পর্বঃ ৬
লেখকঃ শাওন আহমেদ নীল
সবাই কফি খাবে বলল, দেন কফি খেয়ে আমি আর নিধী আপু বাসায় চলে আসি, বাসায় এসে আমি ফ্রেশ হয়ে লাঞ্চ করে ঘুমিয়ে পরি বিকেলে কলের শব্দে আমার ঘুম ভাঙলো, ফোন হাতে নিয়ে দেখি ইকরার ভাইয়া কল দিছে, দেন ফ্রেশ হয়ে ইকরাম ভাইয়ার সাথে মার্কেটে চলে যায়,। মার্কেট থেকে আসতে আসতে রাত নয়টা বেজে গেছে। বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে নর্মাল ড্রেস পরে, আমি নিধী আপুর রুমে চলে গেলাম। দেখি আপু গল্পের বই পড়ছে।
আমিঃ আপু
নিধীঃ ফোন বন্ধ কেন তর?
আমিঃ চার্জ শেষ
নিধীঃ জানিস আমি কতো টেনশনে ছিলাম।
আমিঃ স্যরি
নিধীঃ স্যরিতে হবে না,
আমিঃ কি করতে হবে?
নিধীঃ ওইযে প্রিয়া বলল তুই কি করে, আমার রাগ ভাঙাস।
আমিঃ এসব রাখো একটা ইম্পর্ট্যান্ট কথা আছে।
নিধীঃ কি কথা?
আমিঃ আজকে আব্বুকে বলবা যতো তারাতাড়ি সম্ভব আমাদের এনগেজমেন্টের ব্যবস্থা করতে।।
এই কথা শুনার পরে নিধী আপু শুয়া থেকে উঠে এসে, আমাকে জড়িয়ে দরলো। জড়িয়ে দরেই আমাকে কিস করতে শুরু করলো,।
আমিঃ কি করছো কি।
নিধীঃ আজকে হঠাৎ করে কি হলো তর?
আমিঃ আমার আবার কি হবে।।
নিধীঃ তাহলে এনগেজমেন্ট এর জন্য যে রাজি হয়ে গেলি।
আমিঃ এতো কিছু জেনে তুমি কি করবে?
নিধীঃ জানার আগ্রহ আছে বিদায় ই বলছি।
আমিঃ তুমি এতো করে বলছ, তাই তোমার কথা টা রাখার জন্য,।
নিধীঃ সত্যি
আমিঃ হ্যাঁ।
নিধীঃ ওকে তাহলে ডিনার করার সময় ই বলব।
আমিঃ ওকে , তাহলে আমি যায়।
নিধীঃ ইকরাম ভাইয়ার সাথে আজকে কোথায় কোথায় গিয়েছিলি??
আমিঃ শপিং এ , আর একটা রেস্টুরেন্ট বুক করে আসলাম।
নিধীঃ ওহ আচ্ছা।
এরপর আপুর সাথে আর কিছুক্ষন গল্প করে, আমার রুমে চলে আসলাম। রুমে এসে আমি গেম খেলা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম। কিছুক্ষন পড়ে নিধী আপু আমার রুমে আসলো। এসে আমাকে ডিনার করার জন্য নিয়ে গেলো, আমি আর আপু নিচে চলে গেলাম ডিনার করার জন্য, নিচে গিয়ে দেখি আব্বু আম্মু ড্রাইনিং টেবিলে বসে আছে।। আমরা গিয়ে টেবিলে বসলাম। আমরা খাওয়া শুরু করে দিলাম।
আমিঃ আব্বু আপু নাকি তোমাকে কিছু বলবে ।
আব্বুঃ কি বলবে মামনি?
নিধীঃ আসলে আব্বু আমাদের এনগেজমেন্ট টা সেরে ফেললে ভালো হতো।
আব্বুঃ আমি ত এটাই চাচ্ছিলাম, বাট নীল ত রাজি হয় না।
আমিঃ আব্বু আমার কোনো প্রবলেম নেই।
আব্বুঃ তিন দিন পরে বাসায় একটা পার্টি আছে ওইটা ত তোমাদের আগেই বলেছি, তাহলে সেদিন ই তোমাদের এনগেজমেন্ট হবে,।
আমিঃ ওকে আব্বু
রোমান্টিক + থ্রীলার + রহস্যময়ী + গোয়েন্দা টাইপের আরো গল্প পড়তে চাইলে আমাদের গ্রুফে জয়েন করুন।
গ্রুপের লিংক
https://www.facebook.com/groups/1623001364531757/?ref=share
এরপর ডিনার করে আমি আমার রুমে চলে আসলাম, রুমে এসে আমি ঘুমিয়ে পড়লাম, সকালে আপুর ডাকে আমাদের ঘুম ভাঙলো এরপর আমরা কলেজে চলে গেলাম, আপু কে কলেজে দিয়ে এসে জয় আর রানা কে নিয়ে ইকরান ভাইয়ার কাছে চলে গেলাম।। ইকরাম ভাইয়াকে নিয়ে আমরা একটা রেস্টুরেন্টে চলে গেলাম। রেস্টুরেন্টে এসে সব কিছু ব্যবস্থা করতে করতে দুপুর বারোটা বেজে গেলো।। আর এর সাথে জয় আর রানাকে আমার আর আপুর এনগেজমেন্ট এর কথা বলে দিলাম।।।। দেন আমরা কলেজে চলে গেলাম। কলেজে গিয়ে নিধী আপুকে টেক্সট করলাম সব ব্যবস্থা করা শেষ।।
এরপরে আমার ফ্রেন্ডদের কাছে চলে গেলাম। জয় রানা রাজু হিয়া আমরা ক্যন্টিনে বসলাম।
রানাঃ হিয়া তিন দিন পরে নীল আর নিধী আপুর এনগেজমেন্ট।
হিয়াঃ অভিনন্দন,
আমিঃ ধন্যবাদ
রাজুঃ আমাদের রেখেই বিয়ে করে ফেলবি?
আমিঃ তদের বিয়ে করতে না করছে কে?
রানাঃ আমাদের কপালে নাই ত।
এই কথা শুনে সবাই হাসতে লাগলাম,,, নিধী আপু কল করে আমাকে কলেজ মাঠে আসতে বলল। এসে দেখি প্রিয়া আপু নিধী আপু আরো বান্ধবীরা বসে আছে।
আমিঃ কি হয়েছে আপু?
নিধীঃ আমাদের এনগেজমেন্ট ডেট ফাইনাল হয়েছে বিদায়, আমরা যে একটা পার্টির ব্যবস্থা করছি ওইখানে নাকি প্রিয়া যেতে পারবে না।
আমিঃ প্রিয়া আপু যাবে না কেন?
প্রিয়াঃ আজকে আমার মনটা একদম ভালো নেই।
আমিঃ এটা বললে হবে না সবার ই উপস্থিত থাকতে হবে।
নিধীঃ আর প্রিয়া তর জন্য একটা সার্পাইজ ও আছে, ।
প্রিয়াঃ কি সার্পাইজ?
আমিঃ বলে দিলে ত আর সার্পাইজ থাকলো না।।
প্রিয়াঃ আসলে নিধী আজকে ইকরাম চলে গেছে, আজকে আমাদের রিলেশনের এক বছর পুর্ণ হলো, আজকর দিন টা অনেল স্পেশাল ছিলো, বাট ওর দরকারি একটা কল আসে আর ও চলে যায়।
নিধীঃ ও এর জন্য মন খারাপ, টেনসন করিস না পার্টিতে গেলেই সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে।
প্রিয়াঃ তাহলে রিয়া কেও বলি?
নিধীঃ ওকে বলার কোনো প্রয়োজন নেই।
প্রিয়াঃ ওইদিনের ব্যবহারে রিয়া অনেক লজ্জিত, এর জন্য বেচারি কলেজে আসে না।
আমিঃ আচ্ছা রিয়া আপু কে আসতে বলবে।
নিধীঃ তাহলে এখন আমি আসি আর প্রিয়া বিকেলে তকে ড্রপ করার জন্য তর বাসায় যাবো।
প্রিয়াঃ আচ্ছা
আপু হাটতে লাগলো, আমিও নিধী আপুর পিছন পিছন হাঠতে লাগলাম, আমরা গাড়ির কাছে চলে গেলাম। নিধী আপু গিয়ে ডিরেক্ট গাড়িতে বসলো ,
আমি ড্রাইভ করতে লাগলাম, বুঝলাম না আপু কথা বলছে না কেন? আবার কোনো বিষয়ে রাগ করলো নাকি?
আমিঃ আপু
নিধীঃ (চুপ করে আছে)
আমিঃ এই শুনো
এবার ও চুপ করে আছে।
আমিঃ কি কারনে রাগ করলেন জানতে পারি কি?
নিধীঃ তুই রিয়া কে নিয়ে আসতে বললি কেন?
আমিঃ আমাদের দেখবে আর জ্বলবে, এতে প্রবলেম টা কি,।
নিধীঃ তর যা ইচ্ছা কর, ।
এরপরে আমরা বাসায় চলে গেলাম। বাসায় গিয়ে আমি ওয়াশরুমে চলে গেলাম, ওয়াশরুমে গিয়ে শাওয়ার নিয়ে বাহিরে আসলাম। দুপুরে লাঞ্চ করে এসে আমি আর নিধী আপু আড্ডা দিতে লাগলাম,
দেন নিধী আপু আমাকে রেডি হওয়ার জন্য পাঠিয়ে দিলো।।। আর সাথে নীল পান্জাবী পড়তে বললো।।
আমি আমার রুমে এসে পড়লাম, রুমে এসে রেডি হয়ে নিধী আপুর রুমে চলে গেলাম,। নিধী আপু রুমে গিয়ে দেখি,। যা দেখলাম তা না হয় কালকেই শুনবেন।
#চলবে