দুই বউয়ের রোমান্টিক অত্যাচার🍂 Romantic Love Story
পর্ব ঃ ৩য়
লেখক ঃ আবির 🍂ফারজানা🍂লিজা
আবির ঃ তুমি আমার ছাএী তাই স্যার এর কাছে ছাএী কোনো দিন খারাপ হতে পারে না ছো তুমি অনেক ভালো।
লিজা ঃ তাই। কিছুখন পরে মার্কটে এসে পৌছালাম। তাই দুজনে রিসকা থেকে নেমে পড়লাম। তারপরে কিছুখন হাটাহাটির পরে মার্কেট এর ভিতরে ডুকে পড়লাম।
আবির ঃ এখন তো হাতটা ছাড়ো।
লিজা ঃ কেনো ছারবো যদি ছাড়ি তা হলে তুমি যদি হারিয়ে যাও তাই এখন তোমার হাত ছাড়া যাবে না।
আবির ঃ লিজা এমন ভাবে হাত দড়ে থাকলে সবাই বাজে বাজে commment করতে পারে।
লিজা ঃ যে সালায় এসব বলবে তার হাত পা সব কিছু বেংগে গুড়িয়ে দিবো।
আবির ঃ আমি ওর সাথে আবার ও হাটা শুরু করে দিলাম কিছুখন পরে একটা দোকানে এসে পৌছালাম।
লিজা ঃ আসকে তুমি সব কিছু পছন্দ করে দিবে সেই গুলোই আমি কিনবো।
আবির ঃ তোমার তা তুমিই ভুজো। আর আমার পছন্দ তেমন ভালো না।
লিজা ঃ তুমি পছন্দ করিয়ে দিবে আর সেটাই আমি কিনবো।
আবির ঃ দোকান দার কে জামা বেড় করতে বললাম তার পরে।আমার পছন্দমতো কিছু শপিং করিয়ে দিলাম।কেনা কাটা তো অনেক হয়েছে চলো এখন বাড়িতে যাওয়া যাক।
লিজা ঃ তোমার এতো তাড়া কিসের বলোতো।কতো দিন দড়ে তোমার সাথে ঘুরতে চেয়েছি কিন্তু তোমার জন্য সেটা পারি নী।তাই আসকে অনেক জায়গায় ঘুড়বো।
আবির ঃ আসকে অন্য কোনো দিন আর বাড়িতে আমার অনেক কাজ আছে।
লিজা ঃ হবে না আমি সেটা বলেছি সেটাই করবে।
আবির ঃ লিজা একটু বুঝো প্লিজ সন্দ্যা নেমে এসেছে। এই সন্দ্যার সময় আমার একটা প্রাইভেট আছে।
লিজা ঃ আসকে কোনো খানে প্রাইভেট পড়ানো লাগবে না।
আবির ঃ আচ্চা চলো।
লিজা ঃ আমি আবারও আবির এর হাতটা আমার হাতের ভিতরে ডুকিয়ে নিলাম।ওর হাত দড়ে হারতে আমার ভালোই লাগতেছে মন চায় শারা জীবন ওর হাতটা দড়ে থাকি।আমি ওকে ছাড়া আর কাউকে চাই না।দুজনে হারতেছি আর কথা বলতেছি।অনেক খন অনেক জায়গায় ঘুড়লাম তার পরে আমারও রিকশায় উঠে বাড়ির দিকে রহনা দিলাম।কিছুখন পরে আবির নেমে পড়লো।
আবির ঃ আমি এখনো চলি আর আসকে সেটা পড়া দিয়ে এসেছি সেটা যানো কালকে পড়া হয়।
লিজা ঃ তুমি পড়া পড়া করো না তো। আমার পড়তে ভালো লাগে না মন চায় শারা দিন তোমার পাশে পাশে থাকি।
আবির ঃ মানে কী আর এসব কী দড়নের কথা।
লিজা ঃ তা তোমার বুঝা লাগবে না।
আবির ঃ কালকে যদি পড়া না হয় তাহলে আর তোমাকে পড়াবো না। সামনে তোমার পরিখা সেটা কী তোমার মনে আছে।
লিজা ঃ আছেতো আচ্চা যাও তা হলে।আর আমিও বাড়িতে যাই।
আবির ঃ ঠিক আছে যাও। আমি বাড়ির ভিতরে ডুকে পড়লাম। শুয়ে শুয়ে ভাবতেছি যে এই মেয়ে চায় ও সেটা চায় সেটা হয়তো কোনো দিনও সম্বব না। আমি এগুলো ভাবতেছি এর ভিতরে আম্মু আসলো আমার কাছে।
মা ঃ বাবা আসকে কী কাউকে পড়াতে যাইস নী।
আবির ঃ না আসকে লিজাকে নিয়ে মারর্কেটে গিয়েছিলাম।তাই লেট হয়ে গিয়েছে তাই যাই নী।
মা ঃলিজা মেয়েটা কিন্তু অনেক সুন্দার তোর সাথে ভালো মানাতো।
আবির ঃ আম্মু এসব তুমি কী বলতেছো।ও আমার ছাএী আর কিছু না।
মা ঃ আমি কী কিছু বলেছি।শুদুতো বলেছি ভালো মানাতো।
আবির ঃ আম্মু তুমি এখন এখান থেকে যাওতো।
মা ঃ খাবার খাবি না রাততো অনেক হয়েছে।
আবির ঃ হুম আমি আসতেছি তুমি যাও।এটা বলা মাএই আম্মু চলে গেলো আম্মুকে কী ভাবে বুজাবো যে ওরা দুই বোনই আমাকে পছন্দ করে। আমি শুয়ে শুয়ে এইগুলো চিন্তা করতেছি এর ভিতরে কারো ফোন তাকিয়ে দেখি ফারজানার ফোন। ও কল দেবার পরে আমি রিসিপ করে নিলাম রিসিপ করার পরে ও কথা বলতেছে না।হ্যালো হ্যালো কথা বলছো না।
ফারজানা ঃ (কান্না) তুমিতো ভালো পারছো ওর সাথে ঘুরতে যেতে।
আবির ঃ আমি কী করবো ওর আব্বু অনেক অনুরোধ করার পরে আমি যেতে রাজি হয়ে যাই।আর তুমি কান্না করতছো কেনো।
ফারজানা ঃআমার অনেক কষ্ট লাগতেছে।তোমার সাথে ও ঘুরতে গিয়েছে তাই আমার বুকটা কষ্টে ফেটে যাচ্চে।
আবির ঃ উহহ আমি কিছুই বুজতেছি না আমি ওর সাথে কোথাও গেলে সমস্যা টা কোথায় বলোতো।
ফারজানা ঃ সমস্যা আছে বলেই বলতেছি।আর যদি কোনো খানে ওর সাথে ঘুরতে যাও তা হলে তোমার খবর আছে।
আবির ঃ আচ্চা যাবো না এখন রাখোতো আমার ঘুমাতে হবে কালকে আবার সকাল থেকে অনেক জায়গায় পড়াতে যেতে হবে।
ফারজানা ঃ আমার সাথে কী তোমার কথা বলতে ভালো লাগে না।
আবির ঃ কী বলবা বলো।
ফারজানা ঃ আবির I __You
আবির ঃ এটার বলার মানে কী আমি তো বুঝতেছি না।
ফারজানা ঃ তুমি একজন টিচার তাই এটা না ভুজারতো কোনো সমস্যা নেই।
আবির ঃ ভুজিয়ে দাও আমাকে।
ফারজানা ঃ পারবো না আর কালকে একটু তাড়াতাড়ি পড়তে এসো।
আবির ঃ ঠিক আছে ফোনটা কেটে দিলাম তার পরে মোবাইলটা বন্দ করে রাখলাম।ওরা দুই বোন মনে হয় আমাকে পাগল করে দিবে। আমি ঘুমিয়ে পড়লাম পরের দিন সকাল সকাল অনেক বাড়িতে পড়াতে আসলাম। বিকাল বেলা ওদের বাড়িতে চলে আসি। তারপরে টেবিলে বসে পড়ি।
লিজা ঃতোমাকে কতবার ফোন দিয়েছি আমার ফোনটা রিসিপ করলা না কেনো।
আবির ঃ তখন প্রাইভেটএয় ছিলাম তাই রিসিপ করতে পারি নী।
লিজা ঃ তা রিসিপ করবা কেনো ফারজানা দিলে তো রিসিপ করেই ফেলতা।
আবির ঃ এখন তাড়াতাড়ি বই বেড় করো তো।লিজা বই বেড় করলো কিন্তু ফারজানা বই বেড় করলো না ফারজানা আমি কী বলেছি শুনতে পাও নী। আর তোমার গাল দুটোতে কী হয়েছে।
ফারজানা ঃ কান্না) লিজা আমাকে চর দিয়েছে।তোমাকে সাথে কথা বলেছি তাই।😭😭😭😭
আবির ঃ লিজা এসব কেমন দড়নের ব্যাদবি। তোমারা দুজনে কেনো এমন করো।
লিজা ঃ ও আগে আমাকে কামর দিয়েছে।তাই আমি ওকে চর দিয়েছি।
ফারজানা ঃ ছ্যামরি তুই আগে আমাকে মেরেছিস।কারনটা হলো আমি তোমাকে কে কল দিয়েছি তাই।
লিজা ঃ ভালো করেছি তুই ওর সাথে কথা বলবি কেনো।
আবির ঃ (চিৎকার দিয়ে) চুপ একদম চুপ।
ফারজানা ঃ আমরা দুজনে চুপ হয়ে বসে পড়লাম সাথে একটু ভয়ও পেয়ে গেলাম।আবির আসকে অনেক রাগ হয়ে গিয়েছে।আবির পড়তেছে আর আমরা শুবতেছি। কোনো কথা বলতেছি না।
আবির ঃ আর শোনো কোনো ব্যাপার নিয়ে যদি তোমরা মারামারি করো তা হলে এখনেই পড়ালে শেষ আমি আর আসবো না।
লিজা ঃ ঠিক আছে আমরা আর কোনো দিনও মারামারি করবো না।শয়তানের বাচ্চা ফারজানা😠 আবির একটু যেতে দে তার পরে তোকে এমন পিটান পিটাবো তুই সেটা জীবনেও ভাবতে পারবি না। কিছুখন পরে আবির পড়িয়ে চলে গেলো। তাই আমি ওর চুল টেনে দড়লাম।
ফারজানা ঃ লিজা আমাকে ছেড়ে দে আমার কিন্তু লাগতেছে।
লিজা ঃ তুই নালিশ করছিস কেনো।আর শোন আবির কাছে যতই নালিশ করিস না কেনো ও আমাকে কিছুই বলবে না।
ফারজানা ঃকেনো তুই কী ওর সাথে রিলেশন করিস না কী।
লিজা ঃ হুম করি।তোর কী কোনো সমস্যা
ফারজানা ঃ লিজা ওকে আমাকে দিয়ে দে প্লিস ওকে আমি অনেক ভালোবাসি ওকে নিয়ে প্রতিদিন কত সপ্ন দেখি তা তোকে বলে বুজাতে পারবো না।
লিজা ঃ সপ্ন কী তুই একা দেখিস আমি দেখি না। আমি সেদিনও সপ্ন দেখেছি ওর সাথে আমার বিয়ে হয় গিয়েছে।
ফারজানা ঃ সেই আশা তোর কোনো দিন পুরান হবে না।
লিজা ঃ তুই যেটা পারিস সেটা করিস আমি তোকে আর বাদা দিবো না।
ফারজানা ঃ লিজা আমারা দুজনে কত মিলে মিশে থাকতাম। আর এখন তুই আমার সাথে এমন কেনো করিস।
লিজা ঃ তুই আমার ভালোবাসার মানুষটিকে কেরে নিতে এসেছিস কেনো তাইতো তোর সাথে এমন করতেছি।আমার ভালোবাসার মানুষটির ভাগ আমি কাউকেই দিতে পারবো না।
ফারজানা ঃ আমিও দিতে পারবো। এটা বলা মাএই লিজা উঠে চলে গেলো।আমি শুয়ে পড়লাম আর আবির এর কথা ভাবা শুদু করে দিলাম। ওর কথা ভাবতে ভাবতে আমার চোখে ঘুম এসে পড়লো তাই আমি ঘুমিয়ে পড়লাম।এভাবে অনেক দিন কেটে গেলো।নিজে নিজে ভাবলাম আমি আর অপেক্ষা করতে পারতেছি না আসকেই ওকে পোফস করবো তাই আমি সকাল সকাল গিয়ে ওর জন্য একটা ফুল কিনে নিয়ে আসলাম।
লিজা ঃ ছাদের একপাশে বসে আছি।ফারজানা যদি কিছু বলে দেয় তা হলে আমিতো ওকে হারিয়ে ফেলবো।যাইহোক ও বলার আগেই আমি ওকে ভালোবাসার কথাটা বলে দিবো।
আবিরঃ প্রতিদিনের মতো আসকেও ওদের পড়াতে আসলাম।এসে দেখালাম ওরা দুজনই শাড়ি পড়ে বসে আছে ওদের আসকে অনেক সুন্দার লাগতেছে। আমার মথাটা গেলো না কী আমি এগুলো কী ভাবতেছি।আসকে কী কোথাও বেড়াতে যাবা না কী।
লিজা ঃ কেনো।
আবির ঃ এতো সুন্দার ভাবে দুজনে সেজে আছো তাই বলতেছি।
লিজা ঃ ওকে বেশি সুন্দার লাগছে না কী আমাকে।
আবির ঃ তোমরা তো দুজনই অনেক সুন্দার তাই তোমাদের দুজনেই অনেক সুনদার লাগতেছে।
ফারজানা ঃ আমি ফুলটা বেড় করে আবির এর হাতে দিলাম। আবির আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি।তুমি যদি আজ আমাকে ফিরিয়ে দাও তা হলে আমি শেষ হয়ে যাবো।এর ভিতর লিজা বল উঠলো।
লিজা ঃতুই আবির কে পোফস করেছিস কেনো।আবির তুমি ওকে ভালোবাসবে না তুমি শুদু আমার আমি তোমাকে আমার নিজের থেকেও বেশি ভালোবাসি।
Next❤️ Comming ❤️