গল্পঃ অবহেলিত স্বামী
লেখকঃ শাওন আহমেদ নীল
পর্বঃ ৮
আমরা কথা বলতে লাগলাম নিধী আসলো আমাদের কাছে এসে বললো, আব্বু শপিংএ যেতে বলছে। আমি রানার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে শপিং এ চলে গেলাম।। আমরা শপিং থেকে বাসায় চলে আসলাম। বাসায় এসে সব কিছু গুছগাছ করে নিলাম। রাতে আংকেল ফ্লাইটের টিকেট দিলো।
সকাল দশটার ফ্লাইটে আমার কক্সবাজার চলে গেলাম।
কক্সবাজার এসে আমরা রেসুটে চলে গেলাম। সব কিছুই আংকেল ঠিক রেখেছে আমরা আমাদের রুমে চলে গেলাম৷ রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে লাঞ্চ করে নিলাম। দেখতে দেখতে রাত হয়ে গেলো,,
নিধীঃ চলো বাহিরে যাবো।
আমিঃ ওকে।
দেন আমরা রেডি হয়ে সমুদ্রের তীরে গেলাম। নিধী একটু আগে আগে হাটছে, আমি একটু পিছনে পিছনে হাটছি। বিচের পাড়ে গিয়ে নিধী রয়লো, আমিও ওর সাথে দাড়িয়ে আছি, । একটু পড়েই আমার চোখ একটু সামনে পড়লো, হ্যাঁ একটা মেয়ে আসছে, মেয়েটা আমার খোব চেনা,, একটা সময় যার মুখ না দেখলে আমার ঘুম হতো না। যাকে ছারা আমার সময় ই কাটত না।।। সে এসেই আমাকে জড়িয়ে দরে কেঁদে দিলো,। তার সাথে তার বান্ধবী গুলাও আছে৷।
বৃষ্টিঃ কোথায় ছিলি নীল তুই?
আমিঃ কে আপনি?
বৃষ্টিঃ আমাকে চিনতে পারছিস না,,।
আমিঃ না
নিধী এসে বৃষ্টি কে আমার থেকে ছাড়িয়ে নিলো,।
নিধীঃ এই মেয়ে আপনার সাহস হয় কি করে আমার স্বামী কে জড়িয়ে দরতে।।
বৃষ্টিঃ নীল তুই বিয়ে করে নিছিস??
আমিঃ আপনার কোথাও ভুল হচ্ছে আমি ত আপনাকে কোথাও দেখছি আমার মনে হয় না।।
বৃষ্টিঃ প্লিজ নীল।
নিধীঃ এই বেহায়া মেয়ে ও আপনাকে বলে দিছে না একবার যে ও আপনাকে চিনে না,, তারপড়েও কেন বিরক্ত করতেছেন।
আমি ওইখানে আর এক মুহুর্ত দাড়ালাম না,,আমি রেসুটে আমার রুমে চলে আসলাম। রুমে এসে ভাবতে লাগলাম এই মেয়েটার জন্য আমি বাসা ছারা হয়েছি৷ বাট নিধী একটু জেলাস হয়ছে নিধী ও আমাকে ভালোবাসতে শুরু করেছে।। আমার পিছন পিছন নিধী ও রুমে আসলো,।।
নিধীঃ নীল ওটা কে?
আমিঃ চিনি না,।।
নিধীঃ সত্যি ত?
আমিঃ হ্যঁ একদম সত্যি।। আর হ্য বাসায় চলে যাবো চলেন।
নিধীঃ হোয়াট বাসায় কেন যাবো?
আমিঃ ওকে আপনি থাকেন আমি চলে যাবো,।
নিধীঃ একটা কথা বলি।
আমিঃ বলেন,।
নিধীঃ চলো আমরা সাজেক যায়।
আমিঃ আংকেল কে জানাতে হবে।
নিধীঃ না আব্বুকে বলতে হবে না আব্বুকে আমি সব বলে দিবো ।।
আমিঃ ওকে।।
দেন আমরা রেসুট থেকে বের হয়ে রাঙামাটির উদ্যোশ্য রওনা দিলাম। যেতে যেতে আমাদের অনেক রাত হয়ে গেলো। এখানে আমার একটা ফ্রেন্ড আছে তাকে কল দিলাম। আমার কল পেয়ে সে একধম অবাক হয়ে গেলো। পুরো নয়মাস পড়ে
তাকে কল দিলাম।
আমিঃ হ্যলো কই তুই
রিফাতঃ আমি ত বাসায়।
আমিঃ আমি তদের বাসার আসেপাশে আছি।
রিফাতঃ লোকেশন পাঠা, ।
দশ মিনিটের মধ্যো রিফাত আমাদের কাছে চলে আসলো। এসেই আমাকে জড়িয়ে দরলো, ।
রিফাতঃ দোস্ত কেমন আছিস তুই?
আমিঃ আলহামদুলিল্লাহ ভালো
তুই?
রিফাতঃ এই ত ভালো।। সাথে কে এইটা?
আমিঃ তর ভাবি।
রিফাতঃ না জানিয়ে বিয়ে করে নিলি।। আর তুই আর বাসায় যাস নাই?
আমিঃ না দোস্ত সময় হলে সব বলবো।।।। এখন ভালো একটা হোটেল বুক কর দে।।
রিফাতঃ আম্মু তকে নিয়ে বাসায় যেতে বলছে। আর আমার বাসায় ই উঠবি।
আমিঃ না এক সময় যেয়ে আন্টির সাথে দেখা করে আসবো।।
এরপর রিফাত একটা হোটেলে আমাদের জন্য রুম বোক করে দিয়ে চলে গেলো।। আমি আর নিধী রুমে চলে গেলাম। রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নিলাম, সারাদিন জার্নি করাতে অনেকটাই ক্লান্ত লাগছে।
আমি রানা কে কল করে বলে দিলাম আমি সাজেক আসছি।। দেন আমরা ডিনার করে ঘুমিয়ে পড়লাম।।
সকালে ঘুম থেকে উঠে আমরা নাস্তা করে, রিফাত দের বাসায় চলে গেলাম। সারাদিন ওইখানে কাটিয়ে সন্ধ্যার সময় রিফাতের বাসা থেকে বাহির হলাম। দেখি একটা টং দোকানের মতো দোকান ওইখানে ভাং বিক্রি হচ্ছে। ৷ মাটির গ্লাসে সবাই খাচ্ছে।। নিধীর চোখটাও ওদিকেই পড়লো,। নিধী জিঙ্গাস করলো ওটা কি, আমি বললাম চিনি না।
নিধী বললো ওটা খাবে অনেক বার না করার পড়েও শুনলো না,। দেন জুড় করে খেয়েই ফেললো।। একসম নিধী নেশায় পড়ে গেলো। আবোল তাবোল বকছে। আমি নিধীকে নিয়ে রেসুটে চলে গেলাম।। নিধী ওয়াশরুমে চলে গেলো
ওয়াশরুমে গিয়ে বমি করতে লাগলো,। নিধী কে নিয়ে এসে শুয়িয়ে দিলাম, বাট ওর ড্রেস টা নষ্ট হয়ে গেছে।। কি করব বুঝতেছি না ও ত একবারে সেন্সলেস হয়ে পড়েছে।।।
নিধী সকালে ঘুম থেকে উঠেই আমাকে গালাগালি করতে শুরু করলো।
# চলবে
