গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে পর্ব : ৮ + ৯


 গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে
পর্ব : ৮ 
লেখক : নিরব আহমেদ কাওছার
......................................................................
...................................................................
................................................................
.............................................................
..........................................................
.......................................................
....................................................
..................................................
...............................................
............................................
.........................................
......................................
....................................
.................................
..............................
...........................
.........................
.......................
.....................
...................
.................
...............
.............
...........
.........
.......
.....
...
..
.

> আব্বু আমারে লাঠিটা দেও তো আমি কিছুখন মাইরা লই এখন ( আদিবা আমার বোন বললো)  

> তুই আবার মারবি কেন ( আম্মু বললো )  

> তোমার ছেলে মিথ্যুক শয়তানটা আমারে বলে গিয়েছে ফুচকা মামার কাছে নাকি বলে গেছে ফুচকা খেতে দিবে টাকা ছাড়া অথচ ফুচকা মামা চিনেই না ভাইয়া কে।  চকলে এর দোকানে বলে গেছে প্রতিদিন একটা করে চকলেট দিতে কিপটা ভাই কোথাকার এত বড় পেটে একটা চকলেট যাবে কি করে বলো।  দেও আমি কিছুখন মেরে নেই এখন ( বোন বললো)  

>  আরে বোন আর মারিস না তুই মারলে আর হাড্ডি গুড্ডি একটাও থাকবো না এই নে চকলেট তর পুরো এক পেকেট নিয়া আসছি তর জন্য ( আমি আসার সময় নিয়ে এসেছিলাম)

>  আচ্ছা তোদের ঝগড়া থামা। বাবা তুই গিয়ে ফ্রেস হয়ে আয় আমি খাবার দিচ্ছি তকে ( আম্মু  বললো )  

> আচ্ছা তুমি খাবার রেডি করো আমি ফ্রেস হয়ে আসছি ( আমি )  

এদিকে মায়া আমি আর জাহিদ যে হোটেলে থাকতাম মায়া সেখানে গিয়ে আমায় রুমে দেখতে না পেয়ে জাহিদ কে বলতে লাগলো  

> ওই আমার ঘুমের ট্যাবলেট কোথায় গেছেরে ( মায়া)  

> আপনার ঘুমের ট্যাবলেট কোথায় গেছে আমি কি করে বলবো আপনার বাসায় গিয়ে দেখেন  অথবা  ডাক্তার এর দোকানে আছে সেখান  থেকে কিনে নিয়ে যান আমরা ঘুম এর ট্যাবলেট খাই না   ( জাহিদ।)  

> আরে বোকা ওই ঘুমের ট্যাবলেট না আমার জানটার কথা বলছি কোথায় গিয়েছে ( মায়া)  

> ওহ এই কথা এটা আগে বললেই হতো। তাহলে ঘুমের ট্যাবলেট বলছিলেন কেন ( জাহিদ ).

> তাহলে কি বলবো শয়তানটা আমার মন কাইরা নিছে রাতের ঘুম কাইরা নিছে রাতে না দেখলে আর ঘুম আসে না এখন এই কথা  থাক আগে  বল কোথয় গেছে আমার জানটা ( মায়া ).

> বাড়িতে গিয়েছে দুইদিন এর জন্য ( জাহির বললো )  

> কিহহ বাড়িতে গিয়েছে তাহলে এখন আমার কি হবে (  মায়া )

> ঘুমের ঔষধ  খেয়ে ঘুমান ( জাহিদ বললো ) 

> ওই চুপ মেরে মুখ বেঙ্গে দিবো বাড়িতে গেছে তাহলে তুই বাধা দিলি না কেন ( মায়া )  

> যাহহ বাবা আমি বাধা দিবো কেন ও ওর বাড়িতে গেছে আমি  বাধা দিয়ে কি করবো  ( জাহিদ বললো)  

> তবুও  তুই  বাধা দিলি না কেন  এখন আমি ঘুমাবো কি করে ( মায়া  মন খারাপ করে বললো।)  

>.............. ( জাহিদ  চুপ করে আছে )  

> আচ্ছা ফোন নাম্বার দেতো তাহলে সারা রাত কথা বলবো  ( মায়া )  

> আপনি এখনো ফোন নাম্বারটা নিতে পারলেন না হা হা হা আবার আসছেন প্রেম করতে যা বললেন ( জাহিদ বললো )  

> দেখ এখন রাগ উঠলে কিন্তু তরে মেরে বালি চাপা দিয়ে যাবো ফোন নাম্বারটা দে ( মায়া )

> এখন আমার কাছে মোবাইল নেই ফোন নষ্ট হয়েগেছে তাই ঠিক করতে দিয়েছি সিমকাড গুলো রাকিব এর কাছে আছে আমি আপনাকে সকালে নিয়ে দিবো কলেজে ( জাহিদ বললো ) 

> সালা তুই  কেনো কাজের না তরে এখন না মারলে আমার শান্তি হবে না ( মায়া ) 

 এই বলে জাহিদ কে মারতে লাগলো মার খাওয়া অবস্তায় জাহিদ বললো

> মেডাম আর মাইরেন না আরেক জন এর রাগ আমার উপর দেখাচ্ছেন কেন  প্লিজ আর মাইরেন না ( জাহিদ বললো ) 

> আচ্ছা ঠিক  আছে আর মারবো না এখন বল ঘরে কোনো ছবি আছে আমার জানটার ( মায়া)  

> নাহ একটা ছিলো সেটা কলেজে দিয়ে দিছে ( জাহিদ )  

> শয়তানটা কিছুই রাখেনি কি আছে তাহলে কিছুই রেখে যায়নি  ( মায়া ) 

> দুইটা শাট রেখে গেছে আর কিছু নাই ( জাহিদ )  

> তাহলে শাট দুটো দে আমায় এটাতেই হবে  ( মায়া )  

তারপরে শাট দুইটা দিয়ে দিলো জাহিদ মায়া শাট পড়ে চলে গেলো  তারপরে জাহিদ   বললো ।

> ওরি মা হাড্ডি গুড্ডি সব তেরা কইরা লাইসে মাইরা  শয়তান মাইয়া  কি গুন্ডি মাইয়ারে।  সালা নিরইবা তুই খালি বাড়ি থেইকা আয় তরে লেবু খাওয়াই মাইরা হালামু তর লাইগা আজ মাইর খাইতে হইছে আমায়  ( জাহিদ ) 

।। এদিকে।। 

আমি আমার রুমে চলে এলাম ফ্রেস হয়ে খাবার খাওয়ার জন্য চলে গেলাম খাবার খাওয়ার সময় আব্বু বললো।

> শুন তকে  নিলিমা একটু তাড়াতাড়ি যেতে বলছে সকালে তকে ( আব্বু )  

> কেন যেতে বলছে  কেন আমায় আমি এত তাড়াতাড়ি গিয়ে কি করবো ( আমি বললাম।)  

> সেটা আমি যানি না নিলিমা এসে বলে গেছে এত কথা বলার দরকার  নাই তর সকালে চলে যাবি  নিলিমা দের বাসায়। ( আব্বু ) 

> আচ্ছা ঠিক আছে যাবো ( আমি বললাম।)

তারপরে খাবার খেয়ে আমার রুম এর মাজে চলে এলাম ফোন এর দিকে তাকিয়ে দেখি চোখ বন্ধ করে আছে মানে ফোন বন্ধ হয়ে আছে ফোনটা চার্জ এর মাজে লাগিয়ে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম সকালে আম্মুর ডাকে ঘুম ভাঙ্গলো ফ্রেস হয়ে চলে গেলাম খাবার খেতে তখন আম্মু বললো

> নিলিমা দের বাসা থেকে এসে খেয়ে নিস যা আর নয়তো ওদের বাসা থকে খেয়ে নিস  তাড়াতাড়ি চলে যা তকে কিসের জন্য ডাকছে গিয়ে শুনে আয়। ( আম্মু  )  

> তাই বলে না খেয়ে যাবো নাকি ওদের বাসায় তুমি খাবার দাও আমি   খেয়ে যাবো  ওদের বাসায় গিয়ে চেয়ে খেতে পারবো না আমি কারো বাসায় বিনা দাওয়াতে গিয়ে খাই না ( আমি বললাম)  

> এহ বিনা দাওয়াতে খাই না কত দাওয়াত ছাড়াই খেয়ে এসেছিস তখন মনে ছিলো না এখন আসছে ভালো সাজতে ( আম্মু )  

 ইস মান ইজ্জত মাইরা লাইসে এই যে আপনেরা কিন্তু কিছু শুনতে পাননি 

> কিরে যা গিয়ে শুনে আয় ( আম্মু )  

> আচ্ছা যাচ্ছি না গিয়ে আর উপায় নেই ( আমি )  

তারপরে চলে গেলাম নিলিমা আপুর বাসায় গিয়ে দেখি অনেক লোক আসছে তাদের আত্মীয়-স্বজন সব আমি আনটির কাছে গিয়ে সালাম দিয়ে বললাম।

> কেমন আছেন আনটি ( আমি )  

> ভালো আছি বাবা তুমি কেমন আছো ( আনটি )

> জি আনটি ভালো আছি নিলিমা আপু কোথায়  ( আমি )  

> ওহ নিলিমা ওর রুমে আছে কতবার তোমায় ফোন দিয়েছে তোমার ফোন বন্ধ কেন যাও যলদি নিলিমা তোমার জন্য বসে আছে ( আনটি) 

> ইস ফোনটা বাসায় রেখে আসছি একটুও মনে ছিলো না নিয়ে আসতে ( মনে মনে আমি)

> আচ্ছা আনটি আমি যাচ্ছি ( আমি )  

তারপরে চলে গেলাম নিলিমার রুম এর সামনে  গিয়েদেখি এখানে ফ্রি সব নাইকি আছে কিন্তু নায়েক নাই আমি ঘরের বহির থেকে বললাম।

> নিলিমা আপু আসবো ( আমি)  

> হুম ভিতরে আয় এতে অনুমতি নেওয়ার কি আছে ( নিলিমা আপু )  

তারপরে বিতরে গিয়ে বললাম

> তুমি আমায় নাকি ডাকছো ( আমি নিলিমা আপুকে তুমি করেই সব সময় বলি ) 

> হুম ডাকছি একি তুই লুঙ্গি পড়ে আসছিস কেন ( নিলিমা আপু আমার দিকে তাকিয়ে দেখে  বললো).

> কেন তোমার বাসায় আসতে কি আমার সাজু গুজু করে আসতে হবে নাকি ( আমি )  

> সব সময় উল্টা কথা বলিস তুই লুঙ্গি পড়ে আসলি কি করে এত  আত্মীয়-স্বজন এর সামনে দিয়ে লজ্জা করলো না তর একটুও  ( নিলিমা আপু)  

> যাহহ বাবা লুঙ্গি পড়ছি এতে লজ্জা পাওয়ার কি আছে এখন এই আজাইরা কথা বাদদিয়ে বলো কিসের জন্য ডাকছো ( আমি )  

> তকে আমায় কিছু ফুল এনে দিতে হবে  ( নিলিমা আপু )

> ঠিক আছে টাকা দাও আমি এনে দিচ্ছি ( আমি ).

> তর সাথে আমার বান্ধবি শিমলা যাবে ও ঢাকা থাকে ওর সাথে যা আমি টাকা দিয়েছি ওর কাছে  ( নিলিমা আপু বললো )  

> নাহ আমি কোনো মেয়ে মানুষ নিয়ে যেতে পারবো না তুমি আমায় টাকা দেও  আমি এনে দিচ্ছি  ফুল ( আমি )  

> প্লিজ ওকে নিয়ে যা সাথে করে  না করিস না প্লিজ  ( নিলিমা আপু )  

> ঠিক আছে কোথায় তোমার বান্ধবি আসতে বলো (  আমি )  

> তুই গিয়ে  রেডি হয়ে আয়  ( নিলিমা আপু )  

তারপরে বাসা থেকে রেডি হয়ে এসে শিমলাকে সাথে নিয়ে চলে এলাম ফুল এর দোকানে রাস্তায় কথা বলতে বলতে এসেছি মেয়েটি খুব ভালো আমার চেয়ে ছোট নবম শ্রেণিতে পড়ে ফুল এর দোকানে গিয়ে সিমলা বললো।

> ভাইয়া চলো একটা সেলফি তুলি এই ফুল এর দোকানের সামনে ( শিমলা  বললো)  

ভাইয়া যেহেতু বলেছে তাহলে ভাই হিসেবে একটা ছবি তুলতেই পারি ছবি তুলে আমার থেকে একটু দুরে চলে গেলো শিমলা দেখলাম ফেসবুক এর মাজে সে ঢুকছে এই ছবিটা ফেসবুক এর মাজে আপলোড করছে সে  হঠাত মায়ার কথা মনে পড়ে গেলো কেন যানি তার পাগলামি গুলো কে মিস করছি আজ জানি না এটাকে কি বলে হয়তো তার মায়ায় আসতে আসতে পড়ে যাচ্ছি তারপরে ফুল গুলো কিনে নিলিমা আপুর কাছে  দিয়ে আসতে লাগলাম তখন বললো আরেকটু এখানে থাকতে যদি কিছু লাগে তাহলে আনতে হবে আমায় আমিও বসে রইলাম।।

।।

এইদিকে মায়া আজ কলেজে যায় নি বসে বসে ফেসবুক এর নিউজ ফিটে ঘুরা ঘুরি করছিলো তখন সামনে আমার আর শিমলার ছবি একসাথে দেখে রাগে ফোনটা একটা আছাড় দিয়ে ভেঙ্গে ফেললো তারপরে দৌড়ে গাড়িটা নিয়ে সোজা কলেজে চলে গেলো সোজা ক্লাসে গিয়ে জাহিদ কে নিয়ে আসলো আর বললো।

>  যলদি ফোন নাম্বার আর বাসার ঠিকানা  দে এখনি  ( মায়া রাগি গলায় বললো )  

> আরে শান্ত হন একটু অপেক্ষা করুণ দিচ্ছি  ( জাহিদ বললো)  

জাহিদ ফোনটা বের করতেই টান দিয়ে নিয়ে গেলো মায়া নিয়ে তার আব্বু কাছে ফোন দিলো বললো

> আব্বু তুমি এখনি কিছু গার্ড পাঠাও যলদি আর সাথে হকইস্টিক দিয়ে পাঠিও আজ ওর হাত পা সব ভেঙ্গে ফেলবো আমি ( মায়া রাগি গলায় বললো )  

বানান গুলো ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন।।

অপেক্ষায় থাকুন তারপরের পর্ব জন্য


গল্প : ডেঞ্জারাস রোমান্টিক গুন্ডি মেয়ে
পর্ব : ৯ 
লেখক : নিরব আহমেদ কাওছার
....................................................................
..................................................................
................................................................
..............................................................
............................................................
..........................................................
........................................................
......................................................
....................................................
..................................................
................................................
..............................................
............................................
..........................................
........................................
......................................
....................................
..................................
...............................
............................
.........................
.......................
....................
.................
...............
.............
...........
.........
.......
.....
...
..
.

এইদিকে মায়া আজ কলেজে যায় নি বাসায়  বসে বসে ফেসবুক এর নিউজ ফিটে ঘুরা ঘুরি করছিলো তখন হঠাত  সামনে আমার আর শিমলার ছবি একসাথে দেখে রাগে ফোনটা একটা আছাড় দিয়ে ভেঙ্গে ফেললো তারপরে দৌড়ে গাড়িটা নিয়ে সোজা কলেজে চলে গেলো সোজা ক্লাসে গিয়ে জাহিদ কে টেনে  নিয়ে আসলো আর বললো।

>  যলদি ফোন নাম্বার আর বাসার ঠিকানা দে। এখনি আমি  ওর বাসায় যাবো ওর হত পা সব ভাঙ্গবো   আজ  ( মায়া রাগি গলায় বললো )  

> আরে শান্ত হন একটু অপেক্ষা করুণ দিচ্ছি আর কি হয়েছে একটু বলবেন   ( জাহিদ বললো)  

> তকে যেটা বলছি তুই সেটা কর  ( মায়া রাগি গলায় বললো )  

তারপরে জাহিদ ফোনটা বের করতেই টান দিয়ে নিয়ে গেলো ফোনটা  মায়া ফোনটা নিয়ে তার আব্বু কাছে ফোন দিলো আর বললো

> আব্বু তুমি এখনি কিছু গার্ড পাঠাও যলদি আর সাথে কিছু  হকইস্টিক দিয়ে পাঠাও আজ ওর হাত পা সব ভেঙ্গে ফেলবো আমি ( মায়া রাগি গলায় বললো )  

> এইরে  আমার  পাগলি  মেয়েটি আজ এত খেপেছে কেন না যানি কার উপর দিয়ে আজ ঘূর্ণিযর যায় ( মনে মনে বললো মায়ার আব্বু) 

> মায়া মা আমার তুই মাথা ঠান্ডা কর কি হয়েছে বল আমায়  ( মায়ার আব্বু )  

> রাখো তোমার মাথা ঠান্ডা তোমায় যেটা বলছি তুমি সেটা করো তোমায় বলেছি  তাড়াতাড়ি গার্ড  পাঠাও আর সাথে হকইস্টিক দিয়ে পাঠাও এত কথা বলছো কেন  ( মায়া  রাগি গলায় বললো)

> আচ্ছা আচ্ছা এখনি পাঠাচ্ছি বাবারে বাবা কি সাংঘাতিক রাগি মেয়েরে আমার  ( মায়ার আব্বু ) 

তারপর পাচ মিনিট পর মায়ার কথা অনুযায়ী তার বাবা লোক পাঠিয়ে দিলো মায়া  গাড়িতে উঠার সময় জাহিদ বললো।

> মেডাম আমি তাহলে ক্লাস করি গিয়ে এখন আপনি যান  ( জাহিদ )  

>সালা তর ক্লাস করা আমি ভের করছি  গার্ড এখনি এইটার হাত পা সব ভেঙ্গে ফেল  ( রাগি গলায় বললো মায়া )

> মেডাম ক্ষমা কইরা দিন আর বলবো না গতকাল যে মাইর দিছেন এখনো এই শিশু শিশু হাড্ডি গুড্ডি সব কানতাছে চলুন আমি নিয়ে যাচ্ছি নিরব এর  বাসায় তবুও আর মাইরটাই দিয়েন না ( জাহিদ বললো )  

তারপরে গাড়িতে উঠে পড়লো মায়া আর জাহিদ কিছু দূর যাওয়ার পর জাহিদ   বললো।

> মেডাম যদি কিছু না মনে করেন তাহলে একটা কথা বলি ( জাহিদ ) ;

মায়া কিছু বললো না রাগি চোখে তাকালো ।। জাহিদ তাকিয়ে দেখে চোখ মুখ রাগে লাল হয়ে আছে তবুও ভয়ে ভয়ে জাহিদ বললো।

> মেডাম কি এমন হয়েছে যার জন্য এত রেগে আছেন বলবেন ( জাহিদ বললো )  

> ওর কত সাহস আমি না করে দিয়েছি কোনো মেয়ের সাথে যেন কথা না বলে  তারপরেও গিয়ে অন্য মেয়ে নিয়ে গুরে আর ফেসবুকের মাজে ছবি আপলোড দেয়  ওর মেয়ে নিয়ে গুরা বের করবো আজ  আমি হাত পা সব ভেঙ্গে ফেলবো ( মায়া বলছিলো )  

> বাবারে বাবা এই মাইয়া তো পুরাই রিনা খান এর মতো দজ্জাল নাহ রিনা খানও ফেল করবে এর সাথে দাড়ালে  কি ডেঞ্জারাস মেয়ে  এখন  কিছুই বলা যাবে না বললে কিজে করবে আমায় আল্লাহ জানে আর মেয়েটাই জানে  ( মনে মনে বললো জাহিদ )  

> একটা কাজ কর ফোন দে দিয়ে আমার কাছে দেহ তো কিছু খন বকা দিয়া লই তারপরে সামনে গিয়া হাত পা সব ভাঙ্গবো ( মায়া বললো )  

> আচ্ছা ফোন দিচ্ছি একটু অপেক্ষা করুন ( জাহিদ )  

> আল্লাহ এই ফোনটা যেন না ভাঙ্গে গতকাল ঠিক করেছি ফোনটা  এই শিশু ছেলের ফোনটারে তুমি এই দজ্জাল রিনাখান এর হাত থেকে রক্ষা কইরো 
।।সবাই আমিন কন   ( মনে মনে বললো জাহিদ ) 

এদিকে আমি সোফায় বসে ছিলাম তখন শিমলা এসে বললো।

> ভাইয়া চলেন আর কিছু ফুল নিয়ে আসতে হবে নিলিমা আপু বলেছে ( শিমলা বললো)  

> আচ্ছা চলো কিন্তু তোমার যেতে হবে না আমি নিজেই নিয়ে আসছি গিয়ে  ( আমি বললাম।)  

> প্লিজ ভাইয়া নিয়ে চলেন আমায় আমার এখানে ভাল লাগছে না বসে থাকতে আপনার সাথে একটু ঘুরে আসি গিয়ে নিয়ে চলেন আপনার সাথে প্লিজ ( শিমলা করুন গলায়  বললো )  

এমন বাবে বললো আর না করতে পারলাম না বাসা থেকে বের হয়ে যাচ্ছি ফুল কিনার জন্য পিছন থেকে আমার ছোট বোন ডাক দিলো আমি ডাক শুনে দাড়িয়ে গেলাম তারপরে কাছে এসে বললো।

> ভাইয়া তোমার ফোন এর লকটা খুলে দাও আমি একটু গেমস খেলবো  ( আদিবা আমার বোন।)  

> ঠিক আছে দেহ আমি লক খুলে দিচ্ছি ( আমি বললাম।)  

তারপরে ফোনটা নিয়ে লক খুলে বোনটার হাতে দিয়ে চলে গেলাম বোনটি ফোন নিয়ে বাসায় যাচ্ছিলো তখন ফোনটা বেজে উঠলো বোনটি দাড়িয়ে দাড়িয়ে বাবছে  ফোনটি দরবে কি না শেষ পযন্ত ফোনটি দরলো ওপাশ থেকে মায়া বললো ।

> ওই কুতা, বিলাই, বান্দর, হনুমা, ছাগল,  তুই।। মায়া আর কিছু বলতে পারলো না আমার বোন বললো।

> ওহ বুজতে পারছি কিন্তু আমরা তো কোনো পশু বিক্রয় করিনা আপনি অন্য যায়গায় চেষ্টা করুন রং নাম্বার  ( আদিবা বললো)  

> ওই তুই ফোন ধরছিস কেন তুই কেডারে ( মায়া বললো )  

> আমি তর নানি লাগিরে তুই কেডারে আগে বল (  আদিবা বললো )  

> আমি যেই হইনা কেন যার ফোন তুই তার কাছে দে ফোনটা ( মায়া )  

> এইটা আমার ফোন আমি আবার কার কাছে দিবো ফোন রাখ ফালতু মাইয়া কোন হানের ( আদিবা বললো।) 

এদিকে ফোনটা কেটে মায়া  জাহিদ কে ঘুসি দিয়ে মারতে লাগলো মায়া আর বলতে লাগলো। 
 

> সালা তুই অন্য যায়গায় ফোন দিয়ে আমার লগে ফাইজলামি করস তরে আজ মেরেই ফেলবো ( মায়া রাগি গলায় বললো )  

> মেডাম সব ঠিকিতো দেখে দিলাম আর ফোনটা দিন আমি কথা বলে দেখছি কে ফোন দরছে ( জাহিদ বললো )  

> সালা নিরইবা তরে একবার কাছে পাইয়া লই তর লাইগা সুধু শুধু মাইর খাচ্ছি তরে যদি না মাইর দিতে পারি আমি তাইলে আমার জাহিদ না রেখে জাম্বুরা রাহুম  ( মনে মনে বললো জাহিদ )   

তারপরে জাহিদ ফোন দিলো  আদিবা ফোন দরেই বলতে লাগলো।

> শয়তান মাইয়া তুই আবার কল দিছিস তরে সামনে যদি  পাইতাম তাইলে মাইরা হাত পা সব ভেঙ্গে ফেলতাম  তুই আমায় এখনো চিনিস না এই আদিবা কি   জিনিশ  ( আদিবা  বললো )  

> হায়রে কপাল ঠেড দেওয়া আর লোক পাইলি না  তুই যদি যানতি তাইলে  বুজতি এইটা পুরাই রিনাখান এই মাইয়া  ( জাহিদ মনে মনে বললো )  

> কি হইলো কথা  কি বন্দ হয়েগেছে নাকি ( আদিবা বললো )  

তখন মায়া  বললো জাহিদ কে ফোনটার যেন লাউস ইস্পিকার  বাড়িয়ে দেয়  ও  তাই করলো। আর বললো । 

> আদিবা আমি তোমার জাহিদ ভাইয়া ( জাহিদ বললো ) 

> ওহ তুমি তাহলে আগের মেয়েটি কে ছিলো একেবারে শয়তান মাইয়া একবার যদি  সামনে পাই তাইলে মেরে হাড্ডি গুড্ডি সব ভেঙ্গে ফেলতাম। ( আদিবা বললো )  

তখন মায়া বললো 

> শয়তান মাইয়া আমি না তুই তরে যদি একবার সামনে  পাই   তাইলে আমি বুজিয়ে দিবো এই মায়া কি জিনিশ তর হাড্ডি গুড্ডি সব ভাঙ্গবো   ( মায়া বললো )  

> তা আয় সামনে আয় তুই দেখি কে কার হাড্ডি গুড্ডি ভাঙ্গে তরে মারতে আমার একমিনিট এর ভেপার  ( আদিবা বললো )  

 এই বলে দুইজন ফোনে  ঝগড়া করতে লাগলো

>  হয়রে সালার কোথায় এসে পড়ালাম পিচ্ছি মাইয়া কি ঠেডলয় দেখছেন  বাবাহ যেখানে আমিও এতটা ঠেড দিতে পারিনা ( জাহিদ মনে মনে )  

> জাহিদ ভাইয়া তুমি এই মাইয়ারে উঠাইয়া পানির মাজে ফেলে দেও আর  পানিতে  চুবাইতে চুবাইতে মাইরা ফালাও। ( আদিবা বললো )  

> তরে আমি এক বালটি পানিতে চুবাই মারমু তুই খালি আমার সামনে আয়। ( মায়া  বললো।)  

মায়া কিছু বলতে জাবে তখন জাহিদ বললো।

> আরে মেডাম আপনি কি বাচ্চা মানুষ নাকি যে আপনি এই ছোট মানুষ এর সাথে ঝগড়া করছেন ( জাহিদ বললো)

> মানে এই মেয়ে ছোট মানুষ ( মায়া )  

> হুম ও হচ্ছে নিরব এর ছোট বোন ( জাহিদ)  

> যেই হোক না কেন আমার সাথে ঝগড়া করতে আসছে কেন ( মায়া )  

> আরে বাদদেন তো এই কথা।  আদিবা তর ভাই কোথায় গেছে ( জাহিদ )

> ভাইয়া তো দেখলাম একটা মেয়ের সাথে রিকশাই করে কোথায় যানি দুজন যাচ্ছে ( আদিবা বললো )

হঠাত জাহিদ শুনতে পেলে সাপের মতো কি জানি ফুপাচ্ছে জাহিদ মায়ার দিকে তাকিয়ে দেখে রেগে একদম ফায়ার হয়ে আছে আর ফুপাচ্ছে জাহিদ ফোনটা কেটে চুপ করে বসে রইলো।  তখন জাহিদ এর ফোনটা নিয়ে মায়া ফোন দিলো আর বললো ।

> ডাক্তার আংকেল আপনি কোথায় এখন ( মায়া ) 

> আমিতো হাসপাতালে আছি এখন কেন মা কিছু হইছে ( ডাক্তার)  

> হুম আপনি এই ঠিকানায়...............এখনি চলে আসেন আর সাথে আপনার ডাক্তারি সব জিনিশ নিয়ে আসবেন এখানে একজন এর চিকিৎসা করতে হবে ( মায়া বললো )

> আচ্ছা ঠিক আছে আমি এই এলাকাইয় আছি আর এই ......... হাসপাতালে আছি এখন কিছুখন এর মজে আমি এসে পড়বো  ( ডাক্তার বললো )  

তারপরে মায়া ফোনটা কেটে দিয়ে জাহিদ এর কাছে ফোনটা দিলো  তখন জাহিদ বললো।

> আপনি ডাক্তার কে কেন ফোন দিলেন বলুন তো ( জাহিদ বললো )

> ওকে মারার পর ডাক্তার লাগবে তাই বলেছি কারন পরে কিছু হয়ে গেলে আমি কি নিয়ে বাচবো  (  মায়া  বললো )  

> বাবারে বাবা কি মেয়ে দেখছেন ( মনে মনে জাহিদ)

তারপর এক ঘণ্টা পরে চলে এলে জাহিদ আর মায়া তারপরে সোজা আমাদের বাসায় চলে গেলো জাহিদ আর মায়া গিয়ে দেখে আম্মু উঠানে বসে আছে তখন মায়া বললো জাহিদ কে  ।

> ইনি কে বসে আছেন এখানে ( মায়া বললো )  

> নিরব এর আম্মু আর ওই যে গাছের নিচে বসে বসে যে ( আদিবা কে দেখিয়ে বললো ) ফোন চালাচ্ছে  পিচ্ছি সে তোমার সাথে ফোনে ঝগড়া করছে আর নিরব এর মনে হয় কোথাও গেছে ( জাহিদ বললো )  

> আচ্ছা গিয়ে দেখ এখন বাসায় আছে কি না আমি একটু পরে যাই মাথা এখন  অনেক ঘরম  পরে গিয়ে শাশুড়ি আম্মার সাথে কথা বলি ( মায়া বললো )  

।।। আমাদের বাসার সামনে দিয়ে কিছুটা যায়গায় ইট দিয়ে দেয়াল দেওয়া আছে আর মায়া একটু আড়ালে ছিলো আর সেখান থেকে সব দেখা যায়।।। 

> আচ্ছা ঠিক আছে। তারপরে আমার আম্মুর কাছে গিয়ে বললো ।  কেমন আছেন। আর কিছু বলতে যাবে তার আগেই  আম্মু দেখে বললো  ( জাহিদ )  

> আরে জাহিদ বাবা তুমি কখন আসলে আসো বসো তুমি কেমন আছো অনেক দিন পর তোমায় দেখলাম   ( আমার আম্মু বললো)  

> জি ভালো আছি।  আমি এখনি এসেছি নিরব কোথায় অনেক দরকার ছিলো ( জাহিদ  বললো )  

> ওহ ও তো নিলিমা দের বাসায় গেছে কেন কি হয়েছে।  তুমি বসো বাবা দাড়িয়ে আছো কেন  ( আমার আম্মু বললো )  

> আমি এসে বলবো এখন যাই ( জাহিদ বললো )  

> আচ্ছা যাও আবার এসো কিন্তু বাবা তুমি ( আমার আম্মু বললো )  

> আচ্ছা আসবো আবার কিছুখন পরেই ( জাহিদ বললো)

তারপরে মায়ার কাছে গিয়ে বললো সব নিলিমা দের বাসায় গিয়ে শুনতে পেলো আমি ফুল আনতে গিয়েছি মায়া গিয়ে বাসার থেকে কিছুটা সামনে রাস্তার এক ছাইটে একটা ফাকা যায়গা আছে সেখানে গিয়ে গারিটার উপরে বসলো সোজা রাস্তা তাই অনেকটাই পথ দেখা যায়।

 এদিকে আমি আর শিমলা রিকশা দিয়ে আসছিলাম দুইজন একি রিকশায় হাতে গোলাপ ফুল নিয়ে যখন মায়ার থেকে একশত হাত দূরে আমি তখন মায়ার দিকে চোখ গেলো দেখি চোখ মুখ টমেটোর মতো লাল হয়ে আছে আর রাগে ফুপাচ্ছে মনে হচ্চে আজ আমায় কাচা চিবিয়ে খাবে দরতে পারলে পাশে তাকিয়ে দেখি জাহিদ আর অনেক গুলো গার্ড নিয়ে আসছে মায়া জাহিদ চোখের ইসারায় বলছে পালা যলদি আমিও বুজে গেলাম আজ আমি শেষ রিকশা থেকে লাফ দিয়ে দৌড় দিলাম আর বলতে লাগলাম।

> বাবা আজ তোমার শিশু পোলা শেষ দরতে পারলে ( আমি দৌড়াতে দৌড়াতে বললাম )  

এদিকে মায়া তার গার্ড দের বললো।

> গার্ড যলদি একে দরে আনো আমার কাছে যাও ( মায়া রাগি গলায়।)  

তারপরে গার্ড গুলো আমায় দৌড়িয়ে দরে ফেললো ওরা গার্ড দশ বারোজন একটার চেয়ে একটা কম দৌড়ায় না তারপরে আমার দরে নিয়ে আসছিলো মায়ার কাছে আমি বললাম।

> ওহ গার্ড কাকু তোমরা আমায় ছাইড়া দেও কাকু গো একটি বার ছাইড়া দেও এমন দৌড় দিমু আর খুইজা পাইবেন না  এই মাইয়া  আজ আর হাড্ডি গুড্ডি রাখবো না একটাও  আমায় দরলে ( আমি বললাম।)  

> নাহ তরে নিয়ে যাওয়ার ওডার আছে আমাদের তুই যতকিছু বলিস না কেন কোনো কাজ হইবো না ( গার্ড বললো )  

> ও গার্ড কাকু তোমাদের কি এই শিশুটার উপর একটুও দয়া মায়া হয় না ছাইড়া দেও গো গার্ড কাকু  ( আমি বললাম )  

কে শুনে আর কথা তারা নিয়ে গোলো মায়ার কাছে।  

বাকিটা পরের পর্বতে জেনে নিবেন আর সবাই দোয়া করবেন এই শিশু ছেলেটির জন্য

আবার দেখা হবে পরের পর্বটায় হাড্ডি সব শক্ত কইরা লই এখন মাইর খাওয়ার লাইগা। 

 যদি বানান গুলো ভুল হয় তবে ক্ষমা করে দিবেন

এই গল্পটির ভাবছি  12 অথবা 13 পর্বতেই শেষ করে দিবো এই গল্পটি 

অপেক্ষায় থাকুন তারপরের পর্ব জন্য
Post a Comment (0)
Previous Post Next Post