গল্পঃ দুই বউয়ের রোমান্টিক অত্যাচার পর্ব🍂Romantic Love Story
পর্ব ঃ ১ম
লেখক ঃ আবির🍂ফারজানা🍂লিজা
ঘুমের ভিতরে অনুভাব করতেছি যে বউ আমার দুষ্টামি করতেছি ।আর বউটা আমার বুকের উপারে শুয়ে আছে।উহহ মনে হয় এখন আর ঘুমাতে পারবো যে হারে dustame করতে আছে। মনে হয় এখন আর ওর জন্য ঘুমাতেই পারবো না।হঠাৎ আমার ঠোঁটে সে কী কামর মনে হয় আমার ঠোট জোড়া আজ চিবিয়েই খেয়ে ফেলবে।
আবির ঃ আমি উঠে রাগি ভাবে ওর দিকে তাকালাম।
ফারজানা ঃ হি হি হি আর এতখন ঘুমাবে।কখন থেকে তোমাকে ডাকতেছি শুনো নী কেনো হুম।
আবির ঃ তাই বলে ঠোটে এমন ভাবে কামর দিবে। দেখেছো ঠোট থেকে মনে হয় চামর উঠে গিয়েছে।
ফারজানা ঃ উঠলে উঠুক আমার বরএর উঠবে তাতে তোমার কী।
আবির ঃ শারারাততো তোমার জন্য ঘুমাতেই পারি নী।
ফারজানা ঃ আর বকবা না তা হলে কিন্তু অয়্যা আয়্যা করে কান্না শুরু করে দিবো।
আবির ঃ আমি উঠে আমার আরাক পাগলি বউয়ের কাছে চলে যাবো এমন সময়।
ফারজানা ঃ তুমিতো লিজাই বেশি ভালোবাসো আমাকেতো একটুও ভালোবাসো না।
আবির ঃ আমি আবারও ফারজানা কাছে চলে আসি কী বললা।বিয়ের আগে আমি কিন্তু আগেই বলে দিয়েছি যে তুমি এসব কথা বলবা। আমি একদিন বলেছিনা আমি তোমাদের দুজনেকই সবান ভালোবাসি।
ফারজানা ঃ যদি আমাকে ভালোবাসো তা হলে আমাকে একটা পাপ্পি দিয়ে যাও।
আবির ঃ আমি গিয়েও গালে একটা পাপ্পি দিলাম আরও আমাকে একটা দিলো তার পরে আমি লিজার রুমে চলে আসি এসে দেখি ও ঘুমাতে আছি। তাই আমি ওকে ডাক দিতে লাগলাম।বউ বউ ও বউ এমন সময় ও আমাকে ওর বুকের উপারে টেনে শুইয়ে দিলো।
লিজা ঃ এখন কী আমার কথা মনে পড়েছে আর তোমার কাছে তো ফারজানা সব আমার কথাতো তোমার মনেই পড়ে না।
আবির ঃ আমি মনে হয় পাগল হয়ে যাবো এই কথাটা শুনতে শুনতে।
লিজা ঃ তুমি পাগল হলে আমি থাকবো কী করে।
আবির ঃ তা হলে এসব বলো কেনো।ফারজানা কে যে টুকু ভালোবাসি তোমাকেও সেই টুকুই ভালোবাসি একটু কম না আর একটু বেশিও না।
লিজা ঃ সরি সোনা আর বলবো না।তবে তুমি কী আসকে আমার সাথে ঘুমাবে।
আবির ঃ হুম আসকেতো তোমার সাথে ঘুমাতেই হবে।
লিজা ঃ কিছু কী খেয়েছো না কী খাবে।
আবির ঃ সকাল সকালইতো উঠেই আমি তোমার কাছে চলে এসেছি। আর আমরাতো সবাই একসাথেই খাবো তাই না।
লিজা ঃ হুম এখন ফ্রেস হতে যাও তার পরে অফিসে যাবা না।
আবির ঃ হুম অফিসে তো যেতেই হবে।
লিজা ঃ আমি আবির এর ঠোঁট একটা কিস করলাম তার পরে ওকে আমার বুকের উপার থেকে উঠিয়ে দিলাম।
আবির ঃ আমি ফ্রেস হতে চলে আসি এখন আসুন পরিচয় হয়েনী।আমি আবির শশুড়ের কম্পানিতে চাকরি করি।আর এই হলো আমার একটা বউ আর একটা বউ অন্যরুমে।একটার নাম হলো ফারজানা আর একটার নাম লিজা।আপনারতো ভাবছেন আমার এই দুইবউ জুটলো কী ভাবে। আসল কথা হলো আমি ওদের দুজনকেই প্ররাইভেট পড়াতাম।ওরা ছিলো চাচাতো বোন চাচাতো বোন ।তবে ওরা আমাকে দুজনেই লাইক করতো ওরা তখন inter 2nd এয় পড়তো আর আমি Master’s এয় তবে ওরা আমার নাম দড়েই ডাকতো কেনো করতো এটা আমি তখনও বুজতে পারি নী ওদের দুজনে বিয়ে করেছি এই ছয়মাস তবে দুজনে সব সময় মিলেমিশে থাকে।কোনো সময় রাগ করে না।এখন চলুন ছয় মাস আগে কী হয়েছিলো আমি প্রতিদিনের মতো ওদের আজও পেরাইভেট পড়াতে আসি।
ফারজানা ঃ এই তুমি এতো দেড়ি করে আসলা কেনো।
আবির ঃ কলেজে একটু কাজ ছিলো তাই লেট হয়েছে।
ফারজানা ঃ আমি ভাবছি আসকে হয়তো তুমি আর আসবে না।
আবির ঃ এর ভিতরে লিজা বলে উঠলো।
লিজা ঃ তোকে একদিন বলেছি না আবির এর সাথে তুই কম কথা বলবি।
ফারজানা ঃ আমি কথা বললে তোর কী কোনো সমস্যা না কী।
লিজা ঃ তুই ওর সাথে কম কথা বলবি আমি কিন্তু বলে দিলাম।
ফারজানা ঃ আমাদের মাঝে তুই আসিস না তাহলে কিন্তু তোর খবর করে ছাড়বো।
লিজা ঃ তুই কী করবি হ্যায় আমার চাচাতো চাচাতো বোনএর মতোই থাকিস ওকে।
আবির ঃ ফারজানা লিজা শুদু হয়ে গেলো চুলটানা টানি। আমি আর তোমাদের পড়াতে আসবো না আসকেই শেষ। আসকে তোমাদের আব্বু কাছে বলবো যে আমি আর পড়াতে আসতে পারবো না।
লিজা ঃসরি আমরা আর কিছুই করবো না।
ফারজানা ঃ আমি সরি তবুও আমাদের পড়ানো বাদ দিও না প্লিস।
আবির ঃ ঠিক আছে এখন তাড়াতাড়ি বই খুলে কালকের পড়াটা দাও। না দিতে পারলে আসকে হাতের চামরা তুলে নিবো।
ফারজানা ঃ পিটালে পিটাবা।আমি তোমার হাতে পিটানি খেতেও রাজি।
আবির ঃ তার মানে তোমাদের কারেই পড়া হয় নী।
ফারজানা ঃ হয়েছে।
আবির ঃ তা হলে বলো ওরা আমাকে পড়া দিতে লাগলো।ওদের দু জনেই পড়ালেখাতে ভালো তবে অনেক ফাজিল।আচ্চা পড়া তা হলে এই পযন্ত থাক আমাকে এখন বাড়িতে যেতে হবে।
লিজা ঃ আর একটু বসে থাকো না।তুমি পাশে থাকলে আমার ভালোই লাগে।
আবির ঃ আরো তো অনেক ছাএ ছাএীরে পড়াতে হবে।তাই এখন আমার জাওয়াটা জড়ুলি।
লিজা ঃ আসকেতো কিছু খেলা না কিছু খেয়ে যাও।
আবির ঃ প্রতিদিন খেতে হবে তেমন তেমন কোনো তো কথা না। পড়ে কোনো একদিন খেয়ে যাবো।
লিজা ঃ আচ্চা যাও তা হলে।আর অন্য কোনো মেয়ের দিকে তাকাতে যানো না দেখি তা হলে তোমার খবর আছে।
ফারজানা ঃ লিজা এখন যেতে দে আর ওকে তোর এতো অজ্ঞান দিতে হবে।ওই তুমি চাও তো।
আবির ঃ আমি ওদের বাড়ি থেকে বেড় হয়ে পড়লাম রাস্তা দিয়ে হারাতেছি আর ভাবতেছি।দুইওটাই ফালিজ মেয়ে।এমন ফাজিল মেয়ে আমি কোনো খানেও দেখি নী।আমি অন্য যায়গায় পড়াতে চলে আসি।
লিজা ঃ ফারজানা প্রাইভেট পড়ার সময় তুই আবির এর সাথে একটাও কথা বলবি না তা হলে তোর খবর আছে।
ফারজানা ঃ ১০০ বাড় বলবো তাতে তোর কী আর একটা কথা ভুলে যাবি না আবির কিন্তু শুদু আমার আর কারো নয়।
লিজা ঃ আমি ওকে ভালোবাসি তাই ও শুদু আমার তুই ওর হয়ে আর কথা বলবি না।
ফারজানা ঃ তা সময় হলেই দেখা যাবে ও কার।ওকে যদি আমি না পাই তাহলে কারোই হতে দিবো না।
লিজা ঃ কারোর হতে দেয়া লাগবে না আমার হতে দিলেই হবে।
ফারজানা ঃ তুই এখন লাথি খাইস না তার আরে এখান থেকে চলে যা।
লিজা ঃ দে পারলে লাথি দে দেখি তোর কতটা সাহস।
১০০ comment চাই next part এর জন্য তা হলে দিবো 😗😗