পর্বঃ ৭
লেখকঃ শাওন আহমেদ নীল
এরপরে আমরা বাসায় চলে গেলাম। বাসায় গিয়ে আমি ওয়াশরুমে চলে গেলাম, ওয়াশরুমে গিয়ে শাওয়ার নিয়ে বাহিরে আসলাম। দুপুরে লাঞ্চ করে এসে আমি আর নিধী আপু আড্ডা দিতে লাগলাম,
দেন নিধী আপু আমাকে রেডি হওয়ার জন্য পাঠিয়ে দিলো।।। আর সাথে নীল পান্জাবী পড়তে বললো।।
আমি রুমে এসে আপুর যে ভাবে রেডি হতে বলছে আমি ওভাবেই রেডি হলাম। এরপর আমি নিধী আপুর রুমে আসলাম। রুমে এসে দেখি আপু শাড়ি পড়ার চেষ্টা করছে,। আমি নিধী আপুর সামনে গেলাম।
নিধীঃ একটু হেল্প কর প্লিজ।।
আমিঃ আম্মুকে পাঠিয়ে দেয়?
নিধীঃ এই সামান্য একটু কাজে আবার আম্মুকে
ডেকে আনতে হবে।
আমিঃ আমি ত শাড়ি পড়াতে পারি না।
নিধীঃ পড়াতে হবে না শুধু একটু কুঁচি টা দর।
আমিঃ আচ্ছা।
এরপর আমি নিধী আপুর শাড়ির কুচিটা দরলাম। দেন আপু শাড়ির আচল ঠিক করতে লাগলো। নিধী আপুর পেট দেখা যাচ্ছে। আমি তাকিয়ে আছি, খোব গভীর মনোযোগ দিয়ে দেখতেছি। নিধী আপুর পেটে একটা বাদামি কালারের তিল আছে, যা আমাকো আকর্ষিত করছে, কোনো ভাবেই চোখ সরাতে পারতেছি না৷ আমি কোনো কিছু না ভেবেই তিল টার উপরে একটা চুমু দিয়ে দিলাম।
নিধী আপু কেপে উঠলো, সে আমার মাথা শক্ত করে দরলো ,।
নিধীঃ কি করছিস কি?
আমিঃ স্যরি
নিধীঃ কিসের জন্য?
আমিঃ লোভ সামলাতে পারিনি, তাই চুমু দিয়ে দিছি।
নিধীঃ আরে বোকা স্যরি বলার কি আছে? তুই
যানিস না তর আদর গুলো আমার খোব ভালো লাগে।
আমিঃ শেষ কি শাড়ি পরা?
নিধীঃ হ্যাঁ শুধু কুচিটা দিয়ে দে।।
আমিঃ পারবো না।
নিধীঃ কেন? (ভ্রু কুঁচকে বললো)
আমিঃ তোমার শরীলে হাত লাগলে আমার কেমন জেনো লাগে, তাহলে বলো ওই যায়গায় হাত লাগলে কিভাবে নিজেকে কন্ট্রোল করব।
নিধীঃ তকে কে কন্ট্রোল করতে বলছে, আমি ত তর পরিপুর্ণ ভালোবাসা চায় , তর মাঝে নিজেকে বিলিয়ে দিতে চাই।
আমিঃ চাইলেয় কি সব কিছু হয় আর বিয়ের আগে এসব করা একদম উচিত নয়।
নিধীঃ বাহ্ পিচ্চিটা দেখা যায় অনেক বড় হয়ে গেছে, সব ই বুঝতে শিখে গেছে।।
আমিঃ হ্যাঁ সব ই বুঝি।
নিধীঃ আর আমাকে কষ্ট কি করে দেওয়া যায় সেটাও ভালো করে বুঝি।
আমিঃ আমি মুটেও তোমাকে কষ্ট দেয় না।।
নিধীঃ আচ্ছা এসব কথা এখন রাখ কুঁচিটা গুজে দে।
রোমান্টিক + থ্রীলার + রহস্যময়ী + গোয়েন্দা টাইপের আরো গল্প পড়তে চাইলে আমাদের গ্রুফে জয়েন করুন।
গ্রুপের লিংক
https://www.facebook.com/groups/1623001364531757/?ref=share
আমি আর কথা বাড়ালাম না, জানিই এখন হাজার বললেও কাজ হবে না, কুচিটা আমার ই দিয়ে দিতে হবে।।। আমি নিধী আপুর পেটে শাড়ির কুঁচিটা গুজে দিলাম। নিধী আপুর পেটের সাথে যখন আমার স্পর্শ হলো, তখন ফিলিং টা জোস ছিলো,।
সময় টা এখানে থেমে থাকলে ভালো হতো, কি আর করার সময় ত সময়ের নিয়মেই চলবে।।।
আমি উঠে দাঁড়ালাম নিধী আপু আমাকে জড়িয়ে দরলো,। আমিও শক্ত করে পাগলিটাকে জড়িয়ে দরলাম। অনেক ভালোবেসে ফেলেছি পাগলিটাকে,
যা হয়তো লিখে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
নিধী আপু আমার দিকে তাকিয়ে আছে, গভীর মনোযোগ দিয়ে আমাকে দেখছে, আমাকে দেখছে বললে ভুল হবে আমার ঠোঁটের দিকে তাকিয়ে আছে, নিধী আপু আস্তে আস্তে তার ঠোঁট দুটো আমার দিকে আগাতে লাগলো, নিধী আপুর ঠোঁটজোড়া কাঁপছে।একসময় নিধী আপু আমার ঠোঁটের সাথে তার ঠোঁট মিলিয়ে দিলো। খোব গভীব ভাবে চুমু খেতে লাগলো, এমন ভাব করতেছে মনে হয় অনেক দিনের ক্ষুদার্ত তার সামনে খাবার পেয়েছে। আমার ঠোঁট চুষেই যাচ্ছে ছারার কোনো নাম নেই,। আমার নিরীহ ঠোঁটজোড়ার উপরে অত্যাচার চলছে ত চলছেই থামার কোনো নাম ই নেই।।।।
আমার ফোনটা বেজে উঠলো, কলের শব্দে হয়তো নিধী আপু হুসে আসলো, দেন আমাকে ছেরে দিলো আমি পকেট থকে মোবাইল বাহির করে দেখি ইকরাম ভাইয়া কল দিছে।।
আমিঃ ভাইয়া বলেন।
ইকরামঃ কয় তোমরা কোনো খোজ খবর নেই ত,
আমিঃ ভাইয়া এখন আমরা বাসা থেকে বাহির হবো দেন প্রিয়া আপুকে নিয়ে আপনার ওখানে চলে যাবো৷।
ইকরামঃ একটু যা ফাস্ট করো, ওদিকে প্রিয়া কান্নাকাটি শুরু করে দিছে, আমি আজকের দিনে ওকে টাইম দেয় নি তার জন্য।
আমিঃ কিছু সময়ের মধ্যোই সব কান্নাকাটির ই অবসান ঘটবে ভাইয়া।।।
ইকরামঃ আচ্ছা তাহলো আসো,
আমিঃ ওকে।
ইকরাম ভাইয়া কল কেটে দিলো, নিধী আপু ও রেডি। দেন আম্মুকে বলে আমি বাসা থেকে বাহির হলাম। আমি গিয়ে গাড়ির সামনের দরজা খুলে দিলাম। আর বললাম বসেন মহারানী, নিধী আপু একটা মুচকি হাঁসি দিয়ে গাড়িতে বসে পড়লো।। আমি ড্রাইভ করতে লাগলাম, প্রিয়া আপুর বাসার সামনে গিয়ে গাড়ি দার করালাম। নিধী আপু আমাকে বসতে বলে ভিতরে চলে গেলো।। এই বাসার ভিতরে ডুকা আমার জন্য নিষেধ করে দিছে নিধী আপু।।
দেন আপু বাসায় চলে গেলো, আমি জয় রানা রাজু আর হিয়ার সাথে কথা বললাম ওরা সবাই পার্টিতে পৌছে গেছে৷। দেখতে দেখতে বিশ মিনিট হয়ে গেলো, বুঝলাম না আপু করছে টা কি এতোক্ষন সময় লাগে নাকি। আমি ফোন দিলাম।
আমিঃ আসো না কেন?
নিধীঃ প্রিয়া কে রেডি করতেছি।
আমিঃ প্রিয়া আপু এতোক্ষন কি করলো??
নিধীঃ জানিস ই ত ওর মনের অবস্থা টা।
আমিঃ আপু বোরিং লাগছে উপড়ে আসি আমি।
নিধীঃ একদম ই না।।
তখনি প্রিয়া আপু বললো, নীল আসো তুমি, ডিরেক্ট আমার রুমে আসবা। আমি ফোন টা কেটে দিলাম। আসলে বাসায় না যাওয়ার কারণ টা হলো, প্রিয়া আপুর ছোট বোন নেহা, ও নাকি আমাকে ভালোবাসে, পিচ্চি একটা মেয়ে সবেমাত্র ক্লাস নাইনে পড়ে।
আমি বাসার সামনে গিয়ে কলিংবেল দিলাম, ভাগ্যোর কি পরিহাস নেহা এসেই দরজা খুলে দিলো। আমাকে দেখে নেহার মুখে হাসিঁ ফুটে উঠলো, আমি নেহাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে প্রিয়া আপুর রুমে চলে আসলাম। নেহা ও পিছন পিছন রুমে আসলো, দেন প্রিয়া আপু দমক দিয়ে নেহাকে রুম থেকে বাহিরে পাঠিয়ে দিলো।।।
আমিঃ প্রিয়া আপু তোমাকে বলছিলাম বিকেলে যাবো ত তুমি রেডি হও নাই কেন?
প্রিয়াঃ যাওয়ার ইচ্ছা ছিলো না।
আমিঃ এটা বললে হবে তোমার জন্যই পার্টি তুমি যদি না যাও তাহলে কেমন হবে।
প্রিয়াঃ আমার জন্যো পার্টি মানে?
নিধীঃ ওইযে বলছিলাম না তর জন্য একটা সার্পাইজ আছে, তুই যদি পার্টিতে না যাস তাহলে সার্পাইজ দিবো কি করে, নীল এটা বলতে চাইছে তাই না নীল?
আমিঃ হ্য আপু ঠিক বলছো।
নিধী আপু বড় বড় চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। এখন ই মুখ ফসকে সব বলে ফেলছিলাম এসব বলে দিলে সার্পাইজ টাই ত থাকত না।।। দেন নিধী আপু প্রিয়া আপুকে অনেক সুন্দর করে সাজিয়ে দিলো।।। আমরা সবাই পার্টির উদ্দেশ্য রওনা দিলাম, বিশ মিনিট পরে আমরা পার্টিতে চলে গেলাম।। দেন গাড়ি থেকে নেমে আমি নিধী প্রিয়া আপু ভিতরে চলে গেলাম।।।
ভিতরে ডুকার সাথে সাথে ইকরাম ভাইয়া এক গুচ্ছ গোলাপ নিয়ে প্রিয়া আপুর সামনে বসে পড়লো, প্রিয়া আপুর মুখে হাসিঁ ফুটে উঠলো, এই সার্পাইজ টার জন্য প্রিয়া আপু একদম প্রস্তুুত ছিলো না ৷।
ইকরাম ভাইয়ার হাত থেকে প্রিয়া আপু ফুল গুলো নিলো, দেন ইকরাম ভাইয়া উঠে প্রিয়া আপু কে বোকে জড়িয়ে নিলো। প্রিয়া আপু কেঁদে দিলো,,
ইকরাম ভাইয়াকে মারতে লাগলো, আর অনেক কিছুই বলতে লাগলো,।
এখানে উপস্থিত সবাই আমরা হাসতে লাগলাম। প্রিয়া আপু লজ্জা পেয়ে ইকরাম ভাইয়ার বোকে মুখ লুকালো।।। রিয়া আপু দাড়িয়ে আছে, আমাদের দিকে করুন দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে, রিয়া আপু আমাদের দিকেই আসতে লাগলো,এটা দেখে নিধী আপু আমাকে নিয়ে অন্য পাশে দাড়ালো।।।।।।
রিয়া আপু এখানেও আসলো, তারপর রিয়া আপু এসে বলল যে,, যা বলল তা শুনে ত আমি অবাক হয়ে গেলাম,।
#চলবে
গল্পঃ রোমান্টিক হবু বউ
পর্বঃ ৮
লেখকঃ শাওন আহমেদ নীল
এখানে উপস্থিত সবাই আমরা হাসতে লাগলাম। প্রিয়া আপু লজ্জা পেয়ে ইকরাম ভাইয়ার বোকে মুখ লুকালো।।। রিয়া আপু দাড়িয়ে আছে, আমাদের দিকে করুন দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে, রিয়া আপু আমাদের দিকেই আসতে লাগলো,এটা দেখে নিধী আপু আমাকে নিয়ে অন্য পাশে দাড়ালো।।।।।। রিয়া আপু এখানেও আসলো, দেন বললো
রিয়াঃ নিধী প্লিজ আমাকে মাফ করে দে।
নিধীঃ (চুপ করে আছে)
রিয়াঃ দেখ এরকম আর হবে না, সেদিন আমার মাথা ঠিক ছিলো না,।
প্রিয়াঃ নিধী নিজেদের মধ্যো ঝামেলা টা মিটিয়ে নিলে ভালো হয়।
আমিঃ এতো করে যখন বলছে তাহলে মাফ করে দিতে পারো।।
নিধীঃ আচ্ছা ঠিক আছে, । দেখ রিয়া আমি সব ই সয্য করতে পারি বাট নীলের দিকে কেও নজর দিলে একদম ই সয্য করতে পারি না।
সবাই পার্টিতে ইনজয় করতে লাগলাম, ইকরাম ভাইয়া বললো কাপল ডান্স করতে হবে সবাইকে।
দেন আমরা সবাই অনেকক্ষন নাচলাম। পার্টিতে
আরো কিছু সময় কাটিয়ে আমরা বাসায় চলে আসলাম। অনেক টায়ার্ড লাগছে তাই এসেই ঘুমিয়ে পড়লাম। এভাবে দেখতে দেখতে তিনদিন হয়ে গেলো।। আজকে রাতের পার্টিতে আমার আর আপুর এনগেজমেন্ট টা হয়ে যাবে।। আস্তে আস্তে সন্ধ্যা হয়ে গেলো, আমার সব ফ্রেন্ড নিধী আপুর সব ফ্রেন্ড ই এসে উপস্থিত হলো। জয়, রাজু,রানা,
হিয়া আমার রুমে আসলো।।
হিয়াঃ কিরে এখনো রেডি হস নি?
আমিঃ হ্যাঁ হবো।
জয়ঃ মামা বিয়েটাও কি খোব শিঘ্রই করে ফেলবি নাকি?
আমিঃ আরে না।
আমরা সবাই আড্ডা দিতে লাগলাম, দেন নিধী আপু কল করে বললো তার রুমে যেতে।। আমি ওদের আমার রুমে বসতে বলে নিধী আপুর রুমে চলে গেলাম। গিয়ে দেখি প্রিয়া আপু রিয়া আপু আরো অনেকেই আছে।।
আমিঃ আপু বলো কি বলবা,
প্রিয়াঃ এখনো যে তুমি নিধী কে আপু বলো এটা কিন্তুু ঠিক না।
আমিঃ কি করব অব্যাশ হয়ে গেছে।।
রিয়াঃ অব্যাশ টা চেইঞ্জ করো।
আমিঃ আস্তে আস্তে চেইঞ্জ হয়ে যাবে।।।
আপু কিসের জন্য আসতে বললে?
নিধীঃ তরা একটু বাহিরে যা ওর সাথে আমার কথা আছে।
এই বলাতে সবাই বাহিরে চলে গেলো। নিধী আপু দরজা টা লক করে আসলো। এসেই আমাকে জড়িয়ে দরলো। আমিও জড়িয়ে দরলাম আপু কে। নিধী আপু আমাকে জড়িয়ে দরেই আছে ছারার কোনো নাম গন্ধ ই নেয়।।
আমিঃ রেডি হওয়া বাদ দিয়ে এসব কি শুরু করলে?
নিধীঃ আজকে অনেক খুশির একটা দিন।
আমিঃ হ্যাঁ
নিধীঃ তাই তকে ছারতে ইচ্ছা করতেছে না।
আমিঃ জড়িয়ে দরার অনেক সময় পাবে এখন ছারো। আর রেডি হও।
নিধীঃ কি পরব আজকে?
আমিঃ আম্মু যেইটা দিয়ে গেছে ওটাই পড়ো।
নিধীঃ ওকে।।
রোমান্টিক + থ্রীলার + রহস্যময়ী + গোয়েন্দা টাইপের আরো গল্প পড়তে চাইলে আমাদের গ্রুফে জয়েন করুন।
গ্রুপের লিংক
https://www.facebook.com/groups/1623001364531757/?ref=share
এই বলে আমি আমার রুমে চলে গেলাম, রুমে এসে রেডি হয়ে নিচে চলে আসলাম। এখানে আমার আত্মীয়স্বজনরা আব্বুর অফিসের স্টাফ
বড় বড় বিজনেসম্যান রা উপস্থিত হয়েছে। আব্বু আমাকে ডেকে নিয়ে অনেকের সাথেই পরিচয় করিয়ে দিলো। এরপর আমি আমার ফ্রেন্ডদের কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম।ওদের সাথে আড্ডা দিতে লাগলাম, জয় আমাকে ইসারা দিয়ে শিড়ির দিকে তাকাতে বললো, আমি তাকিয়ে দেখি নিধী নামছে,
উপরে থেকে নিচ পর্যন্ত ভালো করে দেখে নিলাম,।
অনেক সুন্দর করে সাজানো হয়েছে নিধীকে, নীল গ্রাউন,হাতে নীল চুড়ি, চোখে গাড়ো কাজল, একদম অপ্সরির মতো লাগছে আজকে নিধী আপুকে। নিধী আপু নিচে নেমে আম্মুর কাছে চলে গেলো।। আমি ইসারা দিয়ে আসতে বললাম বাট আমার কাছপ আসলোই না।
আব্বু বলতে লাগলো,।
আজকে পার্টিটার রাখার উদ্দেশ্য হলো, আজকে আমার একমাত্র ছেলের এনগেজমেন্ট। আপনাদের উপস্থিতি তে আমি সত্যিই ধন্য। সবাইকে ধন্যবাদ পার্টিতে এটেন্ড করার জন্য। আমার বড় ভাইয়ের মেয়ে নিধী মামনি কে আমি আমার ছেলের বউ হিসেবে ঠিক করেছি। ।।।
দেন আমাকে আর আপুকে আব্বু কাছে ডাকলো,
আব্বুর কাছে যাওয়াতে আমার হাতে একটা ছোট বাক্স তুলে দিলো, আমি খুলে দেখি ভিতরে একটা আংটি , এরপরে আমি নিধী আপুর হাতে আংটি টা পড়িয়ে দিলাম।। এরপরে করতালির মাধ্যোমে সবাই আমাদের অভিনন্দন জানালো,। এরপরে যে
যার মতো পার্টি এনজয় করতে লাগলো, আমি আমার রুমে চলে গেলাম গিয়ে নিধী আপু কে একটা টেক্সট করলাম এখনি রুমে আসো।।।
টেক্সট করার দু'মিনিট পড়েই নিধী আপু রুমে এসে উপস্থিত। আমি শুয়ে পড়লাম বিছানায়, নিধী আপু এগিয়ে এসে বললো, ঠিক আছিস ত তুই??
আমি নিধী আপু কে টান দিয়ে আমার উপড়ে ফেলে দিলাম।। আমি আপুর চোখের দিকে তাকিয়ে আছি, আপু ও আমার চোখের দিকে তাকিয়ে আছে।।। চোখে চোখে কথা বলছে।।
নিধীঃ আজকে হঠাৎ করে কি হলো?
আমিঃ তোমাকে দেখে আজকে পাগল হয়ে গেছি।
নিধীঃ তা কি শুধু দেখবিই, আমার আবার নিচে যেতে হবে।।
এই কথা বলাতে নিধী আপুর কপালে একটা কিস করলাম। আরেকটা গালে নিধী আপু আমার বোকে মুখ লুকালো। আজকে তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে,, অন্যদিনের তুলনায় অনেক সুন্দর।।
এরপরে কিছুক্ষন আপু আমার সাথে কথা বলে নিচে চলে গেলো।।। পার্টি শেষে যে যার বাসায় চলে গেলো, আমি রুমে এসে ঘুমিয়ে পড়লাম।
সকালে নিধী আপুর ডাকে আমার ঘুম ভাঙলো।
এভাবে কেটে গেলো অনেকগুলা দিন,। একদিন হঠাৎ করে নিধী আপু কান্না করতে করতে আমার রুমে আসলো, রুমে এসে আমাকে যা দেখালো তা দেখে আমি একদম অবাক হয়ে গেলাম,।।। নিধী আপু আমাকে ভুল বুঝলো, । ভুল বুঝার ই কথা।
#চলবে