দুই বউয়ের রোমান্টিক অত্যাচার🍂 Romantic Love Story
পর্ব ঃ ৪থ
লেখক ঃ আবির🍂ফারজানা🍂লিজা
ফারজানা ঃ আমি ফুলটা বেড় করে আবির এর হাতে দিলাম। আবির আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি।তুমি যদি আজ আমাকে ফিরিয়ে দাও তা হলে আমি শেষ হয়ে যাবো।এর ভিতর লিজা বল উঠলো।
লিজা ঃতুই আবির কে পোফস করেছিস কেনো।আবির তুমি ওকে ভালোবাসবে না তুমি শুদু আমার আমি তোমাকে আমার নিজের থেকেও বেশি ভালোবাসি।
আবির ঃ এগুলো তোমরা কী শুরু করছো।আমি তোমাদের কাউকে ভালোবাসতে পারবো না। আর আসকেই তোমাদের পড়ানো শেষ আমি আর আসবো না তোমাদের পড়াতে।
ফারজানা ঃ প্লিস আবির তুমি একটু বুজো আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি।তুমি ছাড়া আমি আর কাউকে ভাবতে পারি না।
আবির ঃ চুপ কর।এটা বলে আমি ওখান থেকে চলে আসি।
লিজা ঃ সব শেষ হয়েছে তোর জন্য ও যদি না পড়তে আসে তা হলে আমি আর বাছবো না
ফারজানা ঃ তুমি আমরা সাথে এভাবে উঠে পড়ে লেগেছিস কেনো।তুই ওকে আমার হাতে তুলে দিলেই তো পারিস।
লিজা ঃ তুই ওকে আমার হাতে তুলে দে।ওকে আমি কতটা ভালোবাসি তা শুদু আমিই যানি।
আবির ঃ আমি বাড়িতে এসে পড়ি।আর এসে শুয়ে শুয়ে ভাবতেছি যানতাম এটাই হবে।ওর দুবোন আমার ভিতরে কী এমন দেখেছে এর ভিতরে আমরা মোবাইলটা বেজে উঠলো তাকিয়ে দেখি ফারজানা ফোন তাই আমি আর রিসিপ করলাম না কেটে দিলাম বাড় বাড় দিতেছে আর আমি কেটে দিচ্চি রাতে বেলা।হঠাৎ লিজার আব্বুর কল।
লি বাবা ঃআবির কই তুমি তাড়াতাড়ি চলে আসো হাসপাতালে ওর দুবোনে অনেক অসুস্ত একজন এয় বিশ খেয়েছে আর একজন এয় হাতের শিড়া কেটেছে।
আবির ঃ কথাটা শুনে হাত দিয়ে ফোনটা পড়ে গেলো।তাই তোর গড় করে হাসপাতালের দিকে রহনা দিবো এমন সময়।
মা ঃ আবির এতো তোর গোড় করে কোথায় যাইতে আসিস।
আবির ঃ তার পরে আম্মুকে ঘড়ে যাওয়া সব ঘটনা খুলে বললাম।
মা ঃ আমিও যাবো তোর সাথে।
আবির ঃ আম্মু আর আমি হাসপাতালে চলে আসি এসে দেখি ওর আত্তিও সজন সবাই কাদতেছে।তাই আমি লিজার আব্বুর কাছে চলে আসি।
লি বাবা ঃ বাবা তুমি এসেছো। কেনো যে ওরা দুবোন এমন করলো তা আমি কিছুই ভুজতেছি না।
আবির ঃ তার পরে আংকেল কে সব কিছু বললাম।
লি বাবা ঃ এতো সব হয়ে গিয়েছে।
আবির ঃ হুম আমি আপনাদের আগে যানাতে চেয়েছি কিন্তু ওদের জন্য কিছুই বলতে পারি নী। ওর বাবা সাথে কথা বলতেছি কিছুখন পরে ফারজানা আব্বুও আসলো আমিও তাকে সব কিছু বলললাম।তার কিছুতেই এটা মেনে নিতে পারছে না তার পরে একজন ডাক্তার এসে বললো ওর এখন নিরাপদ।তার পরে সবাই রুমে ডুকে পড়লাম।
লিজা ঃ (কান্না)ও বলে আমাদের আর পড়াবে না তা হলে ও এখানে এসেছে কেনো। তোমারা কেনো আমাদের বাছিয়েছো।মরে গেলে হয়তো এসব আর দেখতে হতো না। আবির কে আমি কতটা ভালোবাসি তা শুদু আমি যানি আর আমার আাল্লাহ যানে।
আবির ঃ চুপ করোতো।আমি ওদের পরিবারে সবাই কে বাহিরে পাঠিয়ে দিলাম তার পরে ওদের দুজনের সাথে কথা বলা শুদু করে দিলাম।তোমারা কেনো এটা করেছো।
ফারজানা ঃ আবির তুমি আমাকে ছেড়ে যেও না আমি তোমাকে সত্যিই অনেক ভালোবাসি তোমাকে নিয়ে কত সপ্নবুনিছি।
আবির ঃ ফারজানা লিজা এসব তোমাদের এখন আবেগ কিছুদিন পরে হয়তো সব ঠিক হয়ে যাবে।
ফারজানা ঃ এটা মোটেও আবেগ না আমি তোমাকে আমার মন রিদয় দিয়ে ভালোবাসি।
আবির ঃতোমাদের দুজকে আমি কী ভাবে ভালোবাসবো বলো।
ফারজানা ঃ তুমি যদি চাও তা হলেই সম্ভাব।আর একটা কথা শুনো তোমাকে যদি না পাই তা হলে আমি আর বাছতে চাই না।
আবির ঃ তোমরা দুজনেই আমার থেকে ভালো ছেলে বিয়ে করতে পারবে।
ফারজানা ঃ তোমাকে ছাড়া আমার আর কাউকে প্রয়োজন নেই।
আবির ঃ আমি উঠে লিজার আব্বুর সাথে আর ফারজানার আব্বুর সাথে কথা বলতে চলে আসি। আংকেল এখন আমি কী করবো আপনারই বলে দিন। লিজার আব্বু বললো
লি বাবা ঃআবির তার চেয়ে তুমি আমার মেয়ে কে বিয়ে করো।একটাএ মেয়ে ওকে হারালে হয়তো আমরা আর বাছবো না।
আবির ঃআংকেল আমাদের পরিবারে আবস্তা তেমন ভালো না।
লি বাবা ঃ আমি তোমার নামের সব কিছু লিখি দিবো।
আবির ঃ আংকেল আপনার সম্পতির উপারে আমার একটু লোভ নেই।
লি বাবা ঃ তুৃমি রাজি হয়ে যাও।
আবির ঃ ফারজানা বাবাও একি কথা তার মেয়েকে বিয়ে করতে বলছে। আমি তাই আম্মুর কাছে চল আসি।
আম্মু এখন আমি কী করবো বলো।
মা ঃ ওরা দুজনে হয়তো তোকে অনেক ভালোবাসে তাই তুই কী করবি তা তুই নিজে যানো।
আবির ঃ তুমি যদি না চাও তা হলে আমি ওদের বিয়ে করবো না।
মা ঃতুই যদি বিয়ে না করিস তা হলে ওর তো দুজনেই বলেছে যে নিজেকে শেষ করে দিবে।আল্লাহই বলেছে যে কারো যান বাছানে ফরজ তাই তুই রাজি হয়ে যা।
আবির ঃ আম্মু কাছে বিদায় নিয়ে লিজা আর লিজার আব্বুর কাছে চলে আসি। আংকেল আমি রাজি।
লি বাবা ঃ সত্যি বলতছো।
আবির ঃ হুম তবে ওদের সাথে আমার কিছু কথা আছে।
লিজার আাব্বু ঃ ঠিক আছে বলো গিয়ে।
আবির ঃ আমি ওদের কাছে চলে আসি।
লিজা ঃ তুমি আমার পাশে একটু বসো না মনে কত দিন তোমাকে দেখি নী।
আবির ঃ লিজা ফারজানা তোমাদের সাথে আমার কিছু কথা ছিলো।
লিজা ঃ কী কথা বলো।
আবির ঃ আমি তোমাদের দুজন কেই বিয়ে করতে চাই এতে কী তোমরা রাজি।
লিজা ঃ একে বাড়ে দুজনকে।
আবির ঃ যদি রাজি থাকো তা হলে বলবে তা না হলে আমি চলে গেলাম।
লিজা ঃ আমি ফারজানা সাথে কথা বলে বললাম। ফারজানা তুই কী রাজি।
ফারজানা ঃ আমি কিছুখন ভেবে বললাম যে আমি রাজি।
লিজা ঃ তা হলে আমিও রাজি।
আবির ঃ শুদু রাজি থাকলেই হবে না।আর কথা আছো তোমরা কোনো দিনপ ঝগড়া করতে পারবে না সব সময় মিলে মিশে থাকবে কোনো দিন আমি যানো দেখি না মারা মারি না করতে তোমরা কী রাজি এতে।
লিজা ঃ আমরা কোনো দিন ঝগড়া করবো শুদু তুমি রাজি হয়ে যাও।
আবির ঃ এসব সব কিছু মেনে নিতে পারলে আমি রাজি হবো। আর শোনো আমি প্রতিদিন তোমারদের সাথে থাকতে পারবো৷ না দড়ো একদিন লিজার সাথে ঘুমাবো।আর একদিন ফারজানা সাথে এভাবে কী তোমরা ভাগ করে নিতে পারবে।
ফারজানা ঃ হুম পারবো।
আবির ঃ লিজা তুমি কী পারবে।
লিজা ঃ হুম পারবো। তোমারা জন্য আমি সব কিছু করতে পারবো।
আবির ঃ ঠিক আছে।তার পরে আমি বাড়িতে চলে আসি।ওরা দুজনে সুস্ত হবার পরে আমি ওদের বিয়ে করে নী।বাসর রাতটা ভালোই কেটেছে। আর গবিরে যাবার দরকার নেই এখন আসুন বাস্তবে আশা যাক। ওদের বিয়ে করেছি ছয় মাস এর ভিতর ওরা এজটু ঝগড়া করে নী সব সময় মিলে মিশে থেকেছে।ওদের কোনো আবদারের আমি কিছু অভাব রাখি নী সব সময় ওদের কথা মতো কাজ করেছি।তবে ওদেরকে আমি এখন অনেক ভালোবাসি আর ওরাও আমাকে অনেক ভালোবাসি।হঠাৎ শুনতে পেলাম কারোর ডাক।
ফারজানা ঃ ওই বাবু ফ্রেস হতে কী এতখন লাগে খাবার খাবে না।
আবির ঃ এইতো বাবু আরছি।আমি বেড় হয়ে গেলাম। তার পরেই ও আমাকে জড়িয়ে দড়লো।ছাড়ে না বাবু।
ফারজানা :ঃ ছাড়বো না একটুতো জড়িয়ে দড়েই আছি। আর তোমাকে একটু সময় না দেখলে পারলে আমার ভালো লাগে না
আবির ঃ শারাই আমার বুকে মাথা দিয়ে শুয়ে ছিলা এতে কী তোমার হয় নী।
ফারজানা ঃ হয়নী চলো খেতে যাবো।
আবির ঃ দাঁড়াও লিজাকে একটু ডেকে আসি।
ফারজানা ঃ আচ্চা যাও।
আবির ঃ আমি লিজার কাছে চলে আসি।কী করো সোনা খাবে না।
লিজা ঃ তুমি ডাক দাও নী তাইতো বসে আছি।
আবির ঃ এখনতো এসেছি তো চলো।
লিজা ঃ আমি আবির এর হাত দড়ে খেতে চলে আসি।দুজনে খাবার খেয়ে রুমে চলে আসি দেখতে পেলাম আবির অফিসে যেতেছে।
আবির ঃ যাইতেছি আমি।
লিজা ঃ আমার কাছে আসো।
আবির ঃ এইতো আরছি।
লিজা ঃ আবির আমার কাছে আসার সাথে সাথে আমার ঠোট আর ওর ঠোঁট একসাথে মিশিয়ে দিলাম। কিছুখন পরে ছেড়ে দিলাম এখন যাও আর সাবধানে যাবে কিন্তু।
আবির ঃ ঠিক আছে। আর তুমি ফাজিল হয়ে যাইতে আছো অনেক।
লিজা ঃ আমরা বর কে কিস করছি তাতে তোমার কি।
আবির ঃওর কাছে থেকো বিদায় নিয়ে ফারজানা রুমে চলে আসি এসে দেখে ফারজানা বিছানা ঘুছাতে আছে তাই ওকে সুর সুরি দিতে লাগলাম।
ফারজানা ঃ কী করছো ছাড়ো।আবির আমাকে কিছু বলতে দিলো না তার আগেই আমার ঠোট এর সাথে ওর ঠোট জোড়া দিয়ে চেপে দড়লো। কিছুখন পরে ছেড়ে দিলো।
সবার কমেন্ট দেখতে চাই🍂🥀
Next❤️Comming ❤️