গল্পঃ অবহেলিত স্বামী পর্বঃ ১০

 


গল্পঃ অবহেলিত স্বামী 

লেখকঃ শাওন আহমেদ নীল 

পর্বঃ ১০


আমিও ওদের পিছনে পিছনে গেলাম ওরা একটা রুমে গিয়ে রুম আটকে দিলো। নিধী বলতেছে কি করছো কি রুহান ছারো আমাকে চেচাব কিন্তুু আমি।। আমি দরজায় নক করলাম রুহান দরজা খোলে দিলো। দরজা খোলার সাথে সাথেই

রুহানের বোকে লাথি দিয়ে ফেলে দিলাম। আস্তে আস্তে সবাই এখানে আসলো, আমি রুহান কে মারতে লাগলাম। এতোক্ষনে নিধীর হালকা নেশা কেটে গেছে।।   


নিধী এসে আমাকে থামাতে চাইলো, আমি থামলাম না দেখে নিধী আমার গালে থাপ্পর দিলো। আমি অবাক হয়ে গালে হাত দিয়ে দাড়িয়ে আছি। 

সবার সামনে নিধী আমার গায়ে হাত তুললো,। সবায় অবাক হয়ে গেছে, । 


নিধীঃ ছোটলোকের বাচ্চা তর সাহস হয় কি করে রুহানের শরীরে হাত তুলার??

আমিঃ ও ত আপনার সাথে খারাপ বিহেভিয়ার করছিলো। 

নিধীঃ সেটা আমি বুঝব। জানোয়ারের বাচ্চা যাদের বাবা মার ঠিক নাই তারা কি ভদ্রতা শিখছে নাকি,। 


এই কথা বলার সাথে সাথে আমি নিধী গালে একটা থাপ্পর মেরে দিলাম৷ নিধী গালে হাত দিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। 


আমিঃ অনেক হয়েছে আর না, অনেক সয্য করেছি বাট কখনো ভাবি নাই আমার বাব- মা নিয়ে গালি দিবি তুই। তুই আমার সম্পর্কে কতোটা জানিস। আর কথায় কথায় কি বলস ছোটলোক 

আরে আমার বাবা চাইলে তদের মতো বড়লোক

দের সকাল বিকেল কিনতে পারে।।। শুধু আংকেল কে কথা দিয়েছিলাম তাই এতো দিন এসব সয্য করেছি,৷ আর না আর সয্য করব না।।। তর মতো মেয়ে আমার বাসার সামনে সব সময় সিরিয়াল দরে থাকে, বাট আমি কিনা তর মতো অহংকারি একটা মেয়ের প্রেমে পড়লাম।। গুড বাই মিস নিধী। 


এই বলে আমি ওখান থেকে বেরিয়ে আসলাম। ওখান থেকে এসে রানার বাসায় চলে গেলাম। গিয়ে রানা কে সব বললাম,। রানা বলল ওদের বাসায় যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই আমার। 

আমি রানা কে বলে দিলাম আমি আমার বাসায় চলে যাবো,।। রানা অবাক হয়ে বললো,। 


রানাঃ তর বাসা কোথায়?

আমিঃ ডাকা। 

রানাঃ তাহলে তুই এখানে কি করিস? 


দেন আমি রানাকে সব বললাম। সব শুনে রানা আমাকে জড়িয়ে দরে কেঁদে দিলো। রানা বলতে লাগলো, দোস্ত তর ভিতরে এতো কষ্ট বোঝায় যায় না। রানা অনলাইনে সকাল ছয়টার বাসের টিকেট কেটে রেখলো।।  


ওদিকে ত নিধীর ফ্রেন্ড রানা নিধীকে অনেক কথা শুনাতে লাগলো। ছেলেটা তর ইজ্জত বাঁচালো আর তুই তার সাথে কি ব্যবহার টাই না করলি।  

সবাই নিধীকে এসব কথা শুনাতে লাগলো, নিধী কাঁদতে কাঁদতে বাসায় চলে গেলো। 


আমার ফোন আমি অফ করে রাখলাম, আংকেল আর নিধী নাম্বারে কল দিতে লাগলো,রানা বলে দিলো ও যানে না আমি কোথায়। আমি আর রানা ঘুমিয়ে পড়লাম।। সকালে রানা বাস স্টেশন পর্যন্ত আমাকে ড্রপ করে দিলো৷।।   


সকালে এগারোটার সময় আমি ডাকা গিয়ে পৌছালাম। একবছর দুই মাস পরে সেই চেনা শহরে পা রাখলাম। আমি আমার পুরনো সিম টা চালু করলাম, আমার ফ্রেন্ড জয় কে কল করলাম। কল দেওয়ার সাথে সাথে জয় কল রিসীভ করলো,। 


জয়ঃ নীল কোথায় তুই? যানিস তর সাথে যোগাযোগ করার কতো চেষ্টা করেছি। 

আমিঃ স্টেশনে আছি এসে নিয়ে যা। 

জয়ঃ ওয়েট আসতেছি আমি।। 


কিছুক্ষনের মধ্যোই জয় এসে পড়লো, জয় এসেই আমাকে জড়িয়ে দরলো। আমিও জয় কে জড়িয়ে দরলাম। জয়কে ছারা আমি কখনো এতোদিন দুরে থাকিনি।। আগে আমরা টাংগাইলে থাকতাম তখন একসাথে স্কুলে পড়তাম, আমরা তখন ক্লাস টু তে পড়ি, আমার আব্বু ডাকা এসে পড়ে তখন। আমরা ডাকা আসার পর জয় দুইদিন না খেয়ে ছিলো আমার কাছে চলে আসবে বলে।। পড়ে জয়ের আব্বু ও ডাকা এসে পড়ে।।।।।।


জয়ঃ কেমন আছিস, কই ছিলি তুই? 

আমিঃ সব ই বলব চল বাসায় যায়।। 

জয়ঃ হ্যাঁ চল।। 


দেন আমি বাসায় চলে গেলাম৷ বাসা টা কেমন অন্যরকম লাগতেছে, আমি গেটের সামনে দাড়িয়ে আছি। ভিতরে ডুকার সাহস পেলাম না, দারোয়ান আমাকে দেখেই দৌড়ে আসলো এসেই আম্মু কে ডাকতে লাগলো,,,, 


# চলবে

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post