দুই বউয়ের রোমান্টিক অত্যাচার 🍂 Romantic Love Story
পর্ব ঃ ৫ম (শেষ পর্ব)
লেখক ঃ আবির🍂ফারজানা🍂লিজা
আবির ঃওর কাছে থেকো বিদায় নিয়ে ফারজানা রুমে চলে আসি এসে দেখে ফারজানা বিছানা ঘুছাতে আছে তাই ওকে সুর সুরি দিতে লাগলাম।
ফারজানা ঃ কী করছো ছাড়ো।আবির আমাকে কিছু বলতে দিলো না তার আগেই আমার ঠোট এর সাথে ওর ঠোট জোড়া দিয়ে চেপে দড়লো। কিছুখন পরে ছেড়ে দিলো।
আবির ঃ আমি অফিসে গেলাম কিন্তু।
ফারজানা ঃ যাও সাবধানে দেখে শুনে পথ চলবে।আর শুনো যাবার পরে ফোন দিবে কিন্রু।
আবির ঃ আচ্চা বাবা দিবো।আর আমি যানো দেখি না মারা মারি করতে দুজনে মিলেমিশে থাকবে।
ফারজানা ঃ এসব তো অনেক আগেই ছেড়ে দিয়েছি।
আবির ঃ আমি অফিসে চলে আসি তার পরে লিজা কে কল দিলাম। কী করো সোনা
লিজা ঃ ফারজানা সাথে বসে আছি সোনা তুমি কী অফিসে পৌঁয়েছো।
আবির ঃ হুম এখন ফারজানা কাছে ফোনটা দাও তো।
ফারজানা ঃ বলো বাবু।
আবির ঃ আমি এসেছি।
ফারজানা ঃ আসকে একটু তাড়াতাড়ি বাড়িতে এসো আসকে একটু ঘুড়তে যাবো।
আবির ঃ আচ্চা আসবো।
আবির ঃ আমি অফিসের কাজ কাজ করা শুদু করে দিলাম।তার পরে সব কাজ শেষ করে বাড়িতে চলে আসি খাওয়া দাওয়ার পরে লিজার রুমে চলে আসি।তার পরে ওকে জড়িয়ে দড়ে শুয়ে পড়লাম।
লিজা ঃ ও আমার কলিজাটা একটু শুনো না।
আবির ঃ হুম কলিজা বলো।
লিজা ঃ অনেক অনেক ভালোবাসি ।
আবির ঃ আমিও আমার কলিজাটাকে অনেক অনেক ভালোবাসি।
লিজা ঃ কাকে বেশি ভালোবাসো আমাকে না আমার সতিন কে।
আবির ঃ তোমাদের দুজনকেই আমার নিজের থেকেও বেশি ভালোবাসি। তোমাকেও অনেক ভালোবাসি আর ওকেও অনেক ভালোবাসি।
লিজা ঃ আসকে নাকী ঘুড়তে নিয়ে যাবা।
আবির ঃ হুম দুজনকেই অনেক জায়গায় আসকে ঘুড়াবো।
লিজা ঃ ummmah আমি আবির এর বুকে মাথা রেখে শুয়ে পড়ালাম। বিকাল বেলা আবির কে ডা দিয়ে উঠালাম তার পরে তিন জনে ঘুড়তে বেড় হলাম।আবির এর একহাত ফারজানা দড়েছে আর একহাত আমি দড়েছি। তিন জনে হাড়তেছি।অনেক খন হাটা হাটির পরে একটা পার্কের সামনে চলে আসি।
আবির ঃ কেমন লাগতেছে আছে তোমাদের দুজনের।
ফারজানা ঃ অনেক ভালো। আমরা তিন জনে কথা বলতেছি এর ভিতর আবির একটা মেয়ে দিকে তাকিয়ে রয়েছে।তুমি ওই মেয়েটার দিকে তাকিয়েছো কেনো।
আবির ঃ কই তাকিয়েছি চোখ পড়ছে।আর আমি ইচ্চে করে তাকাই নী।
ফারজানা ঃ তুই আর আমার সাথে কথা বলবি না।
আবির ঃ আরে আল্লাহ কী করলাম যার কারনে তোমরা দুজনেই এভাবে রেগে গেছো কেনো।
ফারজানা ঃলিজা বাড়িতে যাবি আমি আর এখানে থাকতে চাই না।
লিজা ঃ চল আমিও যাবো।
আবির ঃ এটা বলে দুজনে হেটে গেলো আমি তো আবুল হয়ে ওখানে বসে রয়েছো হায় রে আমি কী করলা। আপনার biwas করেন আমি অন্য মেয়েদের দিকে তাকাই নী।একটু চোখ পড়েছে।তাতেই ওরা এভাবে রেগে গিয়েছে।বাসা থেকে বেড় হবার আগেই আমাকে বলে এনেছে যে কোনো মেয়ের দিকে যানো না তাকাই। আমি বাড়ির দিকে রহনা দিলাম এসে দেখি ফারজানা দরজার আটকানো। ও সোনা একটু দরজাটা খুলো না।
ফারজানা ঃ কান্না) তুই পার্ক যা আমার কাছে কিছু নেই।
আবির ঃ এই দেখো আমি আশার সময় accident করছি পা টা কেটে গিয়েছে।
ফারজানা ঃ কথাটা শুনে আমি তাড়াতাড়ি এসে দরজা খুলে দিলাম এমন সময় আবির এসে আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে দড়লো।
আবির ঃ কেনো এভাবের রাগ করো বলো বলছি না আমি ওই মেয়ের দিকে তাকাই নী আমার বউ থাকলে আমি অন্য মেয়ের দিকে কেনো তাকাবো বলো।
ফারজানা ঃ তোমার কী হয়েছে দেখি।
আবির ঃ কিছু হয় নী। তুমি রাগ করেছো তাই এটা বলেছি।আমার পাগলি বউটা যদি রাগ করে আমার একটু ভালো লাগে না।
ফারজানা ঃ আমি ওকে আমার বুকের সাথে জোড়ে চেপে দড়লাম।তোমার সাথে লিজা অনেক রাগ হয়ে আছে।আশার সময় ও অনেক কান্না করেছে।
আবির ঃ আচ্চা আমি ওর সাথে একটু দেখা করে আসি।
ফারজানা ঃ যাও।
আবির ঃ আমি লিজার রুমে চলে আসি এসে দেখি।ওকাদতে আছে তাই গিয়ে ওকেও শক্ত করে জড়িয়ে দড়লাম।
লিজা ঃ (কান্না) আমি তোমার কেউ না তাই আমার কাছে এসো না।
আবির ঃ তার পরে ওকে সব কিছু বুজানো পরে ওর রাগ ভাংতে পেরেছি।
লিজা ঃ আসকে কিন্তু তুমি আমার সাথে ঘুমাবা। আসকে তোমার কাছে একটা জিনিষ চাবো।
আবির ঃ সেটা কী বলো
লিজা ঃ রাত হয় তার পরে বলবো।
আবির ঃ ঠিক আছে। রাতে বেলা লিজা আর আমি শুয়ে আছি তার কারন টা হলো আসকে ওর সাথে ঘুমাবো।
লিজা ঃ আমার একটা আবির এর মতো কিউট বাবু চাই।
আবির ঃ তাই আমি ওর উপারে পরে যাই বাকি টা আমি নিজেও যানি না সকাল বলে ওদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে অফিসে চলে আসি।আসকে আবার ফারজানা কাছে ঘুমাতে চলে চলে আসি।
ফারজানা মাথাটা অনেক ব্যাথা করতে আছে।
ফারজানা ঃ কী হয়েছে তোমার।
আবির ঃ মাথায় ব্যাথা করতে আছে।
ফারজানা ঃ আমি ওর বুকের উপার শুয়ে ওর মাথা টা চেপে দিতেছি।ওই আবির তোমার না কী মাথা ব্যাথা করতেছে তো এয় রকম dustame. করো কেনো।
আবির ঃ তাতো কোন সময় সেরে গিয়েছে তাই তো আমার দুষ্টামিও বেড়ে গিয়েছে।
ফারজানা ঃ আসকে আমার কাছ থেকে কিছুই পাবে না।শারা দুজনে এভাবে থাকবো আর গল্প করবো এমনেতো কালকে তোমার অফিস ছুটি ।
আবির ঃ বললেই হলো না কী।
ফারজানা ঃ আমি যেটা বলেছি সেটাই হবে
আবির ঃ তা হলে আমি লিজার কাছে চলে যাই।
ফারজানা ঃ তুই কোথায় যাবি হ্যায় সাহস থাকলে যা।
আবির ঃ তা হলে একটু আদক করি।
ফারজানা ঃ আমি তা যানি না
আবির ঃ আমি ওকে আদর করা শুরু করে দিলাম। তার পরে ওর রসে বড়ার মিষ্টি ঠোটে আমার ঠোট মিশিয়ে দিলাম।
আমি আমার দুই পাগলি বউকে নিয়ে অনেক সুখে আছি দোয়া করবেন আমাদের জন্য এই মায়ার বাদন যানো শারা জীবন থাকে। যদি গল্পটা আপনাদের কাছে ভালো লেগে থাকে তা হলে একটা comment করে যাবেন ।দেখা হবে নতুন কোনো গল্পে ততখন সবাই ভালোথাকবেন সুস্ত থাকবেন । (সমাপ্ত)
-- এই গল্পটা পড়ে কেউ আবার দুই বিয়ে কইরের না তা হলে আদর এর বদলে কিন্তু ঝাড়ুর বাড়িও খাইতেও পাড়েন🙈🍂
Amar nojor lagbe kintu
ReplyDeleteভাই গল্পটা অনেক সুন্দর হয়েছে
ReplyDelete