সাথে চলো আমি আমার হবু  বর এর বাসায় যাবো কিছু দিন পর তো আমায় এখানেই থাকতে হবে চলো আর আমাদের বিয়ের কথা বলে আসবো কবে তোমার গলায় ঝুলবো আমি   ( মায়া বললো ) 

> আমি যাবো না তোমার সাথে  যেই মাইর দিয়েছো হাত পা সব এখনো ব্যাথা করতাছে আমি যাবো না গেলে তুমি যাও( আমি বললাম )

>  এখন আমি যদি বাসায় যাই তাইলে রাতের বেলা আমার উপর হরতাল ডাকতেও পারে নাহ এর সাথে যাওয়া যাইবো না ( মনে মনে আমি)  

> যাইবা না মানে তোমার যাইতে হইবো।   না গেলেও যোর কইরা নিয়া যামু ।  গার্ড এদিকে আসো ( মায়া )

> জি মেডাম বলেন ( একজন  গার্ড  বললো) 

> একে দরে আমার গারিতে নিয়ে তোলো ( মায়া বললো )

> ঠিক আছে মেডাম আপনি গারিতে  গিয়ে বসেন আমরা নিয়ে আসছি ( গার্ড বললো )

> ঠিক আছে নিয়ে আসো  ( মায়া বললো)

মায়া চলে যাওয়ার পর আমায় গার্ড গুলো দরে নিয়ে মায়ার কাছে বসালো তারপরে  গারিটা ডাইবার চালিয়ে যেতে লাগলো কিছুখন পর  মায়া আমার কাদে মাথা রাখলো কিছু বললাম না  । কিছুখন পর বাসার সামনে এসে গেলাম গারি থেকে মায়া আগে নামলো।।

এদিকে 

আদিবা  উঠানে বসে বসে পানি খাচ্ছিলো তখন সামনে তাকিয়ে দেখে ঝগড়া করা সেই মেয়েটি  এটা দেখেই দৌড় দিলো ঘরে আর বলতে লাগলো।।

> আম্মু বাচাও এই শয়তান মাইয়া দেখি সত্যি সত্যি আইসা পরছে।  এখন যদি আমারে পানিতে চুবাই তাহলে তো আমি শেষ যলদি পানির বালটি  লুকাতে হবে গিয়ে ( মনে মনে আদিবা )  

এইবলে ঘরে গিয়ে পানির বালটি আম্মুর খাটের নিচে লুকালো আম্মু শুয়ে ছিলো তখন দেখলো আদিবা খাটের নিচে পানির বালটি রাখছে তখন আম্মু বললো।

> কিরে তুই পানির বালটি এখানে রাখছিস কেন ( আম্মু বললো)

> পানির বালটি বেচারা সারাটা দিন রৌদ্রর মাজে কত কষ হয়   তাই একটু ঘরের মাজে নিয়ে আসলাম ঠান্ডা করতে ( আদিবা বললো)

> দেখছত পাগল মাইয়ার কান্ড পানির বালটির কি জিবন আছে যে কষ্ট পাইবো যা বাহিয়ে রাখ গিয়ে ( আম্মু বললো) 

> নাহ বাহিরে যাওয়া যাইবো না তাইলে শয়তান মাইয়া এহনি চুবাইতে চুবাইতে মারবো আমারে আমি আরেকটু বড় থাকলে গিয়া এহনি চুবাইতাম পানির মাজে ( মনে মনে আদিবা বললো)

এদিকে

  আমি আসতে আসতে হেটে  যাচ্ছিলাম তখন মায়া এসে আমার হতটা দরলো আমি ছাড়াতে চেষ্টা করলাম কিন্তু আরো শক্ত করে দরলো আমার হাত ।  আম্মু উঠানে নাই মনে হয় রুমে তাই এখন আদিবা ও বাহিরে নাই।  বাচা গেলো   ঘরের সামনে দাড়িয়ে আছি কি হয় কে জানে ভিতরে গেলে তখন মায়া বললো।

> শাশুড়ি আম্মা  কোথায় আপনি যলদি  দেইখা যান আপনার ছেলের বউ আসছে ( মায়া বললো ) 

>..........

বানান গুলো ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন

অপেক্ষায় থাকুন তারপরের পর্ব জন্য


গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে
পর্ব : ১২ 
লেখক : নিরব আহমেদ কাওছার
......................................................................
...................................................................
................................................................
.............................................................
..........................................................
.......................................................
....................................................
.................................................
..............................................
...........................................
........................................
.....................................
...................................
................................
.............................
..........................
.......................
....................
.................
..............
...........
........
......
...
..
.

এদিকে

  আমি আসতে আসতে হেটে  যাচ্ছিলাম তখন মায়া দৌড়ে এসে আমার হতটা দরলো আমি ছাড়াতে চেষ্টা করলাম কিন্তু উল্টো  রাগি চোখে তাকিয়ে আরো শক্ত করে দরলো আমার হাত । এখনি যেই ভয় দেখায় এরে বিয়ে করলে তো প্রতিদিন হরতাল ডাকবো মনে হয় । আর লক ডাওন দিবো আমার এমন শিশু শিশু হাড্ডির উপর সব মাইরা তেড়া করবো আমার।  আল্লাহ মনে হয় আমার উপর রাগ কইরা এমন একখান বউ কপালে লিখছে।  দেহি কি হয় ভিতরে গেলে এহন । আম্মু এখন উঠানে নাই মনে হয় রুমে তাই এখন আদিবা ও বাহিরে নাই।  বাচা গেলো।   দরজার  সামনে দাড়িয়ে আছি ভিতরে গেলে এই মাইয়া কি করে কে জানে  ভয় করতাছে এই মাইয়ার উপর একটুও বিস্যাস নাই এখন গিয়ে কি করে। তখন মায়া বললো উঠলো। 

> শাশুড়ি আম্মা  কোথায় আপনি যলদি  দেইখা যান আপনার ছেলের বউ আসছে ( মায়া বললো )

> যাহহ বাবা এটা কি মাইয়া মানুষ নাকি অন্য কিছু কনতো  এর তো  দেখি কোনো লজ্জাই নাই ।  আল্লাহ মনে হয় ভুল করে অন্য মাটি দিয়া বানাইছে তাই তো এমন দজ্জাল  হইছে ( মনে মনে বললাম।) 

ওদিকে আম্মু আদিবা কে বললো।

> কিরে আদিবা তুই কি টিবি বন্ধ না  করে চলে আসছিস হুম ( আম্মু বললো )

> নাহ আম্মু আমি তো টিবি দেখিনাই এখন  তাহলে টিবি চালু থাকবে কি করে এখন ( আদিবা বললো )

> কি বলিস তাহলে কে শাশুড়ি আম্মা বলে ডাকলো এখন ( আম্মু অবাক হয়ে বললো )  

> এই শয়তান মাইয়া শাশুড়ি ডাকতাছে কেন আম্মুরে কিছুই তো বুজতাছি না। ওহ বুজছি ঘরে এসে আমায় চুবানোর জন্য এই প্লান করছে   । নাহ এই মাইয়ারে ঘরে আসতে দেওয়া যাবে না অনেক কষ্ট করে পানির বালটি লুকাইছি এখন যদি ঘরে আসতে দেই তাইলে এক জগ পানির  মাজেই আমারে চুবাইতে পারে।  আল্লাহ তুমি কেন যে আমারে এখনো শিশু রাখছো একটু তাড়াতাড়ি বড় করতে পারলে না এই ছোট ছোট হাত পাও দিয়া কেমন আমি মারমু এহন।  ( আদিবা মনে মনে বললো ) 

।।  তখন আম্মু আদিবা কে আবার বললো   ।। 

> কিরে  আদিবা তুই কি শুনতে পাইলি শাশুড়ি আম্মা ডাকলো যে ( আম্মু বললো ) 

> নাহ আম্মু  আমি তো শুনতে পাইনি তুমি মনে হয় ভুল শুনছো বাহিরে একটি লোক বলছে সরিষা দিয়ে আমরা খান এটা বলে ডাকছে  ( আদিবা মিথ্যা বললো )

> ওহ তারমানে আমি ভুল শুনছি  ( আম্মু বললো )  

> হুম তোমার কানটারে একটা  থ্যাবড়া দিয়া জিগাও ফহিন্নি  কেন এত বেশি শুনাই তোমারে ( আদিবা বললো )  

> শয়তান মাইয়া তুই আয় তর পাকনামী আমি বের করবো ( এই বলে আম্মু আদিবার কান দরলো )

> আম্মু  আম্মু ছাড়ো ব্যাথা পাইতাছি  আমার শিশু শিশু কান ছিড়ে যাইবো  ( আদিবা বললো ) 

।। তারপরে আম্মু ছেড়ে দিলো আদিবা কে ।। 

এদিকে

মায়া আবার ডাকতে যাবে তখন আমি আমার হাত দিয়ে মুখে চেপে ধরলাম আর বললাম 

> আরে আরে কি করছো এমন করে ডাকছো কেন  মাথা কি খারাপ হয়েগেছে নাকি ( আমি মায়াকে বললো ) 

> মাথা খারাপ হবে কেন  ঠিকি তো আছে। তাদের একমাত্র  ছেলের বউ বাহিরে দারিয়ে আছে দেখতে হবে তাদের।  এমন কিউট একটা বউ দাড়িয়ে আছে কেউ নজর দিলে তখন কি হবে হুম। আর তোমার আমার বিয়ের কথা বলতে হবে তাড়াতাড়ি বিয়ে করতে হবে প্লান করে রাখছি  চল্লিশ পঞ্চাশটা বেবি নিতে হবে কত কাজ বুজেছো সড়াও এখন হাত ( মায়া বললো )  

ওরি মা দেখছেন কি রকম পাগল মেয়ে থাক আর কিছু কমু না।  মায়া আবার ডাকতে যাবে তখন পিছন থেকে বলে  উঠলো।

> কি ভেপার এখানে এত লোক কেন কে আপনারা কি চাই  ( আব্বু বললো )

তখন মায়া আব্বুর কাছে গিয়ে পায়ে দরে সালাম করে বললো ।  

> শশুড় আব্বা আমি আপনাদের ছেলের বউ  ( মায়া )

> কিহহ তু তু তমি  আ...আমার ছে.. ছেলের ব..বউ   ( অবাক হয়ে তুতলাতে তুতলাতে বললো)

> হুম আব্বা জান আজ থেকে বউ  হয়ছি আর দোয়া করবেন খুব তাড়াতাড়ি নানা হবেন ইনশাআল্লাহ  আাচ্ছা এই কথা থাক।   কোথায় গিয়েছিলেন এই দুপরে এত রৌদ এর  মাজে ভিতরে আসেন আমি পানি দিচ্ছি  ( মায়া বললো )

> 😮😮😮 আব্বু অবাক হয়ে আছে কিছুই বলতে পরলো না

 তারপরে আব্বুকে ভিতরে নিয়ে গিয়ে একটা চেয়ারে বসতে দিলো মায়া আর বললো 

> আব্বা আপনি বসে আমি পানি এনে দিচ্ছি ( মায়া বললো )  

 এই বলে একটা রুমে ডুকে পরলো সেটা ছিলো আম্মুর আব্বু থাকে সেই  রুম ভিতরে গিয়ে বললো।

> আম্মু পানির জগটা কোথায় একটু দিন তো ( মায়া বললো)

>  এই শয়তান মাইয়া ঘরে আইসা পড়ছে এখন কি পানির জগে তাইলে আমারে চুবাই বো নাহ আমি এটা কিছুতেই হতে দিবো না আজ যদি আরেকটু  বড় থাকতাম। এই মশার শক্তি যদি না থাকতো সরিলে  তাইলে এখন বুজাইতাম আদিবা কি জিনিস এই শয়তান মাইয়া আমার আম্মুরে  আম্মু ডাকতাছে কেন তখন আদিবা বললো।

> ওই শয়তান মাইয়া কে তর আম্মু এখানে ( আদিবা )

> এই যে শুয়ে আছে আমার আম্মু ( মায়া আমার আম্মু কে দেখিয়ে বললো )

> এহ এটা আমার আম্মু তর আম্মু না ( আদিবা )

> নাহ এটা আমার আম্মু তর আম্মু না ( মায়া বললো )

> নাহ এটা আমার আম্মু ( আদিবা কান্না ভেজা কন্ঠে বললো )  

> নাহ এটা আমার আম্মু ( মায়া বললো ) 

> আম্মু তুমি বলো তুমি আমার আম্মু এই সয়তানটার না ( আদিবা বললো )

> এটা শুধু আমার আম্মু তর না ( মায়া বললো )  

> এ্যাহ 😭 এ্যাহ 😭এ্যাহ 😭 এটা আমার আম্মু তর না আম্মু তুমি কইয়া দেও তুমি আমার আম্মু  ( আদিবা কান্না করে বললো )

> না বলবো না এটা আমার আম্মু ( মায়া বললো)

> শয়তান মাইয়া তরে আজ মাইরা ফালামু। আমি তরে মাছের মতো কাটমু এহন তুই আমার আম্মুরে নিতে চাস আমার কাছ থেকে  ( আদিবা  রাগি গলায় বললো)  

এই বলে আদিবা মায়া কে মারতে যাবে।  এতখন আম্মু অবাক হয়ে দেখছিলো শুয়ে শুয়ে  তখন আম্মু বললো ।

> আদিবা থাম তো সবসময় সুধু ঝগড়া আর ঝগড়া এখন থাম  মারতে হবে না।  তা তুমি কে মা তোমায় তো চিনলাম না ( আম্মু বললো )  

> জি আম্মু আমি আপনার ছেলের বউ ( মায়া বললো)

> কিহহ তু তুমি আ আমার ছেলের  বউ কখন হলে ( আম্মু অবাক হয়ে তুতলাতে তুতলাতে বললো)  

> হইনি এখনো হবো তাই তো এসেছি এখন বলেন পানির গ্লাস কোথায় ( মায়া বললো)  

> এহহহ ভাইয়ার বউ আমি আমার ভাইরে এইরকম শয়তান মাইয়ার কাছে বিয়া দিমু না ( আদিবা বললো) 

> বিয়ে না দিলোও আমি তুলে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করবো তর দিতে হবে না ( মায়া বললো )

> আম্মু তুমি এর সাথে  ভাইয়া কে বিয়ে দিবে না এমন দজ্জাল  রিনাখান ভাবি আমি চাইনা ( আদিবা বললো )

> দেত তুই চুপ করতো আম্মু চলেন তো আপনি। । ( মায়া আম্মু কে বললো )  

তারপরে মায়া একগ্লাস পানি নিয়ে আম্মু কে সাথে  নিয়ে  আসলো পানিটা আব্বু কে দিয়ে আম্মু কে আব্বুর সাথে বসালো আর আমাকে একটান দিয়ে মায়ার পাসে দাড় করালো তখন মায়া বললো ।

> দেখেছেন আম্মু আমাদের দুজনকে  কত সুন্দর মানিয়েছে  এখন বিয়ে দিয়ে দিন দেখবেন দুজনেই খুব সুখি হবো ( মায়া বললো )  

> কি মেয়েরে বাবা।  নিজের বিয়ের কথা নিজেই বলছে । এমন কথা জিবনে প্রথম শুনলাম তাও আবার নিজের বিয়ের কথা নিজেই এসে বলতাছে।  একটুও লজ্জা নাই।  আল্লাহ এই মাইয়ারে কি দিয়া যে বানাইছে । থাক আর কইতাম না  ( আমি মনে মনে বললাম )  

।। মায়া কিছু বলতে যাবে  তখন হঠাত  মায়ার ফোনটা বেজে উঠলো ফোনটা মায়ার আব্বু দিয়েছে ফোনটা দরা মাএ মায়ার আব্বু বললো।

> কিরে মা কোথায় তুই এখন কি করিস ( মায়ার আব্বু বললো)

> আব্বু আমি আমার শশুড়  শাশুড়ির কাছে তাদের ছেলের  বউ হওয়ার ইন্টার ভিও দিচ্ছি আর আমার বিয়ের কথা বলতাছি ( মায়া বললো)

> কিহহ তুই তর বিয়ের কথা বলতাছিস বসে এখন  ( মায়ার আব্বু অবাক হয়ে) 

> হুম পরে কথা বলবো তুমার সাথে এখন রাখো বিয়ের ডেড পাকা করি তারপরে  কল দিচ্ছি তোমায় আমি ( মায়া বললো)  

>  এই পাগলি মেয়ে কয় কি পাগল হয়ে গেছে দেখি  পুরাই । শুন মায়া মা আমার আমি বলি কি শুন ( মায়ার আব্বু)

> শুনতে হবে না বিয়ের তারিখ ঠিক করে আসবো আমি কোনো কথা শুনবো না আমি ফোন রাখছি পরে কথা হবে ( মায়া এই বলে ফোনটা কেটে দিলো)

ওইদিক মায়ার আব্বু বলছে।

> এটা কি আমার মাইয়া নাকি অন্য কারো বাবারে বাবা কি সাংঘাতিক মেয়ে আমার ।।। নিজের বিয়ের কথা নিজেই বলছে হায়রে আমার বউটাও এমনি ছিলো মা মেয়ে একি রকম হইছে ( মায়ার আব্বু বলছিলো বসে বসে)

তখন মায়ার আম্মু বললো।

> কি গো কি ফিসফিস করে একা একা বলছো ( মায়ার আম্মু)

> কি আর বলবো তুমি যেমন তোমার মেয়েও তোমার মতো হয়েছে নিজের বিয়ের কথা নিজেই বলতাছে তার শশুড় শাশুড়ির কাছে ( মায়ার আব্বু)

> কিহহ বললে তুমি বিয়ের কথা বলতাছে ( মায়ার আম্মু)

> হুম তাই তো বললাম তোমার মতো হইছে পুরাই গুন্ডি  ( মায়ার আব্বু বললো)  

> দেখতে হবে তো কার মেয়ে এটা। আমি যেটা করতে পারিনাই সেটা আমার মেয়ে করে দেখিয়েছে
খুব ভালো কাজ করছিস মায়া মা আমার চালিয়ে যা  ( মায়ার আম্মু) 

 > আমি যখন পড়ছিলাম তোমার হাতে কত মাইর যে খাইছি ইস থাক আর কইতামনা ইজ্জত এর বেপার।। আর তোমার মাইয়া তো তোমার চেয়ে বেসি ডেঞ্জারাস হইছে । ইস কোন বেচারা ছেলেটি যানি পড়ছে আমার মাইয়ার হাতে মাইর খাইয়া হাড্ডি গুড্ডি সব মনে হয় তেরা হইছে আর তুমি বলছো চালিয়ে যেতে ( মায়ার আব্বু বললো ) 

★ এদিকে ★

 মায়া আম্মু কে বলতে লাগলো।

> শাশুড়ি আম্মা আমি মেয়ে কিন্তু খুব ভালো ।  রান্না করতে পারি সুধু ডিম বাজি বাকি তরকারি খেলে এক সপ্তাহ হাসপাতালে থাকতে পারেন এটা গ্যারান্টি দিতে পারি।  আমি খুব ভদ্র মেয়ে ঝগড়া করতে পছন্দ করি না কিন্তু রাগ উঠলে হাত পা না ভেঙ্গে থাকতে পারি না যেমন আপনার ছেলে । আ...............

বাকিটা না হয় পরের পর্বটিতে জানবেন।

বানান গুলো ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন

আগামীকাল রাত দশটায় পরের পর্ব দিবো 

অপেক্ষায় থাকুন তারপরের পর্ব জন্য
Post a Comment (0)
Previous Post Next Post