গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে পর্ব : ১০


 গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে
পর্ব : ১০ 
লেখক : নিরব আহমেদ কাওছার
..........................................................................


> গার্ড তাড়াতাড়ি  একে দরে আনো আমার কাছে যাও ( মায়া রাগি গলায়।)  

তারপরে গার্ড গুলো আমায় দৌড়িয়ে দরে ফেললো কি আর কমু ওরা দশ বারোজন গার্ড দৌড়ে কি আর পারা যায় একটার চেয়ে একটা কম দৌড়ায় না তারপরে আমারে দরে দুইজন দুই হাতে দরলো আর দুইজন দুই পায়ে দরে নিয়ে আসছিলো মায়ার কাছে তখন আমি বললাম।

> ওহ গার্ড কাকু তোমরা আমায় ছাইড়া দেও এই     দজ্জাল  রিনাখান এর হাতে শিশুটারে দিও না  গো কাকু এর কাছে নিয়া দিলে আমার এই শিশু শিশু সব হাড্ডি তেড়া কইরা লাইবো এখন  কাকু গো একটি বার ছাইড়া দেও এমন দৌড় দিমু আর খুইজা পাইবা  না চইলা যামু ও কাকু মিষ্টি কাকু দুষ্ট কাকু ছাইড়া দেও আমায় প্লিজ  ( আমি বললাম।)  

> নাহ তরে নিয়ে যাওয়ার ওডার আছে আমাদের তুই যতই  পাম দিস না কেন  যতকিছু বলিস না কেন কোনো কাজ হইবো না ( গার্ড বললো )  

> ও গার্ড কাকু তোমাদের কি এই শিশুটার উপর একটুও দয়া মায়া হয় না  ছাইড়া দেও প্লিজ কাকু  ( আমি বললাম) 

> দেত কেমনডা লাগে এত কথা কইলে।  নাহ আমাদের মায়া দয়া নাই । এখন  চুপ কর নিয়া যাইতে দে এখন মেডাম এর কাছে আমাদের তারপরে ছাইড়া দিমু তরে ।  তার আগে আর ছাড়তে পারবো না ( গার্ড বললো ) 

>  যাও তোমরা পচা তোমাদের সাথে আর কোনো কথা নাই তোমাদের সাথে আড়ি তোমরা আমায় ছাইড়া দেও নাই এখন তোমরা পচা   ( আমি একটু অভিমান কন্ঠে  বললাম )  

> হুম আমরা পচা হইছে এখন  আর কথা কইসনা  ( গার্ড বললো ) 

কি আর কমু এত কইরা কইলাম তবুও একটু মায়া হইলো না   দারান  মাইর খাওয়ার আগে এদের একটু বকা দিয়ালই আপনেরা গিয়া আবার কইয়া দিয়েন না কিন্তু । শয়তান, বান্দর, বিলাই, তেলাপোকা, লেবু, ।  হালার গার্ড এর মন মনে হয় ইসটিল দিয়া বানাইছে তাই কোনো কথা শুনলো না । ছাড়লো না । তারপরে নিয়ে গোলো মায়ার কাছে গিয়া তাকাই দেখি রাগে একে বারে ফায়ার হইয়া আছে মুখটা একে বারে  টমেটোর মতো লাল হইয়া আছে আর রাগে ফুপাচ্ছে যাওয়া মাএ  একটা হাত দিয়ে কলারটা দরলো মায়া আর এক হাতে হকইস্টিক  তখন মায়া বলতে লাগলো।।।

> মেয়েদের সাথে ঘুরবার খুব শখ তর  তাই না তকে কত বার না করলাম অন্য কোনো মেয়ের সাথে ঘুরবি না এমনকি কোনো কথাও বলবি না তবুও তুই কথা শুনলি না উলটা ফেসবুক এর মাজে ছবি আপলোড দিছিস আজ তর মেয়ে নিয়ে ঘুরা ফেসবুক এর মাজে ছবি আপলোড করা বের করবো আমি এখন ( মায়া রাগি গলায় একদমে বললো ) 

> আরে শুনো...........( আর কিছু বলতে দিলো না।)

 ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দিলো আর হকইস্টিক দিয়ে মারতে লাগলো আর বলতে লাগলো ।। 

> যত কিছুই করিস না কেন ভালবাসি ভালবাসবো।  আমায় তর মন না দিলে এমনি পাগলামো  করতে থাকবো ।  কষ্ট দিবি সয্য করে ঠিক মানিয়ে নিবো নিজেকে। অভিমান করবি ঠিক করে নিবো বুজিয়ে। ভালো না ভাসবি ভালবাসা ঠিক আদায় করে নিবো ভালবাসা দিয়ে ।  কিন্তু অন্য মেয়ে নিয়ে ঘুরবি সেটা কোনো দিন সয্য করবো না আমি।   ( মায়া মারতে মারতে বললো )  

  এই বলে ১০ মিনিট হকইস্টিক দিয়ে মারার পর থামলো  কিছু যায়গায় কেটে রক্ত বের হচ্চে মাথায় কোনো আগাত পাইনি তবে এই শিশু শিশু হাড্ডি সব মাইরা তেরা কইরা লাইছে।।

> ওরি মা হাড্ডি গুড্ডি সব মাইরা তেরা কইরা লাইছে এই শিশু পোলার।  এই মাইয়া পুরাই রিনাখান নাহ রিনাখান ও ফেল করবো এর সাথে একে বারে দজ্জাল  আবার কয় এরে মন দিতাম কখনো দিতাম না মন ( আমি মাটিতে শুয়ে মনে মনে বলছিলাম)

মায়ার দিকে তাকিয়ে দেখি একটু দূরে গিয়ে নিচের দিকে তাকিয়ে কাদছে পাশেই তাকিয়ে দেখি ডাক্তার আর দুটি নার্স দারিয়ে আছে।।

> যাহহ বাবা ডাক্তার আসলো কেন তাহলে কি আমার কিডনি দুটি বেচে দিছে রাগ করে ডাক্তার এর কাছে।  না এটা হতে পারে না কত আসা কত স্বপ্ন কইরা রাখছি কিডনি দুইটা নিয়া। বিয়ের পর আমার পোলাপাইনরে আইফোন কিনা দিমু  বিক্রি কইরা  ( মনে মনে আমি )

তখন ডাক্তার আমার কাছে আসলো আর নার্স দুটি তারপরে দরে আমায় এম্বুলেন্স এর বিতরে  নিয়ে গিয়ে ডাক্তার  চাকু বের করলো তখন আমি বললাম।

> ডাক্তার আমার কিডনি দুইটা  নিয়েন না আমার বিয়ের পর আমার পোলাপান গুলোকে আইফোন কিনা দিমু এইটা বিক্রি কইরা নিয়েন না গো ডাক্তার আমার কিডনি দুইটা ( আমি বললাম)  

ডাক্তার আমার কথা শুনে হাসতে লাগলো আর বললো 

> যা জোকস শুনাইলা  অনেক দিন পর এমন জোকস শুনলাম  আমরা কিছুই নিবো না আইফোন কিনা দিও তোমার পোলাপান গুলোকে  সমস্যা নাই আমরা সুধু কেটে যাওয়া যায়গায় গুলো ভালো করে পরিষ্কার করে দিবো নয়তো পরে সমস্যা হতে পারে ( ডাক্তার বললো)  

তারপরে ডাক্তার কোথাও বেঙ্গে গেছে নাকি চেক করে রক্ত পরিষ্কার করে মায়ার কাছে গিয়ে বললো।

> সব ঠিক আছে সুধু একটু কেটে গেছে আর ব্যাথার কিছু ঔষধ লিখে দিয়ে যাচ্ছি এতগুলো খেলে ঠিক হয়ে যাবে ( ডাক্তার বললো )

> আচ্ছা ঠিক আছে  লিখে ওই ছেলেটির ( জাহিদ কে দেখিয়ে)  কাছে দিও আমি আরেকটু  শাস্তি দিয়ে আসি চাকুটা দেও তো  কিছুখন এর জন্য ( মায়া বললো )

> হায়রে কেন যে এদের মাজে পড়লাম আমি  মারছে একজন আর ঔষধ আনতে হবে আমায় নিজের টাকা দিয়ে পুরা কপাল ( জাহিদ মনে মনে বললো )  

> যেই মাইর খেয়েছে  এতেই হবে আর মারিস না। চাকু দিয়ে কি করবি ( ডাক্তার বললো ) 

> কাজ আছে লাগবে এখন।। ( মায়া) আমি দেখবো আজ কি করে আমায় মন না দেয় মন আজ কে নিয়েই ছাড়বো ( মায়া মনে মনে বললো ) 

তারপরে চাকু নিয়ে পকেট এর ভিতরে রাখলো আমি শুয়া থেকে কষ্ট বসেছিলাম মাএ  তখন মায়া এম্বুলেন্স এর ভিতরে গিয়ে আমার পাসে বসলো আমিও মন খারাপ করে বসে আছি কি করবো কিছুই তো বলতে পারবো না যেই দজ্জাল এমনিতেই ব্যাথায় হাড্ডি গুড্ডি সব কানতাছে তাই কিছু কইলাম না হঠাত  মায়া দুইহাত দিয়ে  আমার মাথায় দরলো আর গালে কামর দিয়ে দরলো। কন তো কেমনডা লাগে এত মাইরাও শান্তি হয় নাই। 

> ওরি মা কি করতাছে ছাড়েন এটা আপেল না আমার গাল ব্যাথা পাইতাছি প্লিজ ছাড়ো( আমি বললাম )  

তখন কামর ছেড়ে দিয়ে বললো।

> না ছাড়বো না তুই আমায় অনেক কষ্ট দেস ( মায়া এই বলে আবার কামর দিয়ে দরলো )  

> আরে ছাড়ো যেই মাইর দিছো এখনো সারাটা সরিল ব্যাথা করতাছে  প্লিজ ছেড়ে দেও ( আমি বললাম।)

> অনেক ব্যাথা পাইছো ( কামর ছেড়ে দিয়ে মায়া আমার চোখে চোখ রেখে করুণ গলায় বললো )  

> ওরি মা এখনো ব্যাথা করতাছে যেই মাইর দিয়েছো  এমনিতেই শিশু মানুষ তারপরে আবার শিশু শিশু হাড্ডি সব মনে হয় ভাইঙ্গা গেছে ( আমি কান্না ভাব নিয়ে বললাম )

> তাইলে তুমি অন্য মেয়ে নিয়ে ঘুরো কেন যানো না আমি তা একদম সয্য করতে পারি না  খুব ভালবাসি তো তোমায় তাই এত কষ্ট ( মায়া করুণ গলায় বললো)

> আরে সে মেয়ে আমায় ভাইয়া বলে ডাকলো তাই ছবি তুলতে চেয়েছে তুলতে দিয়েছি আচ্ছা আমি আবার কখন তোমায় কষ্ট দিলাম এটা বলো ( আমি বললাম)

> কষ্ট দাওনি  মানে অনেক কষ্ট দিয়েছো রাতে ঘুম কেরে নিয়েছো। এখন ঘুমাতে পারছি না।  আমার মন কেরে নিয়েছো। এখন তোমার মন আমায় দিচ্ছো না সুধু কষ্ট দিতেছো আজ তোমার মন আমায় দিতে হবেই দাও আমায় তোমার মনটা দাও ( মায়া বললো) 

> নাহ আমার মন দিমু না তোমায় ( আমি বললাম)

> দেখ মাথা গরম করাস না এখন আমার  ভালো করে বলতাছি তর মনটা আমারে দে আমারে এখন না দিলে কিন্তু খুব খারাপ হবে  ( মায়া বললো)  

> তুমি যা খুশি করো আমি আমার মন দিমু না ( আমি বললাম)

> দিবিনা তাইলে তর মন আমারে ( মায়া বললো )

> নাহ দিমু না ( আমি বললাম )

 মায়া শাটের কলারটা দরে এম্বুলেন্স এর  সিট থেকে নিচে টান দিয়ে  শুয়ালো তারপর বুকের উপর বসে গলায় চেপে  দরলো আর বললো।

> দে কইতাছি তর মন কোথায় লুকাই রাখছিস তাড়াতাড়ি দে নয়তো গলা চেপে মেরে ফেলবো ( মায়া রাগি গলায় বললো)

> নাহ দিতাম না জিবনেও ( আমি)

আচ্ছা আপনেরা কন তো এমন গুন্ডি মেয়ের কাছে কি  মন দেওয়া যায় দিতে ও ভয় লাগে যদি রাগের মাথায় আসাইরা মাইরা ফালায়।  হঠাত মায়ার ফোনটা বেজে উঠলো তখন ফোনটা লাউস ইস্পিকার দিয়ে সিটের উপর রেখে  বললো।

> হুম আব্বু বলো ( মায়া)

> কি করিস মা তুই এখন ( মায়ার আব্বু বললো)

> এই তো মন দিতাছে না বলে   গলা চেপে দরে আছি মনটা দিতে বলছি কিন্তু দিচ্ছে না শয়তানটা তোমার সাথে পরে কথা বলছি আগে মনটা নিয়া লই  ফোনটা কাটো ( মায়া বললো)

> আচ্ছা কাটতাছি ( মায়ার আব্বু ফোনটা কেটে দিলো)

তারপরে মায়া পকেট থেকে চাকুটা বের করে আমার শাট এর বুতাম খুলতে লাগলো তখন আমি বললাম।

> শাট এর বোতাম খোলছো কেন ( আমি বললাম)

> এই চাকু দিয়ে কেটে দেখবো কোথায় মন লুকাইছিস ( মায়া শাট এর বুতাম খুলতে খুলতে বললো)

> ওরি মা এই মেয়ে বলে কি পাগল হয়ে গেছে ( আমি বললাম)

> হুম এখন মন না দিলে তাই করবো এখন বল মন দিবি নাকি আমি চাকু দিয়ে কেটে খুজে বের করবো ( মায়া বললো)

এইবলে চাকু দিয়ে বুকে কাটতে যাবে তখন আমি বললাম

> দিতেছি দিতেছি থাক আর কেটে তোমায় বের করতে হবে না মন খুজতে হবে না ( আমি বললাম কি আর করমু কন তা ছাড়া আর কোনো উপাই নাই গুন্ডি মাইয়া চাকু দিয়া কাটতে চাইছিলো বুকটা )

> সত্যি কয়তাছো  তুমি ( মায়া)

> কি আর কমু  বাচতে হইলে এখন হা বলতেই হইবো পরে না হয় এই বেপারটা নিয়ে বোজমু এখন হুম বলেই দেই  ( মনে মনে আমি)

এদিকে আমার বোন আদিবা জাহিদ আসার খবর পেয়ে জাহিদ এর বাসায় আসছিলো  অনেক দিন হলো  জাহিদ কে দেখেনাই  সেটা বড় কথা না কথাটা হলো ফোনটার চার্জ শেষ তাই আসছিলো নিলিমা আপু দের বাসা থেকে কিছুটা দূরে জাহিদ এর বাসা হেটে হেটে আসছিলো তখন সামনে তাকিয়ে দেখে অনেক গুলো গারি আর অনেক গুলো লোক সেখানে দেখে  জাহিদ দারিয়ে আছে তখন দৌড়ে জাহিদ এর কাছে গিয়ে বললো।

> কেমন আছো ভাইয়া তুমি ( আদিবা)

> আরে আদিবা যে আমি ভালো আছি তুই কেমন আছিস ( জাহিদ বললো)  

> আমি ভালো আছি তুমি এসেছো  আমার সাথে দেখা করোনি কেন ( আদিবা)

> আমার সাথে কিছু লোক আসছে তাই সময় পাইনি ( জাহিদ)

> কে আসছে ওই শয়তান মেয়েটাও আসছে তোমার সাথে ( আদিবা)

> হুম আসছে আর ওই গারিটার ( এম্বুলেন্স দেখিয়ে)  ভিতরে আছে ( জাহিদ)

> দারাও ওই মাইয়ারে একটু মাইর দিয়া আসি এই আদিবার সাথে ঠেড লয় আজ দেখিয়ে দিবো আদিবা কি ( আদিবা)

> যাস না থাক ছেড়ে দে ওই মাইয়া তরে চিনতে ভুল করছে থাক ছেড়েদে এইবার এর মতো ( জাহিদ বললো)

> না কোনো ছাড়া ছাড়ি নাই আজ একে আমি মারবো ( আদিবা)

> সালার কোন হানে যামু এমন পিচ্ছি মাইয়া যাইতাছে এত বড় মাইয়ারে মারতে কি কমু আর যাহ তর ভাই কে মেরে হাড্ডি গুড্ডি সব তেরা করছে গিয়ে দেখ। ( মনে মনে জাহিদ)  

এই বলে জাহিদ এর কাছে একটা হকইস্টিক ছিলো সেটা নিয়া যেতে লাগলো এম্বুলেন্স এর কাছে গিয়ে আদিবা বললো।

> ওই শয়তান মাইয়া তুই বের হ গারি থেকে তুই না কইছিস আমারে পানিতে চুবাই মারবি আমি আইছি আয় এহন দেখি কেডা কারে পানিতে চুবাই ( আদিবা)

এদিকে

> কি গো কথা কও তাহলে এখন প্রপোজ করো ( মায়া )  

আমি কিছু বলতে যাবো তখন বাহির থেকে কেউ বলে উঠলো আবার । ( আপনার তো জানেন আমার বোন আদিবা) 

> কিরে শয়তান মাইয়া বের হ ভয় পাছিস নাকি ( আদিবা)

> কেডারে এমন রোমান্টিক টাইমে ডিস্টার্ব করতাছে তুমি শুয়ে থাকো আমি দেখে আসছি কে ( মায়া) 

এই বলে গারি থেকে বের হয়ে তখন মায়া বললো।

> কেডারে তুই সামনে আয় শয়তান মাইয়া আমি না তুই সামনে আয়। বুজাইতাছি  ( মায়া)

> এইজে আমি তরে  বলছি শয়তান মাইয়া ( আদিবা) 

 তখন আদিবা সামনে তাকিয়ে দেখে তার চেয়ে বড় মেয়ে শাট প্যান্ট পরা দেখে ভয় পেয়ে গেলো আর মনে মনে বলতে লাগলো ।

> বাবারে  বাবা এই মেয়ে তো আমার চেয়ে বড় এতো আমায় পানিতে এমনিতেই চুবিয়ে মারতে পারবো  বলেছিলো বালটিতে চুবাই মারবো  আম্মু বাচাও কোথায় তুমি  ( আদিবা মনে মনে)

বানান গুলো ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন।

পরের পর্ব আগামীকাল রাত ১১ টায় দিবো

অপেক্ষায় থাকুন তারপরের পর্ব জন্য
Post a Comment (0)
Previous Post Next Post