গল্পঃ দুই বউয়ের রোমান্টিক অত্যাচার পর্ব ২

 দুই বউয়ের রোমান্টিক অত্যাচার🍂Romantic Love story 
পর্ব ঃ ২য়

লেখক ঃ আবির🍂ফারজানা🍂লিজা

ফারজানা ঃ তুই এখন লাথি খাইস না তার আরে এখান থেকে চলে যা।

লিজা ঃ দে পারলে লাথি দে দেখি তোর কতটা সাহস।

ফারজানা ঃ কিছু বললাম না মাফ করে দিলাম।

আবির ঃ আমি সবাইকে পড়িয়ে আশার পরে বাড়িতে এসে পড়লাম।আজ অনেক ক্যালান্ত লাগতেছে। সব মাথা খারাপ কে দেয় ওরা দুই বোনে। এর ভিতর ফোন টা বেজে উঠলো তাকিয়ে দেখি ফারজানা ফোন।

ফারজানা ঃ কি করতেছো।

আবির ঃ এইতো শুয়ে আছি। কল দিলা কেনো কিছু কী বলার আছে।

ফারজানা ঃ ওই তুমি এতো ভাব দেখাও কেনো কল দিলে। কল দিয়েছি তোমার সাথে কথা বলার জন্য। 

আবির ঃ কী কথা বলো।

ফারজানা ঃ তুমি লিজার সাথে আর কথা বলবা না যদি বলো তা হলে তোমার খবর আছে।

আবির ঃ তুমি আমার ছাএী আর ও আমার ছাএী তাই ওর সাথেতো আমার কথা বলতেই হবে।

ফারজানা ঃ আচ্চা বইলো কথা আমি রাখলাম কল।

আবির ঃ এটা বলা মাএই ফোনটা কেটে দিলো। কেনো এই মেয়ে দুটো আমার পিছন লেগেছে তাই আমি কিছুই ভুজতেছি না।পরের দিন ওরেদ পড়াতে চলে আসি।

লিজা ঃ আসকে পড়ানোর পরে আমার সাথে একটু মার্কেটে যেতে পারবে।

আবির ঃ কেনো।

লিজা ঃ আমার কিছু শপিং করতে হবে তাই

আবির ঃ তোমার চাচাতো বোনকে নিয়ে যেও আমার অনেক কাজ আছে।

লিজা ঃ তুমি আমার সাথে যাবেতো যাবেই আর যদি না যাও তা হলে অন্য ব্যাবস্তাও নিতে পারি।

আবির ঃ কী করবে।

লিজা ঃ তা হলে আব্বুকে বলবো যে তুমি আমাকে শুদু শুদু পিটাইছো। আমি পড়া দিয়েছি তবুও আমার গায়ে হাত তুলেছো।

আবির ঃ কথাটা শুনে বোকা হয়ে গেলাম রাগি ভাবে ওর দিকে তাকিয়ে রয়েছি।

ফারজানা ঃ লিজা আবির তোর সাথে কোথাও যাবে না ওকে দরকার হলে আমি যাবো তোর সাথে।

লিজা ঃতোকে নিবো কেনো আমার সাথে।

আবির ঃ ওই আমি কিন্তু তোমাদের বই বেড় করতে বলেছি। এমন করলে কিন্তু আর পড়াতে আসবো না।

ফারজানা ঃ ইস কতো শখ পড়াতে আসবে না।একদিন না আসলে পুলিশ এর কাছে বলে আপনাকে দড়িয়ে দিবো।এমনিতেই তো যানো আমার মামা পুলিশ। 

আবির ঃ এতো যদি কথা বলতে থাকো তা হলে পড়াবো কী ভাবে।

ফারজানা ঃ আমরা পড়াতেছি এই বলে বই খুলে আবির কাছে দিলাম।আবির পড়াতেছে আর আমি শুদু ওর দিকে তাকিয়ে আছি কী সুন্দার চেহারা। আমার আর কাউকে দরকার নেই আমার শুদু ওকেই চাই।হঠাৎ দেখতে পেলাম লিজাও ওর দিকে তাকিয়ে আছে।তাই ওর কানে কানে গিয়ে বললাম।তুই আবির এর দিকে তাকাইছিস কেনো। আমি বলছি কিন্তু তুই নিচের দিকে তাকিয়ে থাক।

লিজা ঃ দরকার হলে তুই নিচের দিকে তাকা আমি তাকাতে যাবো কেনো হ্যায়।

ফারজানা ঃ ও আমার সব তাই তুই তাকাবি না ওকে।

লিজা ঃ বললেই হলো না কী।ওর সাথে আমি শারা জীবন কাটাতে চাই।

ফারজানা ঃ বললেই হলো না কী। তুই একদম আমার সাথে কথা বলবি না সাথে আবির এর সাথেও কোনো কথা নাই তোর।

লিজা ঃআমার ঠেকা পড়ছে তোর সাথে কথা বলতে যাবো।আর আবির এর সাথে আমি কথা বলবো না হয় অন্য কিছু করবো তাতে তোর কী।

আবির ঃ তোমরা পড়া না শুনে জড়গা শুদু করে দিছো কেনো। এমন করতে থাকলে আসকেই তোমাদের পড়ালেখা এখানেই শেষ।

ফারজানা ঃ আমরা তো পড়াশুনে আছি।

আবির ঃ আচ্চা আসকে তা হলে পড়া লেখা এখানেই থাক কালকে আবার আসবো।

ফারজানাঃ ঠিক আছে যাও তা হলে।

আবির ঃ আমি উঠে চলে যেতে যাবো এমন সময় লিজা বলে উঠলো।

লিজা ঃ বললাম না আমার একটু মার্কেটে যেতে হবে।

আবির ঃ তোমার বোনএর সাথে যাও।এটা বলে আমি উঠে গিয়ে হাটা শুদু করে দিলাম।রাস্তা দিয়ে দিয়ে হারতেছি এমন সময় ভুজতে পারলাম কে যানো কল দিয়েছে তাকিয়ে দেখি লিজার আব্বু তার রিসিপ করলাম।

লিজা- বাবা ঃ আসলামুআলইকুক।

আবির ঃ আলাইকুমআসলাম হুম আংকেল কিছু কী বলবেন।

লিজা- বাবা ঃ বাবা তোমার সাথে আর লিজার কী হয়েছে।যার জন্য বাড়ির সব কিছু ভেংগে ফেলেছে এখন দরজাটাও আটকিয়ে রেখেছে।

আবির ঃ তার পরে তাকে সব কিছু বললাম। বলেন আংকেল আমার আরো অনেক বাড়িতে পড়াতে যেতে হবে ওকে নিয়ে মার্কেটে যাবো কিভাবে।

লিজা - বাবা ঃ প্লিস বাবা ওকে নিয়ে একটু মার্কে যাও না হয় আসকে মনে হয় ওর আর দরজা খুলবে না।একটা মাএ মেয়ে তাই কিছু বলতেও পারি না।

আবির ঃ আচ্চা আমি আমাদের এখানে বিরিছ এর কাছে দাড়িয়ে আছি ওকে পাঠিয়ে দিন।

লিজা - বাবা ঃ ঠিক আছে পাঠিয়ে দিতেছি।

আবির ঃ ফোনটা কেটে দিলো আমি ওখানে বসে বসে ভাবতেছি। ওদের আর পড়াতে যাবো আসকেই লিজা কে বলে দিবো।একদিন কালও ওদের জন্য একটু আমার শান্তি নেই।কেনো ওরা এসব করে তা আমি কিছুই ভুজতেছি না। কিছুখন পরে দেখতে পেলাম লিজা রিসকা করে এদিকেই আসতেছে।

লিজা ঃ উঠে পড়ো।

আবির ঃ আমি উঠে পড়লাম। তোমার দুই বোনে আমার সাথে এমন কেনো করো।তোমাদের জন্য ভালো ভাবে অন্য জায়গায় পড়াতে যেতে পারি না।

লিজা ঃতোমার কোনো জায়গায় পড়াতে যেতে হবে না।আমাকে পড়াতে এসো তাতেই হবে।

আবির ঃ কালকে থেকে আর আসবো না পড়াতে।

লিজা ঃ যদি না আসো না হলে আমি সুইসাইট করবো তার পরে সেখানে তোমার নামটা লিখে রাখবো।

আবির ঃ আমি রাগি ভাবি ওর দিকে তাকিয়ে আছি।

লিজা ঃ আমার কিন্তু ভয় লাগতেছে আসতে তাকাও। কিছুখন পরে আবির চুপ হয়ে ওখানে বসে রইলো আর আমি পর পাশে বসে রয়েছি। আবির আমার কাছে আরো এগিয়ে বসো।

আবির ঃ এখানেই ঠিক আছি।

লিজা ঃ আমি ওকে একটানে আমার কাছে নিয়ে আসলাম তার পরে ওর হাতটা শক্ত করে দড়ে রাখলাম।

আবির ঃ লিজা হাত ছাড়ো।

লিজা ঃ বেশি কথা বলবা না যদি বেশি কথা বলো তা হলে জড়িয়ে দড়বো।আমাকে তুমি এখনো চিনতে ভুল করেছো।

আবির ঃআর কিছু বলা যাবো না এই মেয়ে যা খুশি সেটাই করতে পারে তাই আমি চুপ হয়ে বসে রয়েছি।

লিজা ঃকী হলো চুপ হয়ে থাকবা না কী কথাও বলবা।

আবির ঃ চুপ হয়ে থাকি।

লিজা ঃ কেনো চুপ হয়ে থাকবা হ্যায় ফারজানা হলেতো এতো খনে ভালোই বক বক করতে পারতা আনে।

আবির ঃ উহহ মাথাটা মনে হয় এখন খারাপ হয়ে যাবে।

লিজা ঃ আচ্চা আবির আমাকে তোমার কাছে কেমন লাগে।

আবির ঃ তুমি আমার ছাএী তাই স্যার এর কাছে ছাএী কোনো দিন খারাপ হতে পারে না ছো তুমি অনেক ভালো।  

Next Comming💔🥀
Post a Comment (0)
Previous Post Next Post